বৃহস্পতিবার, ২৩ আগস্ট, ২০১৮

জহির রায়হানের মৃত্যু-ঃ-বহুল প্রচলিত দুটো জঘন্য মিথ্যাচারঃ


”জহির রায়হান তো এক বিখ্যাত সাংবাদিক আছিল, বুঝলা? ফিল্মও ভি বানাইত। একাত্তর সালে গণ্ডগোলের সময় আওয়ামিলিগ নেতারা যখন পলায়া গিয়া কলকাতায় খারাপ পাড়ায় আকামকুকাম করতেছিল, তখন এই ব্যাটা হেইডি ভিডু কইরা একটা ফিল্মই বানায়া ফেললো। হের কাছে আরও তথ্য আছিল, ফাঁস কইরা দিতে চাইছিল। হ্যাঁর লাইগাই তো শেখ মুজিবে দেশে ফিরাই তারে গুম কইরা ফেললো। আহারে, বড় ভালো লোক আছিল!”//

//”এই যে আজ কিছু লোক গোলাম আজম সাহেব, নিজামী সাহেবদের বিরুদ্ধে একাত্তরে বুদ্ধিজীবী হত্যার মতো জঘন্যতম অভিযোগ এনে অপপ্রচার চালায়, আসল সত্যটা জানলে তো এদের পেট খারাপ হয়ে যাবে। আসল সত্যটা হচ্ছে, একাত্তরের গণ্ডগোলের সময় আসলে ভারতীয় সেনারা মুক্তিযোদ্ধার ছদ্মবেশে খুন, ধর্ষন করে পাকিস্তানী সেনাদের উপর দোষ চাপিয়েছিল। শুধু তাই নয়, যুদ্ধের পর দেশে ফিরে যাবার সময় তারা সবকিছু লুটপাট করে নিয়ে গেছে। জহির রায়হান এসব জানতেন। তার কাছে সব প্রমান ছিল। আর সেগুলো ফাঁস করে দিতে চেয়েছিলেন বলেই শেখ মুজিবের নির্দেশে “র” এর এজেন্টরা তাকে গুম করে ফেলে। নইলে স্বাধীন দেশে একটা জলজ্যান্ত মানুষ কিভাবে গুম হয়ে যাবেন?”//

প্রথম প্যারাটা ক্লাস নাইনে পড়ার সময় হামিদ স্যার “সময়ের প্রয়োজনে” পড়াতে গিয়ে বলেছিলেন। আর দ্বিতীয় প্যারাটা ক্লাস সেভেনে পড়ার সময় “কিশোর কণ্ঠ” পাঠচক্রে শিবিরের এক সফেদসৌম্য চেহারার এক আদিম বর্বর পাষণ্ডের মুখে শোনা। অনেক দিন পর্যন্ত কথাগুলো আমাকে তাড়িয়ে বেড়িয়েছিল। তারপর একদিন “সময়ের প্রয়োজনে” গল্পটা পড়লাম। অনেকক্ষন চুপচাপ বইটা জড়িয়ে ধরে বসেছিলাম সেদিন। চোখের পানিতে পাতাগুলো ভিজে একাকার হয়ে গিয়েছিল। তারপর থেকে যে কত অসংখ্যবার গল্পটা পড়েছি, ইয়ত্তা নেই। মুসলিম বাজার বধ্যভূমিটার উপর বিশালকায় মসজিদটা কিংবা পাশেই ওই শাদা পানির পাম্পটা- কত দিন গিয়ে পাশে চুপচাপ দাঁড়িয়ে থেকেছি, নিজেও জানি না। জহিরের কথা মনে পড়তো- ওই যে হালকা গড়নের সদা হাস্যোজ্জল মানুষটা, পকেটে মাত্র ছয় আনা নিয়ে একটা রঙিন সিনেমা বানিয়ে ফেলার সাহস করতো যেই বিস্ময়কর জাদুকর… সেই জহির রায়হানের কথা…

হাতের কাছে যা আছে, তাই দিয়েই সিনেমা বানাবো- এই ছিল মানুষটার মন্ত্র। অসম্ভব প্রতিভাধর ছিল, যা চাইতেন, নিখুঁত দক্ষতায় সেটা নামিয়েও আনতেন তিনি। ১৯৫৭ সালে মাত্র ২২ বছর বয়সে “জাগো হুয়া সাভেরা” দিয়ে চলচ্চিত্রে পা রাখা সেই ছেলেটা তার পরের ১৩ বছর উপহার দিয়ে যান ‘সোনার কাজল’ (১৯৬২), ‘কাঁচের দেয়াল’ (১৯৬৩), ‘সঙ্গম’ (উর্দু : ১৯৬৪), ‘বাহানা’ (১৯৬৫), ‘বেহুলা’ (১৯৬৬), ‘আনোয়ারা’ (১৯৬৭) আর ‘জীবন থেকে নেয়া’ (১৯৭০)’র মতো অসামান্য সব চলচ্চিত্র। অমিত প্রতিভার স্বাক্ষর হয়ে এই সময়টাতেই একে একে প্রকাশিত হয় শেষ বিকেলের মেয়ে, আরেক ফাগুন, বরফ গলা নদী, আর কত দিন-এর মতো কালজয়ী সব উপন্যাস আর সূর্যগ্রহন (১৩৬২ বাংলা), তৃষ্ণা (১৯৬২), একুশে ফেব্রুয়ারি (১৯৭০) কয়েকটি মৃত্য এর মত অভূতপূর্ব সব গল্পগ্রন্থ। ৭০’রের শেষদিকে তার উপন্যাস “আর কত দিন” এর ইংরেজি ভাষান্তরিত চলচ্চিত্র “লেট দেয়ার বি লাইট”-এর কাজে হাত দেন জহির। কিন্তু একাত্তরের সেই অভূতপূর্ব বিভীষিকা থামিয়ে দেয় সব!

একাত্তর জহিরের জীবনকে দাঁড় করিয়ে দিয়েছিল এক বিচিত্র সমীকরণের সামনে। ৫২’র ভাষা আন্দোলনের ১৪৪ ধারা ভাঙ্গা প্রথম ১০ জনের একজন ক্র্যাক জহির রায়হান একাত্তরের পুরো সময়টা প্রাণ হাতে করে ছুটে বেড়িয়েছেন রক্তাক্ত বাঙলার এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্ত, সামান্য কিছু যন্ত্রপাতি আর আদ্দিকালের একটা ক্যামেরা সম্বল করে বানিয়েছেন গণহত্যার উপর নির্মিত পৃথিবীর ইতিহাসের অবিসংবাদী সেরা পাঁচটি ডকুমেন্টরির একটি “স্টপ জেনসাইড” (নিজস্ব মতামত)। তুলে ধরেছিলেন পাকিস্তানীদের বর্বরতা আর নৃশংসতার এক অনবদ্য উপাখ্যান। “বার্থ অফ আ নেশন” ছিল তার সৃষ্টি, বাবুল চৌধুরীর ‘ইনোসেন্ট মিলিয়ন’ আর আলমগীর কবীরের ‘লিবারেশন ফাইটারস’ এর পেছনের কুশীলবও ছিলেন তিনি। একাত্তরের রক্তাক্ত জন্মইতিহাসের অসংখ্য অধ্যায়ের খবর জানা ছিল তার, তাই দেশে ফেরার পর যখন বুদ্ধিজীবি হত্যা ও গণহত্যার তথ্য অনুসন্ধান এবং ঘাতকদের ধরার জন্য একটি কমিশন গঠন করলেন, তার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে একটুও দেরি করেনি আলবদরের ঘাতকবাহিনী।

