মির্জা ফকরুলের রাজাকার পিতা মির্জা রুহুল আমিন সমাচার।স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকলীন সময়ে১৯৭১ সালে মির্জা ফকরুলের পিতা রুহুল আমিন স্বাধীনতার বিরোধিতাকারী হিসাবে ঠাকুরগাঁও জেলার চিহ্নিত রাজাকার ছিলেন।
রাজাকার হিসাবে যারা বাঙালিদের হত্যা, ধর্ষণ, লুটপাট ও বাড়ি ঘরে অগ্নি সংযোগ করেছিল তাদের বিচারের জন্য প্রনীত ১৯৭২ সালের দালাল আইনের আওতায় বিচারের জন্য রুহুল আমিন জেলে বন্দী ছিলেন।
৭৫ এর ১৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধুর হত্যার পর জিয়া ক্ষমতা দখল করে বিচারের জন্য অনেক বন্দী রাজাকারের সাথে মির্জা ফকরুলের পিতা রুহুল আমিনকেও জেল থেকে মুক্ত করে দেন।
১৯৭৯ তে রুহুল আমিন বিএনপিতে যোগ দিয়ে ঠাকুরগাঁও থেকে এমপি নির্বাচিত হন।জিয়ার মৃত্যুর পর রাজাকার রুহুল আমিন ভোল পাল্টিয়ে এরশাদের জাতীয় পার্টিতে যোগ দেন।
এরপরর১৯৮৮ সাল থেকে এরশাদের পতন না হওয়া জাতীয় পার্টির এমপি ছিলেন।
এই রাজকার পুত্র মির্জা ফকরুল এখন নাকি স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি।উনি প্রায়শই অভিযোগ করেন আওয়ামীলীগ নাকি স্বাধীনতার ইতিহাস বিকৃতি করছে।
