খোলাচিটি:-
জনাব মুজিবুর রহমান সিআইপি
,
উদয়মান রাজনীতিবিদ,শিল্পপতি সমাজসেবক।
বাঁশখালী চট্টগ্রাম।
প্রসঙ্গঃ-(ঐকূল ছাড়ুন,এইকুল পাবেন)জামায়াতের সাথে আওয়ামী লীগ যায় না।
জনাব,
যথা বিহীত সম্মান পূর্বক বিনীত নিবেদন,এই যে আমি ছারপোকা আপনার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে তীব্র বেজার হইয়া,ক'টা মনের কথা খোলা আকাশে আপনার নামে উড়াইয়া দিলাম।আমি জানি এইডা আপনার অগোচরে৷ দেওয়নের লাইগা অনেক গুলা ছাগল জামায়াত শিবির থেইকা আপনার আশ্রমে দাপটের জায়গা করে নিয়েছে।
কেডা জানি কইলো,আপনি আমারে খুইজতাছেন,আরেক জন আপনি উপর মহা বেজার,হিতাহিত জ্ঞান ভুলে গিয়ে আপনি আমাকে ১ম হত্যা করেছেন,এইডা মোর পুনঃজম্ম।বুইঝবার৷ পারছেননি? আইয়েন এইবার আপনারে কড়া কথা কই,,
দলীয় পদবি ব্যবহার করে,সংগঠন বিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত হওয়ার অপরাধে বিতর্কিত আওয়ামীলীগ নেতা,চঃদক্ষিন জেলা আওয়ামী লীগের কতিপয় সম্পাদকের উচিত,বাঁশখালীর তৃনমূল আওয়ামী লীগ, সহ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত বলে দাবি করছি।
বুইঝবার পারছেনি,মুই কিতা কইবার চাইলাম?
আপনি,,
জনাব সিআইপি সাহেব,যদি আপনি নিজেকে জাতির পিতার আদর্শের যোগ্য আওয়ামী লীগ দাবি করেন,
তাহলে,
আপনার কাছে আমার অনেক চাওয়া আছে।যাহার ঘাটতিতে আপনি আজীবন আমার কাছে আওয়ামীলীগ এর শত্রু হয়ে থাকবেন।
হয়তো ব্যতিক্রম।
তবে,আওয়ামী লীগ কিন্তু আমার বাপের সম্পতি নয়।
আপনাকে বা আপনার চলার পথে কোনরূপ প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করার অধিকার আমার নাই।কিন্তু বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ,জননেত্রী শেখ হাসিনা,বাঁশখালী তৃনমূল আওয়ামী লীগের বিশ্বাসঘাতকতরা করেন,তাহলে আমি ছার পোকার মুখ আপনি বন্ধ করতে পারবেন না।
এক ছারপোকার মৃত্যুতে হাজার ছারপোকা জম্মাবে,৭১পরাজিত শক্তি জামায়াত বাংলাদেশ ও আওয়ামী লীগের জাত শত্রুদের ষড়যন্ত্র রুখে দিতে।
কিন্তু জনকের হাতে গড়া সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এর নাম ব্যবহার করে,আপনি জামায়াত বিএনপিকে কেন মাটে নামিয়েছেন।
যারা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করতে করতে,লেছ গুটিয়ে বাড়িতে ডুকে আছে,আপনি তাদের কার প্রয়োজনে,কার ঈশারায় পুনরায় তাদের রাজপথে নামিয়েছেন।
পদ কিনে নেতা হয়ে গেলেন,কিছুটা জনকের আদর্শ বুুকে নিয়ে সত্যিকারের আওয়ামীলীগ হতে পারলেন না।
আল্লাহ আপনাকে অনেক অর্থকড়ি দিয়েছেন,তা বাঁশখালী কমবেশি সবাই জানে।শিল্পপতি বাজারে আপনার স্থান অনেক উপরে।ফেইসবুকে দেখেছি আপনি দান খয়রাত ভাল করেন।
কিন্তু জামায়াত শিবিরের পিছনে আপনি যা ব্যয় করেন,,তার অর্ধেক যদি আওয়ামী লীগের জন্য ব্যায় করতেন,তাহলে বাঁশখালীর মাটি থেকে জামায়াত বিএনপির কোন অস্থিত্ব থাকতো না।কিন্তু এখন আপনি ঠিক উল্টো করে চলছেন আজকের দিন পর্যন্ত।আপনার কর্মকান্ড গুলো আওয়ামীলীগের অস্তিত্বে আঘাত করার শামীল।আপনি চোখে দেখবেন,,আপনার দেওয়া অর্থনৈতিক জোগানের কারনে বাঁশখালীর জামায়াত শিবির কতটা সক্রিয়।কতটা আগ্রাসী। ওরা আজ আপনার টাকা দিয়ে৷ আমাদের মারছে,আওয়ামী লীগ মারছে।
বলেন না !
এগুলো আপনার লজ্জার কারন নয় কিনা!নিজের সংশোধনের প্রয়োজন টা,নিজে কি অনুভব করেন না।এতো সমালোচনায়ও আপনি নিজেকে......!
কিন্তু কেন?
আমরা সমালোচনা করছি,আপনি কি মনে করেন,তা আমরা ইচ্ছে করে করছি।যতটুকু জানি,আপনি মৌন সম্মতিতে বাধ্য করতেছেন আপনার নামের আগেপিছে জোড়া লাগাতে।আপনার প্রতিটা কর্মকান্ড এক একটা আবরণের সৃষ্টি।
আপনি জামাতি সঙ্গ ত্যাগ করুন,জামাতিদের অর্থনৈতিক জোগান দেওয়া বন্ধ করুন।শিবির ক্যাডারদের ত্যাগ করুন,তখন আপনাআপনি দেখবেন,আওয়ামীলীগের তৃনমূল নেতাকর্মী রা আপনাকে মন থেকে ভালবাসবে।সমালোচনার চেয়ে আলোচনায় রাখবে বেশি।আপনাকে যখন জামাতিরা বেশি ভালবাসে,আর আপনি যখন তাদের মাথায় নিয়ে নাচেন,তখন তো আপনার সমালোচনা করা অনেক ক্ষেত্রে ফরজে কাফেয়া হয়ে দাড়ায়।
প্রিয় ভাই,
আপনার প্রতি আমার বিনীত অনুরোধ,জাতির পিতার অসমাপ্ত আত্মজীবনীর টি পড়ুনু,বাংলাদেশের জম্ম ও আওয়ামী লীগ ইতিহাস পর্যালোচনা করুন।জানুন,পড়ুন,দেখুন ইতিহাসে একজন মীর জাফরের পাশাপাশি মোস্তাকও আছে আলোচনায়। দয়া নিজেকে ঐপথে ধাবিত করবেন না।
বাঁশখালীর আওয়ামী লীগ পরিবার কিন্তু আপনাকে ক্ষমা করবে না।
ইতিহাসের কাডগড়ায় একদিন আপনাকেও খন্দকার মোস্তাকের ভূমিকায় দাড় করাবে।যদি আপনি সংশোধন না হউন।নিজেকে না শুধরান।ইচ্ছাকৃত কিংবা অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য ক্ষমা চান।
যদি পরিবর্তন হউন,তবে শুভকামনা,যদি আওয়ামী লীগ ধবংসের কারন হউন তবে সমালোচনা।
ছারপোকা
জন্ম ১ডিসেম্বড ১৯৭১
পিতাঃ-শেখ মুজিবুর রহমান।
জনাব মুজিবুর রহমান সিআইপি
উদয়মান রাজনীতিবিদ,শিল্পপতি সমাজসেবক।
বাঁশখালী চট্টগ্রাম।
প্রসঙ্গঃ-(ঐকূল ছাড়ুন,এইকুল পাবেন)জামায়াতের সাথে আওয়ামী লীগ যায় না।
জনাব,
যথা বিহীত সম্মান পূর্বক বিনীত নিবেদন,এই যে আমি ছারপোকা আপনার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে তীব্র বেজার হইয়া,ক'টা মনের কথা খোলা আকাশে আপনার নামে উড়াইয়া দিলাম।আমি জানি এইডা আপনার অগোচরে৷ দেওয়নের লাইগা অনেক গুলা ছাগল জামায়াত শিবির থেইকা আপনার আশ্রমে দাপটের জায়গা করে নিয়েছে।
কেডা জানি কইলো,আপনি আমারে খুইজতাছেন,আরেক জন আপনি উপর মহা বেজার,হিতাহিত জ্ঞান ভুলে গিয়ে আপনি আমাকে ১ম হত্যা করেছেন,এইডা মোর পুনঃজম্ম।বুইঝবার৷ পারছেননি? আইয়েন এইবার আপনারে কড়া কথা কই,,
দলীয় পদবি ব্যবহার করে,সংগঠন বিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত হওয়ার অপরাধে বিতর্কিত আওয়ামীলীগ নেতা,চঃদক্ষিন জেলা আওয়ামী লীগের কতিপয় সম্পাদকের উচিত,বাঁশখালীর তৃনমূল আওয়ামী লীগ, সহ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত বলে দাবি করছি।
বুইঝবার পারছেনি,মুই কিতা কইবার চাইলাম?
আপনি,,
জনাব সিআইপি সাহেব,যদি আপনি নিজেকে জাতির পিতার আদর্শের যোগ্য আওয়ামী লীগ দাবি করেন,
তাহলে,
আপনার কাছে আমার অনেক চাওয়া আছে।যাহার ঘাটতিতে আপনি আজীবন আমার কাছে আওয়ামীলীগ এর শত্রু হয়ে থাকবেন।
হয়তো ব্যতিক্রম।
তবে,আওয়ামী লীগ কিন্তু আমার বাপের সম্পতি নয়।
আপনাকে বা আপনার চলার পথে কোনরূপ প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করার অধিকার আমার নাই।কিন্তু বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ,জননেত্রী শেখ হাসিনা,বাঁশখালী তৃনমূল আওয়ামী লীগের বিশ্বাসঘাতকতরা করেন,তাহলে আমি ছার পোকার মুখ আপনি বন্ধ করতে পারবেন না।
এক ছারপোকার মৃত্যুতে হাজার ছারপোকা জম্মাবে,৭১পরাজিত শক্তি জামায়াত বাংলাদেশ ও আওয়ামী লীগের জাত শত্রুদের ষড়যন্ত্র রুখে দিতে।
কিন্তু জনকের হাতে গড়া সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এর নাম ব্যবহার করে,আপনি জামায়াত বিএনপিকে কেন মাটে নামিয়েছেন।
যারা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করতে করতে,লেছ গুটিয়ে বাড়িতে ডুকে আছে,আপনি তাদের কার প্রয়োজনে,কার ঈশারায় পুনরায় তাদের রাজপথে নামিয়েছেন।
পদ কিনে নেতা হয়ে গেলেন,কিছুটা জনকের আদর্শ বুুকে নিয়ে সত্যিকারের আওয়ামীলীগ হতে পারলেন না।
আল্লাহ আপনাকে অনেক অর্থকড়ি দিয়েছেন,তা বাঁশখালী কমবেশি সবাই জানে।শিল্পপতি বাজারে আপনার স্থান অনেক উপরে।ফেইসবুকে দেখেছি আপনি দান খয়রাত ভাল করেন।
কিন্তু জামায়াত শিবিরের পিছনে আপনি যা ব্যয় করেন,,তার অর্ধেক যদি আওয়ামী লীগের জন্য ব্যায় করতেন,তাহলে বাঁশখালীর মাটি থেকে জামায়াত বিএনপির কোন অস্থিত্ব থাকতো না।কিন্তু এখন আপনি ঠিক উল্টো করে চলছেন আজকের দিন পর্যন্ত।আপনার কর্মকান্ড গুলো আওয়ামীলীগের অস্তিত্বে আঘাত করার শামীল।আপনি চোখে দেখবেন,,আপনার দেওয়া অর্থনৈতিক জোগানের কারনে বাঁশখালীর জামায়াত শিবির কতটা সক্রিয়।কতটা আগ্রাসী। ওরা আজ আপনার টাকা দিয়ে৷ আমাদের মারছে,আওয়ামী লীগ মারছে।
বলেন না !
এগুলো আপনার লজ্জার কারন নয় কিনা!নিজের সংশোধনের প্রয়োজন টা,নিজে কি অনুভব করেন না।এতো সমালোচনায়ও আপনি নিজেকে......!
কিন্তু কেন?
আমরা সমালোচনা করছি,আপনি কি মনে করেন,তা আমরা ইচ্ছে করে করছি।যতটুকু জানি,আপনি মৌন সম্মতিতে বাধ্য করতেছেন আপনার নামের আগেপিছে জোড়া লাগাতে।আপনার প্রতিটা কর্মকান্ড এক একটা আবরণের সৃষ্টি।
আপনি জামাতি সঙ্গ ত্যাগ করুন,জামাতিদের অর্থনৈতিক জোগান দেওয়া বন্ধ করুন।শিবির ক্যাডারদের ত্যাগ করুন,তখন আপনাআপনি দেখবেন,আওয়ামীলীগের তৃনমূল নেতাকর্মী রা আপনাকে মন থেকে ভালবাসবে।সমালোচনার চেয়ে আলোচনায় রাখবে বেশি।আপনাকে যখন জামাতিরা বেশি ভালবাসে,আর আপনি যখন তাদের মাথায় নিয়ে নাচেন,তখন তো আপনার সমালোচনা করা অনেক ক্ষেত্রে ফরজে কাফেয়া হয়ে দাড়ায়।
প্রিয় ভাই,
আপনার প্রতি আমার বিনীত অনুরোধ,জাতির পিতার অসমাপ্ত আত্মজীবনীর টি পড়ুনু,বাংলাদেশের জম্ম ও আওয়ামী লীগ ইতিহাস পর্যালোচনা করুন।জানুন,পড়ুন,দেখুন ইতিহাসে একজন মীর জাফরের পাশাপাশি মোস্তাকও আছে আলোচনায়। দয়া নিজেকে ঐপথে ধাবিত করবেন না।
বাঁশখালীর আওয়ামী লীগ পরিবার কিন্তু আপনাকে ক্ষমা করবে না।
ইতিহাসের কাডগড়ায় একদিন আপনাকেও খন্দকার মোস্তাকের ভূমিকায় দাড় করাবে।যদি আপনি সংশোধন না হউন।নিজেকে না শুধরান।ইচ্ছাকৃত কিংবা অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য ক্ষমা চান।
যদি পরিবর্তন হউন,তবে শুভকামনা,যদি আওয়ামী লীগ ধবংসের কারন হউন তবে সমালোচনা।
ছারপোকা
জন্ম ১ডিসেম্বড ১৯৭১
পিতাঃ-শেখ মুজিবুর রহমান।