এ বি এম খালেক মজুমদার ছিল ৭১-এর কুখ্যাত আল বদর কমান্ডার। জহির রায়হানের বড় ভাই শহীদুল্লাহ কায়সারকে কালো কাপড়ে চোখ বেধে তুলে নিয়ে যাবার সময় তাকে চিনে ফেলেছিলেন শহীদুল্লাহ কায়সারের স্ত্রী পান্না কায়সার। সেই মুহূর্তের বর্ণনা দিয়ে পান্না বলেছিলেন,

যখন ওকে (শহীদুল্লাহ কায়সার) অন্ধকার ঘর থেকে টান দিয়ে আমার সঙ্গে বারান্দায় নিয়ে এলো, পেছন থেকে ওর হাতটা ধরে আমিও বারান্দায় গেলাম। গিয়ে তাড়াতাড়ি সুইচটা অন করে দিলাম। সব আলো হয়ে গেল। সবার মুখে মুখোশ। আমার ননদ পাশ থেকে দৌড়ে এলো। ও তখন সন্তানসম্ভবা। উপায়ান্তর না পেয়ে একজনের মুখের কাপড়টা টান দিয়ে খুলে ফেলল। সে-ই ছিল খালেক মজুমদার (এ বি এম খালেক মজুমদার)

দেশে ফিরে দাদার নিখোঁজ হবার খবর পেয়ে একেবারে ভেঙ্গে পড়েন পাথরকঠিন মানুষ। দাদাই যে ছিল তার সবচেয়ে বড় আপনজন! দাদা আর নেই এটা তাকে কোনভাবেই বিশ্বাস করানো যায়নি। উদ্ভ্রান্তের মত খুঁজতে শুরু করেন দাদাকে। কয়েক দিনের মাথায় বুদ্ধিজীবি হত্যা ও গণহত্যার তথ্য অনুসন্ধান এবং ঘাতকদের ধরার জন্য একটি কমিশন গঠন করেন তিনি। জহির ছিলেন এই কমিটির চেয়ারম্যান, সদস্য সচিব ছিলেন ছাত্র ইউনিয়নের বাশারত আলী। প্রতিদিন শত শত স্বজনহারা মানুষ আসতেন এই কমিটির অফিসে। জহিরের এই ঘাতক-দালাল নির্মুল কমিশন প্রথমেই খালেককে গ্রেফতার করাতে সক্ষম হয়। খালেককে গ্রেফতার করাবার পর প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডের পেছনে থাকা সাম্প্রদায়িক মৌলবাদ শক্তির ব্যাপারে প্রায় সব তথ্যগুলো তিনি গুছিয়ে এনেছেন। এখন শুধু জাতির সামনে উন্মোচনের অপেক্ষা। এরপর আর জহিরকে বাঁচিয়ে রাখার ঝুকি নিয়ে চায়নি নিজামি-মুজাহিদের আলবদর কিলিং স্কোয়াড…

হঠাৎ একদিন সকালে একটা ফোন পেলেন জহির রায়হান। সেদিন ছিল ৩০ জানুয়ারী। এর কয়েকদিন আগ থেকেই রফিক নামের এক ব্যক্তি জহিরকে আশ্বাস দিয়ে আসছিল যে, শহিদুল্লাহ কায়সার বেঁচে আছেন। তাকে জীবিত পাওয়া যাবে। জহিরের চাচাতো ভাই শাহরিয়ার কবির বহু বার এই রফিককে ফ্রড এবং ধাপ্পাবাজ বলে জহিরকে বোঝাতে চাইলেও দাদার শোকে পাগল প্রায় জহির তাতে কর্ণপাত করেননি। এটাই তার কাল হয়েছিল। দাদাকে শুধু একটাবারের জন্য ফিরে পেতে পৃথিবীর সবকিছু দিতে রাজি ছিলেন জহির। সেই সুযোগটাই নিয়েছিল ঘাতকেরা! রফিককে ৩০শে জানুয়ারির পর আর খুঁজেও পাওয়া যায়নি।

সেদিন সকালে ‘মাস্তানা’ নামে এক বিহারী নৃত্যপরিচালক তাকে ফোন দিয়ে জানায়, তার বড় ভাই শহিদুল্লাহ কায়সারসহ আরও কিছু বুদ্ধিজীবীকে মিরপুরে বিহারীরা আটকে রেখেছে। যদি সেই দিনের মধ্যে তিনি নিজে উপস্থিত না হন, তবে তার ভাইকে আর পাওয়া যাবে না। কিন্তু মিরপুর তো বিহারীদের দখলে। কীভাবে তিনি সেই মৃত্যুপুরীতে যাবেন? কাকতালীয়ভাবে ঠিক সেইদিনই বঙ্গবন্ধুর সামরিক সচিব মইনুল হোসেন চৌধুরী সশরীরে এসে নির্দেশ দিয়ে গিয়েছিলেন মিরপুরের বিহারীদের কাছে থাকা অস্ত্র উদ্ধার করে মিরপুর স্বাধীন করতে। সে উদ্দেশ্যেই বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর দ্বিতীয় বেঙ্গল রেজিমেন্ট অভিযান চালাবার সিদ্ধান্ত নেয়। এর আগ পর্যন্ত ভারতীয় সেনাবাহিনী পুরো মিরপুর ঘিরে রেখেছিল। জহির ফোনটা রেখে বেরিয়ে গেলেন। সকালের নাস্তাটা ওভাবেই পড়ে রইল, ওই তার বেরিয়ে যাওয়া…

মিরপুর বিহারী এবং পাকিস্তানী সেনাদের দখলে থাকায় সেখানে সিভিলিয়ানদের প্রবেশ নিষিদ্ধ ছিল। তাই চাচাত ভাই শাহরিয়ার কবিরসহ বাকিরা আর জহিরের সাথে মিরপুরে ঢুকতে পারেননি, সেনাদের কন্টিনজেন্টে একমাত্র সিভিলিয়ান ছিলেন জহির। সেনারা বিভিন্ন ভাগে ভাগ হয়ে ছড়িয়ে পড়ে পুরো মিরপুর। এর মধ্যে মিরপুর সাড়ে এগারো নম্বর ধরে ১২ নম্বর সেকশনের দিকে যে দলটি গিয়েছিল তাতে ছিলেন জহির। দলটিতে ছিল প্রায় ৪৫-৫০ জন সেনা। গাড়িগুলো মিরপুর সাড়ে এগারো হতে ধীরে ধীরে মিরপুর ১২-এর দিকে অগ্রসর হতে হতে শাদা পানির ট্যাংকটার সামনে এসে থামে। হঠাৎই সকাল এগারোটার দিকে আচমকা কয়েকশো বিহারী এবং সাদা পোশাকের ছদ্মবেশে থাকা পাকিস্তান সেনারা ভারী অস্ত্র এবং ড্যাগার কিরিচ নিয়ে আল্লাহু আকবর স্লোগান দিতে দিতে এই দলটির উপর হামলা করে। প্রথমে ব্রাশফায়ারেই লুটিয়ে পড়েন জহির, একটু পর বিহারিগুলো প্রচণ্ড আক্রোশে জানোয়ারের হিংস্রতায় কুপিয়ে, খুঁচিয়ে, গুলি করে হত্যা করে প্রায় সবাইকে। তারপর কোপাতে কোপাতে লাশগুলো টেনে নিয়ে যায় মুসলিম বাজারের নুরী মসজিদের পেছনের ডোবার দিকে। বাঙলা ইতিহাসের সর্বকালের অন্যতম শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্রকারের খন্ডবিখন্ড দেহ পড়ে থাকে এক কচুরিপানা ভরা ডোবায়…

