রবিবার, ২৫ জুলাই, ২০২১

কয়লাবিদ্যুৎ প্রকল্পে 'জনবল নিয়োগে বাঁশখালীবাসীর অগ্রাধিকার চাই

 প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যের অপরুপ লীলাভূমি প্রিয় বাঁশখালীর উপকূলীয় অঞ্চল-জুড়ে আজ S.Alam এর অভয়ারণ্য,আধিপত্য।আধুনিক ও উন্নত তথ্য প্রযুক্তির যথোপযুক্ত ব্যবহারের সাথে S.Alam সংস্পর্শ,

অত্র জনপদের কাদামাটিকেই করেছে সোনায় পরিনত।

          যদিও সময়ের বিবর্তনে প্রিয় মাতৃভূমিতে'ই এস.আলম শক্ত শিকড় গেড়েছে। মাটি খনন করে টাকা বের করে আনছে।পাশ্ববর্তী উপজেলা থেকে জনবল এনে তা পরিস্কার করাচ্ছে! অথচ বাঁশখালীর জনবল নিয়োগে তারা বড্ড অপারগ।খুব বেশি জানতে ইচ্ছে করে,এই কোন স্বজনপ্রীতির রোষানলে পতিত প্রিয় বাঁশখালী'বাসীর আগামীর ভবিষ্যৎ...................

         যেখানে বাঁশখালীর উপকূলীয় অঞ্চলের প্রায় লক্ষাধিক লবণ চাষি' গন্ডামারায় নির্মাণাধীন কয়লা-প্রকল্পকে স্বাগত জানিয়ে' তাদের আয়-রোজগারের একমাত্র উৎস(লবণের মাট) S.Alam এর হাতে তুলে দিয়েছে। সেখানে প্রকল্প কতৃপক্ষের এইরূপ বৈষম্যমূলক দৃষ্টান্ত স্থাপন' আমাদের হৃদয়ের গহীনে ক্ষত সৃষ্টি করেছে।

        গন্ডামারায় প্রকল্প বাস্তবায়নে নিয়োজিত উর্ধতন কর্মকর্তাদের কাছে আমি সবিনয়ে প্রশ্ন রাখলাম..............

কেন আপনারা বাঁশখালীর মাটি/উর্বর ভূমি ব্যবহারে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন, আর বাঁশখালীর মানুষদের মূল্যায়নে একাধিক অজুহাত বা দ্বিধাবিভক্তির জম্ম দেন......?

        শুধু আমরাই নয়, সারা বাংলাদেশর মানুষ জানে বাঁশখালীতে নির্মাণাধীন কয়লা বিদ্যুৎ' প্রকল্পের পক্ষে বিপক্ষে কতখানি রক্ত ঝরেছে। শুধু জানে না এখানে কি পরিমাণ ভূমির মালিক তাদের ন্যার্য পাওনা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। কত গুলোর পরিবার তাদের একমাত্র আয়ের উৎস হারিয়ে হতাশায় ডুবে আছে? তবে বাঁশখালীতে S.Alam এর আগমনে একেবারে কারো ভাগ্য পরিবর্তন হয়নি, তা কিন্তু নয়।

         এস.আলমের সুদৃষ্টিতে অনেক ভূমিহীন সারথি-মহাসারথির (খাদক আর দালাল মহোদয়) জীবনে এসেছে নিয়ামক পরিবর্তন। মাত্রাতিরিক্ত অনিয়ম, দুর্নীতি আর লুটপাটের প্রভাবে ভূমির প্রকৃত মালিকদের অধিকার হনন হলেও, ভূমিহীন দালালরা হয়েছেন রাতারাতি কোটিপতি আর শিল্পপতির আসনে অধিষ্ঠিত।

             আর এটাই বাস্তব সত্য যে, এইসব খাদক বাবু'দের মহৎ কর্মকাণ্ডে কেবল একজনের জায়গা আরেকজনে বিক্রির নথি উন্মোচিত হয়নি। প্রতিষ্ঠিত হয়েছে দালালদের নিখুঁত কারচুপির ইতিহাসও। আছে ৬০০খানি জায়গা কিনে ১২০০খানি দখল নেওয়ার রেকর্ডও। অথচ এইরূপ শত সমস্যার পরও প্রিয় বাঁশখালীর সাধারণ মানুষ দেশের উন্নয়নের জন্য, জনগনের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য,তাদের উপর দিয়ে নীরবে বয়ে যাওয়া সব ধরনের অন্যায় অনিয়ম মাথা পেতে নিয়েছে।কিন্তু বিনিময় বলতে ওরা আজও যে লাউ, সে কদু।

            গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নির্দেশে' মোতাবেক প্রকল্প কতৃপক্ষ উপকূলীয় অঞ্চলে বসবাসরত প্রত্যেক পরিবারের অন্তত একজন সদস্যকে চাকরি দেওয়ার চূড়ান্ত আশ্বাস আর প্রকাশ্যে ঘোষণা দিলেও, তার বাস্তবায়ন আজও পরিলক্ষিত হয়নি। প্রকল্প কতৃপক্ষ তার অঙ্গীকার করা তো দূরের কথা, তাদের কাছে বাঁশখালীর মানুষ রোহিঙ্গাদের চেয়েও নিকৃষ্টতায় পরিনত হয়েছে।


         আমরা (বাঁশখালী'বাসী) এই প্রকল্পের বিপক্ষে নই।আমরা শুরু থেকে আজ পর্যন্ত প্রকল্প বাস্তবায়নের পক্ষে।আমরা প্রকল্পের অগ্রগতিতে প্রতিবন্ধকতা নয়, সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে চাই। আমরা ন্যার্য অধিকার চাই। আমরা বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্তি চাই। আমরা রাষ্ট্রের বোঝা হতে চাই না, সম্পদে পরিনত চাই।

   একবার থাকিয়ে দেখুন,

         এই বাঁশখালীতে বেকার সমস্যা কতখানি প্রকট।কেমন তার উর্ধগতি। অথচ এখানে নেই কোন বিকল্প কর্মসংস্থানের যথার্থ সুযোগ সুবিধা। নেই উদ্যোক্তা হওয়ারও আধু কোন সুঃব্যবস্থা.............

আমি বিশ্বাস করি,

        বাঁশখালীর গন্ডামারায় নির্মাণাধীন কয়লাবিদ্যুৎ প্রকল্পে 'জনবল নিয়োগে' সবার



আগে প্রাধান্য পাওয়া উচিৎ বাঁশখালীর বাসীর। এটা কিন্তু ভিক্ষা কিংবা অনুরোধ নয়। এটা আমাদের ন্যার্য অধিকার।

অতএব,

✔অনুগ্রহ করে সে অধিকার হনন করা থেকে আপনারাও বিরত থাকুন। না'হয় বর্তমান প্রজন্ম তার অস্তিত্বের প্রশ্নে একদফা কঠোর আন্দোলন যাবে।তাতে মোটেও সন্দেহ নেই............

times24

দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে বাঁশখালীতে আওয়ামীলীগের প্রতিবাদ সমাবেশ

দেশবিরোধী চক্রান্ত – ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে  কালীপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, তাঁতিলীগ,শ্রমিক লীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠন...