বাঁশখালীর রাজপথে জীবন যৌবন বিলিয়ে দেওয়া এমন এমন রাজনীতিবিধদের উত্মান পতন দেখেছি,এমন অনেক রাজনীতিবিধদের দেখেছি,যারা একটি আদর্শকে ভালোবেসে নিজেদের অকাতরে বিলিয়ে দিয়েছেন।তিনি এই প্রথম এক আজব রাজনীতিবিদকে দেখলো বাঁশখালী সাধারন থেকে অসাধারন সব রাজনীতিবিধ আর নিরহ জনতা।↓
ধরেছিলাম জামাতিরা যেমন অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হয়,ঠিক তেমনি তাদের দালালেরাও অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী। সার্কশিবির সভাপতি সুজন এমন এক বাস্তব দৃষ্টান্ত রাজনীতির মাঠে হইচই ফেলে দিয়েছিলো।রাতারাতি কোটিপতি হওয়ার আশায় সচেতন থেকে অচেতন নাগরিকদের অনেকই নিজ উদ্যোগে ছুটে গিয়েছিলো সার্ক সভাপতি সুজনের দরবারে।কেউ কেউ গেছেন সত্যিকারের মানব সেবায় নিজে/নিজেদেরকে সম্পৃক্ত করতে।
তারা বিশ্বাস করেছিলো সুজন একজন সৎ ও নিষ্ঠাবান৷ নাগরিক। কিন্তু আমি জানতাম এই সুজন সিআইপির বাড়া করা এক জামাতি দালাল,য়ে সহজ বাঁশখালীর মানুষ গুলো ঠকিয়ে,জামায়াত শিবিরের নেতাকর্মীদের সার্ক সংগঠনে যুক্ত করার বিশেষ চুক্তিতে সই করে, বাঁশখালীর সার্ক মানবাধিকার সংগঠনের নেতাকর্মী ও পুরো সংগঠনের গোয়া মেরে দিয়েছেন বাটপার সুজন।
তলে তলে জামাতিদের লগে পিরিত খেলে,সুজন আজ গাড়ি ছেড়ে হেলিকপ্টার ধরেছে।
যেমন তেমন নয়,একেবার প্রাইভেট হেলিকপ্টার।
কে এই সুজন?কি তার পরিচয়? বড় জানতে ইচ্ছে হয়। আমরা শালা আজীবন রাজনীতি কইরা ফকির ন্যায় বেচে আছি,আর তুই সার্ক মানবাধিকার চুদাইয়া হেলিকপ্টার লইয়া দৌড়াও।
এই বেটা,
শুধু আমি না,আমার মতো হাজার হাজার ছারপোকা জানতে চাই তোমার আসল পরিচয়?বলবানি তোমার এই টাকার উৎস কোথায়?তোমার আয়ের কি কি কয়টা খাত আছে?একি দেহি ভাই বাঁশখালীর
সার্ক মানবাধিকার সংগঠনের নেতারা এহন ব্যক্তিগত হেলিকপ্টার ছাড়া চলাফেরাই করে না।
জনাব,
আরিফুল হক সুজন সাহেব,আপনার আয়ের উৎস কি বাঁশখালী বাসী জানতে চায়।
না হলে নাকি জুতার ব্যবহার চলবে

