বৃহস্পতিবার, ৩০ আগস্ট, ২০১৮

এটা কিসের বন্ধন?কিসের খণ্ডন?আমি ছার পোকা জানতে চাই,

এটা বন্ধন খণ্ডন কিছু নয়,এটি আওয়ামী লীগ মারার ফন্দি বের করছেন কতিপয় জামাতি প্রতিষ্ঠান।কি আজব কাণ্ড,
আগে আল্লাহ, পিছে গার্মেন্টস দোয়ায় দেখছি,বাঁশখালী আওয়ামী লীগ তাড়াহুড়ি করে টাকার কাছে বিক্রি হয়ে যাচ্ছে ?যারা এতোদিন জোরপূর্বক দেখবার শুনবার দায়িত্ব নিয়ে লুটেপুটে খেয়ে এমপি সাহেবে গোয়া মেরেছে,তার সবার আগে নিরাপদ আশ্রয়ের খুজে জামাতীদের নীড়ে বাসা বাঁধছে।যারা চলে বলে কৌশলে এমপি সাহেবকে সংগঠন বিরোধী কর্মকাণ্ড সময়ে সময়ে উৎসাহ প্রদান করেছে,
মাননীয় সাংসদ,
জনাব মোস্তাফিজুর চৌধুরী আপনার উপরও রাগ আছে,সারা জীবন খাওয়াই ধাওয়াই বলদ লালন পালন বলে।যারা আপনার ক্ষমতার মেয়াদ শেষ না হওয়ার পূর্বেই সিআইপি মুজিবের পা ছাটা কুকুরে পরিনত হয়েছে। আপনি এখনো বাঁশখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের দীর্ঘ ২২ধরে সভাপতি।সবাই আপনাকে ছেড়ে চলে যাক,সমস্যা নাই,যোগ্য কর্মি একজন হলেই যথেষ্ট। তবু আপনার দায়িত্ব বলতে কথা আছে,নিজেকে হতাশায় ডুবিয়ে রাখবেন কেন?
আপনি কি দেখতে পারছেন? জামাতিরা সবার৷ পূর্বে কিভাবে আওয়ামীলীগ কিনে নিয়েছে?আপনার কাছে  আমার প্রশ্ন বাঁশখালী আওয়ামীলীগ কি জামাতিদের শেষ আহারে পরিনত হচ্ছে।
আপনার শরীরে,রক্তে বর্নে শীরায় উপশিরায় যদি জয়বাংলার ধ্বনিত প্রভাবিত হয়,তবে আপনার উচিত সবার পূর্বে জামায়াত ঠেকানো।
প্রয়োজনে নৌকার মাঝি হউক আপনার চিরপ্রতিদ্ধন্দী,বর্তমান সময় ও পরিস্থিতিতে নৌকা পাওয়ার এক মাত্র দাবিদার আলহাজ্জ্ব আব্দুল্লাহ কবির লিটন।।বাঁশখালী আওয়ামী লীগের রাজনীতি তে এই মানুষটার অবদান কোন অংশে কম নয়। সময়ের জনপ্রিয় ব্যক্তি।

আপনারা দুই সিনিয়র নেতার উদাসীনতার কারনে যেকোন সময় বাঁশখালী উপজেলা আওয়ামী লীগ জামীয়ার আহারে পরিনত হয়ে ভক্ষম কার্য....

দুই ভাইরে বুলছি,বাকিসব পরে,আগে জামায়াত ও দোসরদের তাড়ান,বাকিসব পড়ে।
নাহলে বাঁশখালীর আওয়ামী লীগ আপনার কাউকে ক্ষমা করবে না।

times24

দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে বাঁশখালীতে আওয়ামীলীগের প্রতিবাদ সমাবেশ

দেশবিরোধী চক্রান্ত – ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে  কালীপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, তাঁতিলীগ,শ্রমিক লীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠন...