ঐতিহ্যে ৭০বছর #বাংলাদেশ ছাত্রলীগ" -------------------------------------------- শিক্ষা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ঐতিহ্যে ৭০বছর #বাংলাদেশ ছাত্রলীগ" -------------------------------------------- শিক্ষা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২০

"ইউপি নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী থাকুক,দলীয় প্রতীক নয়"

অতিথি কলামিস্টঃঃ হোছাইন মোহাম্মদ   
  

জানি আমার সাথে অনেকেই দ্বিমত পোষণ করবেন, আবার অনেকেই উপহার দিবেন বিরূপ মন্তব্য। যদিওবা আমার ইচ্ছ-অনিচ্ছা বা চাওয়া না-চাওয়াতে কারো কিছু যায় আসে না, তারপরও বলছি আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী যেমন-তেমন, কিন্তু দলীয় প্রতীক মোটেও কাম্য নয়। রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে নয়,দেশের একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে এ আমার ব্যক্তিগত অভিমত। 

নির্বাচন' আসলে এমন একটা বিষয়,যেখানে প্রার্থীর গ্রহনযোগ্যতা যেমনই হোক, কিন্তু দলীয় প্রতীকের গ্রহনযোগ্যতা বরাবরই আকাশ ছোঁয়া। স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশের ইতিহাসে ইউনিয়ন পরিষদ কিংবা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বহুল ব্যবহৃত/পরিচিত/আলোচিত সতন্ত্র মার্কা/প্রতীক গুলোর মধ্যে সাধারণত এমন কোনো মার্কা/প্রতীক আজ অবধি দৃশ্যমান হয়নি,যে প্রতীকের নিজস্ব কোনো অস্থিত্ব আছে! নিজস্ব কোনো বলয় আছে, যার প্রভাবে একজন প্রার্থীর জনপ্রিয়তা কিংবা সাধারণ মানুষের কাছে প্রার্থীর গ্রহনযোগ্যতা নিয়ে তারতম্যের সৃষ্টি হয়। 

"দলীয় প্রতীক"

          কোনো স্পেশাল প্রার্থীর পরিচিতিতেও আলোচিত নয়,বরং দলীয় প্রতীক ব্যবহারে যেকোনো অযোগ্য প্রার্থীও রাতারাতি আলোচিত হয়। সতন্ত্র বৈশিষ্ট্য আর নিজ অস্তিত্বের সুবাদে 'দলীয় প্রতীক' ভোটারের ইচ্ছা-অনিচ্ছার সাথে চিন্তাচেতনার উপরও ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করে, সংগঠনের নেতাকর্মীদের নিজ নিজ দলীয় প্রার্থীর পক্ষে শতস্ফূর্তভাবে কাজ করতে উৎসাহ প্রদান করে। কোন্দল 'গ্রুপিং উপঃগ্রুপিং এর তীব্রতা পরিহারে দলীয় নেতাকর্মীদের কেবল দায়বদ্ধতার চাদরে আবদ্ধই রাখে না, প্রার্থীদের জয়পরাজয়েও রাখে শতভাগ কার্যকরী ভূমিকা।


কিন্তু আপসোস' অগনিত ইতিবাচক গুণে গুণান্বিত দলীয় প্রতীক' নির্বাচন পূর্ববর্তী সময়ে নিজের অস্তিত্ব আর নির্বাচন পরবর্তী সময়ে নতুন নেতৃত্বের বিকাশ ঘটাতে সক্ষম হলেও, অধিকাংশ নির্বাচিত ইউপি জনপ্রতিনিধি নিজেদের মন-মানসিকতা,চিন্তাচেতনা, জনসম্পৃক্ততা কিংবা দায়বদ্ধতা' কোনটার নূন্যতম ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটাতে পারেনি বরং অধঃপতন ঘটিয়েছে সমানে সমান। প্রতীক এর সুনাম ব্যবহারে যাদের কপাল খুলেছে, নির্বাচিত হয়ে তারাই সংগঠন আর প্রতীকের সম্মান নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে। ক্ষমতা আর আত্মগৌরবে নিমজ্জিত, বিগত নির্বাচনে নির্বাচিত এক-তৃতীয়াংশ ইউপি জনপ্রতিনিধি' আত্ম-সামাজিক উন্নয়ন আর জনকল্যাণের বিপরীতে সাধারণ জনগনের সাথেই দূরত্ব কায়েম করেছে। এক কথায় দলীয় প্রতীক জনপ্রতিনিধিদের নেতা বানিয়ে দিয়েছে,কিন্তু কাউকে চেয়ারম্যান বানাতে পারেনি।

        গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় দেশরত্ন শেখ হাসিনার নিরলস প্রচেষ্টায় দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, দেশের উন্নয়ন দৃশ্যমান হচ্ছে। তবে তা শহরকেন্দ্রিক, গ্রাম (উপজেলা +ইউনিয়ন) গুলো যেন বরাবরই সুবিধা বঞ্চিত,উন্নয়ন বঞ্চিত, অবহেলিত। অথচ বর্তমান সরকার দেশের প্রত্যেকটা উপজেলার অবকাঠামোগত উন্নয়ন সুনিশ্চিত করতে,গ্রাম গঞ্জের সার্বিক উন্নয়ন দৃশ্যমান করতে যথা সময়ে সরকারি অর্থ বরাদ্দ দিচ্ছে, প্রকল্পের বিলও পাশ করছে,অথচ  উন্নয়ন কাগজে কলমেই সীমাবদ্ধ, বাস্তবতা যেন আরও জটিল, ৫'বছর আগে যেটা চলাচলের রাস্তা ছিলো, আজ সেটা হয় মৎস্য চাষ উপযোগী পুকুর, না হয় আবাদযোগ্য চারণভূমি।

তদারকি আর জবাবদিহিতার না থাকায় সরকারের বরাদ্দকৃত অর্থ দিয়ে রাস্তা/সড়ক মেরামতের পর্রিবর্তে নিজেদের বাড়িঘর মেরামত আর আলিসান অট্টালিকা তৈরি করা মহামানব গুলোর জনপ্রিয়তা এবং সাধারণ মানুষের কাছে তাদের গ্রহনযোগ্যতা বাস্তবিক প্রতিচ্ছবি দেখতে অন্তত আগামী ইউপি নির্বাচন থেকে দলীয় প্রতীক দূরে রাখুন। না হয় দেশের উন্নয়নে সরকারি বরাদ্দকৃত অর্থের ধারাবাহিক তদারকি এবং স্বচ্ছ জবাবদিহিতা সুনিশ্চিত করুন। অর্থের বিনিময়ে দলীয় প্রতীক বিক্রি বন্ধ করুন। তাদের সনাক্ত করুন, যারা অর্থের বিনিময়ে দলীয় প্রতীক ক্রয়ের আশায় জনগনকে কাংখিত সেবা থেকে বঞ্চিত আর উন্নয়নের টাকা মেরে ৪/৫ বছরে এক একজন কোটিপতি আর শিল্পীপতি................ /

ফলশ্রুতিতে সামাজিক উন্নয়ন হবে তরান্বিত,চোর-ডাকাতরা হবে মর্মাহত,ফিরে আসবে ভারসাম্য,নেতাকর্মীরাও হবে উৎসাহিত। 

বাঁশখালীর ১৫'টি ইউনিয়নের উন্নয়নের চিত্র সংগ্রহ করতে গিয়ে,আমি যা পেয়েছি,তার সবটাই তুলে ধরা কিংবা প্রকাশ করা কখনো সম্ভব নয়। দলীয় প্রতীক সোনার হরিণ,হয়তো টাকা দিয়েও পাওয়া যায়,তবে যে পেয়েছে,সে লালে লাল,বাবা শাহজালাল,নৌকা হলে তো কথাই নাই।

শুক্রবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০১৯

"বাড়ছে বেকারত্ব,নেই তুলনামূলক সুযোগ সুবিধা"

হোছাইন মোহাম্মদ(অতিথি কলামিস্ট)।

বাঁশখালী' স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ হলেও,বাংলাদেশের জন্মলগ্ন থেকে আমরা পরাধীনতার শৃঙ্খলে আবদ্ধ।৭১পরবর্তী দীর্ঘ সময়ের পালাবদলে বাংলাদেশ আজ বিশ্ব দরবারে সমাদৃত।উন্নয়নের আলোকিত রোড-মডেল।হাজার বছরের সর্বশ্রেষ্ট বাঙালি,বাঙ্গালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭মার্চের সেই অমর উক্তি,আজ বাংলাদেশের প্রতিটি সেক্টরে বিরাজমান।
লক্ষণীয় দৃশ্যমান প্রতিচ্ছবি।
তিনি বলেছিলেন,
  ➡বাঙ্গালি জাতিকে কেউ কখনো দাবায় রাখতে পারবে না।

পারেনি।ভবিষৎ'ও পারবেও না ইনশাআল্লাহ।গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,বিশ্বশান্তির অগ্রদূত দেশরত্ন শেখ হাসিনার সুনিপুণ নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ বিশ্বের সবচেয়ে সম্ভবনাময় দেশ সমুহের ১ম সারিতেই জায়গা করে নিয়েছে।দেশ এগিয়ে যাচ্ছে,এগিয়ে যাবে।হয়তো কেবল আমরাই পিছিয়ে।আমি বিশ্বাস করি,ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা,একটি দেশের ধারাবাহিক উন্নয়নে শুধু প্রতিবন্ধকতায় তৈরি করে না,কখনো কখনো আশীর্বাদ হয়েও ধরা দেয়।যদি আপনি/আপনারা বিশ্বাস করেন যে,,
✔যে জাতি যতবেশি শিক্ষিত,যে জাতি যতবেশি উন্নত।
✔যে জাতি যতবেশি আত্মনির্ভরশীল,সে জাতির উন্নয়ন,সময়ের তারতম্যে.......

উন্নত,অনুন্নত,উন্নয়নশীল কিংবা স্বল্পউন্নত,একটা দেশের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন,ঠিক তখনই সম্ভব হয়,যখন অতিরিক্ত জনসংখ্যা রাষ্ট্রের বোঝা না'হয়ে,জনসম্পদে পরিনত হয়।বর্তমান সরকারের গৃহীত প্রতিটি পদক্ষেপ একটি উন্নত রাষ্ট্রের প্রতিচ্ছবি..................
সারাদেশে অপ্রত্যাশিত উন্নয়ন আর নানাবিধ অর্জনের মাঝেও প্রিয় বাঁশখালী আজ অবধি #কারনে অকারণে অবহেলিত,উপেক্ষিত,সুবিধা বঞ্চিত।যেখানে পাশ্ববর্তী যেকোন উপজেলার যুব-উন্নয়ন আর আত্ম-কর্মসংস্থানের সার্বিক চিত্র বলছে,বাঁশখালীবাসী আজো চরম অবহেলিত।যেখানে নেই তেমন কোন কর্মসংস্থানের সুযোগ সুবিধা,নেই উদ্দোক্তা হওয়ারও নূন্যতম সার্বিক সহযোগিতা।

অথচ দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার চাকরির চেয়েও নতুন নতুন উদ্দোক্তা সৃষ্টির জন্য প্রয়োজনীয় আর্থিক সহযোগিতাসহ সব ধরনের সুযোগ সুবিধা প্রদান করলেও,তার নূন্যতম প্রভাব পড়েনি অত্র জনপদে।যেখানে সামান্য মূলধনের অভাবে হাজার হাজার সুশিক্ষিত বেকার যুবক' শত ইচ্ছে শর্তেও উদ্দোক্তা হতে পারছেন না।জননেত্রী শেখ হাসিনা একক সিদ্ধান্তে' বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটি উপজেলায় নতুন উদ্দোক্তাদের জন্য বিনা জামানতে ২লাখ টাকা,সর্বোচ্ছ ২০লাখ টাকা লোন দিচ্ছে কর্মসংস্থান ব্যাংক।অনুমোদন দিয়েছেন আরো একাধিক যুব উন্নয়ন প্রকল্পের।কিন্তু দুভাগ্য,এইসব সরকারি সুযোগ সুবিধা কিংবা কর্মসংস্থান ব্যাংকের শাখা প্রতিষ্ঠা বাঁশখালী'বাসীর প্রাণের দাবি হলেও,তার যথার্থ বাস্তবায়ন আধু কি সম্ভব............................??
বাড়ছে প্রতিনিয়ত জনসংখ্যার চাপ,বাড়ছে বেকারত্ব,নেই প্রয়োজনীয় কর্মসংস্থান,আছে উদাসীনতা,আছে বেকারত্বের হতাশা।

আমি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের একজন নগন্য কর্মী হিসেবে যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি,বাঁশখালীর বেকার সম্যসা নিরুসনে নিম্নোক্ত বিষয় গুলোকে বাস্তবতায়ন করুন।দেশের উন্নয়ন তরান্বিত করার সুযোগধানে বাধিত করুন।

⚫বাঁশখালীতে নির্মাণাধীন কয়লা প্রকল্পে জনবল নিয়োগে বাঁশখালীবাসীর অগ্রাধিকার চাই।
⚫ আউটসোর্সিং (আইটিসি) প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের শাখা চাই।
⚫কর্মসংস্থান ব্যাংকের শাখা চাই।
⚫যুব-উন্নয়ন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের কার্যকর ভূমিকা চাই।
⚫সরকারী প্রতিষ্ঠান সমুহের বাঁশখালীস্থ শাখা চাই,যা পাশ্ববর্তী উপজেলায় বিদ্যমান।

(Hussain Muhammad)

শুক্রবার, ১ নভেম্বর, ২০১৯

"জামাতিদের আহারে পরিনত হচ্ছে আ'লীগ"

আওয়ামীলীগ এর ফাঁদে জামাত নয়,বরং জামাত ইসলামের ফাঁদে পা দিয়েছে আওয়ামীলীগ।আওয়ামী হাইকমাণ্ড জামায়াত নিয়ে যা ভাবছেন,জামাত ইসলাম তা বিগত দশ বছর আগে ভেবে রেখেছে !এবং সেভাবেই তারা অগ্রসর হচ্ছে!তাতে কোন সন্দেহ নেই।আজ যে বা যারা জামায়াতের দক্ষ/ধনী নতুন প্রজন্ম কে দলে ডুকাচ্ছেন এবং পদ পদবী দিচ্ছেন!তাদের জেনে রাখা উচিত,"তৈল আর জল কখনো এক হয় না"!
সংগঠনের প্রবেশদ্বার উম্মুক্ত বলে 'জামায়াত শিবিরের প্রশিক্ষিত ক্যাডার গুলো তাদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করার জন্য আওয়ামী সংগঠনে আশ্রয় নিচ্ছে।আর মনে মনে স্লোগান দিচ্ছে,,,,,,,,,
---------------#জয়বাংলা,কিন্তু #ভালবাসি_দাড়ি_পাল্লা"!

শুধু আওয়ামীলীগ নয়,ছাত্রলীগ,যুবলীগসহ সকল ভ্রাতৃপ্রতিম ও সহযোগী সংগঠনের তৃনমুল থেকে কেন্দ্রীয় সব কমিটিতেই জায়গা করে নিয়েছে জামাত শিবিরের বহু প্রশিক্ষিত ক্যাডারেরা।ভাল করে একবার লক্ষ্য করুন, থানার সিপাহী থেকে শুরু করে সচিবালয় পর্যন্ত জামাতের প্রশিক্ষিত অগনিত ক্যাডাররা রয়েছেন" সরকারী বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরসমুহতে কর্মকর্তার দায়িত্বে।তাদেরকে কে বা কারা বসিয়েন এইসব সরকারি গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর সমুহতে........??

উত্তরঃ-একটাই #আওয়ামীলীগ।

শুধু চাকরি নয়,কেন্দ্র থেকে ইউনিয়ন পর্যন্ত সব সেক্টরে জামাত শিবিরের কর্মীরাই কিনে নিচ্ছেন আ'লীগ,যুবলীগ,ছাত্রলীগের পোষ্ট পদবী।আর এদের পরিকল্পিত নকশা বাস্তবায়নে সুযোগ করে দিচ্ছেন আওয়ামীলীগ নামধারী কিছু সংখ্যক মীর জাফর।এরা টাকার গন্ধে এতোটাই মাতোয়ারা যে,দলীয় পোষ্ট পদবীর পাশাপাশি #নৌকা'ও বিক্রয় করেন জামাতি গংদের নিকট আপন খেয়াল খুশি মতো,যা দেখে অনুমান হয়,এটি তাদের পৈতৃক সম্পর্ত্তির অংশবিশেষ।তবে বাস্তব কথা হচ্ছে, বিশ্বের ৩নং সন্ত্রাসী সংগঠন হওয়া শর্তেও জামাতি বেজম্মাদের মত সুসংগঠিত আর কোন দল-ই নাই।লক্ষ্য করলে আপনিও দেখবেন,জামাত ছাড়া সব দলেই দলীয় কোন্দল লেগে আছে।
        ওরা সংখ্যায় নগন্য,তবে বিষাক্ত।জামাতিরা নিজেদের সাথে পল্টিবাজী করে না,যতটুকু করে.!আর আমার প্রশ্নটা এখানেই,জামাতিরা যদি টাকার কাছে নিজেদের বিক্রি না করে,তাহলে ওদের কাছে আমাদের কর্তাবাবুরা বিক্রয় হবে কেন..........?
               শুধু একটু চিন্তা করুন,আন্তজার্তিক যুদ্ধপরাধ ট্রাইবুন্যালে রাষ্ট্র কর্তৃক আনিত অভিযোগ গুলো  প্রমাণিত হওয়ায়,কুখ্যাত রাজাকার  মীর কাশেম আলী কে বাঁচানোর জন্য তারা দুইশত কোটি টাকায় লবিস্ট নিয়োগ করেছিলো?একজনের জন্য যদি বাজেট ২০০কোটি হয়,তবে দল বাঁচানোর জন্য কত হবে?প্রশ্নটা বঙ্গপিতার সৈনিকদের কাছে রাখলাম.........?
                   যারা এই টাকার গন্ধে দিশেহারা হয়ে জামাতিদের কাছে সংগঠনের দায়-দায়িত্ব তুলে দিচ্ছেন,তাদের কাছে জানতে চাই?আপনারা কি ভুলে গেছেন বঙ্গবন্ধুর কথা?আপনারা কি ভুলে গেছেন ৫২এর ভাষা আন্দোলনের পেক্ষাপট ?৭১ এর সেই কালো দিন গুলো..?৭৫ এর পিতৃহারার বেদনার বিমুর দিন গুলোর কথা?কিভাবে আড়াল করতে পারলেন ২১আগষ্টের নারকীয় হামলার হৃদয় বিধারক দৃশ্য গুলো.!আপনাদের উদাসীনতা আর নীরবতায় জানান দিচ্ছে, আপনারা মীর জাফরেরও বড় ভাই।মুখোশধারী সয়তান।
          তবে একটু দেরিতে হলেও এখন বুঝলাম,কেন সেইদিন বঙ্গকন্যা শেখ হাসিনা বলেছিলেন,
#আওয়ামীলীগের সবাইকে কেনা যায়,কেবল আমাকে ছাড়া।
প্রিয় নেত্রী,
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের আ'লীগে নব্য মীরজাফররা জামাতের বীজ বপন করে চলছে অবিরাম।(হয়তো আপনাকে ভুল বোঝানো হয়েছে)।হে প্রিয় নেত্রী,আমরা আর কোন ৭৫দেখতে চাই না। দেখতে চাই না আর কোন ২১আগষ্ট।জনগন ও দেশের স্বার্থে আপনার আরো কঠোরতা আমাদের কাম্য।আমরা দেখতে চাই না,সময়ের পরিক্রমায় বীজটা গাছে পরিনত হউক। ডালপালা গজাক চারদিক।শুনতে চাই না এমন কোন নীরব শ্লোগান,
-----------------#জয়বাংলা ,মগার ভালোবাসি #দাড়িপাল্লা!

জয়বাংলা,জয়বঙ্গবন্ধু।
জয়েতু শেখ হাসিনা।
জয় হোক বাংলার মেহনতি জনতার।

----------২৯জুলাই ২০১৭ইং!
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=270244366793522&id=100014238819243

( Hussain Muhammad)

times24

দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে বাঁশখালীতে আওয়ামীলীগের প্রতিবাদ সমাবেশ

দেশবিরোধী চক্রান্ত – ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে  কালীপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, তাঁতিলীগ,শ্রমিক লীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠন...