মঙ্গলবার, ২৮ আগস্ট, ২০১৮

Hot List,create by Islami Crhatru Shibir

বাঁশ
খালী উপজেলা ও চট্টগ্রাম দক্ষিন জেলা ছাত্রলীগের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মীসহ বেশকিছু মুজিব আদর্শের সৈনিকের উপর,যেকোন সময়ে,যেকোন উপায়ে স্বশস্ত্র হামলা হতে পারে।বাঁশখালীর আনাচেকানাচে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা আমার বিশাল ছারপোকা বাহিনী উল্লেখযোগ্য প্রমানসহ এই তথ্য সংগ্রহ করেছে।যেখানে৷ এটাই অপ্রিয় সত্য যে,
বেশকিছু হামলা পাল্টা হামলা নিজ দলের বা নিজ গ্রুপের বা অন্য গ্রুপের লোকদের দিয়ে সংঘটিত করা হবে।জামায়াত শিবিরের পূর্বপরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের অংশ এটি।
চরম সত্য এই যে,নির্বাচনের এক মাস আগ মুহূর্তে পর্যন্ত জামায়াত শিবির প্রকাশ্যে আওয়ামী সংগঠনের কারো সাথে মুখামুখি দাড়াবে না।তবে অনলাইনে গুজব আর সরকার বিরোধী প্রচারণায় এদের সংখ্যা দ্বিগুণের চেয়ে বেশি হবে।তর্কে বিতর্কে থাকবে ১০০%সক্রিয়। প্রতিটি কর্মকান্ড হবে সরকার বিরোধী,আওয়ামী বিরোধী।

নির্দিষ্ট পর্যন্ত নিজেদের রাস্তা পরিষ্কার রাখতে,আওয়ামী লীগ দিয়ে ওরা আওয়ামী লীগ মারাবে।খেয়েধেয়ে যারা ঠিকে থাকবে,তাদের সাথে শেষ ফাইনালে ওরা প্রতিপক্ষ হয়ে আপনার/আমার/আপনাদের মুখামুখি দাড়াবে।এটাই চরম সত্য,এটাই চরম বাস্তবতা।আমার তথ্য শতভাগ সত্য।
তবে মহান আল্লাহর কাছে একটাই প্রার্থনা,জামাতিদের কোন ষড়যন্ত্র যেন সফল না হয়।প্রয়োজনে আমি মিথ্যা হই,হয় আমি পেইক।তবু মন থেকে চাই আমার প্রাণের সংগঠনের ভাইয়ের,জনকের আদর্শিক পুত্রদ্বয় আরো অনেক দিন বেঁচে থাকুক,জাত শত্রুর পাতানো/ষড়যন্ত্র  ফাঁদ নৎসাত করে দিয়ে।
খুব অল্প সময়ের মধ্যে যাদের উপর হামলা হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে,তাদের মধ্যে আছে জেলা ও উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা।আর এদের সবার উপরেই আছেন, Hussain Muhammad,
তারপর.........
√হোছাইন মোহাম্মদ,
√ Hamid Hossain
√ ইমরান মাহমুদ চৌধুরী রুমন
√এমদাদুল হক
√ Abdur Rahim
√সওকত
√রওশনজ্জামান
√লোকমান
√ফরহাদুল ইসলাম চৌধুরী
√চৌধুরী নাজেমুল হক
√Najmul hasan sohel
√ Zum Babor
√ Sogir mahmod sagor বিদেশ যাওয়ায় বেচে গেছে,
√Anisul haq chy
√মামুন সজীব জয়
√md sakawoat hossain
√M Jamir Uddin Sikder Abir
√A.Banik
√তানভীর চৌধুরী
√mizan sikder
√ samsed omar
√ Gazi Zahed
√ আবু হেনা মোস্তাফা কামাল
√mofuzur rahman obi
√Md. MD Jonaid Siddik 
বিদেশ থাকায় বেচে গেছো।
√saied Mohammed sakil
√Rahul das
√Abdullah al masum
√ Amir mia Ba
√ Delower Hossain raju
√saful islam
√md Nadim
√Zia uddin Arif
√Md Milton
√Mohammad Manik
√rahim uddin ridoy
√N.Sahabuddin
√Top Babu sahid
√Liton acerjje
√Md fakururddin
√Juwl rana
√Md. Ataul
√Sahidul islam sabuj
√Mk.Mohammad maruf
√Md karim
√Md Abu Hanif
√Anamul Hoque
√Opu botacajje
√Omar faruk
√Md Nasir,বিদেশ থাকায়,নিরাপদ আছেন।
√Abdullah al Emon
√Santo dey
√Md iQbal
√ Zifsse Rudro
√Ripon talukdar
√Habibul islam,বিদেশ যাওয়ায় বেচে গেছো
√ Saied Hasan Arfat Milton
√MD Arfatul Islam
√Iftiker Babu
√rubel nahth
√md nur hossain
√Md mijanur rahman
√Abul Hossain অদৃশ্য হওয়ায় এখনো নিরাপদ
√সোনা মিয়া, অদৃশ্য হওয়ায় এখনো নিরাপদ
√ছারপোকা, যাওয়া আসার মিছিলে আছি
√অগ্নিশিখা,আপাতত চান্দের দেশে
√পন্ডিত মশাই, আপাতত চান্দে

স্থান কালপাত্র ভেবে ক্রমিক নাম্বারের তারতম্য হতে পারে।তবে নির্বাচনের পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত ওদের কপালে কোন শান্তি নেই।এরা যতটাই শান্ত প্রিয় নম্রভদ্র হোক না কেন?এদের রাখা হবে ২৪ঘন্টা অশান্তিতে। যেকোন ভাবে, যেকোন উপায়ে।যেখানে কেউ হবে স্ব শস্ত্র  হামলার শিকার,,কাউকে লাঞ্চিত,কাউকল চির বিদায়।

কপিঃ ছার পোকা

Mujibur Rahman urged to leave the camp with the camp, opening the door to the CIP August 27, 2018




Opening
 Mr. Mujibur Rahman CIP

Rising politician, industrialist social worker.
Banskhali Chittagong

Context- (Leave the right, get it) Awami League does not go with Jamaat.