২৮ টা বছর ওরা জহিরের মৃত্যু নিয়ে মিথ্যাচার করেছে। একটা মিথ্যা একশবার বললে ধ্রুব সত্যের মতো শোনায়। ২৮টা বছর ধরে ওরা সত্যপুত্র যুধিষ্ঠির হয়ে শুনিয়েছে,

”একাত্তরে পাকিস্তানী সেনাবাহিনী আর রাজাকার, আল-বদরেরা কোন গণহত্যা চালায়নি, সব করেছে ভারতীয় সেনাবাহিনী, মুক্তিযোদ্ধা নাম ধারন করে। আওয়ামীলীগ নেতারা কলকাতার বেশ্যালয়ে ফুর্তি করেছে একাত্তরের নয়মাস, এই সকল তথ্য আর প্রমান জহির রায়হানের কাছে ছিল, তাই শেখ মুজিবের নির্দেশে “র” তাকে গুম করে ফেলে…”; ২৮টা বছর নিজামি-মুজাহিদ আর গোলাম আজমের মতো নিকৃষ্ট কীট এই জঘন্যতম মিথ্যাচার করে গেছে বিরামহীন, একটা দেশের জন্মপরিচয়কে মুছে ফেলতে চেয়েছে নিকৃষ্টতম ষড়যন্ত্রে…

তারপরই ১৯৯৯ সাল এলো…

১৯৯৯ সালে মিরপুর ১২ নম্বর সেকশনের মুসলিম বাজারে আবিষ্কৃত নূরী মসজিদ সম্প্রসারণ কাজ চলবার সময় শ্রমিকেরা মাটির সামান্য নিচে কংক্রিটের স্লাব দিয়ে মুড়ে দেওয়া একটা কুয়োর সন্ধান পায়। নির্মাণশ্রমিকরা কৌতূহলবশত স্লাবটা ভেঙ্গে ফেলার সাথে সাথে বেরিয়ে আসে ২৮ বছরের পুরনো নির্মম ইতিহাস। তিনটি মাথার খুলি এবং বেশকিছু হাড়সহ কাপড়চোপড় বেরিয়ে এলে শ্রমিকেরা ভয় পেয়ে যায়। আবিষ্কৃত হয় ৭১-এর এক অকল্পনীয় নির্মমতার ইতিহাস, কমপক্ষে ২০ থেকে ২৫০০০ শহীদের শেষ ঠিকানা, মুসলিম বাজার নূরী মসজিদ বধ্যভূমি…

পরের দিন সংবাদমাধ্যমে ব্যাপারটা হাইলাইট হলে সাড়া পড়ে যায় শহীদদের স্বজনদের মাঝে। খবরটা পৌঁছে যায় বাবার খোঁজে পাগলপ্রায় পুত্র অনল রায়হানের কাছেও। তৎকালীন ভোরের কাগজের রিপোর্টার জুলফিকার আলি মানিক এই খবরটি কাভার করছিলেন। অনলের সাথে কথা বলবার পর তিনি জোরে সোরে অনুসন্ধান শুরু করলেন। সম্মিলিত অনুসন্ধানে পাওয়া গেল ৩০ শে জানুয়ারির সেই যুদ্ধে উপস্থিত থাকা এক সেনাসদস্যের। আমির হোসেন নামের এই সৈন্য সেইদিনের সেই দুঃস্বপ্নের বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেন…

আমাদের সাথে যে সাংবাদিক ছিলেন, তিনি কালো মতো একটা প্যান্ট পরেছিলেন। সাদা জামা এবং তার ওপর হলুদ রঙের সোয়েটার ছিল তার গায়ে। আমাদের উপর যখন হামলা হয়, তখন দেখলাম বুকে হাত চেপে ধরে-ওখানে একটা দেয়াল ছিল, তার গায়ে পড়ে গেলেন। দেখলাম, ওনার কাপড় রক্তে ভেসে যাচ্ছে। তারপর আমি কিছুদূরে একটা গাছের পেছনে আশ্রয় নিয়ে দেখি কয়েকশো বিহারী ড্যাগার আর কিরিচ নিয়ে আল্লাহু আকবর স্লোগান দিতে দিতে এগিয়ে আসল। তারপর তারা মাটিতে পড়ে থাকা দেহগুলো কোপাতে কোপাতে টেনে পানির ট্যাংকের পশ্চিম দিকে টেনে নিয়ে গেল। তারপর আর আমি সেই লাশগুলোকে খুঁজে পাইনি।

১৯৯৯ সালের ১লা সেপ্টেম্বর জুলফিকার আলি মানিকের প্রতিবেদন ‘নিখোঁজ নন, গুলিতে শহীদ হয়েছিলেন জহির রায়হান’’ হইচই ফেলে দেয় সর্বত্র। এদিকে একই বছরের ১৩ আগস্ট সাপ্তাহিক ২০০০ এ (বর্ষ ২ সংখ্যা ১৪) বাবার নিখোঁজরহস্য উন্মোচন করে প্রকাশিত হয় জহির রায়হানের পুত্র অনল রায়হানের প্রচ্ছদ প্রতিবেদন "পিতার অস্থি’র সন্ধানে…"

অস্কার পুরস্কার বিতরণী মঞ্চ। উপস্থাপকের দিকে সবার দৃষ্টি নিবদ্ধ, টানটান উত্তেজনায় শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থা। উপস্থাপকের ঠোঁটে রহস্যের হাসি। শেষ পর্যন্ত সেরা চলচ্চিত্রের নাম ঘোষিত হল, মনোনয়ন পাওয়া গুণী পরিচালকদের বিশ্বসেরা সব চলচ্চিত্রকে পেছনে ফেলে সকলের বিস্ফোরিত দৃষ্টির সামনে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র হিসেবে ঘোষিত হল Mirpur-The Last Battlefield এর নাম। সেরা স্ক্রিপ্ট, সেরা সিনেমাটোগ্রাফি,সেরা সঙ্গীত সহ আরো ছয়টি বিভাগে অস্কার জিতলো মুভিটা, এর মধ্যে সেরা পরিচালকও ছিল। সেরা স্ক্রিপ্টরাইটারের অস্কারে ঘোষিত হল পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিক শহীদুল্লাহ কায়সারের নাম, সেরা সঙ্গীত পরিচালকের ক্যাটাগরিতে অস্কার পেলেন প্রথিতজশা সুরকার ও সঙ্গীতজ্ঞ আলতাফ মাহমুদ, আর সেরা পরিচালকের নামটা উচ্চারন করতে গিয়ে কয়েক মুহূর্তের জন্য থেমে গেলেন উপস্থাপক… তারপর হঠাৎ গমগমে গলায় উচ্চারন করলেন, অ্যান্ড দ্যা অস্কার গোজ টু দ্যা ওয়ান অ্যান্ড অনলি, জহির রায়হান…

অপেক্ষায় হাস্যোজ্জ্বল উপস্থাপক, অপেক্ষায় অস্কারের ঝলমলে মঞ্চ, অপেক্ষায় পৃথিবী। শহীদুল্লাহ কায়সার, আলতাফ মাহমুদ, জহির রায়হানদের অপেক্ষায় মহাকাল। কোথায় ওঁরা? কোথায়?

শুভ জন্মদিন জহির রায়হান! :)

বাঁশখালীতে সরকার বিরোধী প্রচারণায় সার্কসহ একাধিক সংগঠন,নিয়ন্ত্রণে জামায়াত,অর্থায়ানে মিশ্রসুর...............


ছবিতে যে গুলো দেখছেন,এগুলো ওনাদের ভিতরে ভিন্ন অধ্যায়।যাদের নিয়ে বাঁশখালীর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনা সমালোচনায় ঝড় তুলছেন বাঁশখালী উপজেলা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।
যদিও নিম্নোক্ত স্কৃনশটের মালিকানা ও নিয়ন্ত্রক সম্পর্কে  বাঁশখালী থানা' প্রত্যেকটা বিষয়ে অবহিত আছেন। আর আমি যে বা যাদের স্কীনশট আপলোড করলাম,সব গুলো একই সুত্রে গাঁথা।সার্ক, নিরাপদ সড়ক,হেফাজত, জামায়াত, শিবির, ছাত্রদল একে অপরের পরিপূরক ।
আর এটাই সত্য যে,উল্লেখ্যিত প্রত্যেকটা ফেইসবুক আইডি নিয়ন্ত্রিত হয় বাঁশখালী থেকে।যাদের অনেকেই সার্কের সক্রিয় সদস্য। আর এরা প্রত্যেক কে সরকার বিরোধী বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকে ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত।
এখনো তো তেমন কিছু আপলোড করিনি।সূচনা করলাম মাত্র।ওদের পুরো টিম আর টিমের ম্যানেজারকে খোজে বের করতে দীর্ঘ সময় ধরে বাঁশখালীর বিভিন্ন ইউনিয়নে কাজ করছে প্রিয় মুজিব আদর্শের প্রশিক্ষিত কিছু ভাই।
তাদের জন্য আজীবন শুভকামনা।
তবে খুব শীঘ্রই ওদের পুরো মুখোশ টা টেনে হিজড়ে আবার রাস্তায় খুলে দিবো।
ভয় পাই না,ভয় দেখাইয়েন না।
একমাত্র আল্লাহকে ছাড়া আর কাউকে এক মুহূর্তের জন্য ভয় পাই না।প্রথমবার চুরি মেরেছে। আল্লাহ বাচিয়েছে,পরেরবার হয়তো #গুলি।

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের একজন নগন্য কর্মী হিসেবে এটা আমার দায়িত্ব ও কর্তব্য মনে করছি।
কাজে বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ নিয়ে যারাই ষড়যন্ত্র করুক,সে যেই হোক।তার মুখোশ খুলে দিবো।

এতেই আমার প্রশান্তি,
এখানেই................
জয়বাংলার সাথে থাকুন,নিরাপদে থাকুন।

হোছাইন মোহাম্মদ এর টাইমলাইন থেকে








  

বুধবার, ২২ আগস্ট, ২০১৮

দেশের মানুষের সুখ-সমৃদ্ধির জন্য কাজ করে যাচ্ছি: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা



দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ঈদ সবার জন্য আনন্দ ও খুশি বয়ে আনুক। আমরা সব শোক-ব্যথা বুকে নিয়েও জনগণ যাতে আনন্দ উৎসব করতে পারে সেজন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করে যাচ্ছি। দেশের মানুষের সুখ-সমৃদ্ধির জন্য কাজ করে যাচ্ছি।

বুধবার গণভবনে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়ের সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। সরকারের উন্নয়ন চিত্র নিজ নিজ এলাকায় গিয়ে মানুষের কাছে তুলে ধরার জন্য উপস্থিত নেতাকর্মীদের নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, এখানে থেকে স্লোগান না দিয়ে এলাকায় যান। আমরা কী কী কাজ করেছি জনগণকে তো তা জানাতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, জনগণ খুশি থাকলে, তারা ভোট দিলে, আবারও ক্ষমতায় আসবো। ভোট না দিলে আফসোস নেই।

তিনি বলেন, ঈদ যাতে নির্বিঘ্ন হয় সেজন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অক্লান্ত পরিশ্রম করছে। মানুষ যেন ভালো থাকে, তাদের যেন উন্নত ও সুন্দর জীবন পায়, শিক্ষা-চিকিৎসা-বাসস্থান পায় সেজন্য চেষ্টা করে যাচ্ছি।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী গণভবনে দলীয় নেতাকর্মী, রাজনীতিবিদ, সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তাসহ সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। পরে বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন তিনি।

জাতির পিতাসহ ১৫ আগস্টের শহীদদের জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ১৫ আগস্ট আমরা মা-বাবা ভাই বোন সবাইকে হারিয়েছি। আমরা দু'টি বোন বেঁচে আছি। আপনারা ১৫ আগস্ট ও ২১ আগস্টের শহীদের প্রতি দোয়া করবেন। আমাদের জন্য দোয়া করবেন।
-----------------

প্রধানমন্ত্রীকে যেন আল্লাহ বাঁচায়া রাখেন,অশ্রুসিক্ত মাহবুবের স্ত্রী আসমা

র ছবি তুলতে ইচ্ছা করে না, কথা বল খারাপ লাগে। একুশে আগস্ট এলে আপনারা আসেন, তাই একটু কথা বলি। আজ মাহবুবের জন্য নেত্রী (প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা) বেঁচে আছেন। নেত্রীর জন্য আজ কতজন এমপি-মন্ত্রী হয়েছেন, সবাই যদি একবার করেও খোঁজ নেন, তা হলে তো আমার ছেলেরা অনেক ভালো থাকে। কিন্তু আওয়ামী লীগের কেউ তো খোঁজ নেয় না। প্রধানমন্ত্রীকে যেন আল্লাহ বাঁচিয়ে রাখেন, তিনি যদি চলে যান, আমাদের কষ্ট হবে, অনেক কষ্ট হবে। আমার একটু মাথা গোঁজার জায়গা নেই। আমার খুব কষ্ট হয়...’ কাঁদতে কাঁদতে কথাগুলো বলছিলেন ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহত মাহবুবুর রহমানের স্ত্রী শামীমা আক্তার আসমা। সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত ল্যান্স করপোরাল মাহবুবুর রহমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত নিরাপত্তাকর্মী ছিলেন। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে তৎকালীন বিরোধী দল আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসবিরোধী সমাবেশে ভয়াবহ গ্রেনেড হামলায় শেখ হাসিনার জন্য জীবন উৎসর্গ করেন মাহবুব। গ্রেনেড বিস্ফোরণের পর নিজের শরীরকে ঢাল বানিয়ে তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী শেখ হাসিনাকে মঞ্চ থেকে বুলেটপ্রুফ গাড়ি পর্যন্ত পৌঁছে দিয়ে গ্রেনেডের স্প্রিন্টার ও গুলির আঘাতে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন মাহবুব। দুই ছেলে আশিকুজ্জামান আশিক ও আশরাফুজ্জামান আনাসকে নিয়ে মোহাম্মদপুরের একটি ৬তলা ভবনের দুই রুমের ফ্ল্যাটে থাকেন মাহবুবের স্ত্রী শামীমা আক্তার আসমা। গতকাল শনিবার দুপুরে আমাদের সময়ের সঙ্গে একান্তে কথা বলেন তিনি। মাহবুব ও তার স্ত্রী দুজনের বাড়িই কুষ্টিয়া জেলায়। ২১ আগস্ট দুপুরের স্মৃতিচারণ করে কুষ্টিয়ার আঞ্চলিক ভাষায় মাহবুবের স্ত্রী বলেন, ‘আপা বলতে অস্থির ছিল মাহবুব। দুপুরে বাসায় এসে ভাত খাচ্ছে। আমি ইলিশ মাছ রান্না করছি। একটার সময় ভাত খাচ্ছে। এরপর দেখি কাপড়চোপড় পরছে। আমি কলাম, আশিকের আব্বু কোথায় যাচ্ছো? কয় যে, আপার মিটিং আছে বিকালে। আপার কাছে যাচ্ছি সুধা সদনে। মিটিং কয়টায়? বলছে, ৫টায়। এখন দুটো বাজে, এখনি যাবা কেন? একটু শুয়ে থাকো, পরে যাও। বলছে, না। আপা যদি আগেই বের হয়ে যায়। আমি সুধা সদনে যেয়ে শুয়ে থাকতে পারব। তাই বলে বের হয়ে গেল। আমি আবার বললাম, আশিকের আব্বু, তাড়াতাড়ি চলে এসো। কয় আচ্ছা, চিন্তা করো না। সে তো বলে গেল, চিন্তা করো না, আমি আসবোনে। আর তো আসলো না। বিকাল হয়ে গেল, আসরের নামাজ পড়ে বসে আছি, আমাকে একজন বলছে যে, আপাÑ মাহবুব ভাই মারা গেছে। প্রধানমন্ত্রীর ওখানে গুলি করছে, গ্রেনেড মারছে, মাহবুব ভাই মারা গেছে। দেখেন...! আমি তাড়াতাড়ি করে সুধা সদনে গেলাম। যেয়ে দেখি যে নাই।’ এটুকু বলে অঝোরে কাঁদতে থাকেন শামীমা আক্তার আসমা। তিনি আরও বলেন, মাহবুব মারা যাওয়ার পর শ্বশুরবাড়ি গিয়েছিলাম, আমাকে বকে তাড়িয়ে দিয়েছে। আমার কোনো থাকার জায়গা নেই। আমার ভাই বাসাভাড়া দিচ্ছে, তাই ছেলে দুটোকে নিয়ে ঢাকায় আছি। আমি নিজেকে সাš¦Íনা দিই, ছেলে দুটো মানুষ হলে হয়তো এই কষ্টের জীবন শেষ হবে। আসমা বলেন, আপার (প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা) টাকা দিয়ে চাল-ডাল সংসারের খরচ চলে। আপা ছাড়া কেউ খবর নেয় না। কুষ্টিয়ার আজগর, সদর খান (আওয়ামী লীগ নেতা) তো বলেন আমরা মাহবুবের পরিবারের খোঁজখবর নিই। একমাত্র প্রধানমন্ত্রী ছাড়া আওয়ামী লীগের কোনো নেতা কখনো খবর নেননি। মাহবুবের কর্মকর্তা যারা সেনাবাহিনীতে আছেন তাদের অনেকেই উৎসবে-পার্বণে খোঁজখবর নেন। তিন বছর ঢাকায় আসার পর এই সুবিধাটা একটু পাচ্ছি। আসমার বড় ছেলে একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজিতে অনার্স পড়ছে। ছোট ছেলে এবার উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় গোল্ডেন এ প্লাস পেয়ে পাস করেছে। আসমা বলেন, আজ ১২ বছর ওদের বাবা নেই, আমি এতদূর নিয়ে এসেছি ছেলে দুটোকে। আমার একটু দাঁড়ানোর জায়গা নেই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি বেশ কয়েকবার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন আসমা।তিনি মনে করেন,প্রধানমন্ত্রী চাইলেই তাকে একটু মাথা গোঁজার জায়গাও দিতে পারেন।আসমা বলেন,একুশে আগস্টের হামলাকারীদের বিচার ও শাস্তি কার্যকর দেখতে চান তিনি।

বিশিষ্ট জনদের ফৌজদারী অপরাধে অভিযুক্ত ব্যাক্তিদের নিঃশর্ত মুক্তির আবদার এবং জনমনে অজস্ত্র প্রশ্ন!!

অভিযুক্ত ব্যাক্তির 'নিঃশর্ত মুক্তি' এবং 'জামিন' এক কথা নয়৷যে কোন ফৌজদারী মামলায় উপযুক্ত আদালতে জামিন চাওয়ার অধিকার নাগরীকদের সাংবিধানিক অধিকার এবং জামিন পাওয়ার অধিকারও সাংবিধানিক৷ মামলায় জামিন পাওয়ার অর্থ এই নয় যে--মামলার বিচার হবেনা, মামলাটির মেরিট বিনষ্ট হয়েছে অথবা মামটির অপমৃত্যু ঘটেছে৷
    দেশদ্রোহীতা, গুজব সৃষ্টি ও প্রচার, উদ্দেশ্যমূলক আইন শৃংখলা অবনতি ঘটানোর নিমিত্তে উস্কানী, মিথ্যা বক্তব্য প্রকাশ ও প্রচার, পরিকল্পিত ও উদ্দেশ্যমূলক ষড়যন্ত্র ইত্যাদি রাষ্ট্রের দৃষ্টিতে ফৌজদারী অপরাধ৷
    সম্প্রতি জনস্বার্থ সম্পৃত্ত অহিংস 'কোটা আন্দোলন ও শিশু কিশোরদের নিরাপদ সড়ক আন্দোলন'কে কেন্দ্র করে, যে সমস্ত 'ব্যাক্তি ও প্রতিষ্ঠান, সামাজিক, ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক সংগঠন, জনসম্পৃত্ত মিডিয়া,গোষ্টি, সম্প্রদায় অথবা রাজনৈতিক দল তাঁদের কায়েমী স্বার্থ চরিতার্থ করার উদ্দেশ্যে আন্দোলনে অনুপ্রবেশ অথবা অন্যস্থান থেকে সহিংসতা বা সহিংসতার উস্কানি দিয়েছে, নিঃসন্দেহে তাঁরা বৃহত্তর জনগোষ্টির স্বার্থহানী ঘটানোর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছিলেন৷ বৃহত্তর জনগোষ্টির স্বার্থে পরিচালিত 'কোটা ও সড়ক' অহিংস আন্দোলনে শান্তিপূর্ণ অংশগ্রহন-- উৎসাহী যে কোন নাগরিকের নাগরিক অধিকার৷ অপরপক্ষে উক্ত শান্তিপূর্ণ  আন্দোলনকে সুরক্ষা দেয়া রাষ্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব ও কর্তব্য৷
    রাষ্ট্র এবং সরকার উল্লেখিত আন্দোলনে সহিংসতার উদ্দেশ্যে অনুপ্রবেশ, মিথ্যা গুজব সৃষ্টি, মিথ্যা প্রকাশ ও প্রচার, রাষ্ট্রযন্ত্র, রাষ্ট্রের  এক বা একাধিক অঙ্গের বিরুদ্ধে অপপ্রচার, সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারী ব্যাক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নিয়েছেন৷ দেশ ও জনগনের কল্যানে সরকারের উল্লেখিত পদক্ষেপ অত্যান্ত সুখকর, সময়োপযোগী, বাস্তবমূখী এবং সার্বিক আইন শৃংখলা রক্ষায় যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে সর্বমহলে প্রসংশিত হচ্ছে এবং আরো হবে৷ 
    বিগত অর্ধশত বছর বাংলাদেশের ছাত্র জনতা আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষে রাজপথে নিয়ন্তর আন্দোলন সংগ্রামে বুকের তাজা রক্ত ঢেলে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার অধিকার অর্জন করেছে৷জনগনের প্রত্যক্ষ নির্বাচনে জিজয়ী  বর্তমান সরকার  রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হওয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশের জনগনগনের পক্ষে "আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার  কায্যকর উদ্যোগ গ্রহন করবে ইহাই স্বাভাবিক৷
     বাংলাদেশের জনগনের কাংক্ষিত আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় বিঘ্ন সৃষ্টিকারী প্রত্যেক ব্যাক্তি ও সংস্থার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের অধিকার জনগন মহান মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের মাধ্যমে অর্জন করেছিল৷ মহান জাতি বাঙ্গালীর মহৎ জনক বঙ্গবন্ধু ১৯৭২ ইং সালে প্রনিত বিশ্বের শ্রেষ্ঠ লিখিত সংবিধানে, সাংবিধানিকভাবে জনগনের আকাংক্ষা প্রতিষ্ঠিত করেছিল৷
    দুঃখ্যজনক হলেও সত্য-অবৈধ রাষ্ট্র ক্ষমতা দখলকারী প্রেতাত্বার সরকার দীর্ঘ বছর জনগনের কষ্টার্জিত সংবিধান পরিবর্তন, পরিবর্ধন, স্থগিত, বাতিল, সংযোজন, বিয়োজন করে আইনের শাসন ভুলুন্ঠিত করে বাংলাদেশের জনগনের সঙ্গে চরম প্রতারনা অব্যাহত রেখেছিল৷
     মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশের জনগন প্রায় অর্ধশত বছর নিয়ন্তর  আন্দোলন সংগ্রামে প্রতিনিয়ত রক্তের বন্যায় রাজপথ রঞ্জিত করে, অসংখ্য প্রানের বিনিময়ে, অজস্ত্র সম্পদ বিনষ্টের মাধ্যমে পূণঃরায় তাঁদের হৃত গৌরব, সংবিধান, সাংবিধানিক অধিকার, রাষ্ট্র  পরিচালনার অধিকার অর্জন করেছে৷
     জনগনের সরকার জনস্বার্থ  বিবেচনায় সরকার পরিচালনা করবে, সাংবিধানিক রীতিনীতি কঠোরভাবে অনুসরণ করবে,আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার চলমান প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখবে, দুষ্টের দমন শিষ্টের পালন নীতি অনুসরণ করবে, উন্নয়ন অগ্রগতির চলমান চাকা সচল রাখবে, জনগনের সম্পদের সুরক্ষা দিবে,সদা সর্বদা জনকল্যানে নিবেদিত থাকবে সর্বোপরি কল্যান রাষ্ট্র বিনির্মানের পথে বাধা অপসারনে প্রয়োজনে রাষ্ট্রশক্তি প্রয়োগ করবে--জনগন একান্তভাবেই কামনা করে৷
   সম্প্রতি উদ্ভেগজনক ভাবে লক্ষ করছি-- বিভিন্ন মিডিয়ায় ফৌজদারী মামলায় আইন শৃংখলা বাহিনী কতৃক গ্রেপ্তারকৃত ব্যাক্তিদের কৃত অপরাধ সম্পর্কে জেনেশুনে কতিপয় বরেন্য বুদ্ধিজীবি, শিল্পি, সাহিত্যিক, সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ তাঁদের 'নিঃশর্ত মুক্তি' দেয়ার আবদার করছেন৷ ইহা একান্তই অনভিপ্রেত, বালক সুলভ, নির্বুদ্ধিতা, স্বজনপ্রীতি, অনধিকারচর্চা, আইনের শাসন পরিপন্থি এবং  সাক্ষাৎ অপরাধ এবং অপরাধির পক্ষাবলম্বন বলে আমি মনে করি৷ বাংলাদেশের জনগন দেশ ও জনগনের সম্মানের আধাঁর বিশিষ্ট ব্যাক্তিদের নিকট ফৌজদারী অপরাধীদের নিঃশর্ত মুক্তি দাবী আশা করেনা৷
    উনারা'ই তো বলেন-"আইন সবার জন্য সমান"৷ উনারা কিভাবে, কোন বিবেকে রাষ্ট্রের আইন শৃংখলা বাহিনী কতৃক ধৃত রাষ্ট্রদ্রোহী ফৌজদারী অপরাধিদের নিঃশর্ত মুক্তি দাবী করেন? শুধু তাই নয়-তাঁদের সমতুল্য কোন এক বিশিষ্ট নাগরিকের বিচার এড়িয়ে যেতে রাষ্ট্রকে বাধ্য করতে চান?বাংলাদেশের জনগন প্রতিটি ক্ষেত্রে কতিপয় বিশিষ্ট বরেন্য ব্যাক্তিদের প্রতিনিয়ত দ্বিচারিতা আশা করেনা৷
   
     "জয়বাংলা    জয়বঙ্গবন্ধু"

জয়বাংলার শ্লোগানে শ্লোগানে মুখরিত বাঁশখালীর রাজপথ যেন ঐক্যবদ্ধতার নিদর্শন


যথাযথ মর্যাদায় জাতীয় শোকদিবস উৎযাপন করার লক্ষে,নন্দিত প্রিয়নেতা আলহাজ্ব Abdullah Kabir Liton ভাইয়ের নেতৃত্বে,বাঁশখালী উপজেলা তৃনমূল আওয়ামী লীগ,যুবলীগ,ছাত্রলীগ আয়োজিত আজকের শোকর‍্যালীতে সাধারন জনতার সতস্ফুর্ত অংশগ্রহন বাঁশখালী আওয়ামীলীগের ইতিহাসে নতুন মাইফলকের সৃষ্টি।

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে,বাঁশখালীর রাজপথে সাধারন জনতার সতস্ফুর্ত অংশগ্রহনই জানান দেয়,আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লিটন ভাইয়ের বিচক্ষণ নেতৃত্বে বাঁশখালীর মুজিব পরিবার সুসংগঠিত,ঐক্যবদ্ধ।

ভয়াল /রক্তাক্ত ২১শে আগষ্ট


আগষ্ট মানেই ষড়যন্ত্র এবং ষড়যন্ত্রকারীদের মেলবন্ধন।
এই ষড়যন্ত্র হচ্ছে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে।
এই ষড়যন্ত্র হচ্ছে বঙ্গবন্ধুর পরিবারের বিরুদ্ধে।
এই ষড়যন্ত্র হচ্ছে বাঙালি জাতীয়তাবাদের বিরুদ্ধে।
এই ষড়যন্ত্র হচ্ছে বাংলাদেশকে পাকিস্তানি করনের ষড়যন্ত্র।
এই ষড়যন্ত্র হচ্ছে স্বাধীনতার পরাজিত শক্তি এবং তাদের দোসরদের ষড়যন্ত্র।

৭৫ এর ১৫ই আগষ্টের ধারাবাহিকতায় ২০০৪ সালের ২১শে আগষ্ট বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ সহ বঙ্গবন্ধু কণ্যা আজকের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে চিরতরে সরিয়ে দেবার জন্য বিএনপি সরকার এবং কুচক্রি জিয়া পুত্র তারেক রহমানের ব্লুপ্রিন্ট অনুযায়ী বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে আয়োজিত সন্ত্রাসবিরোধী সমাবেশে ইতিহাসের ভয়াবহ গ্রেনেড হামলা চালানো হয়। এক নিমিষেই পুরো বঙ্গবন্ধু এভিনিউ মৃত্যুপুরীতে রুপান্তরিত হয়। একের পর এক গ্রেনেড বিস্ফোরণে ছিন্ন ভিন্ন হয়ে পড়ে শতশত মানুষ। সেদিন ঘটনাস্থলে নিহত হন ১৬ জন। তন্মধ্যে আইভী রহমান অন্যতম। গ্রেনেডের স্পিলিন্টার শরীরে বয়ে বছর দেড়েকের মাথায় মারা যান আওয়ামী লীগের জনপ্রিয় নেতা মেয়র মোহাম্মদ হানিফ।

এই ষড়যন্ত্র ছিল স্পষ্টতই বঙ্গবন্ধু কণ্যাকে হত্যার ষড়যন্ত্র।
এই ষড়যন্ত্রের সাথে জড়িত বিএনপি -জামায়াতের উর্ধ্বতন নেতৃবৃন্দ।
এই ষড়যন্ত্রে জড়িত পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা।
এই ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নে সমন্বিতভাবে অংশগ্রহণ করেছিল আমাদের দেশেরই গোয়েন্দা সংস্থা।
ষড়যন্ত্রকারীদের ছোড়া গ্রেনেড যদি সেদিন সমাবেশে রাখা ট্রাকে বিস্ফারিত হতো তবে বঙ্গবন্ধু কণ্যা সহ আওয়ামী লীগের কোন সিনিয়র নেতৃবৃন্দই সেদিন প্রানে রক্ষা পেতেন না। গ্রেনেড ছুড়ে বঙ্গবন্ধু কণ্যাকে হত্যা করতে না পেরে সেদিন শেখ হাসিনাকে বহনকারী বুলেটপ্রুফ গাড়িটি লক্ষ্য করে ঘাতকরা বৃষ্টির মতোই গুলি ছুড়েছিল। বঙ্গবন্ধু কণ্যার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা কর্মী ল্যান্স কর্পোরাল মাহবুবুর রশীদ সেদিন নিজের জীবন দিয়ে রক্ষা করেন বঙ্গবন্ধু কণ্যাকে। তৎকালীন সরকারের ইশারায় 'লুকিং শত্রুজ' তৎকালীন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী মিঃ লুৎফুজ্জামান বাবর ষড়যন্ত্রকারীদের বাঁচাতে মঞ্চস্থ করে 'জজ মিয়া' নাটক।

বিচার বিভাগীয় তদন্তও হয় এবং যথারীতি তৎকালীন সরকারের 'জজ মিয়া' নাটকের দৃশ্য এন্ডোর্সড করে যায়!!
আজকাল আদালত স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে কত আদেশ -নির্দেশ দিয়ে যায় কিন্তু সেইদিন আদালত কোথায় ছিল??? কোথায় সেই বিচারপতি যিনি বিভাগীয় তদন্ত করেছিলেন??? ষড়যন্ত্রকারীদের সাথে সেই বিচারপতিকে কেন বিচারের কাঠগড়ায় দাড় করানো হবেনা?
আগষ্ট উপস্থিত হলেই যে ষড়যন্ত্রকারীরা হামলে পড়ে এবং উৎসাহিত হয় তার বড় প্রমাণ হলো ২০১৭ সালের আগষ্ট এবং ২০১৮ সালের আগষ্ট মাসেও খোন্দকার মোশতাকের প্রেতাত্মারা আমেরিকার অঙ্গুলি হেলনে ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে!!
তাই, পুনর্বার সকলকে আহ্বান জানাই, শোকের লেবাস খুলে ফেলে প্রতিবাদ এবং প্রতিরোধের মন্ত্রে দীক্ষিত হওয়ার জন্য।

বাঁশখালীতে সার্ক সংগঠনের ব্যানারে বেপরোয়া ছাত্রশিবির'কৌশলে সরকার বিরোধী জনমত গঠনে ব্যস্ত

নিষি
নিষিদ্ধের দ্বারপ্রান্তে দাড়িয়েও অনেকটা পূর্বের ন্যায় সক্রিয় আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিপ্রাপ্ত বিশ্বের তৃতীয় স্বশস্ত্র সন্ত্রাসী সংগঠন ইসলামী ছাত্রশিবির।আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে ৭১এর ঐ তথাকথিত পরাজিত শক্তি,জামায়াত বিএনপির ঔরসজাত সন্তানেরা সারাদেশে ভিন্ন ভিন্ন সংগঠনের ব্যানারে রাজপথ শুধু সক্রিয় নয়।কখনো এরা কোটা আন্দোলনের নামে,কখনো বা নিরাপদ সড়কের নামে রাজপথে নেমে উন্মোচিত করেছে তাদের পূর্ব পরিচয়।কখনো ধর্মের দোহাই,কখনো বা গুজবের আশ্রয় সাধারন মানুষকে বিভ্রান্ত করে সরকার বিরোধী ঐক্যমত সৃষ্টি করতে কৌশলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে কাজে লাগিয়েছে মদুদীপুত্রদ্বয়।
#সার্কঃ-
শিবিরের একাধিক উপ সংগঠনের মধ্যে আপাতত সার্কই একমাত্র সংগঠন,যে সংগঠনের নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ  বাঁশখালীতে বসবাসরত রাজাকার বিবির সন্তানেরা।

বাঁশখালীঃ-
যার অতীত যেমনই হোক,বর্তমান সম্পূর্ন ভিন্ন।
যেখানে এমনও একটা সময় ছিলো,যে সময়ে অনেকেই প্রিয় মাতৃভূমিকে মিনি পাকিস্তানে আদলে নামান্তর করেছিলেন।কিন্তু আজ অনেকটা..................!!

বিগত কয়েক মাসের ব্যবধানে সারা দেশের মানুষ দেখেছে,সাধারনের ভীড়ে অসাধারনদের যতসব উপস্থিতি।কোটা বলেন কিংবা নিরাপদ সড়ক,উভয়েই ছিলো শিবিরের সৃষ্টি।
ঠিক তেমনি সার্ক মানবাধিকার সংগঠনের ব্যানারে বাঁশখালী মধুদিপুত্রদ্বয়ের বেপরোয়া সক্রিয়তা বাঁশখালী আওয়ামীলীগ পরিবারের জন্য অশুভ লক্ষণ।যাদের উপরের আবরণ যেমনই হউক,এদের লক্ষ্য সরকার বিরোধী জনমত গঠন।
সবার জ্ঞার্থে বলছি,
বাংলাদেশে আজ পর্যন্ত এমন কোন সংগঠনের আর্বিভাব ঘটেনি,যে সংগঠনের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড সারা রাত ধরেই চলে।দিনে যেমন তেমন,রাত হলে চিপাচাপা গলিতে তৎপর.................

দীর্ঘ সময় ধরে এদের গতিবিধির উপর নজরদারি এবং সংশ্লিষ্ট সংগঠনের সদস্যদের অতীত বর্তমান রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের আলোকে প্রতিবেদন সহকারে এদের মুখোশ উম্মোচন করছি।
সাথে থাকুন।

মঙ্গলবার, ২১ আগস্ট, ২০১৮

তৃনমূল মুজিব প্রেমিদের স্বপ্ন সারথি


"আলহাজ্ব আবদুল্লাহ কবির লিটন" স্রোতের প্রতিকুলে সকল বৈরিতাকে তুচ্ছকরে জননি জন্মভুমি কে ভালবেসে জনকের আদর্শে জনকের সংগঠন কে সংগঠিত করে অবহেলিত তৃনমূল কর্মিদের পুনরায় সংগঠন মুখি করার লড়াইয়ে বিপ্লবী একটি নাম।কোন পদ নেই,পদবি নেই,সরকারি হালুয়া রুটি,

(টিআর,কাবিখা) নেই তবুও দুই যুগের অধিক সময় ধরে, নিজের কষ্টার্জিত অর্থ ব্যয় করে প্রাণের সংগঠনকে সংগঠিত করার প্রয়াস চালাচ্ছেন যা বর্তমান ভোগবাদী রাজনীতিতে বিরল।
আজকে অনেক ভোগবাদী, অাদর্শ বিবর্জিত নেতা দম্ভ করে বলেন "লিটন" আওয়ামীলীগের কেউনা কিন্তু তারা জানেনা বঙ্গবন্ধুর কালজয়ী আদর্শ চর্চায় কারো সার্টিফিকেট বা পরিচয় পত্র লাগেনা।
Abdullah Kabir Liton বিশ্বাস করেন আওয়ামীলীগ করতে পদ-পদবি লাগেনা।জনক, জন্মভুমির প্রতি ভালবাসায় যথেষ্ট।তিনি বিশ্বাস করেন আওয়ামীলীগ বাঁচলেই বাঁচবে বাংলাদেশ,সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাবে ৫৬ হাজার বর্গমাইলের মানচিত্র।শ্যামল বাংলার রক্তেভেঁজা পলি মাটিতে উড়বে লাল- সবুজের পতাকা।ধর্মান্ধ শুকুনেরা কখনো মাথা তুলতে পারবেনা কথিত দ্বি-জাতি তত্বকে মিথ্যা প্রমান করে স্বাধীনতা ছিনিয়ে আনা বাঙালীর আবাসভুমি এ বাংলাদেশে।নেতৃত্বের ব্যর্থতায় এবং কথিত সওদাগরি নেতৃত্বের কালোটাকার নেশায় যখন বাঁশখালী আওয়ামীলীগ বিপর্যস্ত,ত্যাগি কর্মিরা যখন সংগঠন বিমুখ,কথিত নেতাদের হামলা,মামলায় যখন নিগৃহীত জনকের আদর্শিক সন্তান, ঠিক তখনি উত্তাল সাগরে একখন্ড ভেলা হয়ে ডুবন্ত মুজিব পরিবারকে বাঁচাতেই বাঁশখালীর রাজনীতিতে লিটন ভাইয়ের আগমন।হ্যামিলনের বাঁশি ওয়ালার মত যাদুকরি সুরে বিনি সুতোর মালায় গেঁথে ঐক্যবদ্ধ করেছেন প্রাণের কর্মিদের।সাহস জুগিয়েছেন,বিপদে পাশে দাড়িয়েছেন সাধারন কর্মিদের।নিজের জিবন বিপন্ন জেনেও সবসময় আগলে রেখেছেন সংগঠন ও আদর্শিক কর্মিদের। তাইতো হন্তারকের ছোড়া হাজারো তপ্ত বুলেটের সামনে নিজে বুকপেতে দাড়িয়েছেন, প্রিয় কর্মিরা হাজার বুলেট বুকে নিয়ে রক্তে রাজপথ রন্জিত করেছেন তবুও নেতার প্রতি অবিচল আস্থায় রাজপথ ছাড়েন নি।আজন্ম অসাম্প্রদায়িক চেতনা লালন করা ব্যক্তি জিবনে ধার্মিক এ মানুষটির হাতেই নিরাপদ জনকের সংগঠন এবং প্রিয় জনপদ বাঁশখালী।
আগামী সংসদ নির্বাচনে তিনিই নৌকার একমাত্র যোগ্য প্রার্থি।
জয়বাংলা -জয় বঙ্গবন্ধু

সাবেক ছাত্রনেতা গাজী জাহেদ ভাইয়ের টাইমলাইন থেকে

গনভবনে'র ঈদ শুভেচ্ছা কার্ড হাতে কে এই যুবক?


এই লোক কে?
কী তার রাজনৈতিক পরিচয়?
কোন ক্ষমতার বদৌলতে এরা প্রধানমন্ত্রীর গণভবনে আমন্ত্রণ পত্র পায়?
আর কারা এসব ব্যক্তিদের আমন্ত্রণ পত্র দেন?তারা কী দলের স্বার্থের অনেক র্উধ্বে কেউ?যাকে এই আমন্ত্রণ পত্রটি দিচ্ছেন তার ব্যক্তিগত পরিচয় কী?সে দলের কোন পদে আছে,কোথায় আছে?

 আদৌ আছে কিনা তার কোনো খোজখবর না নিয়েই গণভবনে যাবার আমন্ত্রণ পত্র ধরিয়ে দিলো!!!

এই ব্যক্তি বিএনপির লোক
নাম আরিফ হাসান অপু।

  নেত্রীকে নিয়ে আমরা সাধারণ কর্মীরা চিন্তিত।কারণ আওয়ামীলীগের মধ্যেই সর্ষের মধ্যে ভূত লুকিয়ে আছে।গতবছর  দিয়েছে রাজশাহীর এক ইয়াবা ব্যবসায়ী কে, চট্টগ্রামের শিবির এক কর্মীকে!!!

এবার দেখুন কে এই লোক  ২১ আগষ্টে গ্রেনেড হামলা করে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী  শেখ হাসিনাকে হত্যা করে আওয়ামীলীগে নাম নিশানা মুছে ফেলতে চেয়েছিল,সেই বিএনপির বংশধর, যার রক্তের এক কোণাতেও আওয়ামীলীগের চিহৃ নাই।

 সে গণভবনে প্রবেশের জন্য নেত্রীর ঈদ শুভেচ্ছার কার্ড পায়। যশোর যুবলীগের নামে।

দুঃখজনক দলের ভেতর কিছু স্বার্থান্বেষী চক্র আছে,তারাই শুধু মাত্র বন্ধুত্ব আর বাণিজ্যের খাতিরে স্বাধীনতা বিরোধীদের সাথে হাত মিলিয়ে ফায়দা লুটছে।সকল সুযোগ সুবিধা নিচ্ছে।

দলীয় কর্মীরা কাজ না পেলেও এই ব্যক্তি একের পর এক কাজ পেয়ে যায়, আর দলের কর্মীরা বেকার থাকে। কোনো কাজের সুপারিশ করলে আওয়ামীলীগ কর্মীদের ভাগ্যে সেই কাজ ঝুটেনা।আর গণভবনের প্রবেশের অনুমোদন তো দুরের কথা গেট পর্যন্ত যাওয়ার অনুমতি পায়না আওয়ামীলীগ তৃণমূল কর্মীরা।

অথচ যেসব এমপি বা দলে অনুপ্রবেশকারী হাইব্রিড কাউয়া নেতা আছে তারাই ঠিকই তাদের জাতি ভাইদের আমন্ত্রণ কার্ড দিয়ে নিজেদের ফায়দা লুটে নিচ্ছেন। দলের কারো বন্ধু কারো আত্মীয় হওয়ার সুবাদে ।

 আরিফ হাসান অপুর পরিবারের সবাই বিএনপি করে,অপু বিএনপি'র ঠিকাদারী করে এবং একজন বন্ধু আছে তার মাধ্যমে আওয়ামী লীগে থেকে সব শুবিধা নিচ্ছে।

দলের কর্মীরা এতো ত্যাগ করেও গণভবনের শুভেচ্ছা কার্ড পাওয়ার স্বপ্নেও দেখেনা,কিন্তু বিএনপির রক্তবীজরা ঠিকই পেয়ে যাচ্ছে গনভবনের অামন্ত্রন পত্র।এই কাউয়ারা ফেসবুকে অামন্ত্রন পত্রের ছবি পোষ্ট দিয়ে প্রচার করছে যাচ্ছে তারা জাতীয় নেতা । তারা গনভবনের কার্ড পায়। অার অামাদের বঙ্গবন্ধু'র সৈনিকগন শুধু তাঁদের অামন্ত্রন পত্র দেখে অাফসোস করে যায়, বাকিটা ইতিহাস।

আজ ভীষণ ভয় হচ্ছে চিন্তা হচ্ছে,সত্যি দলের কিছু সুবিধাবাদীদের জন্য নেত্রীর জীবন নিরাপত্তা ঝুকিতে।আল্লাহ সহায় হবেন আমাদের শেষ আশ্রয় আর ভরসাস্থল আমাদের প্রাণপ্রিয় নেত্রীকে তুমি রক্ষা করিও সকল দুর্বৃত্তদের হাত থেকে।

times24

দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে বাঁশখালীতে আওয়ামীলীগের প্রতিবাদ সমাবেশ

দেশবিরোধী চক্রান্ত – ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে  কালীপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, তাঁতিলীগ,শ্রমিক লীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠন...