রবিবার, ২৬ আগস্ট, ২০১৮

ফেব্রুয়ারি মাস।শহীদ আসাদ মতিয়ুরের রক্ত মূলধনের পটভুমিতে সৃষ্ট ঐতিহাসিক গন অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে টগবগ করে ফুটছে বাংলাদেশ।রাজপথ জনপথ বিদির্ন করা শ্লোগান তখন একটাই - "শেখ মুজিবের মুক্তি চাই।"

বাংলার অবিসংবাদী নেতা মুজিব তখনো কারাগারে বন্দী। সেনানিবাসের অভ্যন্তরে আগরতলা  মামলা তখনও চলছে। এর মধ্যে ১৫ ফেব্রুয়ারি খবর এলো পাক সেনাবাহিনী ক্যান্টনমেন্টের অভ্যন্তরে মামলার অন্যতম অভিযুক্ত সার্জেন্ট জহুরুল হককে গুলি করে হত্যা করেছে। এ নির্মম হত্যার খবর নিমিষেই ছড়িয়ে গেলো সবখানে।আর সাথে সাথে রাজপথের মিছিলের শ্লোগানে আসলো ঝটিতি পরিবর্তন। "বীর বাঙালি অস্ত্র ধর,বাংলাদেশ স্বাধীন কর/"জহুরের রক্ত স্বাধীনতার মন্ত্র/" জহুরের রক্ত বৃথা যেতে দেবোনা/" -এই হয়ে গেলো মূল শ্লোগান। তারপরের ইতিহাস সবারই জানা।
     
এরপর ১৯৭০ সালের ১৫ ই ফেব্রুয়ারি পালন করা হয় সার্জেন্ট জহুর দিবস। এসময়েই গঠিত হয়েছিল "ফেব্রুয়ারী ১৫ই বাহিনী" ,পরে যা "জয় বাংলা বাহিনী"তে পরিনত হয়েছিল । সেই বছর সার্জেন্ট জহুরের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী পালন উপলক্ষে একটা বিরাট র‍্যালী আমরা করেছিলাম। অন্যান্য শ্লোগানের সাথে একটা গান আমরা সবাই কোরাসের মত করে গেয়েছিলাম।

"আসাদ-জোহা-মতিয়ুর-রুস্তম
জহুরের রক্তে রক্তনিশান এঁকেছি।
তাইতো মোরা সবকিছু ভুলে
এক মিছিলে মিলেছি।
ভুলিনি তাদের মোরা ভুলিনি
আমরা তাদের মনে রেখেছি।
আকাশের বুকে উজ্জ্বল তারা হয়ে
তারা রবে চির অম্লান"।

সম্ভবত:ছাত্রলীগের সিনিয়র নেতা নাসিরুল ইসলাম বাচ্চু ও কেন্দ্রীয় সংসদের সাহিত্য সম্পাদক এই গানটি লিখেছিলেন। আমার এখনো মনে আছে,ছাত্রনেতা গোলাম ফারুকের সুরে,তাঁর গলায় গলা মিলিয়ে কোরাস পদ্ধতিতে এই গানটা গাইতাম সবাই মিলে।শ্লোগানের ফাঁকে ফাঁকে আমরা গাইতাম এই গান।মনে পড়ে যায়,যেন ভুল না হয়,সেজন্য ডাকসুর প্যাডে আমি স্বহস্তে লিখে রেখেছিলাম সেই অমর গান।আজ আটচল্লিশ বছর পর সবার জন্য ফেসবুকে বয়ান দিলাম সেই গান ;সাথে লিখে রাখা সেই পাতা।
জয় বাংলা।

times24

দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে বাঁশখালীতে আওয়ামীলীগের প্রতিবাদ সমাবেশ

দেশবিরোধী চক্রান্ত – ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে  কালীপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, তাঁতিলীগ,শ্রমিক লীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠন...