চট্রগ্রাম দক্ষিন জেলা আওয়ামীলীগের কথিত অর্থ সম্পাদক, এবং আগামী সংসদ নির্বাচনে বাঁশখালী আসনে নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী তিনি।
বাঁশখালীর মাটিতে আজ পর্যন্ত কখনো জয়বাংলা বলেন নি,আওয়ামীলীগ পরিচয় দিতে তিনি বারবার লজ্জাবোধ করেন বাঁশখালীতে। আওয়ামীলীগের পদে থেকে তিনি সর্বদলীয় ভাবে নির্বাচন করতে চান।জামায়াত, হেফাজত তার কাছে আলেম ওলামা,,তিনি যেন সর্বদলীয় অনাথ আশ্রম খুলেছেন।খুদ-খুড়ার লোভে একজন প্রকৃত বঙ্গবন্ধু অনুসারি তার প্রতিষ্টিত অনাত আশ্রমে নিতে না পারলেও আওয়ামী মুখুশে অনেক পাকি নষ্টবীর্য শিবির কে ঠিকই তার অনাথ আশ্রমে স্থায়ী ভাবে ঠাঁই দিয়েছেন।
আওয়ামীলীগের পদে থাকলেও কোনদিন আওয়ামীলীগের ব্যানারে বাঁশখালীতে সমা সমাবেশ না করলেও সম্প্রতি তিনি জাতীয় পার্টির ছাত্র সংগঠন "ছাত্র সমাজের " ব্যানারে দক্ষিন বাঁশখালী কেন্দ্রীক, শিবির,হেফাজতি,দের ঐক্যবদ্ধ করতে পেরেছেন।
সমগ্র দক্ষিন বাঁশখালীতে তার টাকায় লালিত হয় একাত্তরের নষ্টবীর্য জামায়াত শিবির।জামায়াতের আমির তার কাছে দেবতুল্য। নরঘাতক সাঈদীর চাঁদে যাওয়ার দিন জলদীর সংখ্যালঘু দয়াল হরির হত্যাকারিরা তার কাছে মেধারী সাহসি বীর।জামায়াত আমিরের পিতা তার কাছে বিরাট ওলি, জিন্দাপীর।
পীরের ছেলে তার উপদেষ্টা হবেন এটাই স্বাভাবিক।
জনাব এই সব ভন্ডামি বাদ দেন,আওয়ামীলীগ বিক্রি বন্ধ করেন।জামায়াত,বিএনপি, হেফাজত নিয়ে সর্বদলীয় অনাথ আশ্রমের ব্যানারে নির্বাচনের প্রস্তুতি নেন।জনকের কালজয়ী আদর্শের সংগঠনকে আর বিক্রি করবেন না।বঙ্গবন্ধুর প্রকৃত সন্তানরা একবার ক্ষেপে গেলে রাস্তায় চলতে পারবেন না।
অবশ্য আপনার অনেক টাকা একটা হেলিকপ্টার কিনে নিতে পারবেন হয়তো,কিন্তু জনাব মাটিতে নামতে পারবেন কি??
সাধু সাবধানৃ
গাজী জাহেদ ভাইয়ের টাইমলাইন থেকে
বাঁশখালীর মাটিতে আজ পর্যন্ত কখনো জয়বাংলা বলেন নি,আওয়ামীলীগ পরিচয় দিতে তিনি বারবার লজ্জাবোধ করেন বাঁশখালীতে। আওয়ামীলীগের পদে থেকে তিনি সর্বদলীয় ভাবে নির্বাচন করতে চান।জামায়াত, হেফাজত তার কাছে আলেম ওলামা,,তিনি যেন সর্বদলীয় অনাথ আশ্রম খুলেছেন।খুদ-খুড়ার লোভে একজন প্রকৃত বঙ্গবন্ধু অনুসারি তার প্রতিষ্টিত অনাত আশ্রমে নিতে না পারলেও আওয়ামী মুখুশে অনেক পাকি নষ্টবীর্য শিবির কে ঠিকই তার অনাথ আশ্রমে স্থায়ী ভাবে ঠাঁই দিয়েছেন।
আওয়ামীলীগের পদে থাকলেও কোনদিন আওয়ামীলীগের ব্যানারে বাঁশখালীতে সমা সমাবেশ না করলেও সম্প্রতি তিনি জাতীয় পার্টির ছাত্র সংগঠন "ছাত্র সমাজের " ব্যানারে দক্ষিন বাঁশখালী কেন্দ্রীক, শিবির,হেফাজতি,দের ঐক্যবদ্ধ করতে পেরেছেন।
সমগ্র দক্ষিন বাঁশখালীতে তার টাকায় লালিত হয় একাত্তরের নষ্টবীর্য জামায়াত শিবির।জামায়াতের আমির তার কাছে দেবতুল্য। নরঘাতক সাঈদীর চাঁদে যাওয়ার দিন জলদীর সংখ্যালঘু দয়াল হরির হত্যাকারিরা তার কাছে মেধারী সাহসি বীর।জামায়াত আমিরের পিতা তার কাছে বিরাট ওলি, জিন্দাপীর।
পীরের ছেলে তার উপদেষ্টা হবেন এটাই স্বাভাবিক।
জনাব এই সব ভন্ডামি বাদ দেন,আওয়ামীলীগ বিক্রি বন্ধ করেন।জামায়াত,বিএনপি, হেফাজত নিয়ে সর্বদলীয় অনাথ আশ্রমের ব্যানারে নির্বাচনের প্রস্তুতি নেন।জনকের কালজয়ী আদর্শের সংগঠনকে আর বিক্রি করবেন না।বঙ্গবন্ধুর প্রকৃত সন্তানরা একবার ক্ষেপে গেলে রাস্তায় চলতে পারবেন না।
অবশ্য আপনার অনেক টাকা একটা হেলিকপ্টার কিনে নিতে পারবেন হয়তো,কিন্তু জনাব মাটিতে নামতে পারবেন কি??
সাধু সাবধানৃ
গাজী জাহেদ ভাইয়ের টাইমলাইন থেকে

