শুক্রবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

বাঁশখালী আলাওল কলেজে প্রিন্সিপাল পদে সাবেক শিবির ক্যাডার


চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের একসময়কার কুখ্যাত শিবির ক্যাডার,বর্তমান জামায়াতের নেতা প্রফেসার আজিজুর রহমানকে বাঁশখালী সরকারী আলাওল ডিগ্রী কলেজে প্রিন্সিপাল পদে নিয়োগ বাণিজ্য করে সিনিয়র প্রফেসারের মধ্যে তিন নাম্বারে থাকা প্রফেসারকে প্রিন্সিপাল করার জোর প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
বাঁশখালী আওয়ামীলীগ,যুবলীগ ও ছাত্রলীগের প্রতি অনুরোধ প্রিয় সরকারি আলাওল ডিগ্রী কলেজকে জামায়াত-শিবিরের ঘাঁটি হওয়া থেকে রক্ষা করুন।
এই জামাতি প্রফেসারকে যদি প্রিন্সিপাল করা হয় বাঁশখাল সরকারি আলাওল কলেজ ছাত্রলীগের কি অবস্থা হবে,তা আপনারাই চিন্তা করেন।

এইভাবে কি আমরা বার বার জামাতিদের কাছে হেরে যাবো?
আমরা কি এতোই দুর্বল?এইসবের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা প্রতিটা ছাত্রলীগ ভাইয়ের ঈমানী কর্তব্য।যেই ছাত্রলীগকে নিয়ে আমরা গর্ব করি যে প্রতিষ্ঠানকে নিয়ে আমরা অহংকার করি,যে কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ছাত্রলীগের নেতৃত্বের সৃষ্টি,সেখানকার অভ্যন্তীন চিত্র যদি এমনই হয়,তাহলে বাঁশখালী আলাওল কলেজ ছাত্রলীগের কি অবস্থা হয় আপনারা বলুন।
এখনই সময়,এগিয়ে আসুন।
বাঁশখালী সরকারি আলাওল কলেজকে জামায়াত-শিবিরের হাত থেকে রক্ষার্থে সকল প্রকার গ্রুপিং চিন্তা উর্ধ্বে রেখে প্রতিবাদ করি...

জামায়াত-শিবিরের আস্তানায় পরিনত হওয়ার পূর্বে প্রিয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান 'বাঁশখালী সরকারি আলাওল কলেজকে রক্ষা করি ।

বুধবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

চট্টগ্রামের ১৬টি আসনে নৌকার প্রার্থী হচ্ছেন যারা

বিএনপিসহ ২০ দলীয় জোট একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে ধরে নিয়েই পুরোদমে নির্বাচনী মাঠে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট। দশম সংসদের মত বিএনপিজোট নির্বাচন বর্জন করবে, নাকি অংশগ্রহণ করবে সেদিকে তীক্ষ্ম দৃষ্টি রয়েছে ক্ষমতাসীনদের। এরই মধ্যে তারা গত দুই সংসদ নির্বাচনের মত শুরু করেছে ভোটের হিসাবে জোটের রাজনীতি। এবারও ঐক্যবদ্ধ ভোটের রাজনীতির আভাস মিলেছে আওয়ামী লীগের শীর্ষপর্যায় থেকে। পাশাপাশি তিন স্তরের প্রার্থী তালিকাও তৈরি করেছে আওয়ামী লীগ।
আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির নির্ভরযোগ্য সূত্র ও দলটির কেন্দ্রীয় সংসদের ঘনিষ্ঠ সূত্রের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বিএনপিজোট অংশ নিলে গত সংসদ নির্বাচনের বেশিরভাগ প্রার্থীই বহাল থাকবেন। আর বিএনপি নির্বাচন না করলে ভোটসঙ্গী জাতীয় পার্টির সঙ্গে অলিখিত সমঝোতার মাধ্যমে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করতে বিকল্প প্রার্থী-তালিকা তৈরি করেছে আওয়ামী লীগ। পাশাপাশি গতবারের মত মহাজোটগত নির্বাচন হলেও প্রাথমিকভাবে তিনশ’ আসনেই নিজেদের প্রার্থী ঘোষণা করবে আওয়ামী লীগ।
পরে অবশ্য জোটের স্বার্থে সেখান থেকে নিজেদের প্রার্থীকে প্রত্যাহার করে নেবে দলটি অর্থাৎ এসব প্রার্থী হলেন আওয়ামী লীগের ডামি প্রার্থী। তবে মূল প্রার্থী তালিকায় চূড়ান্তভাবে তালিকাভুক্ত করা আছে মহাজোটগত নির্বাচনের প্রার্থী তালিকা আর বিএনপিবিহীন জাতীয় পার্টির সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারীদের দুটি তালিকা। তৃতীয় তালিকাটি আওয়ামী লীগের ডামি প্রার্থীর তালিকা। গত সংসদ নির্বাচনে মহাজোট গত নির্বাচনের কারণে বেশ কয়েকজন ডামি প্রার্থীকে সরে যেতে হয়েছিল। মূলত এই তিনটি প্রার্থী তালিকাকে সামনে নিয়েই নির্বাচনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে আওয়ামী লীগ।
এবার প্রার্থী নির্ধারণে বেশ কিছু বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ করেছে দলটির শীর্ষ নেতৃত্ব ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটি। প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে প্রাধান্য পাবে বর্তমান সংসদ সদস্য, ভোটের রাজনীতিতে জনপ্রিয়তা, অতীত ভালোমন্দ, তৃণমূলের সঙ্গে সর্ম্পকের ধরন, নির্বাচনী খরচ জোগানের ক্ষমতা, তিনটি সরকারি গোয়েন্দা সংস্থার জরিপ ও দলের নিজস্ব উইংয়ের মাধ্যমে জরিপের পর সর্বোপরি দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে সু-সম্পর্কের বিষয়টি।
এদিকে, চট্টগ্রামের ১৬ আসনে বর্তমানে দুটিতে জাতীয় পার্টি, একটিতে জাসদ ও একটি তরিকত ফেডারেশনের এমপিরা সংসদে প্রতিনিধিত্ব করছেন। আর বাকী ১২টিতে প্রতিনিধিত্ব করছেন আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্যরা।
তবে এবার মনোনয়নের ক্ষেত্রে চট্টগ্রামভিত্তিক একটি শিল্পগ্রুপ অন্তত চারটি আসনে ভূমিকা রাখবে। ইতোমধ্যে ওই গ্রুপের সঙ্গে সুসম্পর্ক থাকার কারণে তিনটি আসনে আওয়ামী লীগের বর্তমান প্রার্থীরা অনেকটা নির্ভার। অন্যদিকে দক্ষিণ চট্টগ্রামের বাঁশখালী আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী পরিবর্তনের আভাস মিলেছে। নাটকীয় সিদ্ধান্ত না হলে বন্দর আসনেও বর্তমান এমপির প্রার্থিতা বহাল থাকবে। সব মিলিয়ে চট্টগ্রামের ১৬ আসনে এবার ১৫ আসনেই প্রার্থী বহাল থাকলেও বাঁশখালী আসনে নতুন মুখ আসতে পারে। এরপরও অন্যান্য আসনেও মনোনয়নের জন্য মাঠে কাজ করে যাচ্ছেন প্রবীণ ও নবীন আওয়ামী লীগের নেতারা।
চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসনে বর্তমান সংসদ সদস্য গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন। এবারও তাঁর মনোনয়নের বিষয়টি অনেকটা নিশ্চিত। এরপরও বিকল্প তালিকায় নাম রয়েছে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি গিয়াস উদ্দিন। আর নতুন মুখ হিসেবে সামাজিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে আলোচনায় রয়েছেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ কমিটির সদস্য ও তরুণ শিল্পোদ্যাক্তা নিয়াজ মোর্শেদ এলিট।
চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে এবারও নিশ্চিত ১৪ দলের অন্যতম নেতা বর্তমান সংসদ সদস্য তরিকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান মাওলানা নজিবুল বশর মাইজভাণ্ডারী। আর বিকল্প তালিকায় আছেন গতবারের প্রার্থিতা প্রত্যাহারকারী সাবেক এমপি প্রয়াত রফিকুল আনোয়ারের কন্যা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগ সদস্য খাদিজাতুল আনোয়ার সানি। আলোচনায় আছেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও ২০০৮-এর আওয়ামী লীগ প্রার্থী এটিএম পেয়ারুল ইসলাম।
চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) আসনে আওয়ামী লীগের বর্তমান সংসদ সদস্য দ্বীপবন্ধু সাবেক সাংসদ মোস্তাফিজুর রহমানের সন্তান মাহফুজুর রহমান মিতা। এবারও তাঁর প্রার্থিতা অনেকটা নিশ্চিত।
চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড) আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য সাবেক মেয়র মনজুরুল আলমের ভাতিজা শিল্পপতি মো. দিদারুল আলম। নানা হিসাব-নিকাশ ও সরকারের শীর্ষপর্যায়ে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ এবং সীতাকুণ্ডের সাংসদ হিসেবে অনেকটা বিতর্কের উর্ধ্বে থাকতে পারায় এবারও দিদারুল আলমের হাতে উঠবে নৌকার টিকিট। তবে আলোচনায় আছেন প্রাক্তন সাংসদ আবুল কাশেম মাস্টারের বড় ছেলে সীতাকুণ্ড উপজেলা চেয়ারম্যান ও উত্তর জেলা যুবলীগের সভাপতি আবদুল্লাহ আল মামুন।
চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী) জোটের ভোটসঙ্গী জাতীয় পার্টির কারণে এবারও এই আসনটি ছেড়ে দিতে হবে জাতীয় পার্টির শীর্ষ নেতা বর্তমান সংসদ সদস্য ও পরিবেশমন্ত্রী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদের কাছে। বিকল্প প্রার্থীর তালিকায় আছেন উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এম এ সালাম। আলোচনায় আছেন গতবারের প্রার্থিতা প্রত্যাহারকারী উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক ইউনূস গণি চৌধুরী।
চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসনে টানা তিন বার আওয়ামী লীগের বর্তমান সংসদ সদস্য ও রেলপথ মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির সভাপতি, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী এবারো অপ্রতিদ্বন্দ্বী। তবে মনোনয়ন চেয়ে নিজেকে আলোচনায় রেখেছেন ছাত্রলীগের সাবেক সেক্রেটারি মাহফুজুল হায়দার রোটন।
চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া ও বোয়ালখালীর শ্রীপুর-খরণদ্বীপ ইউনিয়ন) আসনে টানা দুবারের সংসদ সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদের এবারো অপ্রতিদ্বন্দ্বী। তিনি মনোনয়ন পাচ্ছেন তা নিশ্চিত।
চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী-চান্দগাঁও) আসনেও গত দুই বারের সংসদ সদস্য জাসদের মইন উদ্দিন খান বাদলের এবারের প্রার্থিতা নিশ্চিত। জাতীয় রাজনীতি ও সংসদে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার কারণে তার উপরই আস্থা মহাজোট নেত্রীর। এরপরও বিকল্প প্রার্থী তালিকায় রয়েছেন সিডিএ চেয়ারম্যান আব্দুচ ছালাম ও দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোসলেম উদ্দিন আহমেদ। তবে গত দুবার আবদুচ ছালাম আওয়ামী লীগের প্রাথমিক মনোনয়ন পেলেও বাদলের কাছে প্রার্থিতা ছেড়ে দিয়েছিলেন কেন্দ্রের নির্দেশে।
নগরীর প্রেস্টিজিয়াস আসন খ্যাত চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালী-বাকলিয়া) আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম মেম্বার জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু। জোটের হিসেবে ভোটসঙ্গী জাপার হেভিওয়েট প্রার্থী বাবলুর প্রার্থিতাও অনেকটা নিশ্চিত। তবে এ আসনে বিকল্প প্রার্থী হিসেবে আছেন প্রয়াত মহিউদ্দিন চৌধুরীর সন্তান আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, ২০০৮ এর এমপি এবং বর্তমান প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী নুরুল ইসলাম বি.এসসি ও সিডিএ চেয়ারম্যান আবদুচ ছালামও।
চট্টগ্রাম-১০ (ডবলমুরিং-হালিশহর) এই আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য নগর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি ও সাবেক গণশিক্ষামন্ত্রী ডা. আফছারুল আমীন। নানান প্রার্থীর ভিড়ে ভোটের রাজনীতিতে এখনো অপ্রতিদ্বন্দ্বী আফছারুল। সেই হিসেবে তাঁর হাতেই থাকছে আগামী নির্বাচনে নৌকার টিকিট। তবে বিকল্প প্রার্থী হিসেবে আছেন আওয়ামী লীগ নেতা মরহুম এম এ আজিজের ছেলে সাইফুদ্দিন খালেদ বাহার। আলোচনায় আছেন সাবেক মেয়র মনজুরুল আলমও।
চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা) আসনে গত দুই বারের সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন আলোচিত-সমালোচিত ব্যবসায়ী নেতা আওয়ামী লীগের এম এ লতিফ। তবে নানা কারণে তাঁর মনোনয়ন-বঞ্চনার খবর প্রকাশ হলেও নানা সমীকরণে এবারও নৌকার টিকিট নিজের দখলে রাখতে পারেন এম এ লতিফ। তবে বিকল্প হিসেবে জোর আলোচনায় আছেন নগর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি তৃণমূল থেকে উঠে আসা খোরশেদুল আলম সুজন। আলোচনায় আছেন চট্টগ্রাাম চেম্বারের শীর্ষ এক নেতাও।
চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) গত দুবারের আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য শামশুল হক চৌধুরী এবারও নিজের মনোনয়ন নিশ্চিত করেছেন। পটিয়ায় সরকারের হাজার হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন ও জনপ্রিয়তার ওপর ভর করে শামসুল হক চৌধুরী টানা তৃতীয়বারের মত পটিয়ায় নৌকার প্রার্থী হচ্ছেন। তবে বিকল্প প্রার্থী হিসেবে আছেন এস আলম গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ লাভু।
চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী) আসনের বর্তমান এমপি আওয়ামী লীগের প্রয়াত প্রেসিডিয়াম সদস্য আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবুর সন্তান সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ। ভূমি প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনকারী জাবেদ গত দুবারের মত এবারও নৌকার টিকিটে নির্বাচন করবেন সেটা অনেকটা নিশ্চিত। তবে বিকল্প প্রার্থী হিসেবে আছেন বর্তমান সংরক্ষিত আসনের এমপি আওয়ামী লীগের আরেক প্রেসিডিয়াম সদস্য প্রয়াত আতাউর রহমান খান কায়সারের কন্যা ওয়াশেকা আয়েশা খান।
চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ) বর্তমান সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম চৌধুরীকে এবারও নৌকার টিকিট দিচ্ছেন দলের শীর্ষ নেতৃত্ব ভোটের রাজনীতি ও গত পাঁচ বছরে এলাকায় কোনো নেতিবাচক কর্মকা- না থাকার কারণে ব্যাপক জনপ্রিয়তা বাড়িয়েছেন নিজ কর্মগুণে প্রবীণ এ নেতা। সে কারণে তিনিই হচ্ছেন চন্দনাইশের নৌকার একক প্রার্থী।
চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) প্রথমবারের মত জামায়াতবিহীন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের টিকিটে নির্বাচন করে ফসল ঘরে তুলে নৌকায় চড়ে সংসদে যান প্রফেসর ড. আবু রেজা মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন নদভী। আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগের উপ প্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমীন, ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মাঈনুদ্দীন হাসান চৌধুরী, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আবু সুফিয়ান, বনফুল গ্রুপের কর্ণধার এম এ মোতালেবসহ অনেকে মনোনয়ন প্রত্যাশা করলেও কৌশলগত কারণে জামায়াতের ভোট-ব্যাংক হিসেবে পরিচিত এই আসনে আবারও নদভীকে নৌকার টিকিট দিতে যাচ্ছেন আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃত্ব।
চট্টগ্রাম-১৬ (বাশঁখালী) আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী। কিন্তু নির্বাচিত হবার পর থেকে নানা বির্তকের জন্ম দেওয়ায় চূড়ান্তভাবে মনোনয়ন-তালিকা থেকে বাদ পড়তে যাচ্ছেন তিনি। এ আসন থেকে নতুন মুখ হিসেবে আসতে পারেন এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান সাইফুল আলম মাসুদের ঘনিষ্ঠ আত্মীয় আব্দুল্লাহ কবির লিটন। বাঁশখালীর গ-ামারায় এস আলম গ্রুপের কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের সময় গ্রামবাসীর সঙ্গে পুলিশের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের সময় এলাকায় ছিলেন না বর্তমান সাংসদ। প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে দুপক্ষের সঙ্গে ফয়সালা করেছিলেন লিটন। এছাড়া গণভবনের ঘনিষ্ঠ এস আলম গ্রুপও চায় আব্দুল্লাহ কবির লিটনই হোক বাঁশখালীর নৌকার প্রার্থী। তবে ভোটসঙ্গী জাতীয় পার্টির মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী যদি জোটগত নির্বাচন করেন তাহলে সেখানে লিটনের কপাল পুড়তে পারে।himel001


শনিবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

দম্ভ গৌরব অহংকারহীন জীবনের সারাংশ

বল
তে গেলে সোনার চামচ মুখে নিয়ে জন্মেছেন, বিদেশ থেকে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হয়েছেন, দেশের ধর্ণাঢ্য শিল্পপতি, দেশের অন্যতম শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতাও,  দেশের বহুল পরিচিত অন্যতম রাজনৈতিক পরিবারের সন্তানও বটে,

কিন্তু তাঁর বচন ভঙ্গি সৌজন্যতায় যেন একজন সাধারণ মানুষের মতোই ৷ দেশের অনেক নেতারাই যখন নেতৃত্ব পাওয়ার পর সাধারণ মানুষকে ভুলে যান, জনগনের সাথে যোগাযোগ রাখেনও না তিনি ঠিক তাঁর বিপরীতেই, নেতৃত্ব পাওয়ার পর নেতৃত্বের  সুষম বিকাশ তথা জনগনের অর্পিত ওয়াদা রক্ষায় ঢাকার দাপ্তরিক কাজ শেষ করে সপ্তাহের প্রতি শুক্র ও শনি দুদিন পৌছে যান জনগনের দোড়গোড়ায় ৷ উনি উনার সংসদীয় আসনের বিভিন্ন ইউনিয়নের যেকোন একটি মসজিদে নিয়মিত ধারাবাহিকভাবে জুমার নামাজ আদায় করেন ৷ দল মত ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকলের সাথে কুশল বিনিময় করেন , বিভিন্ন সমস্যার কথা শুনে দ্রুত তা সমাধানের আপ্রাণ চেষ্টা করেন ৷ শুধু তাই নয় প্রতি শুক্রবার এবং শনিবার সন্ধ্যা থেকে মধ্যরাত অবধি তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে সময় কাটান ৷ এবং তিনি দল মত নির্বিশেষে সকলের জন্য তাঁর দুয়ার খোলা ঘোষনা দিয়েছিলেন সে প্রতিশ্রুতি মোতাবেক দল মত নির্বিশেষে যেকোন মানুষের সমস্যা অভিযোগ সরারসি শুনেন এবং সমস্যা সমাধানে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করেন ৷ অপরাধের ক্ষেত্রে অপরাধী যেই হোক এমনকি নিজ দলের কেউ অপরাধ করলে তাকেও ন্যূনতম ছাড় দেননা তিনি বরং কঠোর ব্যাবস্থা গ্রহন করে থাকেন ৷
মন্ত্রী হিসেবে রাষ্ট্র কর্তৃক প্রদত্ত বেতন বাড়ি গাড়ি সহ বিভিন্ন ধরনের সুযোগ সুবিধা তিনি গ্রহন করেন না বরং নিজ তহবিল থেকে নীরবে অনেক মানুষকে সাহায্য সহযোগিতা করে যাচ্ছেন যা অগণিত ৷
উনার ছবিটি আজকের, চাতরী জুমার নামাজের জন্য মসজিদে প্রবেশের পূর্বে মসজিদের বারান্দার সিড়িতে বসে এলাকার মানুষের সাথে কথা বার্তা বলছিলেন যাতে তিনি মন্ত্রী কিংবা শিল্পপতির দম্ভ নিয়ে সিড়িতে বসতেও সংকোচ বোধ করেননি ৷ এটাই নেতৃত্বের সর্বোচ্চ গুণাবলী যিনি নিজেকে সাধারণের কাতারে ভাবতে পছন্দ করেন ৷
যার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে হাজার হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন কার্যক্রমে অানোয়ারা - কর্ণফুলী উপজেলাদ্বয় দেশের অন্যতম মডার্ণ উপজেলায় রুপান্তরিত হচ্ছে ৷

তিনি আর কেউ নন, তিনি মহান মু্ক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রাক্তন প্রেসিডিয়াম সদস্য, স্বাধীন বাংলাদেশের অন্যতম শিল্পদ্যোক্তা, ইউসিবির প্রতিষ্ঠাতা, আন্তর্জাতিক ব্যবসায়ী নেতা, বিজ্ঞ সাংসদ, চট্টল সিংহ  মরহুম জননেতা আলহাজ্ব আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবু'র সুযোগ্য উত্তরসূরী বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক সদস্য, মাননীয় ভূমি প্রতিমন্ত্রী জননেতা আলহাজ্ব সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ এমপি মহোদয়।

এমন নির্লোভ নিরহংকার গণমানুষের আস্থার প্রতীক জননেতা আলহাজ্ব সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ ভাইকে পূনঃরায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার মন্ত্রী সভার পূর্ণ সদস্য হিসেবে দেখতে আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে ভোট দিন ৷

মার্কা নৌকা
সিদ্ধান্ত আপনার!

কপি: H M Humayun Kabir

শুক্রবার, ৩১ আগস্ট, ২০১৮

মতামত দিন,আন্তর্জাতিক বিরোধ নিষ্পত্তি, রাম মন্দির বনাম বাবরি মসজিদ

মতামত দিন,আন্তর্জাতিক বিরোধ নিষ্পত্তি
√.Ra
m Mandir,
√.Babori Masjid
√.Both
=Submit
লিংক নিম্মে সংযুক্ত.............

অযোধ্যাতে রাম মন্দির ও বাবরি মসজিদের মধ্যে অমীমাংসিত বিরোধ নিষ্পত্তির চূড়ান্ত ফয়সালা ভারতীয়  কোর্ট জনগনের মতামতের উপর ছেড়ে দিয়েছে।

বিঃদ্রঃ-
এখানে জনগন বলতে শুধু ভারতীয় জনগন নয়(আপনিও আছেন,আমিও আছি)!
সারা বিশ্বের জনগনের রায়/মতামত প্রদানের সুযোগ রাখা হয়েছে' দীর্ঘ সময় ধরে চলমান #রাম_মন্দির√  Vs #বাবরি_মসজিদ মধ্যে অমীমাংসিত বিরোধের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি........... ।

আপন ইচ্ছাতে আমিও একটা ভোট দিয়েছি।চাইলে আপনিও দিতে পারেন।নিম্নে দেওয়া লিংকে...................
Please click on the link below and vote for Babri Masjid.

https://my-vote.net/ayodhya/
অতি সহজ একটি কাজ।এই লিংকে গিয়ে ভোট দেওয়া যায়।

বৃহস্পতিবার, ৩০ আগস্ট, ২০১৮

এটা কিসের বন্ধন?কিসের খণ্ডন?আমি ছার পোকা জানতে চাই,

এটা বন্ধন খণ্ডন কিছু নয়,এটি আওয়ামী লীগ মারার ফন্দি বের করছেন কতিপয় জামাতি প্রতিষ্ঠান।কি আজব কাণ্ড,
আগে আল্লাহ, পিছে গার্মেন্টস দোয়ায় দেখছি,বাঁশখালী আওয়ামী লীগ তাড়াহুড়ি করে টাকার কাছে বিক্রি হয়ে যাচ্ছে ?যারা এতোদিন জোরপূর্বক দেখবার শুনবার দায়িত্ব নিয়ে লুটেপুটে খেয়ে এমপি সাহেবে গোয়া মেরেছে,তার সবার আগে নিরাপদ আশ্রয়ের খুজে জামাতীদের নীড়ে বাসা বাঁধছে।যারা চলে বলে কৌশলে এমপি সাহেবকে সংগঠন বিরোধী কর্মকাণ্ড সময়ে সময়ে উৎসাহ প্রদান করেছে,
মাননীয় সাংসদ,
জনাব মোস্তাফিজুর চৌধুরী আপনার উপরও রাগ আছে,সারা জীবন খাওয়াই ধাওয়াই বলদ লালন পালন বলে।যারা আপনার ক্ষমতার মেয়াদ শেষ না হওয়ার পূর্বেই সিআইপি মুজিবের পা ছাটা কুকুরে পরিনত হয়েছে। আপনি এখনো বাঁশখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের দীর্ঘ ২২ধরে সভাপতি।সবাই আপনাকে ছেড়ে চলে যাক,সমস্যা নাই,যোগ্য কর্মি একজন হলেই যথেষ্ট। তবু আপনার দায়িত্ব বলতে কথা আছে,নিজেকে হতাশায় ডুবিয়ে রাখবেন কেন?
আপনি কি দেখতে পারছেন? জামাতিরা সবার৷ পূর্বে কিভাবে আওয়ামীলীগ কিনে নিয়েছে?আপনার কাছে  আমার প্রশ্ন বাঁশখালী আওয়ামীলীগ কি জামাতিদের শেষ আহারে পরিনত হচ্ছে।
আপনার শরীরে,রক্তে বর্নে শীরায় উপশিরায় যদি জয়বাংলার ধ্বনিত প্রভাবিত হয়,তবে আপনার উচিত সবার পূর্বে জামায়াত ঠেকানো।
প্রয়োজনে নৌকার মাঝি হউক আপনার চিরপ্রতিদ্ধন্দী,বর্তমান সময় ও পরিস্থিতিতে নৌকা পাওয়ার এক মাত্র দাবিদার আলহাজ্জ্ব আব্দুল্লাহ কবির লিটন।।বাঁশখালী আওয়ামী লীগের রাজনীতি তে এই মানুষটার অবদান কোন অংশে কম নয়। সময়ের জনপ্রিয় ব্যক্তি।

আপনারা দুই সিনিয়র নেতার উদাসীনতার কারনে যেকোন সময় বাঁশখালী উপজেলা আওয়ামী লীগ জামীয়ার আহারে পরিনত হয়ে ভক্ষম কার্য....

দুই ভাইরে বুলছি,বাকিসব পরে,আগে জামায়াত ও দোসরদের তাড়ান,বাকিসব পড়ে।
নাহলে বাঁশখালীর আওয়ামী লীগ আপনার কাউকে ক্ষমা করবে না।

বুধবার, ২৯ আগস্ট, ২০১৮

গোলাম রাব্বানী ভাই:- তোমরা যারা 'শেখ হাসিনার ছাত্রলীগ' করতে চাও!

বাংলাদেশ ছাত্রলীগ; আদর্শিক পিতা বঙ্গবন্ধুর জীবন ও যৌবনের শ্রম-ঘামে প্রতিষ্ঠিত আমাদের প্রাণের প্রতিষ্ঠান, আমাদের আবেগ ভালোবাসা, নির্ভরতার ঠিকানা। ছাত্রলীগ অন্তর গহীনে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করে, পিতা মুজিবের আদর্শ লালন করে, দেশরত্ন শেখ হাসিনার ভ্যানগার্ড হয়ে সহযোদ্ধা, সাধারণ শিক্ষার্থীদের পরম বন্ধু এবং দেশবিরোধী সকল অপশক্তির মূর্তিমান আতঙ্ক হয়ে শিক্ষার মশাল জ্বালিয়ে শান্তির পতাকা উড়িয়ে এগিয়ে যাবে প্রগতির পথে।

ছাত্রলীগের বিগত দিনের কমিটি নিয়ে আমি কোন মন্তব্য করতে চাইনা। তবে পিতা মুজিবের একজন ক্ষুদ্র কর্মী হিসেবে আমার মনে হয় ছাত্রলীগের যে কোন পর্যায়ে অনুপ্রবেশের সুযোগ যারা সৃষ্টি করেছে, যারা ভাই ভিত্তিক রাজনীতি আর স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে নেতৃত্ব নির্বাচন করেছেন তারা হয়তো এমনটা তাদের অবচেতন মনে করেছেন।

ছাত্রলীগ নিয়ে তৃণমূল থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত যে হতাশা, যে অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে সেই হতাশা দূর করে আশার আলো ফোটাতে এবং সেই আলোর বিচ্ছুরণ তৃণমূল থেকে শুরু করে কেন্দ্র পর্যন্ত ছড়িয়ে দিতে এবারের ছাত্রলীগের কমিটি করেছেন স্বয়ং বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনা। কথা দিচ্ছি, জীবনের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও আপার সে আস্থা-বিশ্বাসের মর্যাদা রাখবো। ছাত্রলীগের প্রতিটি পর্যায়ে এমন জনবান্ধব ও শিক্ষার্থীবান্ধব কর্মসূচী থাকবে, নেতৃত্ব মূল্যায়ন পদ্ধতি এমন হবে, যেন গণ মানুষ ভাবে, সে যেনো তাদেরই পছন্দে নির্বাচিত। মুখ থেকে যেন অজান্তেই বের হয়ে আসে "এই তো বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার কারিগর; শেখ হাসিনার ছাত্রলীগ"

নতুন ইতিহাস গড়ার দৃঢ় প্রত্যয়ে, ইতিবাচকতার নব বার্তা নিয়ে আসা 'শেখ হাসিনার ছাত্রলীগ'র একজন গর্বিত অংশীদার হতে চান?

তবে জেনে রাখুন, হৃদয়ের মানস পটে ধারণ করুন---

* মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাস আর শেখ হাসিনার জনবান্ধব উন্নয়ন-রাজনীতির দর্শনে প্রবল আস্থা রেখে সেবার ব্রতে শেখ হাসিনার ভ্যানগার্ড হয়ে নিরলস শ্রম দিতে হবে।

* মূল্যায়নের মূল নির্ণায়ক হবে সংগঠন ও আদর্শের প্রতি আপনার 'ডেডিকেশন' আর 'কমিটমেন্ট'। হ্যালো, ভাই, লবিং আর 'গিভ এন্ড টেক' নির্ভর রাজনীতি স্রেফ ভুলে যান!

* আপনাকে অবশ্যই মানবিক গুণাবলী সম্পন্ন হতে হবে। মার্জিত আচরণ, সুন্দর ব্যবহার আর মানবিক কাজে সবার আগে সবসময় ছাত্রলীগকে দেখতে চান আমাদের মমতাময়ী নেত্রী, মানবতার মা, শেখ হাসিনা। স্বেচ্ছায় রক্তদান, পীড়িতের সেবা, আর্তমানবতার পাশে দাঁড়ানো সহ যেকোন জনহিতকর কাজে ছাত্রলীগ থাকবে সবার আগে।

* একদিকে স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তির সকল ষড়যন্ত্র প্রতিরোধে, প্রতিবাদী মশাল হাতে রাজপথে, আবার সময়ের প্রয়োজনে সৃজনশীলতার কলমে বা কিবোর্ডে মেধার সাক্ষর রাখতে হবে ছাত্রলীগকে।

* সিটিজেন জার্নালিজম আর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের এই স্বর্ণযুগে সময়ের সাথে এগিয়ে যেতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির যথাযথ জ্ঞান থাকতে হবে। অনলাইনে অপশক্তির নেতিবাচক কর্মকান্ড ও গুজব-সন্ত্রাসের দাঁতভাঙা জবাব দিতে অনলাইনে একটিভ থেকে পূর্ণ সক্ষমতা অর্জন করতে হবে শেখ হাসিনার ছাত্রলীগকে।

* সংগঠনের প্রতি আবেগ এবং অর্পিত দায়িত্ব-কর্তব্যের প্রতি নিষ্ঠাবান থাকা আবশ্যক।
ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, দলের চেয়ে দেশ; এই শ্লোগান জপে দেশ ও দশের সেবায় নিজেকে সমর্পণ করার মানসিকতা থাকতে হবে।

* আপনার এবং আপনার পারিবারিক রাজনৈতিক ব্যাকগ্রাউন্ডে আদর্শিক ত্রুটি, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের যে কোন পর্যায়ে মূল্যায়নে বড় অযোগ্যতা হিসেবেই বিবেচিত হবে।

* পদ-পজিশন, ক্ষমতা যদি আপনি আপনার ব্যক্তি স্বার্থ হাসিলের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের মানসিকতা রাখেন, তাহলে শিক্ষা-শান্তি-প্রগতির এই পবিত্র পতাকা  আপনার হাতে নিতান্তই বেমানান। হাসিমুখে ভালোবাসা দিয়ে ইতিবাচক কাজের মাধ্যমে মানুষের মন জয় করে তাদের অন্তরে শ্রদ্ধা-ভালোবাসার স্থান করে নিতে হবে।

* যেদিন থেকে ছাত্রলীগের নেতা বা কর্মী হিসেবে নিজেকে পরিচয় দেবেন, সেদিন থেকে আপনি পৃথিবীর বৃহত্তম একান্নবর্তী পরিবারের অবিচ্ছেদী অংশ। আপনার কথা-বার্তা, আচার-ব্যবহার, সৃজনশীল কাজের মাধ্যমে সংগঠনের ইতিবাচক ভাবমূর্তি গড়ে তুলে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে 'নৌকা'র পক্ষে জনমত গঠন তুলতে ছাত্রলীগকে মূখ্য ভূমিকা রাখতে হবে।

* তথাকথিত পরাধীনতা ও গতানুগতিক বাধ্যবাদকতার শেকল ভেঙে আপনার মেধা-মনন-সৃষ্টিশীলতা বিকাশের সেরা প্লাটফর্ম হবে ছাত্রলীগ। সেই প্লাটফর্ম থেকে আপনার মেধার আলোয় উদ্ভাসিত হবে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা। আপনার মেধা বিকাশে যেকোন প্রতিবন্ধকতা দূর করতে ছাত্রলীগ বদ্ধপরিকর।

আর একটা কথা, পথ পেয়ে নেতা বনে যাবের সুযোগ এই ছাত্রলীগে নেই, আপনাকে মানবিক ও সাংগঠনিক গুণের সমন্বয়ে আপনার ইউনিটে তৃণকর্মী ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের মন জয় করে তাদের মনে 'নেতা' হিসেবে আসন গাড়তে পারলেই আপনি শীর্ষ পদের জন্য বিবেচ্য হবেন।

--- আদর্শিক পিতা বঙ্গবন্ধু সোনার বাংলা গড়ার যে স্বপ্ন নিয়ে ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য উত্তরসূরি, দেশরত্ন শেখ হাসিনা সেই স্বপ্নকে পূর্ণতা দিতে ছাত্রলীগের উপরই আস্থা রেখেছেন। আমার-আপনার, আমাদের ছাত্রলীগের লাখো আদর্শিক কর্মীর নিজ নিজ অবস্থান থেকে দেশরত্ন শেখ হাসিনার চলার পথকে মসৃণ রাখতে, উন্নয়নের মার্কা নৌকার নিরলস কাজ করতে যদি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হন, তাহলে 'শেখ হাসিনার ছাত্রলীগ' আপনাকে স্বাগতম জানাতে, আপনার যোগ্যতা, শ্রম আর ত্যাগের যথাযথ মূল্যায়ন করতে অধীর চিত্তে অপেক্ষা করছে।

এসো নবীন দলে দলে;
শিক্ষা-শান্তি-প্রগতির ছায়াতলে,
বাংলাদেশ ছাত্রলীগের পতাকাতলে,
দেশরত্ন শেখ হাসিনার স্নেহের আচঁলতলে...

কে এই সুজন?যে সার্ক মানবাধিকার সংগঠনের গুয়া মেরে হেসে হেসে আকাশে উড়ে




বাঁশখালীর রাজপথে জীবন যৌবন বিলিয়ে দেওয়া এমন এমন রাজনীতিবিধদের উত্মান পতন দেখেছি,এমন অনেক রাজনীতিবিধদের দেখেছি,যারা একটি আদর্শকে ভালোবেসে নিজেদের অকাতরে বিলিয়ে দিয়েছেন।তিনি এই প্রথম এক আজব রাজনীতিবিদকে দেখলো বাঁশখালী সাধারন থেকে অসাধারন সব রাজনীতিবিধ আর নিরহ জনতা।↓

ধরেছিলাম জামাতিরা যেমন অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হয়,ঠিক তেমনি তাদের দালালেরাও অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী। সার্কশিবির সভাপতি সুজন এমন এক বাস্তব দৃষ্টান্ত রাজনীতির মাঠে হইচই ফেলে দিয়েছিলো।রাতারাতি কোটিপতি হওয়ার আশায় সচেতন থেকে অচেতন নাগরিকদের অনেকই নিজ উদ্যোগে ছুটে গিয়েছিলো সার্ক সভাপতি সুজনের দরবারে।কেউ কেউ গেছেন সত্যিকারের মানব সেবায় নিজে/নিজেদেরকে সম্পৃক্ত করতে।
তারা বিশ্বাস করেছিলো সুজন একজন সৎ ও নিষ্ঠাবান৷ নাগরিক। কিন্তু আমি জানতাম এই সুজন সিআইপির বাড়া করা এক জামাতি দালাল,য়ে সহজ বাঁশখালীর মানুষ গুলো ঠকিয়ে,জামায়াত শিবিরের নেতাকর্মীদের সার্ক সংগঠনে যুক্ত করার বিশেষ চুক্তিতে সই করে, বাঁশখালীর সার্ক মানবাধিকার সংগঠনের নেতাকর্মী ও পুরো সংগঠনের গোয়া মেরে দিয়েছেন বাটপার সুজন।
তলে তলে জামাতিদের লগে পিরিত খেলে,সুজন আজ গাড়ি ছেড়ে হেলিকপ্টার ধরেছে।
যেমন তেমন নয়,একেবার প্রাইভেট হেলিকপ্টার।
কে এই সুজন?কি তার পরিচয়? বড় জানতে ইচ্ছে হয়। আমরা শালা আজীবন রাজনীতি কইরা ফকির ন্যায় বেচে আছি,আর তুই সার্ক মানবাধিকার চুদাইয়া হেলিকপ্টার লইয়া দৌড়াও।

এই বেটা,
শুধু আমি না,আমার মতো হাজার হাজার ছারপোকা জানতে চাই তোমার আসল পরিচয়?বলবানি তোমার এই টাকার উৎস কোথায়?তোমার আয়ের কি কি কয়টা খাত আছে?একি দেহি ভাই বাঁশখালীর
সার্ক মানবাধিকার সংগঠনের নেতারা এহন ব্যক্তিগত হেলিকপ্টার ছাড়া চলাফেরাই করে না।
জনাব,
আরিফুল হক সুজন সাহেব,আপনার আয়ের উৎস কি বাঁশখালী বাসী জানতে চায়।
না হলে নাকি জুতার ব্যবহার চলবে

মঙ্গলবার, ২৮ আগস্ট, ২০১৮

হলের কক্ষে সাদামাটা জীবন ছাত্রলীগ সভাপতির

ঢা
কা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের মেধাবী ছাত্র মো. রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন। গত ৩১ জুলাই তাকে সভাপতি করে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়।

ছাত্রলীগ সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে ছাত্রলীগ কর্মী থেকে শুরু অনেকের মধ্যে তাকে নিয়ে আগ্রহের শেষ নেই। তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও ব্যাপক কৌতূহল। তবে শোভন এ ব্যাপারে একেবারেই নীরব।

তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও ছাত্রলীগ কর্মীরা জানান, কৌতূহল আর আগ্রহের ভিড় থেকে নিজেকে অন্যদের থেকে আলাদা করে রাখতেই পছন্দ করেন শোভন। রাতারাতি সেলিব্রেটি হওয়ার কোন ইচ্ছে নেই তার। তিনি অত্যন্ত সাদামাটা জীবন যাপনে অভ্যস্ত। বদলাননি নিজেকে। অকারণে গণমাধ্যমের সামনে কথা বলাও তার পছন্দ নয়।

শোভন ছাত্রলীগের সভাপতি হওয়ার পরও হলেই থাকছেন। হাজী মুহাম্মদ মহসিন হলের ৩৩২ নম্বর কক্ষে থাকেন তিনি। কক্ষটি এক সিটের (সিঙ্গেল রুম)। কক্ষে ঢুকতেই চোখে পড়ে দেয়ালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি।

কক্ষে আসবাবপত্র বলতে একটি চৌকি, একটি বৈদ্যুতিক পাখা, একটি টিউব লাইট, তিনটি চেয়ার, দেয়ালে সঙ্গে থাকা লকার এবং একটি আয়না। কক্ষের ভেতরের পরিবেশ সাদামাটা ও অনাড়ম্বর। আলাদা করে তেমন কোনো বৈশিষ্ট্য চোখে পড়ে না। কক্ষটি এখন পরিচিত বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সভাপতির কক্ষ হিসেবে।

ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও ছাত্রলীগ কর্মীরা আরো জানান, শোভন বিনয়ী ও সদালাপী। প্রতিদিন ছাত্রলীগের অনেক নেতা-কর্মী ও দর্শনার্থী সাংগঠন এবং ব্যক্তিগত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তার সঙ্গে কথা বলতে আসেন। মনোযোগ দিয়ে তিনি তাদের কথা শোনেন এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেন। ছাত্রলীগের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে সুন্দর ও হৃদয়গ্রাহী আচার-আচরণের জন্য ইতোমধ্যে তিনি প্রশংসা অর্জন করেছেন।

সকল ছাত্রলীগ কর্মীর জন্য রয়েছে তার অকৃত্রিম দরদ ও ভালবাসা। পরিশ্রম, বুদ্ধি ও বিচক্ষণতার কারণেও তিনি সুনাম অর্জন করেছেন। শুধু তাই নয়, দায়িত্ব পাওয়ার পর তিনি সংগঠনের জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।

ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বচিত হওয়ার পরও শোভনের হলে থেকে সাংগঠনিক কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া প্রসঙ্গে ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সদস্য প্রদীপ চৌধুরী বলেন, ছাত্রলীগ নেতাদের নিয়ে অনেকের মধ্যে অনেক ধরণের নেতিবাচক ধারণা আছে। কেউ কেউ এও মনে করেন ছাত্রলীগ সভাপতি খুব আরাম-আয়েশে দিন কাটান। কিন্তু এটি সম্পূর্ণরূপে একটি ভ্রান্ত ধারণা। শোভন ভাইকে কেউ যদি কাছ থেকে দেখেন তাহলে তার এ ধরণের ভ্রান্ত ধারণা দূর হয়ে যাবে। বাংলাদেশ বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটি সভাপতি হওয়ার পরও শোভন ভাই হলে থেকেই পড়াশোনার পাশাপাশি সাংগঠনিক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। বেশিরভাগ সময় হলেই খাওয়া-দাওয়া করছেন। প্রতিদিন অসংখ্য নেতা-কর্মীর কথা ধৈর্য ধরে শুনছেন, নিজে কথা বলছেন। সাধারণ-সাদামাটা জীবনযাপনেই তিনি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। কোনো ধরনের বাহুল্য তিনি পছন্দ করেন না। হলে থাকতেই ভাইয়ের ভালো লাগে। নিজের মূল্যবোধ আর ব্যক্তিত্বের কারণেই শোভন ভাই অনন্য। এতে অনুপ্রাণিত হবে আমার মতো লাখো ছাত্রলীগ কর্মী।

“আমি যদি বাইরে থাকি, তাহলে আমার সঙ্গে ছাত্রদের একটা দূরত্ব তৈরি হবে”

এদিকে হলে থেকে সাংগঠনিক কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া প্রসঙ্গে শোভন বলেন, প্রথম কথা হচ্ছে আমি এখনো ইউনিভার্সিটির বৈধ স্টুডেন্ট, সে হিসেবে আমার হলে থাকার অধিকার আছে। আমি হলেই থাকছি। আরেকটা বিষয় হচ্ছে, আমি ছাত্রলীগের সভাপতি, ছাত্রলীগ ছাত্রদের অধিকার নিয়ে কথা বলবে এবং ছাত্রদের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকবে। আমি যদি বাইরে থাকি, তাহলে আমার সঙ্গে ছাত্রদের একটা দূরত্ব তৈরি হবে। আমি যদি ক্যাম্পাসে থাকি, সবসময় চলাফেরা করি, সব ছাত্রদের সঙ্গে কথা বলি তাহলে আমাদের মধ্যে একটা পারস্পরিক বন্ধন তৈরি হবে। ক্যাম্পাসে থাকলে স্বভাবতই সবার সাথে দেখা হয়। আমিতো ছাত্র-মানুষ, আমার চালচলন, চলাফেরা যদি সবসময় একজন ছাত্রের মতো থাকে তাহলে অন্য ছাত্ররা আমাকে মানবে ও সম্মান দেখাবে।

বিবার্তা/তৌহিদ/সোহান
bbarta24.net

সরকার উৎখাতের নতুন পরিকল্পনায় সিঙ্গাপুরে আইএসআই-বিএনপির বৈঠক দৈনিক মানবকণ্ঠ



 সিঙ্গাপুরে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-এর দুই কর্মকর্তাদের সঙ্গে কয়েক সপ্তাহ আগে বৈঠকে বসেছিলো বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের বেশ কয়েকজন নেতা। গোয়েন্দা সূত্র ব্যবহার করে লুকইস্ট এ খবর প্রকাশ করে। এ প্রসঙ্গে বিএনপির নেতৃবৃন্দর কাছে জানতে চাওয়া হলে তারা বিষয়টিকে বানোয়াট ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দেয়। তারা জানায়, সরকার সকলকে শত্রু মনে করছে বলে এমন বানোয়াট গোয়েন্দা প্রতিবেদন তৈরি করছে।

গোয়েন্দা সূত্রে বলা হয়, জনরোষ সৃষ্টি ও ‘সাধারণ মানুষ’ তকমা ব্যবহার করে কিছু আওয়ামী লীগ নেতাকে হত্যার মাধ্যমে বর্তমান সরকারকে উৎখাতের পরিকল্পনা করছে বিএনপি। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি থেকে নতুন করে সহিংস কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে বিএনপি ও তার বৈধ-অবৈধ শরিক দলগুলো। যার মূল লক্ষ্য ‘জন অসন্তোষের নামে আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের হত্যা’।

সাধারণ মানুষকে সরকারের বিভিন্ন ইস্যুতে উসকানি প্রদানের মাধ্যমে আন্দোলন চাঙ্গা করার পরিকল্পনা করছে বিএনপি। পূর্ববর্তী সহিংস আন্দোলনে সাধারণ মানুষ ও পাবলিক পরিবহনের ওপর হামলা চালিয়ে বিএনপি ও তার সহযোগীরা তীব্র সমালোচনার শিকার হওয়ায় এবার তাদের টার্গেট হবে আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ। আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা নষ্টের পাশাপাশি নির্বাচনী প্রচারণায় বাঁধা সৃষ্টির লক্ষ্যে বাছাইকৃত কিছু আওয়ামী লীগ নেতার ওপর হামলার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। জানা যায়, ‘সাধারণ মানুষ’ সেজে আওয়ামী লীগ নেতাদের ওপর এই হামলা করা হবে।

গোয়েন্দা বিভাগের সূত্র অনুসারে, গত সপ্তাহে বিএনপির সিনিয়র কিছু নেতৃবৃন্দ সিঙ্গাপুরে সভা করে। সেখানে হাসিনা সরকারকে উৎখাতের নতুন পরিকল্পনা করা হয়। সভায় বিএনপির এই সিনিয়র নেতাদের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলো আইএসআই-এর দুইজন কর্মকর্তা। এই বিষয়ে পরবর্তী আলোচনার জন্য চলতি মাসের শেষ সপ্তাহে ব্যাংককে পুনরায় সভায় বসা হবে বলেও জানানো হয়।

সভার সিদ্ধান্ত অনুসারে, সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভিন্ন ইস্যুতে জনরোষ সৃষ্টির পরে পর্যায়ক্রমে আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায়ের কয়েকজন নেতাকে হত্যা করা হবে। পরবর্তীতে প্রচার করা হবে জনরোষের কারণে তাদের ওপর হামলা করে হত্যা করেছে ‘সাধারণ মানুষ’। এর মূল লক্ষ্য আওয়ামী লীগের প্রতি দৃঢ় প্রতিশ্রুতি বদ্ধ নয় এমন কর্মীদের নির্বাচনী কার্যক্রম থেকে বিচ্যুত করা।

এ প্রসঙ্গে বিএনপির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ বলেন, বিষয়টি মনগড়া প্রতিবেদন। সরকারকে মনের রোগ পেয়েছে। এ জন্যই তারা বন্ধুকেও শত্রুর চোখে দেখছে। সিঙ্গাপুরে বিএনপি নেতাদের বৈঠকের বিষয়টিও তাদের মনগড়া। বিষয়টি নিয়ে তারা বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছে। সরকারের উচ্চ পর্যায়ের নেতৃবৃন্দদের কাছ থেকে এ ধরণের মনগড়া বক্তব্য কাম্য নয়।

অবশ্য লুকইস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়, জনরোষ তৈরির পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বিএনপি ইতোমধ্যে গণমাধ্যমে ও প্রশাসনের পেছনে প্রচুর অর্থ ব্যয় করেছে। এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই এই সময়ে এসকে সিনহা তার স্মৃতিচারণমূলক বই প্রকাশ করতে চাইছে। বিএনপি ও আইএসআই-এর পরিকল্পনার অংশ হিসেবে শেখ হাসিনা সরকারকে উৎখাতের জন্য এই স্মৃতিচারণমূলক বইটি লেখা হচ্ছে যার অর্থায়নে রয়েছে জামায়াত ইসলাম।

Collected
মানবকণ্ঠ/আরএ
https://www.manobkantha.com/সরকার-উৎখাতের-নতুন-পরিকল/


আওয়ামীলীগের জন্য একটি কঠিন সতর্কবার্তা, (আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী)

আওয়ামী লীগের জন্য একটি সতর্কবার্তা উচ্চারণ করতে পারি, ১৯৭৫ সালেও তা করেছিলাম। সেবারেও লন্ডন থেকে (তখন আমি সদ্য লন্ডনে এসেছি, ঢাকায় মাস খানেকের জন্য গিয়েছিলাম) বাংলাদেশে এসে বাতাসে বারুদের গন্ধ পেয়েছিলাম।আমার এই আশঙ্কার কথাটা বঙ্গবন্ধুকে জানিয়েছিলামও। কিন্তু তখন যেসব পারিষদ তার চারপাশ ঘিরে রেখেছিল, যেমন তাহের উদ্দিন ঠাকুর, তাকে জানিয়েছিলেন, ‘গাফ্ফার চৌধুরী লন্ডন থেকে এসে গুজব ছড়াচ্ছেন’।

ঢাকায় একটি সামরিক অভ্যুত্থানের আশঙ্কার কথা ভারতের তৎকালীন হাইকমিশনার সমর সেনকেও জানিয়েছিলাম। তিনি ১৫ আগস্টের ট্র্যাজেডির পর লেখা তার ‘মিডনাইটস ম্যাসাকার’ নামে বইতে লিখেছেন, ‘গাফ্ফার চৌধুরী নামে ঢাকার এক সাংবাদিক আমাকে মুজিব-সরকারবিরোধী এক চক্রান্তের কথা জানিয়েছিলেন। আমি সঙ্গে সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর কাছে সতর্কবার্তা পাঠিয়েছিলাম। কিন্তু দিল্লির সাউথ ব্লক থেকে তা ইন্দিরা গান্ধীর কাছে পৌঁছানো হয়নি, সে কথা পরে জানতে পারি।’

অতীতের কথা থাক। যা হওয়ার তো হয়ে গেছে। এবার ঢাকায় গিয়ে বাতাসে বারুদের গন্ধ পাইনি। কিন্তু যা পেয়েছি তা আরও ভয়ংকর। ফেসবুকের মাধ্যমে নির্বিচার মিথ্যা ও গুজব প্রচার এবং আওয়ামী নেতা, মন্ত্রী ও এমপিদের অধিকাংশের মধ্যে উদাসীনতা এবং আগামী নির্বাচনে জেতা সম্পর্কে এক ধরনের আত্মপ্রসাদই বিরাজ করছে।

তাদের ধারণা, বিএনপি-জামায়াতের এখন কোমর ভেঙে গেছে। তারা যত চেষ্টাই করুক, ঘুরে দাঁড়াতে পারবে না। তাই তারা বাইরের শক্তির কাছে কেবল আবেদন-নিবেদন করে বেড়াচ্ছেন।

শত্রুর দুর্বলতাকে যে ছোট করে দেখতে নেই এবং তার ক্ষমতাকে উপেক্ষা করতে নেই এই সত্যটা আওয়ামী লীগের একশ্রেণীর মন্ত্রী ও এমপি ভুলে গেছেন এবং তারা নিজেদের যথেচ্ছ লুটপাট ও ক্ষমতার অপব্যবহার দ্বারা শেখ হাসিনার সব অর্জনকে ব্যর্থ করে দিচ্ছেন। ফলে শত্রুপক্ষের দ্বারা গুজব ছড়ানো সহজ হচ্ছে।

তারা তিলকে তাল করতে পারছেন। হেফাজতি অভ্যুত্থানের সময় তারা প্রচার করতে পেরেছেন- ঢাকায় কয়েক হাজার হেফাজতি ও মাদ্রাসাছাত্রকে হত্যা করে লাশ ভারতে পাচার করা হয়েছে।

এবার ছাত্র আন্দোলনের সময় হাসিনা-সরকার আন্দোলনকারীদের প্রতি সবচেয়ে বেশি ধৈর্য ও সহানুভূতির পরিচয় দেয়া সত্ত্বেও দেশের বাইরে শক্তিশালী প্রচার ব্যবস্থার দ্বারা বলা হয়েছে, বাংলাদেশে গণহত্যা চালানো হয়েছে। বিদেশি প্রভাবশালী পত্র-পত্রিকায় তা বিশ্বাসযোগ্যভাবে ফলাও করে প্রচার চলছে। দেশের এক অভিনয়শিল্পীকে দিয়েও বলানো হয়েছে, ছাত্র আন্দোলনের সময় ছাত্রী ধর্ষণ, চোখ উপড়ে ফেলার মতো নৃশংস ঘটনা ঘটেছে।

দু’দিন পরই অবশ্য জানা যায় এগুলো জঘন্য ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা। কিন্তু ততদিনে বাংলাদেশের এবং তার বর্তমান সরকারের ভাবমূর্তির যতটা ক্ষতি হওয়া দরকার তা হয়ে গেছে। বিশ্বের ২৮ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি, তাদের মধ্যে ১১ জনই নোবেলজয়ী ব্যক্তিত্ব, তারা বাংলাদেশে শহিদুল আলম নামের এক আলোকচিত্রশিল্পীকে গ্রেফতার, তার ওপর পুলিশের শারীরিক অত্যাচার-নির্যাতনের তীব্র প্রতিবাদ করেছেন এবং এমন কথাও বলেছেন, বাংলাদেশে মতামত প্রকাশের ন্যূনতম স্বাধীনতাও নেই।

শহিদুল আলমকে গ্রেফতার করা হয়েছে একথা সত্য। কিন্তু তার ওপর নির্যাতন চালানো হয়েছে এই অতিরঞ্জিত খবরটা নোবেলজয়ীদের কানে রাতারাতি পৌঁছালো কে? শহিদুল আলমকে ‘বিশ্বখ্যাত ব্যক্তি’ বলে ফাঁপানো-ফুলানো হয়েছে। তিনি তা নন। তিনি একজন কৃতী আলোকচিত্রশিল্পী মাত্র।

অবশ্য তাতেও তার ওপর অত্যাচার কারও কাম্য নয়। কিন্তু যে অত্যাচার হয়নি, তাকে সাজিয়ে গুছিয়ে ‘নির্মম সত্য’ হিসেবে বাজারে ছড়াল কে? এমনকি দক্ষিণ আফ্রিকার বিশপ টিটু, যিনি শহিদুল আলমের নামও জানতেন না (আমার ধারণা), ভারতের শাবানা আজমি কেমন করে রাতারাতি শহিদুল আলমকে চিনে ফেললেন এবং তাকে অত্যাচারের খবর তাদের কানে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে তারা প্রতিবাদ জানিয়ে ফেললেন? এটা তো বিশ্বের অনেক গণনির্যাতনের ক্ষেত্রেও ঘটতে দেখিনি।

আমার সন্দেহপ্রবণ মন, শহিদুল আলমের ওপর কথিত নির্যাতনের প্রতিবাদকারী নোবেলজয়ীদের নামের তালিকার দিকে তাকাতেই দেখি, তাতে বাংলাদেশের ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নামও রয়েছে। তখনই আমার সন্দেহ হয়েছে, ডালমে কুছ কালা হ্যায়।

মেঘ ছাড়া বৃষ্টি হয় না, ড. ইউনূস ছাড়া এতজন নোবেলজয়ী কী করে হঠাৎ শহিদুল আলমকে চিনে ফেললেন এবং তার মুক্তির দাবিতে রাতারাতি বিবৃতিতে সই দিয়ে ফেললেন, তা এক রহস্যের কথা। পেছন থেকে তাদের ব্রিফ করলেন কে?

বাংলাদেশ সরকারের উচিত, বিদেশে বাংলাদেশবিরোধী যে শক্তিশালী প্রোপাগান্ডা অভিযান চলছে, তার কুশীলবদের সম্পর্কে খোঁজখবর নেয়া এবং তার প্রতিকারের ব্যবস্থা করা। হাসিনা-সরকারের কোনো কাউন্টার-প্রোপাগান্ডা সেল আছে কিনা আমি জানি না।

থাকলেও তার কোনো কার্যকারিতা নেই। কেবল প্রচার-প্রোপাগান্ডা দ্বারা শহিদুল আলমকে রাতারাতি বিশ্ব বিখ্যাত করে তোলা হয়েছে, কিন্তু তার আসল পরিচয় সরকারের জানা থাকা সত্ত্বেও তা আগে প্রকাশ করা হয়নি বা তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা তারা নেননি। এখন তাকে গ্রেফতারের পর নির্যাতনের খবর বিশ্বময় ছড়িয়ে যাওয়ার পর এসব তথ্য বিশ্বাস করবে কে?

শহিদুল আলমের বিরুদ্ধে অভিযোগ, নিরাপদ সড়কের দাবির আন্দোলনের সময় তিনি মিথ্যা খবর ছড়িয়েছেন। তা শুধু সরকারবিরোধী প্রচারণা নয়, রাষ্ট্রবিরোধী প্রচারণাও! এই বক্তব্য রেখেছেন তিনি আলজাজিরাকে দেয়া সাক্ষাৎকারে।

এখন তার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রকাশ পাচ্ছে- তিনি বহুদিন ধরে একই কাজে লিপ্ত। এই অভিযোগগুলো হল প্রায় দেড় যুগ ধরে তিনি কোনো অনুমোদন ছাড়াই পাঠশালা নামে প্রতিষ্ঠান থেকে স্নাতক, ডিপ্লোমার শর্ট কোর্স-লং কোর্স সার্টিফিকেট দিয়ে কোটি কোটি টাকা নিচ্ছেন।

কিছুদিন আগে বর্তমান সরকারের আমলেই তিনি অনুমোদন নিয়েছেন পাঠশালার। এই পাঠশালার নামে অনুদান নিয়ে ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে তা স্থানান্তর করেছেন।

শহিদুল আলমের বিরুদ্ধে অভিযোগের তালিকা দীর্ঘ। তিনি জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষক প্রমাণ করার জন্য নকল ছবি তৈরি করেছেন। বন্ধু ডেভিড বার্গম্যানের (ড. কামাল হোসেনের জামাতা) সহায়তায় একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচাতে আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর খবর প্রকাশ করেছেন। এ জন্য তিনি গ্রেফতারও হয়েছিলেন।

গণজাগরণ মঞ্চের আন্দোলনকে তিনি নাস্তিকদের আন্দোলন বলে প্রচারণার কাজে যুক্ত ছিলেন। চীনের সঙ্গে হাসিনা-সরকারের বিবাদ বাধানোর জন্য ২০০৯ সালে একবার, এর পরে আরেকবার চীনবিরোধী চিত্র ও পোস্টার প্রদর্শনী করেন। চীনা দূতাবাসের প্রবল আপত্তির কারণে বাংলাদেশ সরকার প্রদর্শনী বন্ধ করে। মতিঝিল শাপলা চত্বরে হেফাজতি অভ্যুত্থানের সময় সাড়ে তিন হাজার আলেম ও মাদ্রাসাছাত্র হত্যার মিথ্যা খবর রটানোর কাজেও তিনি যুক্ত ছিলেন।

এই অভিযোগগুলো যদি সত্য হয়, তাহলে এই গুণধর ব্যক্তির বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণে সরকার নিষ্ক্রিয় ছিল কেন? আজ যখন শিশুসাপ বড় হয়ে বড় রকমের ছোবল দিয়েছে তখন তাদের ঘুম ভেঙেছে।

সরকারের বিরুদ্ধে এই যে অব্যাহত প্রচারণা, তার মোকাবেলা না করার ব্যাপারে সতর্কতার অভাবেই একটি সাধারণ নির্বাচনের আগে এই সরকারকে একটি গণবিরোধী স্বৈরাচারী সরকার প্রমাণ করার জন্য প্রতিপক্ষ সুযোগ পেয়েছে এবং ’৭৫-এর আগে প্রচারণার ধূম্রজাল সৃষ্টি করে বঙ্গবন্ধু-সরকারকে ক্ষমতা থেকে উচ্ছেদের জন্য যে পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হয়েছিল, বর্তমানে হাসিনা-সরকারের পতন ঘটানোর লক্ষ্যে একই ধরনের প্রচারণা দ্বারা একই পরিস্থিতি তৈরির ষড়যন্ত্র চলছে।

আওয়ামী লীগের অধিকাংশ নেতা এই পরিস্থিতি সম্পর্কে সতর্ক নন। তারা বিএনপিকেই একমাত্র প্রতিপক্ষ মনে করে অনবরত খালেদা জিয়া ও বিএনপির সমালোচনা করে চলেছেন। কিন্তু লক্ষ করছেন না বিএনপির চেয়েও শক্তিশালী এটি ছদ্মবেশী শত্রুপক্ষ তাদের আছে।

এই শত্রুপক্ষ হল একটি তথাকথিত সুশীল সমাজ, যার অন্যতম নেতা হলেন ড. কামাল হোসেন, ড. ইউনূস প্রমুখ। আন্দোলন দ্বারা হাসিনা-সরকারকে কুপোকাৎ করা যাবে না জেনে তারা প্রচারণা দ্বারা শক্তিশালী বিশ্বজনমত গঠন করে তাদের উদ্দেশ্য হাসিল করতে চান।

এই প্রচারণা তারা চালাচ্ছেন বিপুল অর্থ ব্যয়ে। তাদের সহযোগী বিএনপি-জামায়াতও। আন্তর্জাতিক মদদ এবং অর্থ সাহায্য রয়েছে এর পেছনে। লর্ড কার্লাইলের মতো কয়েকজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন আইনজীবী ও রাজনীতিক তাদের লবিস্ট।

কিছু পশ্চিমা পাবলিক রিলেশন্স সংস্থা আছে, বিপুল অর্থ ব্যয়ে তাদের ভাড়া করলে তারা তাদের মক্কেলের লবিস্ট হয়ে প্রচারণা চালান। টাইমস, গার্ডিয়ান, নিউইয়র্ক টাইমস পত্রিকার মতো কাগজগুলোতে পর্যন্ত তাদের প্রভাব বিদ্যমান।

গ্রামীণ ব্যাংক নিয়ে হাসিনা-সরকারের সঙ্গে বিরোধের সময় ড. ইউনূস এই সংস্থাটিকে তার লবিস্ট হিসেবে ব্যবহার করেছিলেন। ’৭১-এর যুদ্ধাপরাধীদের বিচার-আদালতের বিরুদ্ধে বিশ্বময় প্রচারণার কাজে জামায়াত ও বিএনপি এই পিআর কোম্পানিকে ব্যবহার করে। তারেক রহমানও এই পিআর কোম্পানির মক্কেল।

খবর নিলে হয়তো জানা যাবে, বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে সারা দুনিয়ায় মিথ্যা ও অতিরঞ্জিত খবর প্রচারের কাজে, এমনকি ১১ জন নোবেল লরিয়েটের বিবৃতির খসড়া তৈরি এবং তাতে তাদের সই সংগ্রহের কাজেও এই আন্তর্জাতিক পিআর কোম্পানির ভূমিকা রয়েছে।

আমার ধারণা, ধারণাটি সঠিক কিনা জানি না, কোম্পানিটির এই ভূমিকার পেছনেও রয়েছে আমাদের নোবেলজয়ীর হাত। সেই হাতের পেছনে তার বন্ধু হিলারি ক্লিনটনেরও মদদ আছে কিনা আমি জানি না।

লেখা দীর্ঘ করতে চাই না, বাংলাদেশের পরিস্থিতি সত্যিই স্বস্তিদায়ক নয়। আমি আওয়ামী লীগকে বিদেশে বসে সতর্ক করতে পারি, সক্রিয় করতে পারি না। শেখ হাসিনার এখন অনেক উপদেষ্টা। এই লেখাটি তারা তাচ্ছিল্য সহকারে পড়লেও কিছুটা লাভ হতে পারে।

times24

দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে বাঁশখালীতে আওয়ামীলীগের প্রতিবাদ সমাবেশ

দেশবিরোধী চক্রান্ত – ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে  কালীপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, তাঁতিলীগ,শ্রমিক লীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠন...