বুধবার, ২২ আগস্ট, ২০১৮

ভয়াল /রক্তাক্ত ২১শে আগষ্ট


আগষ্ট মানেই ষড়যন্ত্র এবং ষড়যন্ত্রকারীদের মেলবন্ধন।
এই ষড়যন্ত্র হচ্ছে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে।
এই ষড়যন্ত্র হচ্ছে বঙ্গবন্ধুর পরিবারের বিরুদ্ধে।
এই ষড়যন্ত্র হচ্ছে বাঙালি জাতীয়তাবাদের বিরুদ্ধে।
এই ষড়যন্ত্র হচ্ছে বাংলাদেশকে পাকিস্তানি করনের ষড়যন্ত্র।
এই ষড়যন্ত্র হচ্ছে স্বাধীনতার পরাজিত শক্তি এবং তাদের দোসরদের ষড়যন্ত্র।

৭৫ এর ১৫ই আগষ্টের ধারাবাহিকতায় ২০০৪ সালের ২১শে আগষ্ট বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ সহ বঙ্গবন্ধু কণ্যা আজকের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে চিরতরে সরিয়ে দেবার জন্য বিএনপি সরকার এবং কুচক্রি জিয়া পুত্র তারেক রহমানের ব্লুপ্রিন্ট অনুযায়ী বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে আয়োজিত সন্ত্রাসবিরোধী সমাবেশে ইতিহাসের ভয়াবহ গ্রেনেড হামলা চালানো হয়। এক নিমিষেই পুরো বঙ্গবন্ধু এভিনিউ মৃত্যুপুরীতে রুপান্তরিত হয়। একের পর এক গ্রেনেড বিস্ফোরণে ছিন্ন ভিন্ন হয়ে পড়ে শতশত মানুষ। সেদিন ঘটনাস্থলে নিহত হন ১৬ জন। তন্মধ্যে আইভী রহমান অন্যতম। গ্রেনেডের স্পিলিন্টার শরীরে বয়ে বছর দেড়েকের মাথায় মারা যান আওয়ামী লীগের জনপ্রিয় নেতা মেয়র মোহাম্মদ হানিফ।

এই ষড়যন্ত্র ছিল স্পষ্টতই বঙ্গবন্ধু কণ্যাকে হত্যার ষড়যন্ত্র।
এই ষড়যন্ত্রের সাথে জড়িত বিএনপি -জামায়াতের উর্ধ্বতন নেতৃবৃন্দ।
এই ষড়যন্ত্রে জড়িত পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা।
এই ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নে সমন্বিতভাবে অংশগ্রহণ করেছিল আমাদের দেশেরই গোয়েন্দা সংস্থা।
ষড়যন্ত্রকারীদের ছোড়া গ্রেনেড যদি সেদিন সমাবেশে রাখা ট্রাকে বিস্ফারিত হতো তবে বঙ্গবন্ধু কণ্যা সহ আওয়ামী লীগের কোন সিনিয়র নেতৃবৃন্দই সেদিন প্রানে রক্ষা পেতেন না। গ্রেনেড ছুড়ে বঙ্গবন্ধু কণ্যাকে হত্যা করতে না পেরে সেদিন শেখ হাসিনাকে বহনকারী বুলেটপ্রুফ গাড়িটি লক্ষ্য করে ঘাতকরা বৃষ্টির মতোই গুলি ছুড়েছিল। বঙ্গবন্ধু কণ্যার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা কর্মী ল্যান্স কর্পোরাল মাহবুবুর রশীদ সেদিন নিজের জীবন দিয়ে রক্ষা করেন বঙ্গবন্ধু কণ্যাকে। তৎকালীন সরকারের ইশারায় 'লুকিং শত্রুজ' তৎকালীন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী মিঃ লুৎফুজ্জামান বাবর ষড়যন্ত্রকারীদের বাঁচাতে মঞ্চস্থ করে 'জজ মিয়া' নাটক।

বিচার বিভাগীয় তদন্তও হয় এবং যথারীতি তৎকালীন সরকারের 'জজ মিয়া' নাটকের দৃশ্য এন্ডোর্সড করে যায়!!
আজকাল আদালত স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে কত আদেশ -নির্দেশ দিয়ে যায় কিন্তু সেইদিন আদালত কোথায় ছিল??? কোথায় সেই বিচারপতি যিনি বিভাগীয় তদন্ত করেছিলেন??? ষড়যন্ত্রকারীদের সাথে সেই বিচারপতিকে কেন বিচারের কাঠগড়ায় দাড় করানো হবেনা?
আগষ্ট উপস্থিত হলেই যে ষড়যন্ত্রকারীরা হামলে পড়ে এবং উৎসাহিত হয় তার বড় প্রমাণ হলো ২০১৭ সালের আগষ্ট এবং ২০১৮ সালের আগষ্ট মাসেও খোন্দকার মোশতাকের প্রেতাত্মারা আমেরিকার অঙ্গুলি হেলনে ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে!!
তাই, পুনর্বার সকলকে আহ্বান জানাই, শোকের লেবাস খুলে ফেলে প্রতিবাদ এবং প্রতিরোধের মন্ত্রে দীক্ষিত হওয়ার জন্য।

times24

দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে বাঁশখালীতে আওয়ামীলীগের প্রতিবাদ সমাবেশ

দেশবিরোধী চক্রান্ত – ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে  কালীপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, তাঁতিলীগ,শ্রমিক লীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠন...