শুক্রবার, ৩১ আগস্ট, ২০১৮

মতামত দিন,আন্তর্জাতিক বিরোধ নিষ্পত্তি, রাম মন্দির বনাম বাবরি মসজিদ

মতামত দিন,আন্তর্জাতিক বিরোধ নিষ্পত্তি
√.Ra
m Mandir,
√.Babori Masjid
√.Both
=Submit
লিংক নিম্মে সংযুক্ত.............

অযোধ্যাতে রাম মন্দির ও বাবরি মসজিদের মধ্যে অমীমাংসিত বিরোধ নিষ্পত্তির চূড়ান্ত ফয়সালা ভারতীয়  কোর্ট জনগনের মতামতের উপর ছেড়ে দিয়েছে।

বিঃদ্রঃ-
এখানে জনগন বলতে শুধু ভারতীয় জনগন নয়(আপনিও আছেন,আমিও আছি)!
সারা বিশ্বের জনগনের রায়/মতামত প্রদানের সুযোগ রাখা হয়েছে' দীর্ঘ সময় ধরে চলমান #রাম_মন্দির√  Vs #বাবরি_মসজিদ মধ্যে অমীমাংসিত বিরোধের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি........... ।

আপন ইচ্ছাতে আমিও একটা ভোট দিয়েছি।চাইলে আপনিও দিতে পারেন।নিম্নে দেওয়া লিংকে...................
Please click on the link below and vote for Babri Masjid.

https://my-vote.net/ayodhya/
অতি সহজ একটি কাজ।এই লিংকে গিয়ে ভোট দেওয়া যায়।

বৃহস্পতিবার, ৩০ আগস্ট, ২০১৮

এটা কিসের বন্ধন?কিসের খণ্ডন?আমি ছার পোকা জানতে চাই,

এটা বন্ধন খণ্ডন কিছু নয়,এটি আওয়ামী লীগ মারার ফন্দি বের করছেন কতিপয় জামাতি প্রতিষ্ঠান।কি আজব কাণ্ড,
আগে আল্লাহ, পিছে গার্মেন্টস দোয়ায় দেখছি,বাঁশখালী আওয়ামী লীগ তাড়াহুড়ি করে টাকার কাছে বিক্রি হয়ে যাচ্ছে ?যারা এতোদিন জোরপূর্বক দেখবার শুনবার দায়িত্ব নিয়ে লুটেপুটে খেয়ে এমপি সাহেবে গোয়া মেরেছে,তার সবার আগে নিরাপদ আশ্রয়ের খুজে জামাতীদের নীড়ে বাসা বাঁধছে।যারা চলে বলে কৌশলে এমপি সাহেবকে সংগঠন বিরোধী কর্মকাণ্ড সময়ে সময়ে উৎসাহ প্রদান করেছে,
মাননীয় সাংসদ,
জনাব মোস্তাফিজুর চৌধুরী আপনার উপরও রাগ আছে,সারা জীবন খাওয়াই ধাওয়াই বলদ লালন পালন বলে।যারা আপনার ক্ষমতার মেয়াদ শেষ না হওয়ার পূর্বেই সিআইপি মুজিবের পা ছাটা কুকুরে পরিনত হয়েছে। আপনি এখনো বাঁশখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের দীর্ঘ ২২ধরে সভাপতি।সবাই আপনাকে ছেড়ে চলে যাক,সমস্যা নাই,যোগ্য কর্মি একজন হলেই যথেষ্ট। তবু আপনার দায়িত্ব বলতে কথা আছে,নিজেকে হতাশায় ডুবিয়ে রাখবেন কেন?
আপনি কি দেখতে পারছেন? জামাতিরা সবার৷ পূর্বে কিভাবে আওয়ামীলীগ কিনে নিয়েছে?আপনার কাছে  আমার প্রশ্ন বাঁশখালী আওয়ামীলীগ কি জামাতিদের শেষ আহারে পরিনত হচ্ছে।
আপনার শরীরে,রক্তে বর্নে শীরায় উপশিরায় যদি জয়বাংলার ধ্বনিত প্রভাবিত হয়,তবে আপনার উচিত সবার পূর্বে জামায়াত ঠেকানো।
প্রয়োজনে নৌকার মাঝি হউক আপনার চিরপ্রতিদ্ধন্দী,বর্তমান সময় ও পরিস্থিতিতে নৌকা পাওয়ার এক মাত্র দাবিদার আলহাজ্জ্ব আব্দুল্লাহ কবির লিটন।।বাঁশখালী আওয়ামী লীগের রাজনীতি তে এই মানুষটার অবদান কোন অংশে কম নয়। সময়ের জনপ্রিয় ব্যক্তি।

আপনারা দুই সিনিয়র নেতার উদাসীনতার কারনে যেকোন সময় বাঁশখালী উপজেলা আওয়ামী লীগ জামীয়ার আহারে পরিনত হয়ে ভক্ষম কার্য....

দুই ভাইরে বুলছি,বাকিসব পরে,আগে জামায়াত ও দোসরদের তাড়ান,বাকিসব পড়ে।
নাহলে বাঁশখালীর আওয়ামী লীগ আপনার কাউকে ক্ষমা করবে না।

বুধবার, ২৯ আগস্ট, ২০১৮

গোলাম রাব্বানী ভাই:- তোমরা যারা 'শেখ হাসিনার ছাত্রলীগ' করতে চাও!

বাংলাদেশ ছাত্রলীগ; আদর্শিক পিতা বঙ্গবন্ধুর জীবন ও যৌবনের শ্রম-ঘামে প্রতিষ্ঠিত আমাদের প্রাণের প্রতিষ্ঠান, আমাদের আবেগ ভালোবাসা, নির্ভরতার ঠিকানা। ছাত্রলীগ অন্তর গহীনে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করে, পিতা মুজিবের আদর্শ লালন করে, দেশরত্ন শেখ হাসিনার ভ্যানগার্ড হয়ে সহযোদ্ধা, সাধারণ শিক্ষার্থীদের পরম বন্ধু এবং দেশবিরোধী সকল অপশক্তির মূর্তিমান আতঙ্ক হয়ে শিক্ষার মশাল জ্বালিয়ে শান্তির পতাকা উড়িয়ে এগিয়ে যাবে প্রগতির পথে।

ছাত্রলীগের বিগত দিনের কমিটি নিয়ে আমি কোন মন্তব্য করতে চাইনা। তবে পিতা মুজিবের একজন ক্ষুদ্র কর্মী হিসেবে আমার মনে হয় ছাত্রলীগের যে কোন পর্যায়ে অনুপ্রবেশের সুযোগ যারা সৃষ্টি করেছে, যারা ভাই ভিত্তিক রাজনীতি আর স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে নেতৃত্ব নির্বাচন করেছেন তারা হয়তো এমনটা তাদের অবচেতন মনে করেছেন।

ছাত্রলীগ নিয়ে তৃণমূল থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত যে হতাশা, যে অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে সেই হতাশা দূর করে আশার আলো ফোটাতে এবং সেই আলোর বিচ্ছুরণ তৃণমূল থেকে শুরু করে কেন্দ্র পর্যন্ত ছড়িয়ে দিতে এবারের ছাত্রলীগের কমিটি করেছেন স্বয়ং বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনা। কথা দিচ্ছি, জীবনের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও আপার সে আস্থা-বিশ্বাসের মর্যাদা রাখবো। ছাত্রলীগের প্রতিটি পর্যায়ে এমন জনবান্ধব ও শিক্ষার্থীবান্ধব কর্মসূচী থাকবে, নেতৃত্ব মূল্যায়ন পদ্ধতি এমন হবে, যেন গণ মানুষ ভাবে, সে যেনো তাদেরই পছন্দে নির্বাচিত। মুখ থেকে যেন অজান্তেই বের হয়ে আসে "এই তো বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার কারিগর; শেখ হাসিনার ছাত্রলীগ"

নতুন ইতিহাস গড়ার দৃঢ় প্রত্যয়ে, ইতিবাচকতার নব বার্তা নিয়ে আসা 'শেখ হাসিনার ছাত্রলীগ'র একজন গর্বিত অংশীদার হতে চান?

তবে জেনে রাখুন, হৃদয়ের মানস পটে ধারণ করুন---

* মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাস আর শেখ হাসিনার জনবান্ধব উন্নয়ন-রাজনীতির দর্শনে প্রবল আস্থা রেখে সেবার ব্রতে শেখ হাসিনার ভ্যানগার্ড হয়ে নিরলস শ্রম দিতে হবে।

* মূল্যায়নের মূল নির্ণায়ক হবে সংগঠন ও আদর্শের প্রতি আপনার 'ডেডিকেশন' আর 'কমিটমেন্ট'। হ্যালো, ভাই, লবিং আর 'গিভ এন্ড টেক' নির্ভর রাজনীতি স্রেফ ভুলে যান!

* আপনাকে অবশ্যই মানবিক গুণাবলী সম্পন্ন হতে হবে। মার্জিত আচরণ, সুন্দর ব্যবহার আর মানবিক কাজে সবার আগে সবসময় ছাত্রলীগকে দেখতে চান আমাদের মমতাময়ী নেত্রী, মানবতার মা, শেখ হাসিনা। স্বেচ্ছায় রক্তদান, পীড়িতের সেবা, আর্তমানবতার পাশে দাঁড়ানো সহ যেকোন জনহিতকর কাজে ছাত্রলীগ থাকবে সবার আগে।

* একদিকে স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তির সকল ষড়যন্ত্র প্রতিরোধে, প্রতিবাদী মশাল হাতে রাজপথে, আবার সময়ের প্রয়োজনে সৃজনশীলতার কলমে বা কিবোর্ডে মেধার সাক্ষর রাখতে হবে ছাত্রলীগকে।

* সিটিজেন জার্নালিজম আর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের এই স্বর্ণযুগে সময়ের সাথে এগিয়ে যেতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির যথাযথ জ্ঞান থাকতে হবে। অনলাইনে অপশক্তির নেতিবাচক কর্মকান্ড ও গুজব-সন্ত্রাসের দাঁতভাঙা জবাব দিতে অনলাইনে একটিভ থেকে পূর্ণ সক্ষমতা অর্জন করতে হবে শেখ হাসিনার ছাত্রলীগকে।

* সংগঠনের প্রতি আবেগ এবং অর্পিত দায়িত্ব-কর্তব্যের প্রতি নিষ্ঠাবান থাকা আবশ্যক।
ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, দলের চেয়ে দেশ; এই শ্লোগান জপে দেশ ও দশের সেবায় নিজেকে সমর্পণ করার মানসিকতা থাকতে হবে।

* আপনার এবং আপনার পারিবারিক রাজনৈতিক ব্যাকগ্রাউন্ডে আদর্শিক ত্রুটি, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের যে কোন পর্যায়ে মূল্যায়নে বড় অযোগ্যতা হিসেবেই বিবেচিত হবে।

* পদ-পজিশন, ক্ষমতা যদি আপনি আপনার ব্যক্তি স্বার্থ হাসিলের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের মানসিকতা রাখেন, তাহলে শিক্ষা-শান্তি-প্রগতির এই পবিত্র পতাকা  আপনার হাতে নিতান্তই বেমানান। হাসিমুখে ভালোবাসা দিয়ে ইতিবাচক কাজের মাধ্যমে মানুষের মন জয় করে তাদের অন্তরে শ্রদ্ধা-ভালোবাসার স্থান করে নিতে হবে।

* যেদিন থেকে ছাত্রলীগের নেতা বা কর্মী হিসেবে নিজেকে পরিচয় দেবেন, সেদিন থেকে আপনি পৃথিবীর বৃহত্তম একান্নবর্তী পরিবারের অবিচ্ছেদী অংশ। আপনার কথা-বার্তা, আচার-ব্যবহার, সৃজনশীল কাজের মাধ্যমে সংগঠনের ইতিবাচক ভাবমূর্তি গড়ে তুলে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে 'নৌকা'র পক্ষে জনমত গঠন তুলতে ছাত্রলীগকে মূখ্য ভূমিকা রাখতে হবে।

* তথাকথিত পরাধীনতা ও গতানুগতিক বাধ্যবাদকতার শেকল ভেঙে আপনার মেধা-মনন-সৃষ্টিশীলতা বিকাশের সেরা প্লাটফর্ম হবে ছাত্রলীগ। সেই প্লাটফর্ম থেকে আপনার মেধার আলোয় উদ্ভাসিত হবে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা। আপনার মেধা বিকাশে যেকোন প্রতিবন্ধকতা দূর করতে ছাত্রলীগ বদ্ধপরিকর।

আর একটা কথা, পথ পেয়ে নেতা বনে যাবের সুযোগ এই ছাত্রলীগে নেই, আপনাকে মানবিক ও সাংগঠনিক গুণের সমন্বয়ে আপনার ইউনিটে তৃণকর্মী ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের মন জয় করে তাদের মনে 'নেতা' হিসেবে আসন গাড়তে পারলেই আপনি শীর্ষ পদের জন্য বিবেচ্য হবেন।

--- আদর্শিক পিতা বঙ্গবন্ধু সোনার বাংলা গড়ার যে স্বপ্ন নিয়ে ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য উত্তরসূরি, দেশরত্ন শেখ হাসিনা সেই স্বপ্নকে পূর্ণতা দিতে ছাত্রলীগের উপরই আস্থা রেখেছেন। আমার-আপনার, আমাদের ছাত্রলীগের লাখো আদর্শিক কর্মীর নিজ নিজ অবস্থান থেকে দেশরত্ন শেখ হাসিনার চলার পথকে মসৃণ রাখতে, উন্নয়নের মার্কা নৌকার নিরলস কাজ করতে যদি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হন, তাহলে 'শেখ হাসিনার ছাত্রলীগ' আপনাকে স্বাগতম জানাতে, আপনার যোগ্যতা, শ্রম আর ত্যাগের যথাযথ মূল্যায়ন করতে অধীর চিত্তে অপেক্ষা করছে।

এসো নবীন দলে দলে;
শিক্ষা-শান্তি-প্রগতির ছায়াতলে,
বাংলাদেশ ছাত্রলীগের পতাকাতলে,
দেশরত্ন শেখ হাসিনার স্নেহের আচঁলতলে...

কে এই সুজন?যে সার্ক মানবাধিকার সংগঠনের গুয়া মেরে হেসে হেসে আকাশে উড়ে




বাঁশখালীর রাজপথে জীবন যৌবন বিলিয়ে দেওয়া এমন এমন রাজনীতিবিধদের উত্মান পতন দেখেছি,এমন অনেক রাজনীতিবিধদের দেখেছি,যারা একটি আদর্শকে ভালোবেসে নিজেদের অকাতরে বিলিয়ে দিয়েছেন।তিনি এই প্রথম এক আজব রাজনীতিবিদকে দেখলো বাঁশখালী সাধারন থেকে অসাধারন সব রাজনীতিবিধ আর নিরহ জনতা।↓

ধরেছিলাম জামাতিরা যেমন অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হয়,ঠিক তেমনি তাদের দালালেরাও অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী। সার্কশিবির সভাপতি সুজন এমন এক বাস্তব দৃষ্টান্ত রাজনীতির মাঠে হইচই ফেলে দিয়েছিলো।রাতারাতি কোটিপতি হওয়ার আশায় সচেতন থেকে অচেতন নাগরিকদের অনেকই নিজ উদ্যোগে ছুটে গিয়েছিলো সার্ক সভাপতি সুজনের দরবারে।কেউ কেউ গেছেন সত্যিকারের মানব সেবায় নিজে/নিজেদেরকে সম্পৃক্ত করতে।
তারা বিশ্বাস করেছিলো সুজন একজন সৎ ও নিষ্ঠাবান৷ নাগরিক। কিন্তু আমি জানতাম এই সুজন সিআইপির বাড়া করা এক জামাতি দালাল,য়ে সহজ বাঁশখালীর মানুষ গুলো ঠকিয়ে,জামায়াত শিবিরের নেতাকর্মীদের সার্ক সংগঠনে যুক্ত করার বিশেষ চুক্তিতে সই করে, বাঁশখালীর সার্ক মানবাধিকার সংগঠনের নেতাকর্মী ও পুরো সংগঠনের গোয়া মেরে দিয়েছেন বাটপার সুজন।
তলে তলে জামাতিদের লগে পিরিত খেলে,সুজন আজ গাড়ি ছেড়ে হেলিকপ্টার ধরেছে।
যেমন তেমন নয়,একেবার প্রাইভেট হেলিকপ্টার।
কে এই সুজন?কি তার পরিচয়? বড় জানতে ইচ্ছে হয়। আমরা শালা আজীবন রাজনীতি কইরা ফকির ন্যায় বেচে আছি,আর তুই সার্ক মানবাধিকার চুদাইয়া হেলিকপ্টার লইয়া দৌড়াও।

এই বেটা,
শুধু আমি না,আমার মতো হাজার হাজার ছারপোকা জানতে চাই তোমার আসল পরিচয়?বলবানি তোমার এই টাকার উৎস কোথায়?তোমার আয়ের কি কি কয়টা খাত আছে?একি দেহি ভাই বাঁশখালীর
সার্ক মানবাধিকার সংগঠনের নেতারা এহন ব্যক্তিগত হেলিকপ্টার ছাড়া চলাফেরাই করে না।
জনাব,
আরিফুল হক সুজন সাহেব,আপনার আয়ের উৎস কি বাঁশখালী বাসী জানতে চায়।
না হলে নাকি জুতার ব্যবহার চলবে

মঙ্গলবার, ২৮ আগস্ট, ২০১৮

হলের কক্ষে সাদামাটা জীবন ছাত্রলীগ সভাপতির

ঢা
কা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের মেধাবী ছাত্র মো. রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন। গত ৩১ জুলাই তাকে সভাপতি করে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়।

ছাত্রলীগ সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে ছাত্রলীগ কর্মী থেকে শুরু অনেকের মধ্যে তাকে নিয়ে আগ্রহের শেষ নেই। তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও ব্যাপক কৌতূহল। তবে শোভন এ ব্যাপারে একেবারেই নীরব।

তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও ছাত্রলীগ কর্মীরা জানান, কৌতূহল আর আগ্রহের ভিড় থেকে নিজেকে অন্যদের থেকে আলাদা করে রাখতেই পছন্দ করেন শোভন। রাতারাতি সেলিব্রেটি হওয়ার কোন ইচ্ছে নেই তার। তিনি অত্যন্ত সাদামাটা জীবন যাপনে অভ্যস্ত। বদলাননি নিজেকে। অকারণে গণমাধ্যমের সামনে কথা বলাও তার পছন্দ নয়।

শোভন ছাত্রলীগের সভাপতি হওয়ার পরও হলেই থাকছেন। হাজী মুহাম্মদ মহসিন হলের ৩৩২ নম্বর কক্ষে থাকেন তিনি। কক্ষটি এক সিটের (সিঙ্গেল রুম)। কক্ষে ঢুকতেই চোখে পড়ে দেয়ালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি।

কক্ষে আসবাবপত্র বলতে একটি চৌকি, একটি বৈদ্যুতিক পাখা, একটি টিউব লাইট, তিনটি চেয়ার, দেয়ালে সঙ্গে থাকা লকার এবং একটি আয়না। কক্ষের ভেতরের পরিবেশ সাদামাটা ও অনাড়ম্বর। আলাদা করে তেমন কোনো বৈশিষ্ট্য চোখে পড়ে না। কক্ষটি এখন পরিচিত বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সভাপতির কক্ষ হিসেবে।

ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও ছাত্রলীগ কর্মীরা আরো জানান, শোভন বিনয়ী ও সদালাপী। প্রতিদিন ছাত্রলীগের অনেক নেতা-কর্মী ও দর্শনার্থী সাংগঠন এবং ব্যক্তিগত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তার সঙ্গে কথা বলতে আসেন। মনোযোগ দিয়ে তিনি তাদের কথা শোনেন এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেন। ছাত্রলীগের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে সুন্দর ও হৃদয়গ্রাহী আচার-আচরণের জন্য ইতোমধ্যে তিনি প্রশংসা অর্জন করেছেন।

সকল ছাত্রলীগ কর্মীর জন্য রয়েছে তার অকৃত্রিম দরদ ও ভালবাসা। পরিশ্রম, বুদ্ধি ও বিচক্ষণতার কারণেও তিনি সুনাম অর্জন করেছেন। শুধু তাই নয়, দায়িত্ব পাওয়ার পর তিনি সংগঠনের জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।

ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বচিত হওয়ার পরও শোভনের হলে থেকে সাংগঠনিক কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া প্রসঙ্গে ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সদস্য প্রদীপ চৌধুরী বলেন, ছাত্রলীগ নেতাদের নিয়ে অনেকের মধ্যে অনেক ধরণের নেতিবাচক ধারণা আছে। কেউ কেউ এও মনে করেন ছাত্রলীগ সভাপতি খুব আরাম-আয়েশে দিন কাটান। কিন্তু এটি সম্পূর্ণরূপে একটি ভ্রান্ত ধারণা। শোভন ভাইকে কেউ যদি কাছ থেকে দেখেন তাহলে তার এ ধরণের ভ্রান্ত ধারণা দূর হয়ে যাবে। বাংলাদেশ বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটি সভাপতি হওয়ার পরও শোভন ভাই হলে থেকেই পড়াশোনার পাশাপাশি সাংগঠনিক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। বেশিরভাগ সময় হলেই খাওয়া-দাওয়া করছেন। প্রতিদিন অসংখ্য নেতা-কর্মীর কথা ধৈর্য ধরে শুনছেন, নিজে কথা বলছেন। সাধারণ-সাদামাটা জীবনযাপনেই তিনি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। কোনো ধরনের বাহুল্য তিনি পছন্দ করেন না। হলে থাকতেই ভাইয়ের ভালো লাগে। নিজের মূল্যবোধ আর ব্যক্তিত্বের কারণেই শোভন ভাই অনন্য। এতে অনুপ্রাণিত হবে আমার মতো লাখো ছাত্রলীগ কর্মী।

“আমি যদি বাইরে থাকি, তাহলে আমার সঙ্গে ছাত্রদের একটা দূরত্ব তৈরি হবে”

এদিকে হলে থেকে সাংগঠনিক কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া প্রসঙ্গে শোভন বলেন, প্রথম কথা হচ্ছে আমি এখনো ইউনিভার্সিটির বৈধ স্টুডেন্ট, সে হিসেবে আমার হলে থাকার অধিকার আছে। আমি হলেই থাকছি। আরেকটা বিষয় হচ্ছে, আমি ছাত্রলীগের সভাপতি, ছাত্রলীগ ছাত্রদের অধিকার নিয়ে কথা বলবে এবং ছাত্রদের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকবে। আমি যদি বাইরে থাকি, তাহলে আমার সঙ্গে ছাত্রদের একটা দূরত্ব তৈরি হবে। আমি যদি ক্যাম্পাসে থাকি, সবসময় চলাফেরা করি, সব ছাত্রদের সঙ্গে কথা বলি তাহলে আমাদের মধ্যে একটা পারস্পরিক বন্ধন তৈরি হবে। ক্যাম্পাসে থাকলে স্বভাবতই সবার সাথে দেখা হয়। আমিতো ছাত্র-মানুষ, আমার চালচলন, চলাফেরা যদি সবসময় একজন ছাত্রের মতো থাকে তাহলে অন্য ছাত্ররা আমাকে মানবে ও সম্মান দেখাবে।

বিবার্তা/তৌহিদ/সোহান
bbarta24.net

সরকার উৎখাতের নতুন পরিকল্পনায় সিঙ্গাপুরে আইএসআই-বিএনপির বৈঠক দৈনিক মানবকণ্ঠ



 সিঙ্গাপুরে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-এর দুই কর্মকর্তাদের সঙ্গে কয়েক সপ্তাহ আগে বৈঠকে বসেছিলো বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের বেশ কয়েকজন নেতা। গোয়েন্দা সূত্র ব্যবহার করে লুকইস্ট এ খবর প্রকাশ করে। এ প্রসঙ্গে বিএনপির নেতৃবৃন্দর কাছে জানতে চাওয়া হলে তারা বিষয়টিকে বানোয়াট ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দেয়। তারা জানায়, সরকার সকলকে শত্রু মনে করছে বলে এমন বানোয়াট গোয়েন্দা প্রতিবেদন তৈরি করছে।

গোয়েন্দা সূত্রে বলা হয়, জনরোষ সৃষ্টি ও ‘সাধারণ মানুষ’ তকমা ব্যবহার করে কিছু আওয়ামী লীগ নেতাকে হত্যার মাধ্যমে বর্তমান সরকারকে উৎখাতের পরিকল্পনা করছে বিএনপি। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি থেকে নতুন করে সহিংস কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে বিএনপি ও তার বৈধ-অবৈধ শরিক দলগুলো। যার মূল লক্ষ্য ‘জন অসন্তোষের নামে আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের হত্যা’।

সাধারণ মানুষকে সরকারের বিভিন্ন ইস্যুতে উসকানি প্রদানের মাধ্যমে আন্দোলন চাঙ্গা করার পরিকল্পনা করছে বিএনপি। পূর্ববর্তী সহিংস আন্দোলনে সাধারণ মানুষ ও পাবলিক পরিবহনের ওপর হামলা চালিয়ে বিএনপি ও তার সহযোগীরা তীব্র সমালোচনার শিকার হওয়ায় এবার তাদের টার্গেট হবে আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ। আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা নষ্টের পাশাপাশি নির্বাচনী প্রচারণায় বাঁধা সৃষ্টির লক্ষ্যে বাছাইকৃত কিছু আওয়ামী লীগ নেতার ওপর হামলার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। জানা যায়, ‘সাধারণ মানুষ’ সেজে আওয়ামী লীগ নেতাদের ওপর এই হামলা করা হবে।

গোয়েন্দা বিভাগের সূত্র অনুসারে, গত সপ্তাহে বিএনপির সিনিয়র কিছু নেতৃবৃন্দ সিঙ্গাপুরে সভা করে। সেখানে হাসিনা সরকারকে উৎখাতের নতুন পরিকল্পনা করা হয়। সভায় বিএনপির এই সিনিয়র নেতাদের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলো আইএসআই-এর দুইজন কর্মকর্তা। এই বিষয়ে পরবর্তী আলোচনার জন্য চলতি মাসের শেষ সপ্তাহে ব্যাংককে পুনরায় সভায় বসা হবে বলেও জানানো হয়।

সভার সিদ্ধান্ত অনুসারে, সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভিন্ন ইস্যুতে জনরোষ সৃষ্টির পরে পর্যায়ক্রমে আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায়ের কয়েকজন নেতাকে হত্যা করা হবে। পরবর্তীতে প্রচার করা হবে জনরোষের কারণে তাদের ওপর হামলা করে হত্যা করেছে ‘সাধারণ মানুষ’। এর মূল লক্ষ্য আওয়ামী লীগের প্রতি দৃঢ় প্রতিশ্রুতি বদ্ধ নয় এমন কর্মীদের নির্বাচনী কার্যক্রম থেকে বিচ্যুত করা।

এ প্রসঙ্গে বিএনপির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ বলেন, বিষয়টি মনগড়া প্রতিবেদন। সরকারকে মনের রোগ পেয়েছে। এ জন্যই তারা বন্ধুকেও শত্রুর চোখে দেখছে। সিঙ্গাপুরে বিএনপি নেতাদের বৈঠকের বিষয়টিও তাদের মনগড়া। বিষয়টি নিয়ে তারা বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছে। সরকারের উচ্চ পর্যায়ের নেতৃবৃন্দদের কাছ থেকে এ ধরণের মনগড়া বক্তব্য কাম্য নয়।

অবশ্য লুকইস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়, জনরোষ তৈরির পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বিএনপি ইতোমধ্যে গণমাধ্যমে ও প্রশাসনের পেছনে প্রচুর অর্থ ব্যয় করেছে। এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই এই সময়ে এসকে সিনহা তার স্মৃতিচারণমূলক বই প্রকাশ করতে চাইছে। বিএনপি ও আইএসআই-এর পরিকল্পনার অংশ হিসেবে শেখ হাসিনা সরকারকে উৎখাতের জন্য এই স্মৃতিচারণমূলক বইটি লেখা হচ্ছে যার অর্থায়নে রয়েছে জামায়াত ইসলাম।

Collected
মানবকণ্ঠ/আরএ
https://www.manobkantha.com/সরকার-উৎখাতের-নতুন-পরিকল/


আওয়ামীলীগের জন্য একটি কঠিন সতর্কবার্তা, (আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী)

আওয়ামী লীগের জন্য একটি সতর্কবার্তা উচ্চারণ করতে পারি, ১৯৭৫ সালেও তা করেছিলাম। সেবারেও লন্ডন থেকে (তখন আমি সদ্য লন্ডনে এসেছি, ঢাকায় মাস খানেকের জন্য গিয়েছিলাম) বাংলাদেশে এসে বাতাসে বারুদের গন্ধ পেয়েছিলাম।আমার এই আশঙ্কার কথাটা বঙ্গবন্ধুকে জানিয়েছিলামও। কিন্তু তখন যেসব পারিষদ তার চারপাশ ঘিরে রেখেছিল, যেমন তাহের উদ্দিন ঠাকুর, তাকে জানিয়েছিলেন, ‘গাফ্ফার চৌধুরী লন্ডন থেকে এসে গুজব ছড়াচ্ছেন’।

ঢাকায় একটি সামরিক অভ্যুত্থানের আশঙ্কার কথা ভারতের তৎকালীন হাইকমিশনার সমর সেনকেও জানিয়েছিলাম। তিনি ১৫ আগস্টের ট্র্যাজেডির পর লেখা তার ‘মিডনাইটস ম্যাসাকার’ নামে বইতে লিখেছেন, ‘গাফ্ফার চৌধুরী নামে ঢাকার এক সাংবাদিক আমাকে মুজিব-সরকারবিরোধী এক চক্রান্তের কথা জানিয়েছিলেন। আমি সঙ্গে সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর কাছে সতর্কবার্তা পাঠিয়েছিলাম। কিন্তু দিল্লির সাউথ ব্লক থেকে তা ইন্দিরা গান্ধীর কাছে পৌঁছানো হয়নি, সে কথা পরে জানতে পারি।’

অতীতের কথা থাক। যা হওয়ার তো হয়ে গেছে। এবার ঢাকায় গিয়ে বাতাসে বারুদের গন্ধ পাইনি। কিন্তু যা পেয়েছি তা আরও ভয়ংকর। ফেসবুকের মাধ্যমে নির্বিচার মিথ্যা ও গুজব প্রচার এবং আওয়ামী নেতা, মন্ত্রী ও এমপিদের অধিকাংশের মধ্যে উদাসীনতা এবং আগামী নির্বাচনে জেতা সম্পর্কে এক ধরনের আত্মপ্রসাদই বিরাজ করছে।

তাদের ধারণা, বিএনপি-জামায়াতের এখন কোমর ভেঙে গেছে। তারা যত চেষ্টাই করুক, ঘুরে দাঁড়াতে পারবে না। তাই তারা বাইরের শক্তির কাছে কেবল আবেদন-নিবেদন করে বেড়াচ্ছেন।

শত্রুর দুর্বলতাকে যে ছোট করে দেখতে নেই এবং তার ক্ষমতাকে উপেক্ষা করতে নেই এই সত্যটা আওয়ামী লীগের একশ্রেণীর মন্ত্রী ও এমপি ভুলে গেছেন এবং তারা নিজেদের যথেচ্ছ লুটপাট ও ক্ষমতার অপব্যবহার দ্বারা শেখ হাসিনার সব অর্জনকে ব্যর্থ করে দিচ্ছেন। ফলে শত্রুপক্ষের দ্বারা গুজব ছড়ানো সহজ হচ্ছে।

তারা তিলকে তাল করতে পারছেন। হেফাজতি অভ্যুত্থানের সময় তারা প্রচার করতে পেরেছেন- ঢাকায় কয়েক হাজার হেফাজতি ও মাদ্রাসাছাত্রকে হত্যা করে লাশ ভারতে পাচার করা হয়েছে।

এবার ছাত্র আন্দোলনের সময় হাসিনা-সরকার আন্দোলনকারীদের প্রতি সবচেয়ে বেশি ধৈর্য ও সহানুভূতির পরিচয় দেয়া সত্ত্বেও দেশের বাইরে শক্তিশালী প্রচার ব্যবস্থার দ্বারা বলা হয়েছে, বাংলাদেশে গণহত্যা চালানো হয়েছে। বিদেশি প্রভাবশালী পত্র-পত্রিকায় তা বিশ্বাসযোগ্যভাবে ফলাও করে প্রচার চলছে। দেশের এক অভিনয়শিল্পীকে দিয়েও বলানো হয়েছে, ছাত্র আন্দোলনের সময় ছাত্রী ধর্ষণ, চোখ উপড়ে ফেলার মতো নৃশংস ঘটনা ঘটেছে।

দু’দিন পরই অবশ্য জানা যায় এগুলো জঘন্য ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা। কিন্তু ততদিনে বাংলাদেশের এবং তার বর্তমান সরকারের ভাবমূর্তির যতটা ক্ষতি হওয়া দরকার তা হয়ে গেছে। বিশ্বের ২৮ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি, তাদের মধ্যে ১১ জনই নোবেলজয়ী ব্যক্তিত্ব, তারা বাংলাদেশে শহিদুল আলম নামের এক আলোকচিত্রশিল্পীকে গ্রেফতার, তার ওপর পুলিশের শারীরিক অত্যাচার-নির্যাতনের তীব্র প্রতিবাদ করেছেন এবং এমন কথাও বলেছেন, বাংলাদেশে মতামত প্রকাশের ন্যূনতম স্বাধীনতাও নেই।

শহিদুল আলমকে গ্রেফতার করা হয়েছে একথা সত্য। কিন্তু তার ওপর নির্যাতন চালানো হয়েছে এই অতিরঞ্জিত খবরটা নোবেলজয়ীদের কানে রাতারাতি পৌঁছালো কে? শহিদুল আলমকে ‘বিশ্বখ্যাত ব্যক্তি’ বলে ফাঁপানো-ফুলানো হয়েছে। তিনি তা নন। তিনি একজন কৃতী আলোকচিত্রশিল্পী মাত্র।

অবশ্য তাতেও তার ওপর অত্যাচার কারও কাম্য নয়। কিন্তু যে অত্যাচার হয়নি, তাকে সাজিয়ে গুছিয়ে ‘নির্মম সত্য’ হিসেবে বাজারে ছড়াল কে? এমনকি দক্ষিণ আফ্রিকার বিশপ টিটু, যিনি শহিদুল আলমের নামও জানতেন না (আমার ধারণা), ভারতের শাবানা আজমি কেমন করে রাতারাতি শহিদুল আলমকে চিনে ফেললেন এবং তাকে অত্যাচারের খবর তাদের কানে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে তারা প্রতিবাদ জানিয়ে ফেললেন? এটা তো বিশ্বের অনেক গণনির্যাতনের ক্ষেত্রেও ঘটতে দেখিনি।

আমার সন্দেহপ্রবণ মন, শহিদুল আলমের ওপর কথিত নির্যাতনের প্রতিবাদকারী নোবেলজয়ীদের নামের তালিকার দিকে তাকাতেই দেখি, তাতে বাংলাদেশের ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নামও রয়েছে। তখনই আমার সন্দেহ হয়েছে, ডালমে কুছ কালা হ্যায়।

মেঘ ছাড়া বৃষ্টি হয় না, ড. ইউনূস ছাড়া এতজন নোবেলজয়ী কী করে হঠাৎ শহিদুল আলমকে চিনে ফেললেন এবং তার মুক্তির দাবিতে রাতারাতি বিবৃতিতে সই দিয়ে ফেললেন, তা এক রহস্যের কথা। পেছন থেকে তাদের ব্রিফ করলেন কে?

বাংলাদেশ সরকারের উচিত, বিদেশে বাংলাদেশবিরোধী যে শক্তিশালী প্রোপাগান্ডা অভিযান চলছে, তার কুশীলবদের সম্পর্কে খোঁজখবর নেয়া এবং তার প্রতিকারের ব্যবস্থা করা। হাসিনা-সরকারের কোনো কাউন্টার-প্রোপাগান্ডা সেল আছে কিনা আমি জানি না।

থাকলেও তার কোনো কার্যকারিতা নেই। কেবল প্রচার-প্রোপাগান্ডা দ্বারা শহিদুল আলমকে রাতারাতি বিশ্ব বিখ্যাত করে তোলা হয়েছে, কিন্তু তার আসল পরিচয় সরকারের জানা থাকা সত্ত্বেও তা আগে প্রকাশ করা হয়নি বা তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা তারা নেননি। এখন তাকে গ্রেফতারের পর নির্যাতনের খবর বিশ্বময় ছড়িয়ে যাওয়ার পর এসব তথ্য বিশ্বাস করবে কে?

শহিদুল আলমের বিরুদ্ধে অভিযোগ, নিরাপদ সড়কের দাবির আন্দোলনের সময় তিনি মিথ্যা খবর ছড়িয়েছেন। তা শুধু সরকারবিরোধী প্রচারণা নয়, রাষ্ট্রবিরোধী প্রচারণাও! এই বক্তব্য রেখেছেন তিনি আলজাজিরাকে দেয়া সাক্ষাৎকারে।

এখন তার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রকাশ পাচ্ছে- তিনি বহুদিন ধরে একই কাজে লিপ্ত। এই অভিযোগগুলো হল প্রায় দেড় যুগ ধরে তিনি কোনো অনুমোদন ছাড়াই পাঠশালা নামে প্রতিষ্ঠান থেকে স্নাতক, ডিপ্লোমার শর্ট কোর্স-লং কোর্স সার্টিফিকেট দিয়ে কোটি কোটি টাকা নিচ্ছেন।

কিছুদিন আগে বর্তমান সরকারের আমলেই তিনি অনুমোদন নিয়েছেন পাঠশালার। এই পাঠশালার নামে অনুদান নিয়ে ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে তা স্থানান্তর করেছেন।

শহিদুল আলমের বিরুদ্ধে অভিযোগের তালিকা দীর্ঘ। তিনি জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষক প্রমাণ করার জন্য নকল ছবি তৈরি করেছেন। বন্ধু ডেভিড বার্গম্যানের (ড. কামাল হোসেনের জামাতা) সহায়তায় একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচাতে আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর খবর প্রকাশ করেছেন। এ জন্য তিনি গ্রেফতারও হয়েছিলেন।

গণজাগরণ মঞ্চের আন্দোলনকে তিনি নাস্তিকদের আন্দোলন বলে প্রচারণার কাজে যুক্ত ছিলেন। চীনের সঙ্গে হাসিনা-সরকারের বিবাদ বাধানোর জন্য ২০০৯ সালে একবার, এর পরে আরেকবার চীনবিরোধী চিত্র ও পোস্টার প্রদর্শনী করেন। চীনা দূতাবাসের প্রবল আপত্তির কারণে বাংলাদেশ সরকার প্রদর্শনী বন্ধ করে। মতিঝিল শাপলা চত্বরে হেফাজতি অভ্যুত্থানের সময় সাড়ে তিন হাজার আলেম ও মাদ্রাসাছাত্র হত্যার মিথ্যা খবর রটানোর কাজেও তিনি যুক্ত ছিলেন।

এই অভিযোগগুলো যদি সত্য হয়, তাহলে এই গুণধর ব্যক্তির বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণে সরকার নিষ্ক্রিয় ছিল কেন? আজ যখন শিশুসাপ বড় হয়ে বড় রকমের ছোবল দিয়েছে তখন তাদের ঘুম ভেঙেছে।

সরকারের বিরুদ্ধে এই যে অব্যাহত প্রচারণা, তার মোকাবেলা না করার ব্যাপারে সতর্কতার অভাবেই একটি সাধারণ নির্বাচনের আগে এই সরকারকে একটি গণবিরোধী স্বৈরাচারী সরকার প্রমাণ করার জন্য প্রতিপক্ষ সুযোগ পেয়েছে এবং ’৭৫-এর আগে প্রচারণার ধূম্রজাল সৃষ্টি করে বঙ্গবন্ধু-সরকারকে ক্ষমতা থেকে উচ্ছেদের জন্য যে পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হয়েছিল, বর্তমানে হাসিনা-সরকারের পতন ঘটানোর লক্ষ্যে একই ধরনের প্রচারণা দ্বারা একই পরিস্থিতি তৈরির ষড়যন্ত্র চলছে।

আওয়ামী লীগের অধিকাংশ নেতা এই পরিস্থিতি সম্পর্কে সতর্ক নন। তারা বিএনপিকেই একমাত্র প্রতিপক্ষ মনে করে অনবরত খালেদা জিয়া ও বিএনপির সমালোচনা করে চলেছেন। কিন্তু লক্ষ করছেন না বিএনপির চেয়েও শক্তিশালী এটি ছদ্মবেশী শত্রুপক্ষ তাদের আছে।

এই শত্রুপক্ষ হল একটি তথাকথিত সুশীল সমাজ, যার অন্যতম নেতা হলেন ড. কামাল হোসেন, ড. ইউনূস প্রমুখ। আন্দোলন দ্বারা হাসিনা-সরকারকে কুপোকাৎ করা যাবে না জেনে তারা প্রচারণা দ্বারা শক্তিশালী বিশ্বজনমত গঠন করে তাদের উদ্দেশ্য হাসিল করতে চান।

এই প্রচারণা তারা চালাচ্ছেন বিপুল অর্থ ব্যয়ে। তাদের সহযোগী বিএনপি-জামায়াতও। আন্তর্জাতিক মদদ এবং অর্থ সাহায্য রয়েছে এর পেছনে। লর্ড কার্লাইলের মতো কয়েকজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন আইনজীবী ও রাজনীতিক তাদের লবিস্ট।

কিছু পশ্চিমা পাবলিক রিলেশন্স সংস্থা আছে, বিপুল অর্থ ব্যয়ে তাদের ভাড়া করলে তারা তাদের মক্কেলের লবিস্ট হয়ে প্রচারণা চালান। টাইমস, গার্ডিয়ান, নিউইয়র্ক টাইমস পত্রিকার মতো কাগজগুলোতে পর্যন্ত তাদের প্রভাব বিদ্যমান।

গ্রামীণ ব্যাংক নিয়ে হাসিনা-সরকারের সঙ্গে বিরোধের সময় ড. ইউনূস এই সংস্থাটিকে তার লবিস্ট হিসেবে ব্যবহার করেছিলেন। ’৭১-এর যুদ্ধাপরাধীদের বিচার-আদালতের বিরুদ্ধে বিশ্বময় প্রচারণার কাজে জামায়াত ও বিএনপি এই পিআর কোম্পানিকে ব্যবহার করে। তারেক রহমানও এই পিআর কোম্পানির মক্কেল।

খবর নিলে হয়তো জানা যাবে, বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে সারা দুনিয়ায় মিথ্যা ও অতিরঞ্জিত খবর প্রচারের কাজে, এমনকি ১১ জন নোবেল লরিয়েটের বিবৃতির খসড়া তৈরি এবং তাতে তাদের সই সংগ্রহের কাজেও এই আন্তর্জাতিক পিআর কোম্পানির ভূমিকা রয়েছে।

আমার ধারণা, ধারণাটি সঠিক কিনা জানি না, কোম্পানিটির এই ভূমিকার পেছনেও রয়েছে আমাদের নোবেলজয়ীর হাত। সেই হাতের পেছনে তার বন্ধু হিলারি ক্লিনটনেরও মদদ আছে কিনা আমি জানি না।

লেখা দীর্ঘ করতে চাই না, বাংলাদেশের পরিস্থিতি সত্যিই স্বস্তিদায়ক নয়। আমি আওয়ামী লীগকে বিদেশে বসে সতর্ক করতে পারি, সক্রিয় করতে পারি না। শেখ হাসিনার এখন অনেক উপদেষ্টা। এই লেখাটি তারা তাচ্ছিল্য সহকারে পড়লেও কিছুটা লাভ হতে পারে।

Hot List,create by Islami Crhatru Shibir

বাঁশ
খালী উপজেলা ও চট্টগ্রাম দক্ষিন জেলা ছাত্রলীগের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মীসহ বেশকিছু মুজিব আদর্শের সৈনিকের উপর,যেকোন সময়ে,যেকোন উপায়ে স্বশস্ত্র হামলা হতে পারে।বাঁশখালীর আনাচেকানাচে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা আমার বিশাল ছারপোকা বাহিনী উল্লেখযোগ্য প্রমানসহ এই তথ্য সংগ্রহ করেছে।যেখানে৷ এটাই অপ্রিয় সত্য যে,
বেশকিছু হামলা পাল্টা হামলা নিজ দলের বা নিজ গ্রুপের বা অন্য গ্রুপের লোকদের দিয়ে সংঘটিত করা হবে।জামায়াত শিবিরের পূর্বপরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের অংশ এটি।
চরম সত্য এই যে,নির্বাচনের এক মাস আগ মুহূর্তে পর্যন্ত জামায়াত শিবির প্রকাশ্যে আওয়ামী সংগঠনের কারো সাথে মুখামুখি দাড়াবে না।তবে অনলাইনে গুজব আর সরকার বিরোধী প্রচারণায় এদের সংখ্যা দ্বিগুণের চেয়ে বেশি হবে।তর্কে বিতর্কে থাকবে ১০০%সক্রিয়। প্রতিটি কর্মকান্ড হবে সরকার বিরোধী,আওয়ামী বিরোধী।

নির্দিষ্ট পর্যন্ত নিজেদের রাস্তা পরিষ্কার রাখতে,আওয়ামী লীগ দিয়ে ওরা আওয়ামী লীগ মারাবে।খেয়েধেয়ে যারা ঠিকে থাকবে,তাদের সাথে শেষ ফাইনালে ওরা প্রতিপক্ষ হয়ে আপনার/আমার/আপনাদের মুখামুখি দাড়াবে।এটাই চরম সত্য,এটাই চরম বাস্তবতা।আমার তথ্য শতভাগ সত্য।
তবে মহান আল্লাহর কাছে একটাই প্রার্থনা,জামাতিদের কোন ষড়যন্ত্র যেন সফল না হয়।প্রয়োজনে আমি মিথ্যা হই,হয় আমি পেইক।তবু মন থেকে চাই আমার প্রাণের সংগঠনের ভাইয়ের,জনকের আদর্শিক পুত্রদ্বয় আরো অনেক দিন বেঁচে থাকুক,জাত শত্রুর পাতানো/ষড়যন্ত্র  ফাঁদ নৎসাত করে দিয়ে।
খুব অল্প সময়ের মধ্যে যাদের উপর হামলা হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে,তাদের মধ্যে আছে জেলা ও উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা।আর এদের সবার উপরেই আছেন, Hussain Muhammad,
তারপর.........
√হোছাইন মোহাম্মদ,
√ Hamid Hossain
√ ইমরান মাহমুদ চৌধুরী রুমন
√এমদাদুল হক
√ Abdur Rahim
√সওকত
√রওশনজ্জামান
√লোকমান
√ফরহাদুল ইসলাম চৌধুরী
√চৌধুরী নাজেমুল হক
√Najmul hasan sohel
√ Zum Babor
√ Sogir mahmod sagor বিদেশ যাওয়ায় বেচে গেছে,
√Anisul haq chy
√মামুন সজীব জয়
√md sakawoat hossain
√M Jamir Uddin Sikder Abir
√A.Banik
√তানভীর চৌধুরী
√mizan sikder
√ samsed omar
√ Gazi Zahed
√ আবু হেনা মোস্তাফা কামাল
√mofuzur rahman obi
√Md. MD Jonaid Siddik 
বিদেশ থাকায় বেচে গেছো।
√saied Mohammed sakil
√Rahul das
√Abdullah al masum
√ Amir mia Ba
√ Delower Hossain raju
√saful islam
√md Nadim
√Zia uddin Arif
√Md Milton
√Mohammad Manik
√rahim uddin ridoy
√N.Sahabuddin
√Top Babu sahid
√Liton acerjje
√Md fakururddin
√Juwl rana
√Md. Ataul
√Sahidul islam sabuj
√Mk.Mohammad maruf
√Md karim
√Md Abu Hanif
√Anamul Hoque
√Opu botacajje
√Omar faruk
√Md Nasir,বিদেশ থাকায়,নিরাপদ আছেন।
√Abdullah al Emon
√Santo dey
√Md iQbal
√ Zifsse Rudro
√Ripon talukdar
√Habibul islam,বিদেশ যাওয়ায় বেচে গেছো
√ Saied Hasan Arfat Milton
√MD Arfatul Islam
√Iftiker Babu
√rubel nahth
√md nur hossain
√Md mijanur rahman
√Abul Hossain অদৃশ্য হওয়ায় এখনো নিরাপদ
√সোনা মিয়া, অদৃশ্য হওয়ায় এখনো নিরাপদ
√ছারপোকা, যাওয়া আসার মিছিলে আছি
√অগ্নিশিখা,আপাতত চান্দের দেশে
√পন্ডিত মশাই, আপাতত চান্দে

স্থান কালপাত্র ভেবে ক্রমিক নাম্বারের তারতম্য হতে পারে।তবে নির্বাচনের পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত ওদের কপালে কোন শান্তি নেই।এরা যতটাই শান্ত প্রিয় নম্রভদ্র হোক না কেন?এদের রাখা হবে ২৪ঘন্টা অশান্তিতে। যেকোন ভাবে, যেকোন উপায়ে।যেখানে কেউ হবে স্ব শস্ত্র  হামলার শিকার,,কাউকে লাঞ্চিত,কাউকল চির বিদায়।

কপিঃ ছার পোকা

Mujibur Rahman urged to leave the camp with the camp, opening the door to the CIP August 27, 2018




Opening
 Mr. Mujibur Rahman CIP

Rising politician, industrialist social worker.
Banskhali Chittagong

Context- (Leave the right, get it) Awami League does not go with Jamaat.

Sir,
namely respect bihita enter Respectfully, I have bed bugs in your political activities that fit intense Beja, few minds open sky behind you now, as you know dilamaami scatter. Dewan liga many goose goats Jamaat Shibir Theika has taken place in your shelter.
How do you know, you are pleasing to me, and you forgot the great bazar, mischief knowledge on you, you killed me 1st, the resumption of this morning. Twice. Did not you? Ien this time you have a hard time
For the involvement of anti-organizational organization, the leader of the controversial Awami League, some editors of Chadakkhan district Awami League, should demand apology from the grassroots Awami League, Banshkhali grassroots Awami League and the leaders of the organizing organizations.
I could not live, why did you want to kiss?

You,
Mr. CIP, if you claim that
you deserve a worthy Awami League of the ideals of the Father of the Nation, then
I have a lot of wants for you. In the absence of you, you will be the enemy of Awami League in my lifetime.
Maybe the exception.
However, the Awami League but not my father's wealth.
I do not have the right to create obstacles in the way of you or your movement. But Bangladesh Awami League, Sheikh Hasina, Banshkhali grassroots Awami League betrayers do it, then I can not stop you from the chaotic insects.

Thousands of people died in the death of a fugitive, 71 defeated power Jamaat to prevent the conspiracy of enemies of Bangladesh and Awami League.
But by using the name of Bangladesh Awami League, the organization formed by the father, why you have dropped the Jamaat BNP.
Those who have conspired against the Awami League government under the leadership of the Janata Party leader Sheikh Hasina, have left their homes in the house, who have returned them to their highways, to whom they need to return.

Buying the post became the leader, some of the father's father did not become true Awami League.
Allah has given you a lot of money, whether it is Banskhali or everyone knows it. Your place in the industrial market is very high. I saw you donate charity to Facebook.

But if you spend half of the amount spent on the Jamaat camp, then if you used to spend half of it for Awami League, then Jamaat will not have any resistance from the soil of Banskhali. But now you are just reversing it till today. Your activities are going to hit the Awami League. You will see, how active Banshkhali Jamaat Shibir is due to the financial support given to you. Sci. They're by your money today. Killing us, killing Awami League.
Do not say!
These are not the reasons for your shame, you need to correct themselves, you do not feel yourself.
but why?

We are critical of what you think, we are doing it. We know that, you are forced to agree with your name before putting your name together. Each of your activities is a creation of a lining.

You should leave the Jamati company, stop providing financial services to the Jamtis. Leave the civic cadres, then you will automatically see, Awami League's grassroots activists will love you from the heart. More than the criticism will keep in discussion. When the Jamatians love you more, and when you dance with their heads , Then you criticize yourself in many cases, it becomes a cafaya.

Dear brother,
Please take my humble request to you, read the unfinished autobiography of the Father of the Nation, and review the history of the Jumma and Awami League of Bangladesh. Please, read, see the history of Mir Zafar as well as the Mostaq. Do not let yourself be driven by mercy.
Banshkhali's Awami League family will not forgive you
One day in the history of Kadgadra, you will stand in the role of Khandakar Mostak. If you do not correct. Do not improve. Do not want to apologize for unwanted mistakes.

If there is a change, good luck, if the Awami League is the cause of the destruction then criticism.

Bugs
born disembada 1, 1971,

জামাত শিবিরের সঙ্গ ত্যাগ করার অনুরোধ জানিয়ে মুজিবুর রহমান সিআইপির নিকট ছারপোকার খোলাচিটি

খোলাচিটি:-
জনাব মুজিবুর রহমান সিআইপি


,
উদয়মান রাজনীতিবিদ,শিল্পপতি সমাজসেবক।
বাঁশখালী চট্টগ্রাম।

প্রসঙ্গঃ-(ঐকূল ছাড়ুন,এইকুল পাবেন)জামায়াতের সাথে আওয়ামী লীগ যায় না।

জনাব,
যথা বিহীত সম্মান পূর্বক বিনীত নিবেদন,এই যে আমি ছারপোকা আপনার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে তীব্র বেজার হইয়া,ক'টা মনের কথা খোলা আকাশে আপনার নামে উড়াইয়া দিলাম।আমি জানি এইডা আপনার অগোচরে৷  দেওয়নের লাইগা অনেক গুলা ছাগল জামায়াত শিবির থেইকা আপনার আশ্রমে দাপটের জায়গা করে নিয়েছে।
কেডা জানি কইলো,আপনি আমারে খুইজতাছেন,আরেক জন আপনি উপর মহা বেজার,হিতাহিত জ্ঞান ভুলে গিয়ে আপনি আমাকে ১ম হত্যা করেছেন,এইডা মোর পুনঃজম্ম।বুইঝবার৷ পারছেননি? আইয়েন এইবার আপনারে কড়া কথা কই,,
দলীয় পদবি ব্যবহার করে,সংগঠন বিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত হওয়ার অপরাধে বিতর্কিত আওয়ামীলীগ নেতা,চঃদক্ষিন জেলা আওয়ামী লীগের কতিপয় সম্পাদকের উচিত,বাঁশখালীর তৃনমূল আওয়ামী লীগ, সহ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত বলে দাবি করছি।
বুইঝবার পারছেনি,মুই কিতা কইবার চাইলাম?

আপনি,,
জনাব সিআইপি সাহেব,যদি আপনি নিজেকে জাতির পিতার আদর্শের যোগ্য আওয়ামী লীগ দাবি করেন,
তাহলে,
আপনার কাছে আমার অনেক চাওয়া আছে।যাহার ঘাটতিতে আপনি আজীবন আমার কাছে আওয়ামীলীগ এর শত্রু হয়ে থাকবেন।
হয়তো ব্যতিক্রম।
তবে,আওয়ামী লীগ কিন্তু আমার বাপের সম্পতি নয়।
আপনাকে বা আপনার চলার পথে কোনরূপ প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করার অধিকার আমার  নাই।কিন্তু বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ,জননেত্রী শেখ হাসিনা,বাঁশখালী তৃনমূল আওয়ামী লীগের বিশ্বাসঘাতকতরা করেন,তাহলে আমি ছার পোকার মুখ আপনি বন্ধ করতে পারবেন না।

এক ছারপোকার মৃত্যুতে হাজার ছারপোকা জম্মাবে,৭১পরাজিত শক্তি জামায়াত বাংলাদেশ ও আওয়ামী লীগের জাত শত্রুদের ষড়যন্ত্র রুখে দিতে।
কিন্তু জনকের হাতে গড়া সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এর নাম ব্যবহার করে,আপনি জামায়াত বিএনপিকে কেন মাটে নামিয়েছেন।
যারা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করতে করতে,লেছ গুটিয়ে বাড়িতে ডুকে আছে,আপনি তাদের কার প্রয়োজনে,কার ঈশারায় পুনরায় তাদের রাজপথে নামিয়েছেন।

পদ কিনে নেতা হয়ে গেলেন,কিছুটা জনকের আদর্শ বুুকে নিয়ে সত্যিকারের আওয়ামীলীগ হতে পারলেন না।
আল্লাহ আপনাকে অনেক অর্থকড়ি দিয়েছেন,তা বাঁশখালী কমবেশি সবাই জানে।শিল্পপতি বাজারে  আপনার স্থান অনেক উপরে।ফেইসবুকে দেখেছি আপনি দান খয়রাত ভাল করেন।

কিন্তু জামায়াত শিবিরের পিছনে আপনি যা ব্যয় করেন,,তার অর্ধেক যদি আওয়ামী লীগের জন্য ব্যায় করতেন,তাহলে বাঁশখালীর মাটি থেকে জামায়াত বিএনপির কোন অস্থিত্ব থাকতো না।কিন্তু এখন আপনি ঠিক উল্টো করে চলছেন আজকের দিন পর্যন্ত।আপনার কর্মকান্ড গুলো আওয়ামীলীগের অস্তিত্বে আঘাত করার শামীল।আপনি চোখে দেখবেন,,আপনার দেওয়া অর্থনৈতিক জোগানের কারনে বাঁশখালীর জামায়াত শিবির কতটা সক্রিয়।কতটা আগ্রাসী। ওরা আজ আপনার টাকা দিয়ে৷ আমাদের মারছে,আওয়ামী লীগ মারছে।
বলেন না !
এগুলো আপনার লজ্জার কারন নয় কিনা!নিজের সংশোধনের প্রয়োজন টা,নিজে কি অনুভব করেন না।এতো সমালোচনায়ও আপনি নিজেকে......!
কিন্তু কেন?

আমরা সমালোচনা করছি,আপনি কি মনে করেন,তা আমরা ইচ্ছে করে করছি।যতটুকু জানি,আপনি মৌন সম্মতিতে বাধ্য করতেছেন আপনার নামের আগেপিছে জোড়া লাগাতে।আপনার প্রতিটা কর্মকান্ড এক একটা আবরণের সৃষ্টি।

আপনি জামাতি সঙ্গ ত্যাগ করুন,জামাতিদের অর্থনৈতিক জোগান দেওয়া বন্ধ করুন।শিবির ক্যাডারদের ত্যাগ করুন,তখন আপনাআপনি দেখবেন,আওয়ামীলীগের তৃনমূল নেতাকর্মী রা আপনাকে মন থেকে ভালবাসবে।সমালোচনার চেয়ে আলোচনায় রাখবে বেশি।আপনাকে যখন জামাতিরা বেশি ভালবাসে,আর আপনি যখন তাদের মাথায় নিয়ে নাচেন,তখন তো আপনার সমালোচনা করা অনেক ক্ষেত্রে ফরজে কাফেয়া হয়ে দাড়ায়।

প্রিয় ভাই,
আপনার প্রতি আমার বিনীত অনুরোধ,জাতির পিতার অসমাপ্ত আত্মজীবনীর টি পড়ুনু,বাংলাদেশের জম্ম ও আওয়ামী লীগ ইতিহাস পর্যালোচনা করুন।জানুন,পড়ুন,দেখুন ইতিহাসে একজন মীর জাফরের পাশাপাশি মোস্তাকও আছে আলোচনায়। দয়া নিজেকে ঐপথে ধাবিত করবেন না।
বাঁশখালীর আওয়ামী লীগ পরিবার কিন্তু আপনাকে ক্ষমা করবে না।
ইতিহাসের কাডগড়ায় একদিন আপনাকেও খন্দকার মোস্তাকের ভূমিকায় দাড় করাবে।যদি আপনি সংশোধন না হউন।নিজেকে না শুধরান।ইচ্ছাকৃত কিংবা অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য ক্ষমা চান।

যদি পরিবর্তন হউন,তবে শুভকামনা,যদি আওয়ামী লীগ ধবংসের কারন হউন তবে সমালোচনা।

ছারপোকা
জন্ম ১ডিসেম্বড ১৯৭১
পিতাঃ-শেখ মুজিবুর রহমান।

times24

দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে বাঁশখালীতে আওয়ামীলীগের প্রতিবাদ সমাবেশ

দেশবিরোধী চক্রান্ত – ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে  কালীপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, তাঁতিলীগ,শ্রমিক লীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠন...