সোমবার, ৩ জুলাই, ২০২৩

দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে বাঁশখালীতে আওয়ামীলীগের প্রতিবাদ সমাবেশ

দেশবিরোধী চক্রান্ত – ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে  কালীপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, তাঁতিলীগ,শ্রমিক লীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে  প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

শনিবার বিকেল কালীপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান নিজামুদ্দিন চৌধুরী ফেজু’র সভাপতিত্বে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা আলহাজ্ব আব্দুল্লাহ কবির লিটন।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন,বাঁশখালী উপজেলা আওয়ামী নেতা রনতোষ দাশ,চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা যুব লীগের সহ-সভাপতি আখতার হোসেন, উপ

জেলা ছাত্র লীগের সাবেক যুগ্ন আহ্বায়ক খোরশেদ পাশা,উপজেলা শ্রমিক লীগের সাবেক সভাপতি মোঃ রাশেদ আলী,উপজেলা শ্রমিক লীগের সহ-সভাপতি মোঃ মহসিন,চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা তাঁতি লীগের যুগ্ম আহবায়ক বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী করিম,উপজেলা ছাত্র লীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ডা.রমিজ,কেন্দ্রীয় ছাত্র লীগের সাবেক সদস্য আরিফুজ্জামান আরিফ, উপজেলা ছাত্র লীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোঃ আদিব,জসিম উদ্দিন,শাহাদাত রশিদ চৌধুরী,রাশেদ আলী, মোহাম্মদ আকতার হোসেন, মাহবুবুল আলাম,আনছারুল হক আদিব, আরিফুজ্জামান আরিফ, কালীপুর ইউনিয়ন ছাত্র লীগের সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ নোমান,যুব লীগ নেতা দিদারুল আলম। 
সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন,পৌরসভার শ্রমিক লীগের সভাপতি নেতা আব্দুল জব্বার,সাধারন সম্পাদক মোঃ মিজানুর রহমান,যুব লীগ নেতা মোঃ জিহাদউদ্দীন ফারুক,উপজেলা তাঁতী লীগের সভাপতি মনসুর আলম,সাধারণ সম্পাদক মোঃ হানিফ,দক্ষিণ ছাত্র লীগের সাবেক সভাপতি মোঃ আনিস,কালীপুর ইউনিয়ন শ্রমিক লীগের সভাপতি মোঃ আজিজ,শ্রমিক লীগ নেতা রেজাউল করিম লেদু,ছাত্র লীগ নেতা ইমরান চৌধুরী রুমন,ছাত্র লীগ নেতা মোঃ মহিউদ্দিন, রবিউল হোসেন মিশু, ইমতিয়াজ হোসেন মুন্না, তৌহিদুল ইসলাম,মোঃ আব্দুল্লাহ প্রমূখ।সমাবেশ আরো বক্তব্য রাখেন,সরওয়ার আলম, মনির চৌধুরী, বখতেয়ার উদ্দিন,ছাত্র লীগ নেতা ইমতিয়াজ হোসেন মুন্না প্রমূখ।
Previous Post

শনিবার, ২৫ মার্চ, ২০২৩

বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, বাঁশখালী উপজেলা শাখা

চট্টগ্রাম সংসদীয় আসন-১৬(বাঁশখালী)!
স্বাধীন সার্বভৌম প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশের জন্মলগ্ন থেকে কখনো আলোচিত/কখনো সমালোচিত প্রিয় বাঁশখালীর ইতিহাস বলতেই দেখেছি,স্বাধীনতা পরবর্তী দীর্ঘ সময়েও পরাধীনতার গ্লানি বয়ে বেড়ানোর নিঃলজ্জকর ইতিহাস।আছে রাজাকারের ফাঁসির রায়ে অফিস,আদালত,মন্দির মসজিদে আগুন দেওয়ার ইতিহাস।
সাঈদীপুত্রদের দেশদ্রোহী তান্ডব আর জ্বালাও পুড়াও আড়ালে স্বাধীনতার পরাজিত শক্তিরা বাঁশখালীতে ৭১এর পুনরাবৃত্তি ঘটিয়েছে নিরহ মানুষের সাথে গবাদি পশুকেও জ্বালিয়ে মারার মধ্য দিয়ে..........

"মিনি পাকিস্তান"
৭১ পরবর্তী বাঁশখালী নতুন নামকরণ'
তৎকালীন বাঁশখালীতে সত্যিকারের স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তির তুলনামূলক লাজুক চিত্র বহন করে।যেখানকার রাজপথ বলতেই যেন জিয়ার সৈনিক আর নারায়ের তাকবিরের রমরমা আধিপত্য।ছাত্রলীগ অনেকটা সংখ্যালুঘু।হয়তো আজকের বাঁশখালীর রাজপথের চিত্র ভিন্ন বটে।কিন্তু ঠিকই অবহেলিত বাঁশখালীর ত্যাগী আওয়ামী পরিবার।তবু সবার মতো আমরাও স্বপ্ন দেখছি স্বাধীন হওয়ার।পরাধীনতার গ্লানি মুছে এগিয়ে যাওয়ার।আমরা উড়ে তো এসে,জুড়ে বসি নাই।শুরু থেকে বসেই আছি।কাজেই জামায়াত শিবির মুক্ত বাঁশখালীর স্বপ্ন দেখতেই পারি।

বাঁশখালীর রাজপথ আমাদের শ্রম আর রক্তের প্রতিটা ফোঁটার নীরব সাক্ষী। আমরা সেদিনও লেজ গুটিয়ে পালিয়ে যাই নাই,আজো যাবো না। আমাদের টিয়ার কাবিকার প্রয়োজন হয় না।জনকের আদর্শকে ভালোবেসেছি বলেই শত প্রতিবন্ধকতা সর্তেও বাঁশখালীর রাজপথ আমরাই পাহারা দিয়েছি।আজো দিচ্ছি।কোন স্বার্থের মোহে নয়।রাজপথে হাজারও সহযোদ্ধার যাওয়া আসার মিছিল দেখেছি।দেখেছি অগনিত মেধাবী ছাত্রনেতা ঝরে যাওয়ার নিদারুণ করুন দৃশ্যও।
বাঁশখালীতে স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তিদ্বয় যতবারই হোচট খেয়েছে,যতবারই জামায়াত-বিএনপি কর্তৃক আক্রান্ত হয়েছে...?
            ঠিক ততবারই ত্রানকর্তার ভূমিকায় কেউ না কেউ সংগঠনের হাল ধরেছেন।সংগঠনের চরম দুঃসময়ে যে ক'জন নেতা ছায়া হয়ে সংগঠনের প্রয়োজনে রাজপথে নিজেদের নিঃস্বার্থভাবে বিলিয়ে দিয়েছেন,তাদের মধ্যে আলহাজ্ব আব্দুল্লাহ কবির লিটন (Abdullah Kabir liton) ভাই একমাত্র ব্যক্তি,যিনি আজ অবধি পর্যন্ত শুধু দিয়েই গেছেন।যার ত্যাগ অবদান আর  বিচক্ষণ নেতৃত্বের ফসল আজকের সুসংগঠিত এবং ঐক্যবদ্ধ বাঁশখালী উপজেলা ছাত্রলীগ তথা আওয়ামী লীগ পরিবার।আমি আমার নেতা বলে বলছি না,ত্যাগ অবদান,জনপ্রিয়তার কাতারে বাঁশখালী আওয়ামীলীগের মহানায়ক,সাবেক সাংসদ,বীর মুক্তিযুদ্ধা এ্যাড সুলতানুল কবির চৌধুরী পরবর্তী বাঁশখালী বলতেই আলহাজ্ব আব্দুল্লাহ কবির লিটন.......................।
বাঁশখালীর সমস্ত জনপদ জুড়ে যার অস্থিত্ব।

ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়,
৭০এর নির্বাচনে জাতির পিতার ডাকে সেইদিন সারা বাংলাদেশ এক সাথে সাড়া দিলেও সাতকানিয়া আর আমরাই ছিলাম (বাঁশখালী) ব্যতিক্রম। একটি তর্জনী,একটা দেশের স্বাধীনতা।একটা স্বাধীন ভূখণ্ড।
৭১এর মুক্তিযুদ্ধে ৩০লক্ষ শহীদের আত্মদান,২লক্ষ মা বোনের ইজ্জত বিনিময়ে অর্জিত লাল সবুজের পতাকাচিত স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের মাঠিতে,স্বাধীনতা পরবর্তী দীর্ঘ সময় আমরাই ছিলাম পরাধীন।হয়তো এখনো আছি!বিগত উপজেলা নির্বাচনে রাজাকার সমিতির প্যানেল-সহকারে জয়,আজ পর্যন্ত সরকারি গাড়ির তেল পুড়ে নিষিদ্ধ জামায়াতের খরচ ও রসদ জোগাচ্ছেন,উপজেলা জামায়াত আমির জহির উদ্দীন।উপজেলা পরিষদ সরকারি দপ্তর বটে।কিন্তু বাস্তবে পুরোটাই জামাতিদের হেডকোয়ার্টার।

"আব্দুল্লাহ কবির লিটন"
বাঁশখালীবাসীকে সেই পথটাই দেখিয়েছেন,যে পথে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সমন্বিত রেখে এবং জাতির পিতার আদর্শ প্রতিষ্ঠিত করা যায়।নিজেদের আত্মনির্ভরশীল জাতিতে পরিণত করা যায়।বাঁশখালী আওয়ামী লীগ তথা স্বাধীনতার স্বপক্ষের সংগঠন গুলো আজ সুসংগঠিত।ঐক্যবদ্ধ ও নৌকার বিজয়ে প্রতিশ্রুতিদ্ধ।পরিবর্তনে অঙ্গীকার বদ্ধ।
আগামী জাতীয় নির্বাচনে বাঁশখালীতে নৌকা প্রতীকের বিকল্প নেই।
আমরা বিশ্বাস  করি,
নৌকাই মুক্তির ধারকবাহক, যা প্রতিটি স্বাধীনতাকামী সচেতন নাগরিকের শিরায় উপশিরায়......
একটা আদর্শের সুত্র ধরেই ছুটে চলেছি।পিতার অমর উক্তি আজ আমাদের এতোদূর নিয়ে এসেছে।থেমে যেতে চাই না।

আমরা বুকে লালন করি,প্রতিবন্ধকতা যত বড়ই হোক,
"বাঙ্গালীকে কেউ ধাবায় রাখতে পারবে না"
বিজয় অবশ্যই আসবে,
ইনশাআল্লাহ!

জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু।

মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২১

সামাজিক ও নৈতিক অবক্ষয়ে যুবসমাজ যতটা নষ্ট হয়, তারচেয়েও বেশি নষ্ট হয় ক্রমবর্ধমান বেকারত্বে

৭১'এর পরবর্তী আজকের বাংলাদেশ, নিঃসন্দেহে বাঙালি জাতির এগিয়ে যাওয়ার প্রতিচ্ছবি, এই যেন যোজন যোজন তারতম্যে পরিপূর্ণ ১৯৭১ Vs ২০২১! বাঙ্গালী জাতি বীরের জাতি, ছুটছে অবিরাম, শত ষড়যন্ত্র যাদের দমিয়ে রাখতে পারেনি, বাঙ্গালী সময়ের সাথে সাথে ঠিকই নিজের জাত ছিনিয়েছে বিশ্ব দরবারে। ৫২-তে যেই স্বপ্ন বুনেছিলো সালাম, রফিক, জব্বার! সেই স্বপ্নের পরিপূর্ণতা অর্জনে জাতি

যতবারই হোটচ খেয়েছে, ততবারই ঘুরে দাড়িয়েছে, হাল ধরেছে, কখনো হাসু আপা, কখনো পিতা মুজিবুর। স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশের উন্নয়নের পরিসংখ্যানই জানান দিচ্ছে, দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, আর আমরাও ক্রমেই এক নিষ্ঠুর সময়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি! যেখানে মানবিকতা, নৈতিকতা, মূল্যবোধ, দয়া, মমতা, চক্ষুলজ্জ্বা এসব শব্দের কোনো অস্তিত্বই নেই! প্রতিস্থাপনের এই খেলায় তার জায়গা দখল করে নিয়েছে অনৈতিকতা, অমানবিকতা, নিষ্ঠুরতা, স্বার্থপরতা, জিঘাংসা, হিংসা, বিদ্বেষ, ধর্ষন, কিংবা টাকার বিনিময়ে মানুষ হত্যাসহ জাতীয় সব নেতিবাচক শব্দের কালো হাত।
          আজকাল খবরের কাগজ খুললেই এমন সব খবরের মুখোমুখি হতে হয়, যা দেখলে যে কোনো মানুষের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হয়। গত ক'দিন পূর্বে বাঁশখালী পৌরসভাস্থ জলদি মনচুরিয়া বাজারে প্রকাশ্য দিবালোকেও সন্ত্রাসী হামলায় নিহত দুই ছোট ভাইয়ের ক্ষতবিক্ষত দেহ গুলো দেখে বাঁশখালীর কমবেশি প্রত্যেকটা মানুষের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হয়েছে। মানুষ স্বার্থের প্রয়োজনে কতটা হিংস্র হতে পারে, তা এই হত্যাকান্ডের পরতে পরতে লেখা হয়ে থাকবে। 

তলাবিহীন ঝুড়িতে উপনীত হওয়া বাংলাদেশের উন্নয়নের প্রসংশা যেখানে জাত শত্রু পাকিস্তানীরাও করে, সেখানে সামাজিক ও নৈতিক অবক্ষয়ের কারণে দেশের দুই-তৃতীয়াংশ মানুষ প্রতিনিয়ত হতাশায় ভোগে। অতীত যেমনটাই হোক, বর্তমান সময়ের সামাজিক অপরাধ সমুহের মাত্রা এতোটাই উর্দ্ধমুখী যে, এখনই তার লাগাম টেনে ধরা না'গেলে আগামী ১০-১২ বছরে সামাজিক অপরাধ এতোটাই ভয়াবহ যে, মানুষ স্বাচ্ছন্দ্যে সামাজিক অপরাধে লিপ্ত হবে, আর আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার মাঝে জম্মের স্বার্থকতা অনুভব করবে। সময়ের বিপরীতে দ্বিগুণ হবে অর্থের প্রতি মানুষের লোভলালসা, অসম প্রতিযোগিতা। বাড়বে বিষণ্ণতা' বৃদ্ধি পাবে মাদকাসক্তির প্রবনতা, সৃষ্টি হবে সাম্প্রদায়িক মনোভাব আর দাঙ্গা হাঙ্গামার পায়তারা ইত্যাদি। 

আমি মনে করি সামাজিক অপরাধের পেছনে শিক্ষার অভাব ততটা দায়ী নয়, যতটা বিষণ্ণতা দায়ী। ৫০বছর পূর্বে বাংলাদেশে শিক্ষার হার ২৫% চেয়ে বেশি নাহলেও মানবতা, চক্ষুলজ্জা, ন্যায়পরায়রনতা, মনুষ্যত্ব,  সম্প্রতি, দেশপ্রেম আমাদের চেয়ে শতগুণ বেশি ছিলো। একদা দেশের মোট জনসংখ্যার একটি অংশ দরিদ্র সীমার নিচে বসবাস করতো, আর এখন জনসংখ্যার একটি অংশ দেশ পেরিয়ে বিদেশ গিয়ে অর্থ দ্বারা ফুর্তি করে। কাজেই শিক্ষা কিংবা অর্থের অভাবে যুবসমাজ অতটা নষ্ট হয় না, যতটা অলস সময়ের কারুকাজ দ্বারা আক্রান্ত হয়।

💧যেমনটি গত ৩/৪ দিন পূর্বে বাঁশখালী পৌর সদরে এমন কয়েকটি জঘন্য অপরাধ সংঘটিত হয়েছে, যা বরাবরই কল্পনাতীত। বাঁশখালী নবনির্মিত আদালত ভবন, এজলাস, স্টোর রুম, ভূমি অফিস, ম্যাজেষ্ট্রেট এর আবাসিক কোয়ার্টারসহ একরাতেই বাঁশখালীর সমস্ত সরকারি অফিসের তালা ভেঙে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামগ্রী আত্মসাৎ এর ঘটনায় জড়িতরা কখনো শিক্ষা কিংবা অর্থের অভাব দ্বারা আক্রান্ত ছিলো না, বরং এরা ছিলো অলস সময়ের কারুকাজ দ্বারা আক্রান্ত মস্তিষ্ক বিকৃত কিছু অমানুষ।
যারা কাউকে হেয় করার জন্য/ কারো ইমেজ নষ্ট করার জন্য সম্পূর্ণ পূর্বপরিকল্পিত পন্থায় ভাড়ায় চালিত হয়েছে।
🔥 সপ্তাহখানেক পূর্বে বাঁশখালী থানার গেইট বিপরীত পাশ্বে অর্থাৎ #মধুবন সংলগ্ন ভবনে স্ব-পরিবারে বসবাসরত এসআই মংগ এর বাসা ডাকাতি বলুন, কিংবা থানার ভিতর থেকে এসআই সুমন এর মোটরসাইকেল চুরি, কিংবা থানার দক্ষিণ পাশ্বে বেশ কিছু সম্ভ্রান্ত হিন্দু পরিবারের ঘরের দরজা ভেঙে ডাকাতি বলুন, সাম্প্রতিক সময়ে সংঘটিত প্রত্যেকটা ঘটনাই উদ্দেশ্যপ্রণীত এবং পূর্বপরিকল্পিত।
তাছাড়া অনুমান যদি মিথ্যে না হয়, তাহলে তারও কিছু সময় পূর্বে সংঘটিত বাঁশখালীর জলদি, চাম্বল,নাপোড়ায় সাম্প্রদায়িক সহিংসতাও সম্পূর্ণ পূর্ব পরিকল্পিত এবং উদ্দেশ্যপ্রণীত, যার সঠিক এবং নিখুঁত তদন্ত হলে নিসন্দেহে ফেঁসে যাবে অসংখ্য মহাপুরুষ আর নাটের গুরুদ্বয়।

🖍️হঠাৎ করে বৃদ্ধি পাওয়া সামাজিক অপরাধ ও তারুণ্যের অবক্ষয়রোধে হয়তো শতভাগ কার্যকরি প্রতিষেধক নেই । তবে সামাজিক ও নৈতিকতা অবক্ষয়ের হাত থেকে বাঁচতে হলে সর্বাগ্রে প্রয়োজন সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টি, ধর্মীয় অনুশাসনের অনুশীলন, পরমত সহিষ্ণুতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ জাগ্রত করাসহ সর্বক্ষেত্রে অশ্লীলতাকে বর্জন এর পাশাপাশি মরণব্যাধি অবক্ষয় থেকে জাতিকে বাঁচাতে হলে, এখনই বেকারত্বের লাগাম টানতে হবে, অলস মস্তিষ্ক যদি সয়তানের কারখানা হয়, তাহলেই অবশ্যই অবশ্যই বেকারত্বের তার সহজ শিকার।

বিঃদ্রঃ
দেশে শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা বৃদ্ধি না করে, অশিক্ষিত জনগনকে দক্ষ সম্পদে পরিনত করুন, শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড হতে পারে, তবে বেকারত্ব সুশিক্ষিত জাতির জন্যও অভিশাপ বটে ।

রবিবার, ২৫ জুলাই, ২০২১

কয়লাবিদ্যুৎ প্রকল্পে 'জনবল নিয়োগে বাঁশখালীবাসীর অগ্রাধিকার চাই

 প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যের অপরুপ লীলাভূমি প্রিয় বাঁশখালীর উপকূলীয় অঞ্চল-জুড়ে আজ S.Alam এর অভয়ারণ্য,আধিপত্য।আধুনিক ও উন্নত তথ্য প্রযুক্তির যথোপযুক্ত ব্যবহারের সাথে S.Alam সংস্পর্শ,

অত্র জনপদের কাদামাটিকেই করেছে সোনায় পরিনত।

          যদিও সময়ের বিবর্তনে প্রিয় মাতৃভূমিতে'ই এস.আলম শক্ত শিকড় গেড়েছে। মাটি খনন করে টাকা বের করে আনছে।পাশ্ববর্তী উপজেলা থেকে জনবল এনে তা পরিস্কার করাচ্ছে! অথচ বাঁশখালীর জনবল নিয়োগে তারা বড্ড অপারগ।খুব বেশি জানতে ইচ্ছে করে,এই কোন স্বজনপ্রীতির রোষানলে পতিত প্রিয় বাঁশখালী'বাসীর আগামীর ভবিষ্যৎ...................

         যেখানে বাঁশখালীর উপকূলীয় অঞ্চলের প্রায় লক্ষাধিক লবণ চাষি' গন্ডামারায় নির্মাণাধীন কয়লা-প্রকল্পকে স্বাগত জানিয়ে' তাদের আয়-রোজগারের একমাত্র উৎস(লবণের মাট) S.Alam এর হাতে তুলে দিয়েছে। সেখানে প্রকল্প কতৃপক্ষের এইরূপ বৈষম্যমূলক দৃষ্টান্ত স্থাপন' আমাদের হৃদয়ের গহীনে ক্ষত সৃষ্টি করেছে।

        গন্ডামারায় প্রকল্প বাস্তবায়নে নিয়োজিত উর্ধতন কর্মকর্তাদের কাছে আমি সবিনয়ে প্রশ্ন রাখলাম..............

কেন আপনারা বাঁশখালীর মাটি/উর্বর ভূমি ব্যবহারে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন, আর বাঁশখালীর মানুষদের মূল্যায়নে একাধিক অজুহাত বা দ্বিধাবিভক্তির জম্ম দেন......?

        শুধু আমরাই নয়, সারা বাংলাদেশর মানুষ জানে বাঁশখালীতে নির্মাণাধীন কয়লা বিদ্যুৎ' প্রকল্পের পক্ষে বিপক্ষে কতখানি রক্ত ঝরেছে। শুধু জানে না এখানে কি পরিমাণ ভূমির মালিক তাদের ন্যার্য পাওনা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। কত গুলোর পরিবার তাদের একমাত্র আয়ের উৎস হারিয়ে হতাশায় ডুবে আছে? তবে বাঁশখালীতে S.Alam এর আগমনে একেবারে কারো ভাগ্য পরিবর্তন হয়নি, তা কিন্তু নয়।

         এস.আলমের সুদৃষ্টিতে অনেক ভূমিহীন সারথি-মহাসারথির (খাদক আর দালাল মহোদয়) জীবনে এসেছে নিয়ামক পরিবর্তন। মাত্রাতিরিক্ত অনিয়ম, দুর্নীতি আর লুটপাটের প্রভাবে ভূমির প্রকৃত মালিকদের অধিকার হনন হলেও, ভূমিহীন দালালরা হয়েছেন রাতারাতি কোটিপতি আর শিল্পপতির আসনে অধিষ্ঠিত।

             আর এটাই বাস্তব সত্য যে, এইসব খাদক বাবু'দের মহৎ কর্মকাণ্ডে কেবল একজনের জায়গা আরেকজনে বিক্রির নথি উন্মোচিত হয়নি। প্রতিষ্ঠিত হয়েছে দালালদের নিখুঁত কারচুপির ইতিহাসও। আছে ৬০০খানি জায়গা কিনে ১২০০খানি দখল নেওয়ার রেকর্ডও। অথচ এইরূপ শত সমস্যার পরও প্রিয় বাঁশখালীর সাধারণ মানুষ দেশের উন্নয়নের জন্য, জনগনের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য,তাদের উপর দিয়ে নীরবে বয়ে যাওয়া সব ধরনের অন্যায় অনিয়ম মাথা পেতে নিয়েছে।কিন্তু বিনিময় বলতে ওরা আজও যে লাউ, সে কদু।

            গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নির্দেশে' মোতাবেক প্রকল্প কতৃপক্ষ উপকূলীয় অঞ্চলে বসবাসরত প্রত্যেক পরিবারের অন্তত একজন সদস্যকে চাকরি দেওয়ার চূড়ান্ত আশ্বাস আর প্রকাশ্যে ঘোষণা দিলেও, তার বাস্তবায়ন আজও পরিলক্ষিত হয়নি। প্রকল্প কতৃপক্ষ তার অঙ্গীকার করা তো দূরের কথা, তাদের কাছে বাঁশখালীর মানুষ রোহিঙ্গাদের চেয়েও নিকৃষ্টতায় পরিনত হয়েছে।


         আমরা (বাঁশখালী'বাসী) এই প্রকল্পের বিপক্ষে নই।আমরা শুরু থেকে আজ পর্যন্ত প্রকল্প বাস্তবায়নের পক্ষে।আমরা প্রকল্পের অগ্রগতিতে প্রতিবন্ধকতা নয়, সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে চাই। আমরা ন্যার্য অধিকার চাই। আমরা বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্তি চাই। আমরা রাষ্ট্রের বোঝা হতে চাই না, সম্পদে পরিনত চাই।

   একবার থাকিয়ে দেখুন,

         এই বাঁশখালীতে বেকার সমস্যা কতখানি প্রকট।কেমন তার উর্ধগতি। অথচ এখানে নেই কোন বিকল্প কর্মসংস্থানের যথার্থ সুযোগ সুবিধা। নেই উদ্যোক্তা হওয়ারও আধু কোন সুঃব্যবস্থা.............

আমি বিশ্বাস করি,

        বাঁশখালীর গন্ডামারায় নির্মাণাধীন কয়লাবিদ্যুৎ প্রকল্পে 'জনবল নিয়োগে' সবার



আগে প্রাধান্য পাওয়া উচিৎ বাঁশখালীর বাসীর। এটা কিন্তু ভিক্ষা কিংবা অনুরোধ নয়। এটা আমাদের ন্যার্য অধিকার।

অতএব,

✔অনুগ্রহ করে সে অধিকার হনন করা থেকে আপনারাও বিরত থাকুন। না'হয় বর্তমান প্রজন্ম তার অস্তিত্বের প্রশ্নে একদফা কঠোর আন্দোলন যাবে।তাতে মোটেও সন্দেহ নেই............

শুক্রবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০২০

বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য অবমাননার প্রতিবাদে বাঁশখালীতে বাঁশখালীতে বিক্ষোভ মিছিল

 সন্ত্রাস, মৌলবাদ, সাম্প্রদায়িক জঙ্গীবাদ ও বঙ্গবন্ধু’র ভাস্কর্য ভাঙচুর এবং অবমাননার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বাঁশখালী পৌর ও উপজেলা ছাত্রলীগ। 

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের বিপ্লবী সাংগঠনিক সম্পাদক (১) হোছাইন মোহাম্মদ এর নেতৃত্বে বাঁশখালী উপজেলা ছাত্রলীগের মিছিলটি পৌরসভার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে জলদী উপজেলা পরিষদ এর সামনে সংক্ষিপ্ত পথসভার মধ্য দিয়ে শেষ হয় ।

সভায় অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন বাঁশখালী উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক প্রচার সম্পাদক মোহাম্মদ হানিফ, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক জেহাদ উদ্দিন ফারুক, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহসম্পাদক রিপন তালুকদার  উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা ইমরান মাহমুদ চৌধুরী রুমন, আব্দুর রহিম,বশির আহমেদ,আব্দুর শুক্রর



মোস্তাক আহমদ, রওশজ্জামান,পৌরসভা ছাত্রলীগ নেতা মাইকেল বনিক,এমদাদুল হক,আরাফাত,আব্দুল্লা,সাজ্জাদ, সাইফুল।

আর-ও উপস্থিত ছিলেন বাঁশখালী উপজেলা তাঁতি লীগের সভাপতি মনসুর আলম,বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলার সভাপতি মোহাম্মদ ইসলাম বদি,সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ওমর, উপজেলা মুক্তিযুদ্ধা মঞ্চ এর সভাপতি নুর হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সোহেল মাহমুদ। 

পথসভায় বক্তারা, বঙ্গবন্ধু ভাস্কর্য ভাঙচুর ও অবমানকারীদের দ্রুত গ্রেফতার পূর্বক রাষ্ট্রদ্রোহ আইনে শাস্তির দাবি জানান।

শুক্রবার, ১৩ নভেম্বর, ২০২০

বাঁশখালীতে জলদস্যুের আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠান মানে, বাঁশখালী চোর-ডাকাতের ঘাটি নয়

 অজ্ঞতায় আত্মনিমগ্ন কতিপয় কিছু অমানুষ ব্যতীত, দেশের কোনো সচেতন নাগরিকই' আশাকরি বাঁশখালী নিয়ে ঢালাওভাবে নেতিবাচক মন্তব্য পোষণ করবে না। গুটিকয়েক অমানুষের কারণে পুরো বাঁশখালীবাসীকে কেউ এক পাল্লায় পরিমাপ করবে না।  


বাঁশখালীতে জলদস্যুদের আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠান প্রসঙ্গে নেতিবাচক মন্তব্য প্রসবকারী তথাকথিত হলুদ সাংঘাতিকদের জ্ঞার্থে বলছি, বলদের পরিচয় না দিয়ে, সবার আগে তথ্য উপাত্ত ভালো করে যাচাই করুন। দয়াকরে বাঁশখালী প্রসঙ্গে কেউ অহেতুক মনগড়া নেতিবাচক মন্তব্য প্রসব করবেন না। কষ্টটা আমাদেরও লাগে। যদিও এইরূপ মন্তব্য করার অধিকারও কেউ রাখে না। বাঁশখালীতে জলদস্যুের আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠান  মানে, বাঁশখালী চোর-ডাকাতের ঘাটি নয়, বাঁশখালী চোর ডাকাতের অভয়ারণ্য নয়। নয় চোর-ডাকাতের মিলনমেলা। আজকের অনুষ্ঠানও কিন্তু বাঁশখালীর কথিত ডাকাতদের আত্মসমর্পণের মাঝে সীমাবদ্ধতা ছিলো না, ছিলো কুতুবদিয়া মহেশখালী পর্যন্ত বিস্তৃত।তাছাড়া আত্মসমর্পণকৃত ১১বাহিনীর ৩৪ জলদস্যুর অধিকাংশের বাড়িও কিন্তু কুতুবদিয়া মহেশখালী, বাঁশখালী নয়। 


কাজেই, 

কুতুবদিয়া মহেশখালীর পরিবর্তে বাঁশখালীতে আত্মসমর্পণের অনুষ্ঠান করায় 'যে বা যারা সাংঘাতিক পরিচয়ে বাঁশখালী নিয়ে বিরূপ মন্তব্য রটাচ্ছেন, আমরা বাঁশখালীবাসী তাদের প্রতি চরম ক্ষোভ প্রকাশ করছি । এবং সেই সাথে ধিক্কার জানাচ্ছি সেইসব তথাকথিত জানোয়াদেরর প্রতি' যাদের নোংরা মনমানসিকতার কারণে আবারো সারাদেশে আমরা বাঁশখালীবাসী নেগেটিভভাবে উপস্থাপিত হয়েছি। এটি তাদের জন্য আনন্দের খোরাক হতে পারে, আমাদের জন্য লজ্জার।


মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০

ভাইয়ের অপমানে ফেইসবুকে কালবৈশাখী ঝড় হয়,কিন্তু #নেত্রীর অপমানে মেঘ'ও হয় না।

অতিথি কলামিস্টঃ হোছাইন মোহাম্মদ।   



মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা আজ ভাইলীগের নেতা নয় বলেই, এই জঘন্য কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে #ভাইলীগের নেতাকর্মীদের কোনরূপ সাড়াশব্দ নেই। অথচ নেত্রীর ছবির জায়গায় আজ যদি কোনো #ভাইয়ের থাকতো, তাহলে এতক্ষণে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দফায় দফায় দমকা হাওয়া শুরু হতো। ফেইসবুক-জুড়ে বয়ে যেতো কালবৈশাখীর মহাপ্রলয়। 

#ফেইসবুক" বাংলাদেশের বর্তমান রাজনীতির বিশাল প্লাটফর্ম। যার কাছে মার খেয়েছে মাঠের রাজনীতি। হারিয়ে গেছে #রাজপথ। 


সংগঠনের নাম ব্যবহার করে, সংগঠন প্রদত্ত সকল সুযোগ সুবিধা ভোগ করে 'ফেইসবুকে কেবল সেলফি আর কুলফির প্রতিযোগিতায় মেতে উঠাকে সাংগঠনিক দায়িত্ব বলে না। 

ভাইয়ের সম্মান রক্ষার প্রয়োজনে বা গ্রুপিং রাজনীতির স্বার্থে কিংবা বিকৃত মন-মানসিকতার কারনে' প্রিয় সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা অনলাইনে কত জটিল পারদর্শিতায় নিজেদের সহযোদ্ধাদের ফেইসবুক আইডি রিপোর্টে রিপোর্টে চান্দে পাঠায়। অথচ সে পারদর্শিতার ১%-ও যদি নেত্রীর ছবি বিকৃতিকারীদের নিম্নোক্ত ফেইসবুক আইডি গুলোর বিরুদ্ধে সক্রিয় হয়, তাহলে এই বেজন্মা কুলাঙ্গারের বাচ্চারা ডিম্বাণুতেই ধ্বংস হতো। 


ওহে ভাইলীগের ভাইয়েরা, হতে কি পারে না !? 

দেশের রাজনীতির নয়া প্লাটফর্মে এটাও প্রিয় সংগঠনের নেতাকর্মীদের সাংগঠনিক কর্মকান্ডের অবিচ্ছেদ্য অংশ.? অবাক লাগে, তরী আজ কানায় কানায় পরিপূর্ণ, অথচ সুসময়ে কোথাও ঠাঁই হয়না প্রকৃত নেতাকর্মীর।


ইতিহাস হয়ে থাকবে,

জাতির পিতার সেই হিমালয় তুল্য সোনার তরী,সুসময়ে কাউয়া আর সুশীলে গিয়াছে ভরি। আগাছা পরগাছা আর বিষাক্ত কীটপতঙ্গে ভরে উঠা প্রিয় সংগঠনের নেতাকর্মীদের সাংগঠনিক কর্মকান্ডে আমি কর্মী হিসেবে বিব্রত। ছাত্রনেতা পরিচয়ে লজ্জিত।


বিঃদ্রঃ

       [সঙ্গত কারনে' ছবি কমেন্টে]

সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২০

"উন্নয়ন প্রসঙ্গে কর্মীদের ঐক্যহীন মনোভাব,সময়ের সাথে কেবল নেতৃত্বের পালাবদল হবে,হবে না জনপদের ভাগ্য উন্নয়ন"


নেতা নয়, যতদিন প


র্যন্ত কর্মীরা অসচেতন থাকবে, ততদিন পর্যন্ত নেতাদের ধারাবাহিক যাওয়ার আসার মিছিল হবে,হবে না অত্র জনপদের কাঙ্খিত উন্নয়ন। আমি বিশ্বাস করি একটা সমাজের অবকাঠা


মোগত পরিবর্তন কেবল সমাজপতি আর জনপ্রতিনিধিদের কর্মকান্ডের উপর নির্ভর করে না, সমাজের সচেতন নাগরিকদের ভূমিকার উপরও নির্ভর করে। আর আমরা সেই তথাকথিত সমাজের এক একজন  সচেতন নাগরিক, যারা নিজেদেরকে সচেতন নাগরিক দাবি করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি, কিন্তু সচেতন নাগরিকের দায়িত্ব পালনে জুড়ে দেই যতসব অজুহাত আর সীমাবদ্ধতা।

সত্যি বলতে আমরা রাজনৈতিক কর্মীরা সময়ে অসময়ে নেতার গুনগান গাইতে যতটুকু পারদর্শি, তারচেয়েও শতগুণ বেশি উদাসীন এলাকার উন্নয়ন প্রসঙ্গে। আর আমরা কর্মীরা যতদিন পর্যন্ত নেতাদের তৈল আর বাহবার পাশাপাশি সমাজের উন্নয়ন দাবি করতে ব্যর্থতার পরিচয় দিবো, ঠিক ততদিন পর্যন্ত আমাদের কারনে নেতাদের ভাগ্য পরিবর্তন হবে,

কিন্তু অবহেলিত বাঁশখালীর জনগনের ভাগ্য পরিবর্তন কিংবা জনপদের কাঙ্খিত উন্নয়ন কখনো সম্ভব নয়।

বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২০

যোগ্য নেতৃত্বের অভাবে বারবার কপাল পুড়েছে বাঁশখালীবাসীর, ৪৮ বছরেও হয়নি কাঙ্খিত উন্নয়ন

বর্তমান


সরকারের তৃতীয় মেয়াদে অর্থাৎ আজকের  এই দিনে যে সমালোচনা বিএনপি জামায়াতের করার কথা, সে সমালোচনায় যখন নিজ সংগঠনের নেতাকর্মীদেরকে বাধ্য হয়েই গাঁ ভাসাতে হয়, তখন নিজের অজান্তেই সংগঠনের প্রকৃত নেতাকর্মীদের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হয়। আমি বাঁশখালীর প্রসঙ্গে বলছি, যে #বাঁশখালী বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৪৮ বছর পরও স্বাধীন হতে পারেনি । আর স্বদেশের জন্মলগ্ন থেকে আমরা পরাধীন বলেই, এই বাঁশখালীতে আজ অবধি কোনো দৃশ্যমান উন্নয়ন হয়নি,গড়ে উঠেনি বেকারত্ব নিরসনে কোনো ধরনের আত্ম-কর্মসংস্থান। গড়ে উঠেনি শিল্প কারখানা, সৃষ্টি হয়নি উদ্দোক্তা হওয়ার সহায়ক শক্তি কিংবা নূন্যতম অর্থসংস্থান। কর্মসংস্থান ব্যাংক এর শাখা' বাঁশখালীর সর্বস্তরের তরুণ প্রজন্মের প্রাণের দাবি হতে পারে, কিন্তু বাস্তবায়ন কখনো সম্ভব নয়। গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সফল প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার বিচক্ষণ নেতৃত্বে সমগ্র বাংলাদেশ জুড়েই আজ উন্নয়নের প্রতিচ্ছবি।

অথচ যেখানে সারাদেশের মানুষ স্বাধীনতার সুফল ভোগ করছে, সেখানে বাঁশখালীর প্রায় ৬ লক্ষাধিক মানুষকে এখনো পল্লী বিদ্যুৎ অন্যায় অনিয়ম থেকে বাঁচতে সকাল বিকেল মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনায় নিমগ্ন থাকতে হয়। উদ্ধার করার মানুষ জম্ময়নি বলে।


 একটা দেশের অভ্যন্তীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা কতটা উন্নত হলে ' সরকার কখন জনগনকে বাড়তি সুবিধা দেওয়ার জন্য টার্নেল নির্মান, সাগরের পাদদেশে পাতাল ট্রেন কিংবা যোগাযোগের নতুন নতুন মাধ্যম সৃষ্টির প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে তা ব্যাখ্যা করতে হয় না, বরং আক্ষেপ নিয়ে জানতে ইচ্ছে করে, স্বাধীন বাংলাদেশের মানচিত্রে বাঁশখালী নামক কোনো উপজেলার নাম আছে কিনা.? আছে কিনা এক লক্ষ ৪৭ হাজার, পাঁচশত ৭০হাজার বর্গ কিলোমিটারের ভূখণ্ডে বাঁশখালীর গৌরবময় অস্তিত্ব...? 


সময়ে এসময়ে আলোচিত বাঁশখালীর যোগাযোগের মাধ্যম বলতেই আছে কেবল একটাই প্রধান সড়ক,

যেটি কিনা বছরের পর থাকে যানবাহনের পাশাপাশি  মৎস্য চাষের উপযোগী হয়ে। বিগত ৫'জানুয়ারির নির্বাচনের পূর্বে এই অঞ্চলের মানুষ হয়তো কোনো ধরনের স্বপ্ন দেখেনি, কিন্তু ৫'জানুয়ারির পর বাঁশখালীর ১৫' ইউনিয়নের মানুষই স্বপ্ন দেখেছে একসাথে,স্বপ্ন দেখেছে মাথা তুলে দাড়াতে, স্বপ্ন দেখেছে পাশ্ববর্তী উপজেলার ন্যায় প্রিয় বাঁশখালীর সামগ্রিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে।

           কিন্ত ২০২০'সালে দাড়িয়ে বাঁশখালীর মানুষ এখন আর সেই স্বপ্ন দেখে না, তাদের স্বপ্নের এখন গণকবর রচিত হয়েছে। কেন হবে না। বর্তমান সরকারের সর্বোচ্চ আন্তরিক প্রচেষ্টার ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকার পরও যদি' বাঁশখালীর একটা ইউনিয়নের যোগাযোগ ব্যবস্থারও কোনরূপ পরিবর্তন না হয়। তাহলে সেই স্বপ্ন দেখার চেয়ে না দেখাই উত্তম।


খোঁজ নিয়ে দেখুন বাঁশখালীতে এমন কোনো ইউনিয়ন আছে কিনা, যেই ইউনিয়নের জনগন যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের কারণে সরকারকে কেমন বাহবা দিতে স্বাচ্ছন্দ্যেবোধ করে.!! কেউ বলতে পারেন কাদামাটি সাথে নিয়ে স্কুল কলেজে অধ্যায়নরত নতুন প্রজম্মের মস্তিষ্কে প্রতিদিন কিরূপ মেসেজ আপলোড হতে পারে.? কেন সরকার সব ধরনের সুযোগ সুবিধা দিয়েও, বাঁশখালীর সাধারন মানুষের কাছে সরকারের জনপ্রিয়তা প্রশ্নবিদ্ধ হয়..?

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে #নৌকা প্রসঙ্গে বাঁশখালীর সাধারণ মানুষের পাশাপাশি সচেতন মানুষের চরম অনিহা থেকেই তো প্রমাণিত হয়, কেন বাঁশখালী ইউনিয়ন গুলোতে উন্নয়নের ছোয়া পড়েনি। কার দোষ দিবেন.? সরকারের...?

সরকার কি যথাসময়ে উন্নয়নের অর্থ বরাদ্দ দেয়নি.? নাকি সরকারের সুঃনজর এখানে পড়েনি....?সারাদেশের এতো উন্নয়নের বিপরীতে বাঁশখালীর মানুষকে যদি এখনো সেই পুরোনো ক্ষত( রাস্তাঘাট, বিদ্যুৎ, কর্মসংস্থান, চিকিৎসা সেবা, বেরিবাঁধ)সহ অগণিত সমস্যায় জর্জরিত হতে হয়, তবে বলতেই হয়,এই দোষ অন্য কারো নয়, আমাদের। বাঁশখালীর প্রতিটা সাধারণ মানুষের। কারণ আমরাই পারিনি বিগত ৪৮'বছরেও একজন যোগ্য নেতা/ নেতৃত্ব সৃষ্টি করতে। যে নিজের স্বার্থকে প্রাধান্য না দিয়ে, জনগনের এইসব সমস্যা সমাধানে নিজের জীবন বাজী রাখার মাঝে আত্ম'সন্তুষ্টি খোঁজে। 

কেউ স্বীকার করুক বা না করুক, দেশের সেইসব অঞ্চল সমূহ কিন্তু সবচেয়ে বেশি এবং সবার আগে উন্নত হয়েছে, যে সব অঞ্চলের মানুষ তাদের নেতৃত্বে এমন কাউকে আসীন করার সুযোগ পেয়েছে, যার নেতৃত্বের গুনাবলিতে কেবল শতভাগ দেশপ্রেমই নয়, দেশের মানুষের জন্যেও শতভাগ ভালোবাসা আছে। অযোগ্য নেতৃত্বে বাঁশখালীবাসীর কপাল পুড়েছে। নৌকা এমন একটা প্রতীক, যার সতন্ত্র অস্তিত্ব অাছে, নিজস্ব বলয় আছে, আর এই সতন্ত্র বলয় আর অস্তিত্বের সুবাদে নৌকা যেকোনো অযোগ্য ব্যক্তিকেও বিপুল জনপ্রিয়তায় জনপ্রতিনিধি বানাতে, সম্মানে আসনে বসাতে পারে কিন্তু তাকে কখনো #জনগনের প্রতিনিধি বানাতে পারে না, সম্মান ধরে রাখার কৌশল শেখাতে পারে না। আর না পারাতে থেকেই অত্র জনপদের  উন্নয়নের বারোটা বেজেছে। যার সমালোচনা সচেতন মানুষও করে, কিন্তু অধিকার আদায়ের লক্ষে প্রচার করে না বলেই '

             পুরো বাংলাদেশ উন্নয়নের জোয়ারে ভাসলেও, অবহেলিত বাঁশখালী ভেসেছে বারংবার অবহেলার জোয়ারে প্লাবিত হয়ে । সংগঠনের কর্মী হয়ে নয়, 

অত্র জনপদের একজন সাধারণ মানুষ হয়ে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেছি। যার কোনটাই আমার মনগড়া বক্তব্য নয়।

বরং মন্তব্যের বিপরীতে যদি প্রমাণ উপস্থাপনও করতে হয়, তাতেও আছি অঙ্গীকারবদ্ধ।

শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২০

"ইউপি নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী থাকুক,দলীয় প্রতীক নয়"

অতিথি কলামিস্টঃঃ হোছাইন মোহাম্মদ   
  

জানি আমার সাথে অনেকেই দ্বিমত পোষণ করবেন, আবার অনেকেই উপহার দিবেন বিরূপ মন্তব্য। যদিওবা আমার ইচ্ছ-অনিচ্ছা বা চাওয়া না-চাওয়াতে কারো কিছু যায় আসে না, তারপরও বলছি আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী যেমন-তেমন, কিন্তু দলীয় প্রতীক মোটেও কাম্য নয়। রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে নয়,দেশের একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে এ আমার ব্যক্তিগত অভিমত। 

নির্বাচন' আসলে এমন একটা বিষয়,যেখানে প্রার্থীর গ্রহনযোগ্যতা যেমনই হোক, কিন্তু দলীয় প্রতীকের গ্রহনযোগ্যতা বরাবরই আকাশ ছোঁয়া। স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশের ইতিহাসে ইউনিয়ন পরিষদ কিংবা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বহুল ব্যবহৃত/পরিচিত/আলোচিত সতন্ত্র মার্কা/প্রতীক গুলোর মধ্যে সাধারণত এমন কোনো মার্কা/প্রতীক আজ অবধি দৃশ্যমান হয়নি,যে প্রতীকের নিজস্ব কোনো অস্থিত্ব আছে! নিজস্ব কোনো বলয় আছে, যার প্রভাবে একজন প্রার্থীর জনপ্রিয়তা কিংবা সাধারণ মানুষের কাছে প্রার্থীর গ্রহনযোগ্যতা নিয়ে তারতম্যের সৃষ্টি হয়। 

"দলীয় প্রতীক"

          কোনো স্পেশাল প্রার্থীর পরিচিতিতেও আলোচিত নয়,বরং দলীয় প্রতীক ব্যবহারে যেকোনো অযোগ্য প্রার্থীও রাতারাতি আলোচিত হয়। সতন্ত্র বৈশিষ্ট্য আর নিজ অস্তিত্বের সুবাদে 'দলীয় প্রতীক' ভোটারের ইচ্ছা-অনিচ্ছার সাথে চিন্তাচেতনার উপরও ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করে, সংগঠনের নেতাকর্মীদের নিজ নিজ দলীয় প্রার্থীর পক্ষে শতস্ফূর্তভাবে কাজ করতে উৎসাহ প্রদান করে। কোন্দল 'গ্রুপিং উপঃগ্রুপিং এর তীব্রতা পরিহারে দলীয় নেতাকর্মীদের কেবল দায়বদ্ধতার চাদরে আবদ্ধই রাখে না, প্রার্থীদের জয়পরাজয়েও রাখে শতভাগ কার্যকরী ভূমিকা।


কিন্তু আপসোস' অগনিত ইতিবাচক গুণে গুণান্বিত দলীয় প্রতীক' নির্বাচন পূর্ববর্তী সময়ে নিজের অস্তিত্ব আর নির্বাচন পরবর্তী সময়ে নতুন নেতৃত্বের বিকাশ ঘটাতে সক্ষম হলেও, অধিকাংশ নির্বাচিত ইউপি জনপ্রতিনিধি নিজেদের মন-মানসিকতা,চিন্তাচেতনা, জনসম্পৃক্ততা কিংবা দায়বদ্ধতা' কোনটার নূন্যতম ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটাতে পারেনি বরং অধঃপতন ঘটিয়েছে সমানে সমান। প্রতীক এর সুনাম ব্যবহারে যাদের কপাল খুলেছে, নির্বাচিত হয়ে তারাই সংগঠন আর প্রতীকের সম্মান নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে। ক্ষমতা আর আত্মগৌরবে নিমজ্জিত, বিগত নির্বাচনে নির্বাচিত এক-তৃতীয়াংশ ইউপি জনপ্রতিনিধি' আত্ম-সামাজিক উন্নয়ন আর জনকল্যাণের বিপরীতে সাধারণ জনগনের সাথেই দূরত্ব কায়েম করেছে। এক কথায় দলীয় প্রতীক জনপ্রতিনিধিদের নেতা বানিয়ে দিয়েছে,কিন্তু কাউকে চেয়ারম্যান বানাতে পারেনি।

        গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় দেশরত্ন শেখ হাসিনার নিরলস প্রচেষ্টায় দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, দেশের উন্নয়ন দৃশ্যমান হচ্ছে। তবে তা শহরকেন্দ্রিক, গ্রাম (উপজেলা +ইউনিয়ন) গুলো যেন বরাবরই সুবিধা বঞ্চিত,উন্নয়ন বঞ্চিত, অবহেলিত। অথচ বর্তমান সরকার দেশের প্রত্যেকটা উপজেলার অবকাঠামোগত উন্নয়ন সুনিশ্চিত করতে,গ্রাম গঞ্জের সার্বিক উন্নয়ন দৃশ্যমান করতে যথা সময়ে সরকারি অর্থ বরাদ্দ দিচ্ছে, প্রকল্পের বিলও পাশ করছে,অথচ  উন্নয়ন কাগজে কলমেই সীমাবদ্ধ, বাস্তবতা যেন আরও জটিল, ৫'বছর আগে যেটা চলাচলের রাস্তা ছিলো, আজ সেটা হয় মৎস্য চাষ উপযোগী পুকুর, না হয় আবাদযোগ্য চারণভূমি।

তদারকি আর জবাবদিহিতার না থাকায় সরকারের বরাদ্দকৃত অর্থ দিয়ে রাস্তা/সড়ক মেরামতের পর্রিবর্তে নিজেদের বাড়িঘর মেরামত আর আলিসান অট্টালিকা তৈরি করা মহামানব গুলোর জনপ্রিয়তা এবং সাধারণ মানুষের কাছে তাদের গ্রহনযোগ্যতা বাস্তবিক প্রতিচ্ছবি দেখতে অন্তত আগামী ইউপি নির্বাচন থেকে দলীয় প্রতীক দূরে রাখুন। না হয় দেশের উন্নয়নে সরকারি বরাদ্দকৃত অর্থের ধারাবাহিক তদারকি এবং স্বচ্ছ জবাবদিহিতা সুনিশ্চিত করুন। অর্থের বিনিময়ে দলীয় প্রতীক বিক্রি বন্ধ করুন। তাদের সনাক্ত করুন, যারা অর্থের বিনিময়ে দলীয় প্রতীক ক্রয়ের আশায় জনগনকে কাংখিত সেবা থেকে বঞ্চিত আর উন্নয়নের টাকা মেরে ৪/৫ বছরে এক একজন কোটিপতি আর শিল্পীপতি................ /

ফলশ্রুতিতে সামাজিক উন্নয়ন হবে তরান্বিত,চোর-ডাকাতরা হবে মর্মাহত,ফিরে আসবে ভারসাম্য,নেতাকর্মীরাও হবে উৎসাহিত। 

বাঁশখালীর ১৫'টি ইউনিয়নের উন্নয়নের চিত্র সংগ্রহ করতে গিয়ে,আমি যা পেয়েছি,তার সবটাই তুলে ধরা কিংবা প্রকাশ করা কখনো সম্ভব নয়। দলীয় প্রতীক সোনার হরিণ,হয়তো টাকা দিয়েও পাওয়া যায়,তবে যে পেয়েছে,সে লালে লাল,বাবা শাহজালাল,নৌকা হলে তো কথাই নাই।

times24

দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে বাঁশখালীতে আওয়ামীলীগের প্রতিবাদ সমাবেশ

দেশবিরোধী চক্রান্ত – ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে  কালীপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, তাঁতিলীগ,শ্রমিক লীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠন...