ম
ঙ্গলবার ২১ আগস্ট সকালে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে তাঁর চিকিৎসকরা দেখা করতে যান।
জিয়া এতিমখানা দুর্নীতি মামলায় পাঁচ বছরের জন্য দণ্ডিত হয়ে গত ছয় মাস ধরে রাজধানীর নাজিম উদ্দিন রোডের পুরোনো ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে আছেন বেগম জিয়া। আজ কারাগারে সিভিল সার্জনও ছিলেন। চিকিৎসকরা খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেন। স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার পর খালেদা জিয়া কথা বলার জন্য কিছুক্ষণ বসতে বলেন তাঁদের।
এ সময় চিকিৎসকদের সঙ্গে খালেদা জিয়ার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। বিভিন্ন মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন বিষয়েও কথা হয় এসময়। এক পর্যায়ে খালেদা জিয়া ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার প্রসঙ্গে কথা বলেন। বেগম জিয়া চিকিৎসকদের উদ্দেশ্যে বলেন, আজকে যে তিনি কারাগারে এর কারণ এতিমখানা মামলা নয়। ২০০৪ সালের ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলার জন্যই আজ তাঁর এই পরিণতি।
খালেদা জিয়া বলেন, গ্রেনেড হামলাটি ছিল তারেক জিয়ার একটি ভুল সিদ্ধান্ত। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী হলেও বিষয়টি তিনি জানতেন না বলে উল্লেখ করেন খালেদা জিয়া। কিন্তু বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের অনেকেই ঘটনাটি জানতো।
খালেদা জিয়া চিকিৎসকদের বলেন, ঘটনার পরে তিনি বিষয়টি জানতে পারেন। কিন্তু তখন তাঁর আর কিছু করার ছিল না।
কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি চাইলেই গ্রেনেড হামলার সুবিচারের বন্দোবস্ত করতে পারতেন। কিন্তু তা না করে খালেদা জিয়া ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন।
সবশেষে বিএনপির রাজনীতির এখন যে দুরবস্থা তাঁর মূল কারণ হিসেবে ২১ আগস্টের কথা উল্লেখ করেন কারাবন্দী খালেদা জিয়া।
২১ আগস্টের পর বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার গ্রেনেড হামলার তদন্তে গড়িমসি করেছিল। তবে পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসলে নতুন উদ্যমে মামলার তদন্ত কাজ শুরু করে সিআইডি। তদন্ত শেষে ২০১১ সালের ৩ জুলাই ৩০ জনকে আসামি করে আদালতে সম্পূরক চার্জশিট দাখিল করা হয় যার মধ্যে অন্যতম আসামি হিসেবে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক জিয়ার নাম উল্লেখ করা হয়। আদালতের বিভিন্ন কার্যক্রমেও তারেক জিয়ার অপরাধ প্রমাণিত হয়েছে। এই গ্রেনেড হামলার মামলার রায় যে কোনো সময় ঘোষিত হতে পারে। রায়ে তারেক জিয়ার দণ্ডিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এর আগে চলতি মাসের মাঝামাঝি খালেদা জিয়া কারা কর্মকর্তাদের কাছে তাঁর ভুয়া জন্মদিনের কথাও স্বীকার করেছিলেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করা হয়। জাতীয় শোক দিবসের দিনটিকে অবমাননা করার জন্য রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ১৯৯৬ সাল থেকে ১৫ আগস্টকে বেগম জিয়া জন্মদিন হিসেবে পালন করে আসছিলেন। সপ্তাহখানেক আগে জাতীয় শোক দিবসে কারা কর্মকর্তারা বেগম খালেদা জিয়ার কাছে জানতে চান, আজ তো আপনার জন্মদিন, জন্মদিন উপলক্ষে আপনার জন্য বিশেষ কিছুর আয়োজন করবো? উত্তরে তখন খালেদা জিয়া পরিষ্কার ভাবে বলেছিলেন, তাঁর জন্মদিন সেপ্টেম্বর মাসে, ১৫ আগস্ট নয়।’
এসব স্বীকারোক্তির ঘটনায় মনে করা হচ্ছে, দীর্ঘদিন কারাবন্দী থেকে খালেদা জিয়ার শুভ বুদ্ধির উদয় হয়েছে। কারাগারের একাকীত্ব সাবেক প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে অনুশোচনা, অনুতাপের জন্ম দিয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
চলতি বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া এতিমখানা দুর্নীতি মামলায় বেগম জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন আদালত। ওই দিনই পুরান ঢাকার নাজিম উদ্দিন রোডের পুরানো ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে নেওয়া হয় বেগম জিয়াকে। চলতি আগস্টের ৮ তারিখ বেগম জিয়ার কারাজীবনের ছয় মাস পূর্ণ হয়। একই মামলায় বেগম জিয়ার বড় ছেলে ও বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক জিয়াসহ পাঁচজনকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
ঙ্গলবার ২১ আগস্ট সকালে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে তাঁর চিকিৎসকরা দেখা করতে যান।
জিয়া এতিমখানা দুর্নীতি মামলায় পাঁচ বছরের জন্য দণ্ডিত হয়ে গত ছয় মাস ধরে রাজধানীর নাজিম উদ্দিন রোডের পুরোনো ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে আছেন বেগম জিয়া। আজ কারাগারে সিভিল সার্জনও ছিলেন। চিকিৎসকরা খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেন। স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার পর খালেদা জিয়া কথা বলার জন্য কিছুক্ষণ বসতে বলেন তাঁদের।
এ সময় চিকিৎসকদের সঙ্গে খালেদা জিয়ার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। বিভিন্ন মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন বিষয়েও কথা হয় এসময়। এক পর্যায়ে খালেদা জিয়া ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার প্রসঙ্গে কথা বলেন। বেগম জিয়া চিকিৎসকদের উদ্দেশ্যে বলেন, আজকে যে তিনি কারাগারে এর কারণ এতিমখানা মামলা নয়। ২০০৪ সালের ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলার জন্যই আজ তাঁর এই পরিণতি।
খালেদা জিয়া বলেন, গ্রেনেড হামলাটি ছিল তারেক জিয়ার একটি ভুল সিদ্ধান্ত। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী হলেও বিষয়টি তিনি জানতেন না বলে উল্লেখ করেন খালেদা জিয়া। কিন্তু বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের অনেকেই ঘটনাটি জানতো।
খালেদা জিয়া চিকিৎসকদের বলেন, ঘটনার পরে তিনি বিষয়টি জানতে পারেন। কিন্তু তখন তাঁর আর কিছু করার ছিল না।
কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি চাইলেই গ্রেনেড হামলার সুবিচারের বন্দোবস্ত করতে পারতেন। কিন্তু তা না করে খালেদা জিয়া ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন।
সবশেষে বিএনপির রাজনীতির এখন যে দুরবস্থা তাঁর মূল কারণ হিসেবে ২১ আগস্টের কথা উল্লেখ করেন কারাবন্দী খালেদা জিয়া।
২১ আগস্টের পর বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার গ্রেনেড হামলার তদন্তে গড়িমসি করেছিল। তবে পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসলে নতুন উদ্যমে মামলার তদন্ত কাজ শুরু করে সিআইডি। তদন্ত শেষে ২০১১ সালের ৩ জুলাই ৩০ জনকে আসামি করে আদালতে সম্পূরক চার্জশিট দাখিল করা হয় যার মধ্যে অন্যতম আসামি হিসেবে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক জিয়ার নাম উল্লেখ করা হয়। আদালতের বিভিন্ন কার্যক্রমেও তারেক জিয়ার অপরাধ প্রমাণিত হয়েছে। এই গ্রেনেড হামলার মামলার রায় যে কোনো সময় ঘোষিত হতে পারে। রায়ে তারেক জিয়ার দণ্ডিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এর আগে চলতি মাসের মাঝামাঝি খালেদা জিয়া কারা কর্মকর্তাদের কাছে তাঁর ভুয়া জন্মদিনের কথাও স্বীকার করেছিলেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করা হয়। জাতীয় শোক দিবসের দিনটিকে অবমাননা করার জন্য রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ১৯৯৬ সাল থেকে ১৫ আগস্টকে বেগম জিয়া জন্মদিন হিসেবে পালন করে আসছিলেন। সপ্তাহখানেক আগে জাতীয় শোক দিবসে কারা কর্মকর্তারা বেগম খালেদা জিয়ার কাছে জানতে চান, আজ তো আপনার জন্মদিন, জন্মদিন উপলক্ষে আপনার জন্য বিশেষ কিছুর আয়োজন করবো? উত্তরে তখন খালেদা জিয়া পরিষ্কার ভাবে বলেছিলেন, তাঁর জন্মদিন সেপ্টেম্বর মাসে, ১৫ আগস্ট নয়।’
এসব স্বীকারোক্তির ঘটনায় মনে করা হচ্ছে, দীর্ঘদিন কারাবন্দী থেকে খালেদা জিয়ার শুভ বুদ্ধির উদয় হয়েছে। কারাগারের একাকীত্ব সাবেক প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে অনুশোচনা, অনুতাপের জন্ম দিয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
চলতি বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া এতিমখানা দুর্নীতি মামলায় বেগম জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন আদালত। ওই দিনই পুরান ঢাকার নাজিম উদ্দিন রোডের পুরানো ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে নেওয়া হয় বেগম জিয়াকে। চলতি আগস্টের ৮ তারিখ বেগম জিয়ার কারাজীবনের ছয় মাস পূর্ণ হয়। একই মামলায় বেগম জিয়ার বড় ছেলে ও বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক জিয়াসহ পাঁচজনকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
