রবিবার, ১২ আগস্ট, ২০১৮

গুজব ও শিবির নেতৃত্বে প্রশ্নবিদ্ধ ছাত্র-আন্দোলন

√ছাত্র আন্দোলন
একাধিক সুনির্দিষ্ট কারনবশত সদ্য সমাপ্ত ছাত্র-আন্দোলন বাংলাদেশের মানুষের কাছে অবশ্যই স্মরণীয় হয়ে থাকবে।আন্দোলনের শুরুটা যেমনই হোক না কেন.?মাঝ আর শেষটাই ছিলো দেশ ও স্বাধীনতার অস্তিত্ব বিনাশের আরো একটি ব্যর্থ মিশন।
নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের ব্যানারে ছাত্রছাত্রীদের যৌক্তিক দাবির আন্দোলনে'জামায়াত শিবিরের অনুপ্রবেশ এবং কৌশলে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে আন্দোলনকে শুধু ভিন্নখাতে প্রভাবিত করেনি। বরং গুজবের উপর ভর করে ছাত্রদের গ্রহনযোগ্য আন্দোলনের উপর ঘৃণ্য প্রলেপ লেপন করিয়েছে ঐ ৭১পরাজিত শক্তিদ্বয়ের অশুভ অস্থিত্বের।
বাংলাদেশের জম্মলগ্ন থেকে সদ্য সমাপ্ত আন্দোলনের পূর্ববর্তী সংঘটিত  অগনিত আন্দোলন সংগ্রামে বিচক্ষণ নেতৃত্ব বাংলাদেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্যে স্মারকবুকে জায়গা করে নিয়েছে।
একটা আন্দোলন,একাধিক অজানা তথ্যের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়,  শিক্ষা দেয়,পরিচয় করিয়ে দেয় ডিজিটাল গুজব কাহিনীর সাথে..................!
পরিচয় করিয়ে দেয়,মুখোশের আড়ালে পুরোদমে বেপরোয়া লুকানো সব জাত শত্রুদের!যারা নির্দিষ্ট সময়ের সময়ের জন্য,কিংবা নির্দিষ্ট কোন উদ্দেশ্য বা মিশনকে সামনে রেখে তথ্য সংগ্রহ বা টিকিয়ে থাকার লড়াইয়ে সাময়িক নিরাপদ উৎসের সন্ধানে আপনার/আমার পাশ ঘেষে দিব্যি ....................।

জানিনা ঐ অশুভ শক্তির সাময়িক বিচরণে কে কি লক্ষ্য করেছেন?
তবে,
এইবারের এই ছাত্র আন্দোলন আমার কাছে আজীবন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
নিরাপদ সড়ক আন্দোলনকে সামনে রেখে সাধারান ছাত্রছাত্রীদের দাবি বাস্তবায়নের জন্য পেশকৃত একাধিক দাবি সমুহকে,যৌক্তিক দাবি বলে উল্লেখ্য এবং ধারাবাহিক ভাবে তাদের পেশকৃত সব গুলো দাবীর সঠিক বাস্তবায়ন,প্রিয়নেত্রী গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সফল প্রধানমন্ত্রী  দেশরত্ন শেখ হাসিনা প্রকাশ্যে ঘোষনা প্রদানের সাথে সাথেই সাধারন ছাত্রছাত্রীদের গ্রহনযোগ্য নৈতিক দাবি আন্দোলনের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রন বা নেতৃত্ব নিয়ে নেয় শিবির +ছাত্রদলের ক্যাডারেরা।যেখানে নেতৃত্বের হাত বদলের সাথে সাথেই আন্দোলন গতিবিধি পরিবর্তন করে,আন্দোলনকে ভিন্নখাতে প্রভাবিত করে জামায়াত শিবির ও ৭১এর তৎকালীন স্বাধীনতা বিরুধীরা...।

যা কিনা, পূর্ব-পরিকল্পনার অংশ হিসেবে অনলাইনের বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সমূহতে,যেমন ফেইসবুক,টুইটারে একাধিক সাজানো গুজব ছড়িয়ে দিয়ে মুহুর্তের মধ্যেই ছাত্রছাত্রীদের দাবী আদায়ের আন্দোলনকে সরকার বিরোধী আন্দোলনে রূপান্তর করে রাজাকার #বিবির_সন্তানেরা!

এডিট করা বিভিন্ন রক্তমাখা ছবি,বিভিন্ন দেশের নারী নির্যাতনের ছবি এবং ধর্ষনের গুজব কাহিনী  ছড়িয়ে দিয়ে'বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে হামলা করাই ছিলো তাদের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।যাদের ধারনায় ছিলো,সরকার দলীয় সংগঠনের প্রধান কার্যালয়ে হামলা হলে,তা ক্রমান্বয়ে ছড়িয়ে পড়বে দেশের প্রত্যান্ত অঞ্চলে।একসাথে আক্রান্ত হবে দেশের সরকার দলীয় রাজনৈতিক কার্যালয়।শিবিরের একাধিক সাইটে এখনো তার সত্যতা প্রমাণ মেলে।
(মাধ্যমঃ)-> গুজব
 
সভ্য সমাজের মানুষ হিসেবে আমাদের অবশ্যই গর্ব করা উচিত।সভ্যতার আড়ালে অসভ্যতার আবরণে ডাকা মানুষ গুলো আজো গুজবে মগ্ন হয়ে চিলের পিছনে দৌড়াতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে।
বাস্তবতা এই যে জামাতিদের ৫মিনিটের সাজানো গুজব কাহিনীতেও নিমগ্ন হয়ে স্বেচ্ছায় উলঙ্গ হয়,দেশের অসচেতন নির্বোধ ০.৭%আমজনতা।যাদের অজ্ঞাতাকে  কাজে লাগিয়ে দেশের শত্রু,পাকের বন্ধু মদুধি পুত্রদ্বয়ের দেশদ্রোহী কার্য সমূহও মাঝেমধ্যে এভাবেই কারো না কাঁধে ভর করে,গুজব আর রাষ্ট্রীয় ক্ষতিসাধনের সহিত তাদের অশুভ অস্তিত্বের জানান দেয়।
এরা সংখ্যায় হয়তো নগন্য,কিন্তু ঐক্যবদ্ধ।সব ঋতুতেই যেন সমানে সমান।এরা ধর্মকে পুঁজি করে নিজের স্বার্থ হাসিল করে,যারা ধর্ম ব্যবসায়ী নামে সর্ব মহলে পরিচিত।আর্ন্তজাতিক পরিচয় বলতে," ইউনেস্কো কর্তৃক বিশ্বের ৩নং সন্ত্রাসী সংগঠন উপাধীতে ভূষিত।
√√√√

শুরুতেই লিখেছিলাম,
অশুভ ছায়ায় আক্রান্ত গত ছাত্র-আন্দোলনে,যা দেখেছি,যা বুঝেছি,যা শিখেছি,তা আমৃত্যু স্মরণীয় হয়ে থাকবে।আর প্রকাশ্যে উন্মোচিত হওয়া মুখোশ গুলো সারা জীবন ঘৃণার চোখে পরিলক্ষিত হবে।
কেন থাকবে না? কেন হবে না?
আপনারাই বলুন।

√√ দেশে বর্তমান শিক্ষার হার আকাশ ছোয়া।শিক্ষিত ব্যক্তি বা সমাজের সংখ্যাও যেখানে নেহাত কম নয়।সেখানে সচেতন ব্যক্তির সংখ্যা দেখে............

হাইরে গুজব।

√√ প্রিয় সংগঠনে বিভিন্ন সময়ে এসে পেট ও পিট বাচাতে আশ্রয় নেওয়া অতিথিদের গনবিদায়ের দৃশ্য যেমনই হোক না কেন,সংগঠন কিন্তু আগাছা মুক্ত হয়েছে।যারা সংগঠনের বিভিন্ন ইউনিটে নেতৃত্বে ছিনিয়ে নিতে কৌশলে গ্রুপিং লাগিয়ে দিয়ে৷ ভাগিয়ে নিয়েছিলো প্রিয় সংগঠনের পদপদবী৷
তারাই সরকারের নিশ্চিত পতন ভেবে  ফেইসবুকে পদত্যাগ নাটক' আমাদের চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে।

স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তির তথা অস্থিত্বের স্থায়ী বিনাশে ওরা কতটা আগ্রাসী।চেয়ে দেখুন ওরা
কতটা বেহায়া,কতটা প্রতিশোধ পরায়ণ..।

প্রিয় সংগঠনের অভিভাবকদের দৃষ্টি আকর্ষন করছি,তাদের স্থায়ী বহিষ্কার করুন,যারা ছাত্র-আন্দোলনকে উসকে দিতে ছাত্রলীগ কে নিয়ে নোংরা মন্তব্যের সহিত পদ-পদবি থেকে তাদের জাত ভাইদের ঈশারায় সংগঠনের দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করেছিলো।ছাত্রলীগকে বিতর্কিত করতে মোস্তাকের ভূমিকায় অবর্তীন্ন হয়েছিলো।যারা অনুপ্রবেশের সহায়তায় প্রিয় সংগঠনের চারপাশে আগাছার ন্যায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে।
ওদের সংখ্যা খুব একটা নয়,যাদের মুখোশ উন্মোচিত হয়েছে,তাদের চিনে রাখুন।আর যারা লুকিয়ে আছে,তাদের সনাক্ত করুন।নাহলে আরো একটা সমস্যার মুখামুখি দাড়াতে হবে প্রিয় সংগঠনকে..............

যদিও নিজেদের আরেকদফা নিশ্চিত  পরাজয় জেনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উস্কানিমূলক প্রসবকৃত তাদের  স্টাটাসসহ সরকার বিরোধী সকল স্টাটাস, নোংরা মন্তব্য ও গুজব নাটকের দৃশ্য সমূহ সংশ্লিষ্ট শুয়ারের বাচ্চাদের টাইম লাইন থেকে আস্তে আস্তে হারিয়ে যাচ্ছে।তবে স্কীনশর্ট.........??

আর এখনো যারা আগাছা হয়ে কৌশলে প্রিয় সংগঠনের আনাচে কানাচে মুকোশের আড়ালে লুকিয়ে আছে,তাদের ছিন্হিত করার এটাই উপযুক্ত সময়।যাদের সনাক্ত করতে বেশি কিছু আয়োজনের প্রয়োজন নেই।
শুধু গত/বিগতে হওয়া অশুভ ছায়ায় আবৃত ব্যর্থ আন্দোলন গুলোর শুরু এবং শেষ সময় গুলোতে প্রিয় সংগঠনের নাম ভাংঙ্গিয়ে চলা/প্রিয় সংগঠনের নেতৃত্বে থাকা আপনার/ আমার/আপনাদের সহযোদ্ধাদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং সংগঠনের প্রয়োজনে অর্পিত দায়-দায়িত্বের চিত্র গুলোতেই চোখ রাখুন।

চিনতে পারবেন.........
√অনুপ্রবেশকারী।

দেখতে পাবেন..........
√সুবিধাবাদী।

লজ্জিত হয়েছি আমি,লজ্জিত হবেন আপনি।কেননা আপনার/আমার/ আমাদের ব্যর্থতার সমষ্টিতেই সৃষ্টি এদের সিংহভাগ অস্তিত্ব ।somuy.blogspot.com

times24

দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে বাঁশখালীতে আওয়ামীলীগের প্রতিবাদ সমাবেশ

দেশবিরোধী চক্রান্ত – ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে  কালীপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, তাঁতিলীগ,শ্রমিক লীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠন...