অভিযুক্ত ব্যাক্তির 'নিঃশর্ত মুক্তি' এবং 'জামিন' এক কথা নয়৷যে কোন ফৌজদারী মামলায় উপযুক্ত আদালতে জামিন চাওয়ার অধিকার নাগরীকদের সাংবিধানিক অধিকার এবং জামিন পাওয়ার অধিকারও সাংবিধানিক৷ মামলায় জামিন পাওয়ার অর্থ এই নয় যে--মামলার বিচার হবেনা, মামলাটির মেরিট বিনষ্ট হয়েছে অথবা মামটির অপমৃত্যু ঘটেছে৷
দেশদ্রোহীতা, গুজব সৃষ্টি ও প্রচার, উদ্দেশ্যমূলক আইন শৃংখলা অবনতি ঘটানোর নিমিত্তে উস্কানী, মিথ্যা বক্তব্য প্রকাশ ও প্রচার, পরিকল্পিত ও উদ্দেশ্যমূলক ষড়যন্ত্র ইত্যাদি রাষ্ট্রের দৃষ্টিতে ফৌজদারী অপরাধ৷
সম্প্রতি জনস্বার্থ সম্পৃত্ত অহিংস 'কোটা আন্দোলন ও শিশু কিশোরদের নিরাপদ সড়ক আন্দোলন'কে কেন্দ্র করে, যে সমস্ত 'ব্যাক্তি ও প্রতিষ্ঠান, সামাজিক, ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক সংগঠন, জনসম্পৃত্ত মিডিয়া,গোষ্টি, সম্প্রদায় অথবা রাজনৈতিক দল তাঁদের কায়েমী স্বার্থ চরিতার্থ করার উদ্দেশ্যে আন্দোলনে অনুপ্রবেশ অথবা অন্যস্থান থেকে সহিংসতা বা সহিংসতার উস্কানি দিয়েছে, নিঃসন্দেহে তাঁরা বৃহত্তর জনগোষ্টির স্বার্থহানী ঘটানোর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছিলেন৷ বৃহত্তর জনগোষ্টির স্বার্থে পরিচালিত 'কোটা ও সড়ক' অহিংস আন্দোলনে শান্তিপূর্ণ অংশগ্রহন-- উৎসাহী যে কোন নাগরিকের নাগরিক অধিকার৷ অপরপক্ষে উক্ত শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকে সুরক্ষা দেয়া রাষ্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব ও কর্তব্য৷
রাষ্ট্র এবং সরকার উল্লেখিত আন্দোলনে সহিংসতার উদ্দেশ্যে অনুপ্রবেশ, মিথ্যা গুজব সৃষ্টি, মিথ্যা প্রকাশ ও প্রচার, রাষ্ট্রযন্ত্র, রাষ্ট্রের এক বা একাধিক অঙ্গের বিরুদ্ধে অপপ্রচার, সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারী ব্যাক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নিয়েছেন৷ দেশ ও জনগনের কল্যানে সরকারের উল্লেখিত পদক্ষেপ অত্যান্ত সুখকর, সময়োপযোগী, বাস্তবমূখী এবং সার্বিক আইন শৃংখলা রক্ষায় যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে সর্বমহলে প্রসংশিত হচ্ছে এবং আরো হবে৷
বিগত অর্ধশত বছর বাংলাদেশের ছাত্র জনতা আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষে রাজপথে নিয়ন্তর আন্দোলন সংগ্রামে বুকের তাজা রক্ত ঢেলে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার অধিকার অর্জন করেছে৷জনগনের প্রত্যক্ষ নির্বাচনে জিজয়ী বর্তমান সরকার রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হওয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশের জনগনগনের পক্ষে "আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার কায্যকর উদ্যোগ গ্রহন করবে ইহাই স্বাভাবিক৷
বাংলাদেশের জনগনের কাংক্ষিত আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় বিঘ্ন সৃষ্টিকারী প্রত্যেক ব্যাক্তি ও সংস্থার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের অধিকার জনগন মহান মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের মাধ্যমে অর্জন করেছিল৷ মহান জাতি বাঙ্গালীর মহৎ জনক বঙ্গবন্ধু ১৯৭২ ইং সালে প্রনিত বিশ্বের শ্রেষ্ঠ লিখিত সংবিধানে, সাংবিধানিকভাবে জনগনের আকাংক্ষা প্রতিষ্ঠিত করেছিল৷
দুঃখ্যজনক হলেও সত্য-অবৈধ রাষ্ট্র ক্ষমতা দখলকারী প্রেতাত্বার সরকার দীর্ঘ বছর জনগনের কষ্টার্জিত সংবিধান পরিবর্তন, পরিবর্ধন, স্থগিত, বাতিল, সংযোজন, বিয়োজন করে আইনের শাসন ভুলুন্ঠিত করে বাংলাদেশের জনগনের সঙ্গে চরম প্রতারনা অব্যাহত রেখেছিল৷
মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশের জনগন প্রায় অর্ধশত বছর নিয়ন্তর আন্দোলন সংগ্রামে প্রতিনিয়ত রক্তের বন্যায় রাজপথ রঞ্জিত করে, অসংখ্য প্রানের বিনিময়ে, অজস্ত্র সম্পদ বিনষ্টের মাধ্যমে পূণঃরায় তাঁদের হৃত গৌরব, সংবিধান, সাংবিধানিক অধিকার, রাষ্ট্র পরিচালনার অধিকার অর্জন করেছে৷
জনগনের সরকার জনস্বার্থ বিবেচনায় সরকার পরিচালনা করবে, সাংবিধানিক রীতিনীতি কঠোরভাবে অনুসরণ করবে,আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার চলমান প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখবে, দুষ্টের দমন শিষ্টের পালন নীতি অনুসরণ করবে, উন্নয়ন অগ্রগতির চলমান চাকা সচল রাখবে, জনগনের সম্পদের সুরক্ষা দিবে,সদা সর্বদা জনকল্যানে নিবেদিত থাকবে সর্বোপরি কল্যান রাষ্ট্র বিনির্মানের পথে বাধা অপসারনে প্রয়োজনে রাষ্ট্রশক্তি প্রয়োগ করবে--জনগন একান্তভাবেই কামনা করে৷
সম্প্রতি উদ্ভেগজনক ভাবে লক্ষ করছি-- বিভিন্ন মিডিয়ায় ফৌজদারী মামলায় আইন শৃংখলা বাহিনী কতৃক গ্রেপ্তারকৃত ব্যাক্তিদের কৃত অপরাধ সম্পর্কে জেনেশুনে কতিপয় বরেন্য বুদ্ধিজীবি, শিল্পি, সাহিত্যিক, সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ তাঁদের 'নিঃশর্ত মুক্তি' দেয়ার আবদার করছেন৷ ইহা একান্তই অনভিপ্রেত, বালক সুলভ, নির্বুদ্ধিতা, স্বজনপ্রীতি, অনধিকারচর্চা, আইনের শাসন পরিপন্থি এবং সাক্ষাৎ অপরাধ এবং অপরাধির পক্ষাবলম্বন বলে আমি মনে করি৷ বাংলাদেশের জনগন দেশ ও জনগনের সম্মানের আধাঁর বিশিষ্ট ব্যাক্তিদের নিকট ফৌজদারী অপরাধীদের নিঃশর্ত মুক্তি দাবী আশা করেনা৷
উনারা'ই তো বলেন-"আইন সবার জন্য সমান"৷ উনারা কিভাবে, কোন বিবেকে রাষ্ট্রের আইন শৃংখলা বাহিনী কতৃক ধৃত রাষ্ট্রদ্রোহী ফৌজদারী অপরাধিদের নিঃশর্ত মুক্তি দাবী করেন? শুধু তাই নয়-তাঁদের সমতুল্য কোন এক বিশিষ্ট নাগরিকের বিচার এড়িয়ে যেতে রাষ্ট্রকে বাধ্য করতে চান?বাংলাদেশের জনগন প্রতিটি ক্ষেত্রে কতিপয় বিশিষ্ট বরেন্য ব্যাক্তিদের প্রতিনিয়ত দ্বিচারিতা আশা করেনা৷
"জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু"
দেশদ্রোহীতা, গুজব সৃষ্টি ও প্রচার, উদ্দেশ্যমূলক আইন শৃংখলা অবনতি ঘটানোর নিমিত্তে উস্কানী, মিথ্যা বক্তব্য প্রকাশ ও প্রচার, পরিকল্পিত ও উদ্দেশ্যমূলক ষড়যন্ত্র ইত্যাদি রাষ্ট্রের দৃষ্টিতে ফৌজদারী অপরাধ৷
সম্প্রতি জনস্বার্থ সম্পৃত্ত অহিংস 'কোটা আন্দোলন ও শিশু কিশোরদের নিরাপদ সড়ক আন্দোলন'কে কেন্দ্র করে, যে সমস্ত 'ব্যাক্তি ও প্রতিষ্ঠান, সামাজিক, ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক সংগঠন, জনসম্পৃত্ত মিডিয়া,গোষ্টি, সম্প্রদায় অথবা রাজনৈতিক দল তাঁদের কায়েমী স্বার্থ চরিতার্থ করার উদ্দেশ্যে আন্দোলনে অনুপ্রবেশ অথবা অন্যস্থান থেকে সহিংসতা বা সহিংসতার উস্কানি দিয়েছে, নিঃসন্দেহে তাঁরা বৃহত্তর জনগোষ্টির স্বার্থহানী ঘটানোর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছিলেন৷ বৃহত্তর জনগোষ্টির স্বার্থে পরিচালিত 'কোটা ও সড়ক' অহিংস আন্দোলনে শান্তিপূর্ণ অংশগ্রহন-- উৎসাহী যে কোন নাগরিকের নাগরিক অধিকার৷ অপরপক্ষে উক্ত শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকে সুরক্ষা দেয়া রাষ্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব ও কর্তব্য৷
রাষ্ট্র এবং সরকার উল্লেখিত আন্দোলনে সহিংসতার উদ্দেশ্যে অনুপ্রবেশ, মিথ্যা গুজব সৃষ্টি, মিথ্যা প্রকাশ ও প্রচার, রাষ্ট্রযন্ত্র, রাষ্ট্রের এক বা একাধিক অঙ্গের বিরুদ্ধে অপপ্রচার, সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারী ব্যাক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নিয়েছেন৷ দেশ ও জনগনের কল্যানে সরকারের উল্লেখিত পদক্ষেপ অত্যান্ত সুখকর, সময়োপযোগী, বাস্তবমূখী এবং সার্বিক আইন শৃংখলা রক্ষায় যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে সর্বমহলে প্রসংশিত হচ্ছে এবং আরো হবে৷
বিগত অর্ধশত বছর বাংলাদেশের ছাত্র জনতা আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষে রাজপথে নিয়ন্তর আন্দোলন সংগ্রামে বুকের তাজা রক্ত ঢেলে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার অধিকার অর্জন করেছে৷জনগনের প্রত্যক্ষ নির্বাচনে জিজয়ী বর্তমান সরকার রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হওয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশের জনগনগনের পক্ষে "আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার কায্যকর উদ্যোগ গ্রহন করবে ইহাই স্বাভাবিক৷
বাংলাদেশের জনগনের কাংক্ষিত আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় বিঘ্ন সৃষ্টিকারী প্রত্যেক ব্যাক্তি ও সংস্থার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের অধিকার জনগন মহান মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের মাধ্যমে অর্জন করেছিল৷ মহান জাতি বাঙ্গালীর মহৎ জনক বঙ্গবন্ধু ১৯৭২ ইং সালে প্রনিত বিশ্বের শ্রেষ্ঠ লিখিত সংবিধানে, সাংবিধানিকভাবে জনগনের আকাংক্ষা প্রতিষ্ঠিত করেছিল৷
দুঃখ্যজনক হলেও সত্য-অবৈধ রাষ্ট্র ক্ষমতা দখলকারী প্রেতাত্বার সরকার দীর্ঘ বছর জনগনের কষ্টার্জিত সংবিধান পরিবর্তন, পরিবর্ধন, স্থগিত, বাতিল, সংযোজন, বিয়োজন করে আইনের শাসন ভুলুন্ঠিত করে বাংলাদেশের জনগনের সঙ্গে চরম প্রতারনা অব্যাহত রেখেছিল৷
মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশের জনগন প্রায় অর্ধশত বছর নিয়ন্তর আন্দোলন সংগ্রামে প্রতিনিয়ত রক্তের বন্যায় রাজপথ রঞ্জিত করে, অসংখ্য প্রানের বিনিময়ে, অজস্ত্র সম্পদ বিনষ্টের মাধ্যমে পূণঃরায় তাঁদের হৃত গৌরব, সংবিধান, সাংবিধানিক অধিকার, রাষ্ট্র পরিচালনার অধিকার অর্জন করেছে৷
জনগনের সরকার জনস্বার্থ বিবেচনায় সরকার পরিচালনা করবে, সাংবিধানিক রীতিনীতি কঠোরভাবে অনুসরণ করবে,আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার চলমান প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখবে, দুষ্টের দমন শিষ্টের পালন নীতি অনুসরণ করবে, উন্নয়ন অগ্রগতির চলমান চাকা সচল রাখবে, জনগনের সম্পদের সুরক্ষা দিবে,সদা সর্বদা জনকল্যানে নিবেদিত থাকবে সর্বোপরি কল্যান রাষ্ট্র বিনির্মানের পথে বাধা অপসারনে প্রয়োজনে রাষ্ট্রশক্তি প্রয়োগ করবে--জনগন একান্তভাবেই কামনা করে৷
সম্প্রতি উদ্ভেগজনক ভাবে লক্ষ করছি-- বিভিন্ন মিডিয়ায় ফৌজদারী মামলায় আইন শৃংখলা বাহিনী কতৃক গ্রেপ্তারকৃত ব্যাক্তিদের কৃত অপরাধ সম্পর্কে জেনেশুনে কতিপয় বরেন্য বুদ্ধিজীবি, শিল্পি, সাহিত্যিক, সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ তাঁদের 'নিঃশর্ত মুক্তি' দেয়ার আবদার করছেন৷ ইহা একান্তই অনভিপ্রেত, বালক সুলভ, নির্বুদ্ধিতা, স্বজনপ্রীতি, অনধিকারচর্চা, আইনের শাসন পরিপন্থি এবং সাক্ষাৎ অপরাধ এবং অপরাধির পক্ষাবলম্বন বলে আমি মনে করি৷ বাংলাদেশের জনগন দেশ ও জনগনের সম্মানের আধাঁর বিশিষ্ট ব্যাক্তিদের নিকট ফৌজদারী অপরাধীদের নিঃশর্ত মুক্তি দাবী আশা করেনা৷
উনারা'ই তো বলেন-"আইন সবার জন্য সমান"৷ উনারা কিভাবে, কোন বিবেকে রাষ্ট্রের আইন শৃংখলা বাহিনী কতৃক ধৃত রাষ্ট্রদ্রোহী ফৌজদারী অপরাধিদের নিঃশর্ত মুক্তি দাবী করেন? শুধু তাই নয়-তাঁদের সমতুল্য কোন এক বিশিষ্ট নাগরিকের বিচার এড়িয়ে যেতে রাষ্ট্রকে বাধ্য করতে চান?বাংলাদেশের জনগন প্রতিটি ক্ষেত্রে কতিপয় বিশিষ্ট বরেন্য ব্যাক্তিদের প্রতিনিয়ত দ্বিচারিতা আশা করেনা৷
"জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু"