Sir,
namely respect bihita enter Respectfully, I have bed bugs in your political activities that fit intense Beja, few minds open sky behind you now, as you know dilamaami scatter. Dewan liga many goose goats Jamaat Shibir Theika has taken place in your shelter.
How do you know, you are pleasing to me, and you forgot the great bazar, mischief knowledge on you, you killed me 1st, the resumption of this morning. Twice. Did not you? Ien this time you have a hard time
For the involvement of anti-organizational organization, the leader of the controversial Awami League, some editors of Chadakkhan district Awami League, should demand apology from the grassroots Awami League, Banshkhali grassroots Awami League and the leaders of the organizing organizations.
I could not live, why did you want to kiss?

You,
Mr. CIP, if you claim that
you deserve a worthy Awami League of the ideals of the Father of the Nation, then
I have a lot of wants for you. In the absence of you, you will be the enemy of Awami League in my lifetime.
Maybe the exception.
However, the Awami League but not my father's wealth.
I do not have the right to create obstacles in the way of you or your movement. But Bangladesh Awami League, Sheikh Hasina, Banshkhali grassroots Awami League betrayers do it, then I can not stop you from the chaotic insects.

Thousands of people died in the death of a fugitive, 71 defeated power Jamaat to prevent the conspiracy of enemies of Bangladesh and Awami League.
But by using the name of Bangladesh Awami League, the organization formed by the father, why you have dropped the Jamaat BNP.
Those who have conspired against the Awami League government under the leadership of the Janata Party leader Sheikh Hasina, have left their homes in the house, who have returned them to their highways, to whom they need to return.

Buying the post became the leader, some of the father's father did not become true Awami League.
Allah has given you a lot of money, whether it is Banskhali or everyone knows it. Your place in the industrial market is very high. I saw you donate charity to Facebook.

But if you spend half of the amount spent on the Jamaat camp, then if you used to spend half of it for Awami League, then Jamaat will not have any resistance from the soil of Banskhali. But now you are just reversing it till today. Your activities are going to hit the Awami League. You will see, how active Banshkhali Jamaat Shibir is due to the financial support given to you. Sci. They're by your money today. Killing us, killing Awami League.
Do not say!
These are not the reasons for your shame, you need to correct themselves, you do not feel yourself.
but why?

We are critical of what you think, we are doing it. We know that, you are forced to agree with your name before putting your name together. Each of your activities is a creation of a lining.

You should leave the Jamati company, stop providing financial services to the Jamtis. Leave the civic cadres, then you will automatically see, Awami League's grassroots activists will love you from the heart. More than the criticism will keep in discussion. When the Jamatians love you more, and when you dance with their heads , Then you criticize yourself in many cases, it becomes a cafaya.

Dear brother,
Please take my humble request to you, read the unfinished autobiography of the Father of the Nation, and review the history of the Jumma and Awami League of Bangladesh. Please, read, see the history of Mir Zafar as well as the Mostaq. Do not let yourself be driven by mercy.
Banshkhali's Awami League family will not forgive you
One day in the history of Kadgadra, you will stand in the role of Khandakar Mostak. If you do not correct. Do not improve. Do not want to apologize for unwanted mistakes.

If there is a change, good luck, if the Awami League is the cause of the destruction then criticism.

Bugs
born disembada 1, 1971,

জামাত শিবিরের সঙ্গ ত্যাগ করার অনুরোধ জানিয়ে মুজিবুর রহমান সিআইপির নিকট ছারপোকার খোলাচিটি

খোলাচিটি:-
জনাব মুজিবুর রহমান সিআইপি


,
উদয়মান রাজনীতিবিদ,শিল্পপতি সমাজসেবক।
বাঁশখালী চট্টগ্রাম।

প্রসঙ্গঃ-(ঐকূল ছাড়ুন,এইকুল পাবেন)জামায়াতের সাথে আওয়ামী লীগ যায় না।

জনাব,
যথা বিহীত সম্মান পূর্বক বিনীত নিবেদন,এই যে আমি ছারপোকা আপনার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে তীব্র বেজার হইয়া,ক'টা মনের কথা খোলা আকাশে আপনার নামে উড়াইয়া দিলাম।আমি জানি এইডা আপনার অগোচরে৷  দেওয়নের লাইগা অনেক গুলা ছাগল জামায়াত শিবির থেইকা আপনার আশ্রমে দাপটের জায়গা করে নিয়েছে।
কেডা জানি কইলো,আপনি আমারে খুইজতাছেন,আরেক জন আপনি উপর মহা বেজার,হিতাহিত জ্ঞান ভুলে গিয়ে আপনি আমাকে ১ম হত্যা করেছেন,এইডা মোর পুনঃজম্ম।বুইঝবার৷ পারছেননি? আইয়েন এইবার আপনারে কড়া কথা কই,,
দলীয় পদবি ব্যবহার করে,সংগঠন বিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত হওয়ার অপরাধে বিতর্কিত আওয়ামীলীগ নেতা,চঃদক্ষিন জেলা আওয়ামী লীগের কতিপয় সম্পাদকের উচিত,বাঁশখালীর তৃনমূল আওয়ামী লীগ, সহ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত বলে দাবি করছি।
বুইঝবার পারছেনি,মুই কিতা কইবার চাইলাম?

আপনি,,
জনাব সিআইপি সাহেব,যদি আপনি নিজেকে জাতির পিতার আদর্শের যোগ্য আওয়ামী লীগ দাবি করেন,
তাহলে,
আপনার কাছে আমার অনেক চাওয়া আছে।যাহার ঘাটতিতে আপনি আজীবন আমার কাছে আওয়ামীলীগ এর শত্রু হয়ে থাকবেন।
হয়তো ব্যতিক্রম।
তবে,আওয়ামী লীগ কিন্তু আমার বাপের সম্পতি নয়।
আপনাকে বা আপনার চলার পথে কোনরূপ প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করার অধিকার আমার  নাই।কিন্তু বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ,জননেত্রী শেখ হাসিনা,বাঁশখালী তৃনমূল আওয়ামী লীগের বিশ্বাসঘাতকতরা করেন,তাহলে আমি ছার পোকার মুখ আপনি বন্ধ করতে পারবেন না।

এক ছারপোকার মৃত্যুতে হাজার ছারপোকা জম্মাবে,৭১পরাজিত শক্তি জামায়াত বাংলাদেশ ও আওয়ামী লীগের জাত শত্রুদের ষড়যন্ত্র রুখে দিতে।
কিন্তু জনকের হাতে গড়া সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এর নাম ব্যবহার করে,আপনি জামায়াত বিএনপিকে কেন মাটে নামিয়েছেন।
যারা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করতে করতে,লেছ গুটিয়ে বাড়িতে ডুকে আছে,আপনি তাদের কার প্রয়োজনে,কার ঈশারায় পুনরায় তাদের রাজপথে নামিয়েছেন।

পদ কিনে নেতা হয়ে গেলেন,কিছুটা জনকের আদর্শ বুুকে নিয়ে সত্যিকারের আওয়ামীলীগ হতে পারলেন না।
আল্লাহ আপনাকে অনেক অর্থকড়ি দিয়েছেন,তা বাঁশখালী কমবেশি সবাই জানে।শিল্পপতি বাজারে  আপনার স্থান অনেক উপরে।ফেইসবুকে দেখেছি আপনি দান খয়রাত ভাল করেন।

কিন্তু জামায়াত শিবিরের পিছনে আপনি যা ব্যয় করেন,,তার অর্ধেক যদি আওয়ামী লীগের জন্য ব্যায় করতেন,তাহলে বাঁশখালীর মাটি থেকে জামায়াত বিএনপির কোন অস্থিত্ব থাকতো না।কিন্তু এখন আপনি ঠিক উল্টো করে চলছেন আজকের দিন পর্যন্ত।আপনার কর্মকান্ড গুলো আওয়ামীলীগের অস্তিত্বে আঘাত করার শামীল।আপনি চোখে দেখবেন,,আপনার দেওয়া অর্থনৈতিক জোগানের কারনে বাঁশখালীর জামায়াত শিবির কতটা সক্রিয়।কতটা আগ্রাসী। ওরা আজ আপনার টাকা দিয়ে৷ আমাদের মারছে,আওয়ামী লীগ মারছে।
বলেন না !
এগুলো আপনার লজ্জার কারন নয় কিনা!নিজের সংশোধনের প্রয়োজন টা,নিজে কি অনুভব করেন না।এতো সমালোচনায়ও আপনি নিজেকে......!
কিন্তু কেন?

আমরা সমালোচনা করছি,আপনি কি মনে করেন,তা আমরা ইচ্ছে করে করছি।যতটুকু জানি,আপনি মৌন সম্মতিতে বাধ্য করতেছেন আপনার নামের আগেপিছে জোড়া লাগাতে।আপনার প্রতিটা কর্মকান্ড এক একটা আবরণের সৃষ্টি।

আপনি জামাতি সঙ্গ ত্যাগ করুন,জামাতিদের অর্থনৈতিক জোগান দেওয়া বন্ধ করুন।শিবির ক্যাডারদের ত্যাগ করুন,তখন আপনাআপনি দেখবেন,আওয়ামীলীগের তৃনমূল নেতাকর্মী রা আপনাকে মন থেকে ভালবাসবে।সমালোচনার চেয়ে আলোচনায় রাখবে বেশি।আপনাকে যখন জামাতিরা বেশি ভালবাসে,আর আপনি যখন তাদের মাথায় নিয়ে নাচেন,তখন তো আপনার সমালোচনা করা অনেক ক্ষেত্রে ফরজে কাফেয়া হয়ে দাড়ায়।

প্রিয় ভাই,
আপনার প্রতি আমার বিনীত অনুরোধ,জাতির পিতার অসমাপ্ত আত্মজীবনীর টি পড়ুনু,বাংলাদেশের জম্ম ও আওয়ামী লীগ ইতিহাস পর্যালোচনা করুন।জানুন,পড়ুন,দেখুন ইতিহাসে একজন মীর জাফরের পাশাপাশি মোস্তাকও আছে আলোচনায়। দয়া নিজেকে ঐপথে ধাবিত করবেন না।
বাঁশখালীর আওয়ামী লীগ পরিবার কিন্তু আপনাকে ক্ষমা করবে না।
ইতিহাসের কাডগড়ায় একদিন আপনাকেও খন্দকার মোস্তাকের ভূমিকায় দাড় করাবে।যদি আপনি সংশোধন না হউন।নিজেকে না শুধরান।ইচ্ছাকৃত কিংবা অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য ক্ষমা চান।

যদি পরিবর্তন হউন,তবে শুভকামনা,যদি আওয়ামী লীগ ধবংসের কারন হউন তবে সমালোচনা।

ছারপোকা
জন্ম ১ডিসেম্বড ১৯৭১
পিতাঃ-শেখ মুজিবুর রহমান।

সোমবার, ২৭ আগস্ট, ২০১৮

ছাত্রলীগের একাধিক অভিযোগের পরিপেক্ষিতে সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের বাঁশখালী উপজেলা শাখার সকল কার্যক্রম বাতিল ঘোষনা


সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের বাঁশখালী উপজেলা শাখার সকল কমিটি ও কার্যক্রম বাতিল ঘোষণা করেছে সংগঠনটির কেন্দ্রিয় কমিটি। রাষ্ট্র বিরোধী ষড়যন্ত্রকারিদের অনুপ্রবেশ ও সংঠনের গঠনতন্ত্র পরিপন্থি কাজের অভিযোগের ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।  বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সংগঠনটির কেন্দ্রীয় মহাসচিব মাওলানা আবেদ আলী।

আজ (২৫অগাস্ট)  সংগঠনটির জাতীয় সদর দপ্তর থেকে ব্যারিষ্টার মুহাম্মাদ ইউসুফ স্বাক্ষরিত এক বিবৃতে জানানো হয়, সম্প্রতি চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলা সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের কমিটি ও আওতাধীন বিভিন্ন ইউনিয়ন শাখা কমিটিতে ও রাষ্ট্র বিরোধী ষড়যন্ত্রকারিদের অনুপ্রবেশ ও সংঠনের গঠনতন্ত্র পরিপন্থী কার্যক্রমের অভিযোগ তুলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণজেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হোছাইন মোহাম্মদ ও হামিদ হোছাই।
 পরবর্তীতে যুবলীগ নেতা জহির উদ্দীন বাবর,   বাঁশখালী উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা রুমন চৌধু, ফরহাদুল ইসলাম,রওশজম্মান,শামসেদ,আব্দুর রহিম,মিল্টন,এমদাদ,সাইফুল ইসলাম, শহীদুল্লাহ শহীদ,শওকত,হাবিবুল ইসলাম,নোভেল,জোবায়ের চৌধুরী,জুবায়ের ইসলাম।লোকমান,নুরহোসেন,এনাম,বাহার উদ্দিন,
 জয়নাল মিনোহাজ,ফখর উদীন,য়নাল আবেদী, আবদুল্লা, আনসারুল হক,শাহাবুদ্দীন,মোহাম্মদ মানিক, সগির মোহাম্মদ সাগর,রকি, অজস্র ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বাঁশখালীর সার্ক কমিটি বাতিলের জোর দাবির পরিপেক্ষিতে কেন্দ্রীয় কমিটি  আন্তর্জাতিক এই সংগঠনের ভাবমূর্তি অক্ষুন্নত রাখতে বাঁশখালী উপজেলার সকল কমিটি বাতিল করা হল।

বিবৃতে আরও বলা হহয়, উক্ত সংগঠনের পরিচয় বহনকরে অত্র অঞ্চলে কোনো প্রকার সাংগঠনিক  কার্যক্রম করতে না পারে এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও বাঁশখালী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মহোদয়ের সহযোগিতা কামনা করা হচ্ছে।

সাথে ধন্যবাদসহ জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হোছাইন মোহাম্মদ ও হামিদ হোছাইন সহ বাঁশখালী উপজেলা ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দের প্রতি কৃতজ্ঞ ও অনাকাঙ্ক্ষিত ভুলের ক্ষমা চেয়েছেন সংশ্লিষ্ট সার্ক সংগঠনের সভাপতি, সাধারন সম্পাদকসহ একাধিক নেতৃবৃন্দ।             

তৈলার দ্বীপ সেতুর নামকরণ মৌলভী সৈয়দের নামে করা হোক।


জাতীর জনক বঙ্গবন্ধুর হত্যার প্রথম প্রতিবাদকারী,চট্টগ্রাম পুর্বাঞ্চলীয় গেরিলা বাহিনীর প্রধান,চট্টগ্রাম নেভাল অপারেশন জেকপট প্রধান বেজ কমান্ডার,চট্টগ্রাম আওয়ামী যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি,বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ মৌলভী সৈয়দ আহমদের শাহাদাত বার্ষিকীতে আমার দাবী:
তৈলার দ্বীপ সেতুর নামকরণ মৌলভী সৈয়দের নামে করা হোক।

#অগ্নিশপথ

রবিবার, ২৬ আগস্ট, ২০১৮

১৫ আগস্ট বেগম খালেদা জিয়ার জন্মদিন ব্যারিস্টার মওদুদ কী বলেন ?

১৫ আগস্ট বেগম খালেদা জিয়ার #জন্মদিন ? অবশ্যই না। তবে কেন ? তিনি হঠাৎ ১৯৯৬ সাল থেকে ১৫ আগস্ট তাঁর জন্ম দিন পালন করা শুরু করলেন-এই নিবন্ধ থেকে তা অনেকটা জানা যাবে। #সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট রাতের অন্ধকারে কিছু বিপথগামী সেনাসদস্য স্বপরিবারে হত্যা করে রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করে নেয়। #দীর্ঘ ২১ বছর পর ১৯৯৬ সালের সাধারণ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ রাষ্ট্র ক্ষমতায় এলে ১৫ আগষ্টকে জাতীয় শোক দিবস হিসেবে ঘোষনা করে এবং দিনটি জাতীয় ভাবে পালনের সরকারী সিন্ধান্ত গৃহীত হয়। আর তখনই একটা হীন মতলবে শোক দিবসের পাল্টা হিসেবে একই দিন বেগম খালেদা জিয়ার জন্ম দিনের উৎসব পালন করার ব্যাপারটির সূত্রপাত ঘটে। প্রত্যেক মানুষের একটি জন্মদিন থাকে। ঘটা করে অনেকে তা পালনও করে থাকেন। আর সেলিব্রেটির জন্মদিন হলে তো কথাই নেই। তা তারা নিজের পালন না করলেও ভক্ত, সমর্থক, অনুসারীরা তা পালন করে থাকেন। বেগম খালেদা জিয়া নিঃসন্দেহে এদেশের অন্যতম একজন সেলিব্রেটি। ১৫ আগস্ট যদি বেগম খালেদা জিয়ার জন্মদিন হতো তাহলে কোন কথাই ছিল না। জাতীয় শোক দিবস হউক বা অন্য যাই হোক না কেন, একই দিনে কারো জন্ম হলে সে কী তার জন্ম দিন পালন করবে না ? অবশ্যই করবে। কিন্তু ১৫ আগস্ট বেগম জিয়ার প্রকৃত জন্ম দিন নয়। এটা তাঁর বানানো জন্ম দিন এবং এই জন্ম দিনের শুরু ১৯৯৬ সালের সাধারণ নির্বাচনের পর। উদ্দেশ্য কেবলমাত্র ঘোষিত জাতীয় শোক দিবসের শোক প্রকাশকে তুচ্ছ, তাচ্ছিল্য, ও খাটো করা। বেগম খালেদা জিয়ার আসল জন্মদিন যা তাঁর পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বিয়ের কাবিন এবং ১৯৯১ সালে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর সরকারী সূত্রে গণ

মাধ্যমগুলির রেকর্ডে নথিভুক্ত আছে। ১৯৮১ সালের ৩০শে মে প্রেসিডেন্ট জিয়া নিহত হওয়ার পর থেকেই বিএনপিতে রাজনৈতিক বিশৃংখলা দেখা দেয়। বিএনপির রাজনৈতিক শৃংখলা ফিরিয়ে আনতে বেগম জিয়া রাজনীতিতে আসেন। গৃহবধু থেকে রাজনৈতিক দলের নেত্রী হওয়ার পর বেগম জিয়ার সাফল্য সম্পর্কে সংশয় প্রকাশ করেছিলেন তাঁরই পিতা ইসকান্দার মজুমদার। তিনি এবং তাঁর স্ত্রী তৈয়বা খাতুন তাঁদের তৃতীয় মেয়ে খালেদা খানম পুতুলের জন্ম, শিক্ষা, বিয়ে, বংশ পরিচয় ও পারিবারিক পরিচয় তুলে ধরেছিলেন ১৯৮৪ সালে একটি সাপ্তাহিক পত্রিকায়। উক্ত সাক্ষাৎকারের এক অংশে পিতা ইসকান্দার মজুমদার বলেছিলেন, আমার তৃতীয় মেয়ে হচ্ছে খালেদা। খালেদার জন্ম ১৯৪৫ সালের ৫ সেপ্টেম্বর একটি ঐতিহাসিক দিনে, যে দিন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয়ে বিশ্বের বুকে শান্তি এলো। আমাদের ফ্যামিলি ফিজিসিয়ান ছিলেন ডাঃ অবনী গোস্বামী। তিনি বলেছিলেন আপনার এই মেয়ে অত্যন্ত ভাগ্যবতী হবে। তার নাম আপনারা শান্তি রাখুন। সাপ্রদায়িক পরিস্থিতির কারণে সেটা তখন সম্ভব ছিল না। তাই তার ডাক নাম রাখলাম পুতুল। খালেদা জিয়া সবারই আদরের এবং দেখতে শুনতেও সবার চেয়ে ভালো ছিল। সেজন্য আমরা পুতুল বলেই ডাকতাম। আজো সেই নামেই আমরা ডাকি। তার পুরো নাম ছিল খালেদা খানম। ১৯৬১ সালে খালেদার সাথে জিয়াউর রহমানের বিয়ে হয়। তখন জিয়া ছিল ক্যাপ্টেন। ডি.জি.এফ আইয়ের অফিসার হিসিবে তার পোষ্টিং ছিল দিনাজপুর। জিয়া ছিল আমার স্ত্রীর ভাগ্নে। তার চাচাত বোনের ছেলে। খালেদা সেবার মেট্রিক পরীক্ষা দিয়েছে মাত্র। বিয়ের কয়েক দিন আগে জিয়া আমাদের বাসায় এসে একদিন হঠাৎ করে বলে বসলো আপনারা আগামী শুক্রবারের মধ্যে যদি বিয়ে দেন তাহলে বিয়ে হবে, নইলে আর বিয়েই করব না।
আমরা বললাম বেশ তাই হবে। বিয়ে হয়ে গেল দিনাজপুরের মুদিপাড়ায়। বিয়েতে জিয়ার মামা, নানা ও বিভাগীয় অনেক বন্ধু-বান্ধব উপস্থিত ছিলেন। আমাদের বিয়ে হয়েছে ১৯৩৭ সালের ২৯ মার্চ। আমার স্ত্রীর জন্ম ১৯২৪ সালের মার্চ মাসে। নাম তৈয়বা খাতুন। তার বাপের বাড়ি দিনাজপুরের (বর্তমান পঞ্চগড়ের) চন্দন বাড়িতে। তারা মীর জুমলার বংশধর। বাংলাদেশী টি ফ্যামিলী নামে খ্যাত। এই ফ্যামেলি বক্সার যুদ্ধে বৃটিশ সরকারকে সমর্থন দিয়েছিল। পরে বৃটিশ সরকার তাদেরকে তামার পাতে লেখা সনদ উপহার দেয়। তারা বিনা খরচে ইংল্যান্ড যেতে পারতো। যার ফলে এদের ভিতরে অনেকেই মেম বিয়ে করে বিলেতবাসী হয়ে গেছেন। আমার শ্বশুড় ছিলেন জেলা সাব রেজিষ্টার। আমার স্ত্রীর কোন ভাই নেই। তারা দু’বোন। ঐ সাক্ষাৎকারের আরেক অংশ বেগম খালেদা জিয়ার মা তৈয়বা খাতুন তাঁর মেয়ে সম্পর্কে বলেছিলেন, ‘খালেদা খুব বেশি লেখাপাড়া করত না, তবে লেখাপড়ায় ভাল ছিল। নাচ শিখেছে ওস্তাদের কাছে। অনেক ফাংশনে নেচে পুরস্কার পেয়েছে। গান শুনতে ভাল বাসতো। কথা খুব বেশি বলতো না। লেখাপড়া করেছে প্রথমে মিশনারী কিন্ডারগার্টেন স্কুলে ও পরে দিনাজপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে’। বেগম জিয়ার মা-বাবা প্রদত্ত সাক্ষাৎকার অনুযায়ী তাঁর জন্ম তারিখ ৫ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫ সাল এবং লেখাপড়া হাইস্কুল পর্যন্ত। ১৯৬১সালে মেট্রিক পরীক্ষা দেওয়ার পরই তাঁর বিয়ে হয়ে যায়। বিয়ের পর লেখাপড়া করেছিলেন বলে তাঁর মা-বাবা উল্লেখ করেন নাই। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের রেকর্ডে দেখা যায় বেগম জিয়া ১৯৫৪ সালের ১লা জানুয়ারী দিনাজপুর সরকারী বালিকা বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণীতে ভর্তি হন। ভর্তি রেজিষ্টার অনুযায়ী তাঁর জন্ম তারিখ ৫ সেপ্টেম্বর ১৯৪৬ সাল। তিনি ঐ বিদ্যালয় থেকে ১৯৬১ সালে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মেট্রিকুলেশন পরীায় অংশ গ্রহণ করেন।
ঢাকা বোর্ডের রেকর্ডে দেখা যায় খালেদা খানম, পিতা মোহাম্মদ এসকান্দর অত্র বোর্ডের আওতাধীন দিনাজপুর কেন্দ্রের দিনাজপুর বালিকা বিদ্যালয় হইতে ১৯৬১ সালে মেট্রিকুলেশন পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করিয়া অকৃতকার্য হন। তাঁহার রোল নম্বর ছিল রোল-দিনা নং এফ-৭৯২। রেকর্ড মুলে তার জন্ম তারিখ ৫ সেপ্টেম্বর ১৯৪৬ সাল। ফলাফলে দেখা যায় তিনি ইংরেজী, ইতিহাস, ভুগোল ও ঐচ্ছিক বিষয়ে অকৃতকার্য হন। বিদ্যালয় ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের রেকর্ড থেকে দেখা যায় তাঁর জন্ম তারিখ ৫ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫ সাল এবং তিনি মেট্রিক ফেল করেছেন। পরবর্তীকালে তিনি আর মেট্রিক পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করেছিলেন বলে কোন রেকর্ড ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে নেই। মা-বাবার বক্তব্য অনুযায়ী বেগম জিয়ার জন্ম সাল এবং বিদ্যালয় ও শিক্ষা বোর্ডের রেকর্ডের জন্ম সালের মধ্যে এক বৎসরের পার্থক্য দেখা যায়। এর কারণ হচ্ছে বয়স কমানো। তাই জন্ম তারিখ ঠিক রেখে জন্ম সাল এক বৎসর কমিয়ে দেওয়া হয়। বেগম জিয়ার বিয়ের কাবিনে দেখা যায় তাঁর জন্ম তারিখ ৫ আগস্ট ১৯৪৪ সাল। এর কারণ হচ্ছে ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইন অনুযায়ী বেগম জিয়ার প্রকৃত জন্ম তারিখ ৫ সেপ্টম্বর ১৯৪৫ সাল বা শিক্ষা সনদের জন্ম তারিখ ৫ সেপ্টম্বর ১৯৪৬ সাল অনুযায়ী বিয়ের সময় তার বয়স দাঁড়ায় যথাক্রমে ১৪ বা ১৫ বছর। বিয়ের জন্য আইন সিদ্ধ নয়। তাই আইন সিদ্ধ করার জন্য জন্ম তারিখ এমনভাবে পিছানো হয় যাতে ১৬ বৎসর হয়। এখানে কাবিনের প্রয়োজনে জন্ম সাল এবং মাস পরিবর্তন করা হলেও তারিখ ৫ ঠিক রাখা হয়। ১৯৯১ সালের সাধারণ নির্বাচনে নির্বাচনী ফরমে এবং নির্বাচিত হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর বিভিন্ন পত্রিকার অফিসে এবং রেডিও ও টেলিভিশনে সরকারী ভাবে পাঠানো তার জীবন বৃত্তান্তে তার জন্ম দিন ১৯ আগস্ট ১৯৪৫ সাল উল্লেখ করে প্রচার করা হয়, যা ঐ সময়কার পত্র-পত্রিকায় লিড নিউজ আকারে ছাপা হয়।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দক্ষিণ কোরিয়া সফর কালে সরকারীভাবে ছাপানো প্রধানমন্ত্রীর জীবন বৃত্তান্তে এবং তাঁর লাল কূটনৈতিক পাসপোর্টে জন্ম তারিখ উল্লেখ আছে ৫ সেপ্টেম্বর ১৯৪৬ সাল। তাছাড়া অন্যান্য আরো অনেক সরকারী রেকর্ড পত্রে তাঁর জন্ম তারিখ ৫ সেপ্টেম্বর উল্লেখ আছে। গত তত্তবধায়ক সরকারের সময় প্রণীত জাতীয় পরিচয় পত্রে দেখা যায় বেগম জিয়ার জন্ম তারিখ ১৫ আগস্ট ১৯৪৭ সাল। এই সন তারিখ যে একেবারে সঠিক নয় তার প্রমাণ তাঁর শিক্ষা সনদ এবং বিয়ের কাবিন। শিক্ষা সনদ অনুযায়ী তিনি ১৯৬১ সালে মেট্রিক পরীক্ষায় অংশ নেন এবং বিয়েও হয় সেই ১৯৬১ সালে। শিক্ষা বোর্ডের নিয়মানুযায়ী একজন শিক্ষার্থীর সাধারণভাবে ১৬ বৎসর বয়সে মেট্রিক পরীক্ষায় অংশ নিয়ে থাকে। বিশেষ কারণে এক দুই বৎসর বেশ কম হতে পারে। তবে ১৪ বৎসরের কম বয়সে মেট্রিক পরীক্ষায় অংশ নেওয়া যায় না। আবার ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইন অনুযায়ী বিয়ের কনের বয়স কমপক্ষে ১৬ বৎসর পূর্ণ হতে হবে। ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট বেগম জিয়ার জন্ম হলে ১৯৬১ সালে তাঁর বয়স দাঁড়ায় মাত্র সাড়ে ১৩ বৎসর। এই বয়সে মেট্রিক পরীক্ষায় অংশ নেওয়া বা বিয়ের কাবিন রেজিষ্ট্রি করা মোটেও সম্ভব নয়। সম্প্রতি প্রকাশিত বিএনপির নীতিনির্ধারকদের অন্যতম সিনিয়র নেতা ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ লিখিত ‘কারাগারের দিনগুলি’ বইয়ে ১৫ আগস্ট বেগম জিয়ার জন্মদিনকে বিতর্কিত জন্মদিন বলে উল্লেখ করেছেন। বেগম জিয়ার এতগুলো জন্ম তারিখ ও সাল পর্যালোচনা করে দেখা যায় তিনি বিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার সময় জন্ম সাল বদলিয়েছেন বয়স কমানোর জন্য, বিয়ের কাবিনে জন্ম সাল এবং মাস বদলিয়েছেন বয়স বাড়িয়ে বিয়ে রেজিষ্ট্রি আইন সিদ্ধ করার জন্য। জাতীয় পরিচয় পত্রে জন্মসাল এবং তারিখ বদলিয়েছেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতির উদ্দেশ্যে ঘোষিত জাতীয় শোক দিবসের শোককে ম্লান করার জন্য। শোকের দিনে তথাকথিত জন্ম দিনের কেক কেটে আনন্দ উল্লাস, হৈ হুল্লা করার জন্য। যে মহান নেতার আত্মত্যাগ ও আজীবন সংগ্রামের ফসল এই স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। যার বদৌলতে অনেকের মত আজ গৃহবধু ও প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারে, বিরোধী দলীয় নেতার আসনে। যে মহান নেতার প্রত্যক হস্তক্ষেপে সে দিন যে গৃহবধুর সংসার টিকে ছিল, আজ সেই গৃহবধু সেই মহান নেতার মৃত্যু দিবসকে ম্লান করার জন্য নিজের ভূয়া জন্মদিন পালন করছেন।
                                                        সংগৃহীত

"আ. লীগের সামনে কঠিন সময়"

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আছে মাত্র ৪ মাস। অক্টোবরের শেষ নাগাদ নির্বাচন কমিশন ঘোষণা করবে তফসিল। আওয়ামী লীগ সরকার দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে প্রথমবারের মতো টানা দুই মেয়াদ পূর্ণ করতে যাচ্ছে। কিন্তু রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, সরকারের জন্য আগামী ৪ মাস অত্যন্ত কঠিন সময়। আওয়ামী লীগ এই ১২০ দিন সময় কীভবে এবং কতটা রাজনৈতিক দক্ষতায় পার করে সেটি দেখার বিষয়। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগকে অনেকগুলো বড় বাধা পেরুতে হবে। আওয়ামী লীগ সভাপতি এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও ঈদের দিন নেতাকর্মীদের বলেছেন, ‘এখানে শ্লোগান না দিয়ে এলাকায় যেতে, জনগণের সঙ্গে কথা বলতে।’ ঈদের আনন্দের মধ্যেও প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘সামনে কঠিন সময় আসছে।’

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছে, ডিসেম্বরে জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এর আগে আওয়ামী লীগকে অন্তত ৫ টি বড় বাঁধা পেরুতে হবে।

আওয়ামী লীগের এই পাঁচ বাধাগুলো হলো এরকম:

এক. শিক্ষার্থী এবং তরুণ ভোটারদের ক্ষোভ প্রশমন। গত কয়েক মাসে আওয়ামী লীগ সরকারের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সম্পর্কের টানাপোড়েন সৃষ্টি হয়েছে। কোটা সংস্কার আন্দোলন, নিরাপদ সড়ক আন্দোলনে শিক্ষার্থীরা রাজপথে নেমেছে। আগামী ৪ মাসে এই শিক্ষার্থী এবং তরুণদের আবার রাজপথে নামানোর চেষ্টা হতে পারে। তাদের সরকারের মুখোমুখি করার নীল নকশা হবে। শিক্ষার্থী ও তরুণদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রাখা এবং সরকারের প্রতিপক্ষ না করা আওয়ামী লীগের জন্য এক কঠিন চ্যালেঞ্জ।

দুই. বর্তমান প্রশাসন এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থা দৃশ্যত সরকারের পক্ষে। কিন্তু এদের মধ্যেও অনেকে আওয়ামী লীগ বিরোধী। অনেকেই আওয়ামী লীগ সেজে ঘাপটি মেরে অপেক্ষায় আছে। অক্টোবরের নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে এদের অনেকের চেহারা পাল্টেও যাবে। যেমন গিয়েছিল ২০০১ সালে। এটিও আওয়ামী লীগের জন্য এক কঠিন পরীক্ষা হবে।

তিন. আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিরোধীদলগুলো বিশেষ করে বিএনপির অংশগ্রহণ আওয়ামী লীগের জন্য এক অগ্নিপরীক্ষা। শেষ পর্যন্ত বিএনপি যদি ঐক্যবদ্ধ ভাবে নির্বাচন করে সেক্ষেত্রে তা আওয়ামী লীগকে এক কঠিন লড়াইয়ের সামনে নেবে। আবার যদি বিএনপি শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে অংশ না নেয়, তাহলে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করতে না পারার অভিযোগে  অভিযুক্ত হবে  ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। ২০১৪’র মতে, আরেকটি নির্বাচন কি দেশে এবং বিদেশে গ্রহণযোগ্য হবে?

চার. আওয়ামী লীগের দশ বছরের শাসনামলে দলটি ক্রমশ: বন্ধুহীন হয়ে পড়েছে। ১৪ দলের নাম সর্বস্ব রাজনৈতিক দলগুলো ছাড়া আওয়ামী লীগের মিত্র নেই। মুক্ত চিন্তার মানুষের সঙ্গেও আওয়ামী লীগের দূরত্ব হয়েছে। জাতীয় পার্টি, এই আছে, এই নেই।  এরশাদ আস্থাভাজন বন্ধু নন। রাজনীতিতে  আওয়ামী লীগ এত  মিত্রহীন কবে ছিল?

পাঁচ. দীর্ঘ ১০ বছর ক্ষমতায় থাকলেও আওয়ামী লীগ সাংগঠনিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছে। এই দুর্বলতার প্রধান কারণ কোন্দল এবং বহিরাগতদের অনুপ্রবেশ। এই সংগঠন কঠিন পরিস্থিতি কীভাবে মোকাবেলা করবে সে প্রশ্ন আওয়ামী লীগ নেতাদেরই।

এই পাঁচ বাধা কাটিয়ে তবেই আওয়ামী লীগের তৃতীয়বারে ক্ষমতায় আসার স্বপ্ন পূরণ হবে। আওয়ামী লীগ কি তা পারবে?

বাংলা ইনসাইডার/জেডএm

বঙ্গবন্ধুর প্রকৃত সন্তানরা একবার ক্ষেপে গেলে রাস্তায় চলতে পারবেন না।

চট্রগ্রাম দক্ষিন জেলা আওয়ামীলীগের কথিত অর্থ সম্পাদক, এবং আগামী সংসদ নির্বাচনে বাঁশখালী আসনে নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী তিনি।
বাঁশখালীর মাটিতে আজ পর্যন্ত কখনো জয়বাংলা বলেন নি,আওয়ামীলীগ পরিচয় দিতে তিনি বারবার লজ্জাবোধ করেন বাঁশখালীতে। আওয়ামীলীগের পদে থেকে তিনি সর্বদলীয় ভাবে নির্বাচন করতে চান।জামায়াত, হেফাজত তার কাছে আলেম ওলামা,,তিনি যেন সর্বদলীয় অনাথ আশ্রম খুলেছেন।খুদ-খুড়ার লোভে একজন প্রকৃত বঙ্গবন্ধু অনুসারি তার প্রতিষ্টিত অনাত আশ্রমে নিতে না পারলেও আওয়ামী মুখুশে অনেক পাকি নষ্টবীর্য শিবির কে ঠিকই তার অনাথ আশ্রমে স্থায়ী ভাবে ঠাঁই দিয়েছেন।
আওয়ামীলীগের পদে থাকলেও কোনদিন আওয়ামীলীগের ব্যানারে বাঁশখালীতে সমা সমাবেশ না করলেও সম্প্রতি তিনি জাতীয় পার্টির ছাত্র সংগঠন "ছাত্র সমাজের " ব্যানারে দক্ষিন বাঁশখালী কেন্দ্রীক, শিবির,হেফাজতি,দের ঐক্যবদ্ধ করতে পেরেছেন।
সমগ্র দক্ষিন বাঁশখালীতে তার টাকায় লালিত হয় একাত্তরের নষ্টবীর্য জামায়াত শিবির।জামায়াতের আমির তার কাছে দেবতুল্য। নরঘাতক সাঈদীর চাঁদে যাওয়ার দিন জলদীর সংখ্যালঘু দয়াল হরির হত্যাকারিরা তার কাছে মেধারী সাহসি বীর।জামায়াত আমিরের পিতা তার কাছে বিরাট ওলি, জিন্দাপীর।
পীরের ছেলে তার উপদেষ্টা হবেন এটাই স্বাভাবিক।
জনাব এই সব ভন্ডামি বাদ দেন,আওয়ামীলীগ বিক্রি বন্ধ করেন।জামায়াত,বিএনপি, হেফাজত নিয়ে সর্বদলীয় অনাথ আশ্রমের ব্যানারে নির্বাচনের প্রস্তুতি নেন।জনকের কালজয়ী আদর্শের সংগঠনকে আর বিক্রি করবেন না।বঙ্গবন্ধুর প্রকৃত সন্তানরা একবার ক্ষেপে গেলে রাস্তায় চলতে পারবেন না।

 

অবশ্য আপনার অনেক টাকা একটা হেলিকপ্টার কিনে নিতে পারবেন হয়তো,কিন্তু জনাব মাটিতে নামতে পারবেন কি??
সাধু সাবধানৃ



গাজী জাহেদ ভাইয়ের টাইমলাইন থেকে 

ইতিহাসের পাঠ


৯৬৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাস।শহীদ আসাদ মতিয়ুরের রক্ত মূলধনের পটভুমিতে সৃষ্ট ঐতিহাসিক গন অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে টগবগ করে ফুটছে বাংলাদেশ।রাজপথ জনপথ বিদির্ন করা শ্লোগান তখন একটাই - "শেখ মুজিবের মুক্তি চাই।"

বাংলার অবিসংবাদী নেতা মুজিব তখনো কারাগারে বন্দী। সেনানিবাসের অভ্যন্তরে আগরতলা  মামলা তখনও চলছে। এর মধ্যে ১৫ ফেব্রুয়ারি খবর এলো পাক সেনাবাহিনী ক্যান্টনমেন্টের অভ্যন্তরে মামলার অন্যতম অভিযুক্ত সার্জেন্ট জহুরুল হককে গুলি করে হত্যা করেছে। এ নির্মম হত্যার খবর নিমিষেই ছড়িয়ে গেলো সবখানে।আর সাথে সাথে রাজপথের মিছিলের শ্লোগানে আসলো ঝটিতি পরিবর্তন। "বীর বাঙালি অস্ত্র ধর,বাংলাদেশ স্বাধীন কর/"জহুরের রক্ত স্বাধীনতার মন্ত্র/" জহুরের রক্ত বৃথা যেতে দেবোনা/" -এই হয়ে গেলো মূল শ্লোগান। তারপরের ইতিহাস সবারই জানা।
     
এরপর ১৯৭০ সালের ১৫ ই ফেব্রুয়ারি পালন করা হয় সার্জেন্ট জহুর দিবস। এসময়েই গঠিত হয়েছিল "ফেব্রুয়ারী ১৫ই বাহিনী" ,পরে যা "জয় বাংলা বাহিনী"তে পরিনত হয়েছিল । সেই বছর সার্জেন্ট জহুরের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী পালন উপলক্ষে একটা বিরাট র‍্যালী আমরা করেছিলাম। অন্যান্য শ্লোগানের সাথে একটা গান আমরা সবাই কোরাসের মত করে গেয়েছিলাম।

"আসাদ-জোহা-মতিয়ুর-রুস্তম
জহুরের রক্তে রক্তনিশান এঁকেছি।
তাইতো মোরা সবকিছু ভুলে
এক মিছিলে মিলেছি।
ভুলিনি তাদের মোরা ভুলিনি
আমরা তাদের মনে রেখেছি।
আকাশের বুকে উজ্জ্বল তারা হয়ে
তারা রবে চির অম্লান"।

সম্ভবত:ছাত্রলীগের সিনিয়র নেতা নাসিরুল ইসলাম বাচ্চু ও কেন্দ্রীয় সংসদের সাহিত্য সম্পাদক এই গানটি লিখেছিলেন। আমার এখনো মনে আছে,ছাত্রনেতা গোলাম ফারুকের সুরে,তাঁর গলায় গলা মিলিয়ে কোরাস পদ্ধতিতে এই গানটা গাইতাম সবাই মিলে।শ্লোগানের ফাঁকে ফাঁকে আমরা গাইতাম এই গান।মনে পড়ে যায়,যেন ভুল না হয়,সেজন্য ডাকসুর প্যাডে আমি স্বহস্তে লিখে রেখেছিলাম সেই অমর গান।আজ আটচল্লিশ বছর পর সবার জন্য ফেসবুকে বয়ান দিলাম সেই গান ;সাথে লিখে রাখা সেই পাতা।
জয় বাংলা।
ফেব্রুয়ারি মাস।শহীদ আসাদ মতিয়ুরের রক্ত মূলধনের পটভুমিতে সৃষ্ট ঐতিহাসিক গন অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে টগবগ করে ফুটছে বাংলাদেশ।রাজপথ জনপথ বিদির্ন করা শ্লোগান তখন একটাই - "শেখ মুজিবের মুক্তি চাই।"

বাংলার অবিসংবাদী নেতা মুজিব তখনো কারাগারে বন্দী। সেনানিবাসের অভ্যন্তরে আগরতলা  মামলা তখনও চলছে। এর মধ্যে ১৫ ফেব্রুয়ারি খবর এলো পাক সেনাবাহিনী ক্যান্টনমেন্টের অভ্যন্তরে মামলার অন্যতম অভিযুক্ত সার্জেন্ট জহুরুল হককে গুলি করে হত্যা করেছে। এ নির্মম হত্যার খবর নিমিষেই ছড়িয়ে গেলো সবখানে।আর সাথে সাথে রাজপথের মিছিলের শ্লোগানে আসলো ঝটিতি পরিবর্তন। "বীর বাঙালি অস্ত্র ধর,বাংলাদেশ স্বাধীন কর/"জহুরের রক্ত স্বাধীনতার মন্ত্র/" জহুরের রক্ত বৃথা যেতে দেবোনা/" -এই হয়ে গেলো মূল শ্লোগান। তারপরের ইতিহাস সবারই জানা।
     
এরপর ১৯৭০ সালের ১৫ ই ফেব্রুয়ারি পালন করা হয় সার্জেন্ট জহুর দিবস। এসময়েই গঠিত হয়েছিল "ফেব্রুয়ারী ১৫ই বাহিনী" ,পরে যা "জয় বাংলা বাহিনী"তে পরিনত হয়েছিল । সেই বছর সার্জেন্ট জহুরের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী পালন উপলক্ষে একটা বিরাট র‍্যালী আমরা করেছিলাম। অন্যান্য শ্লোগানের সাথে একটা গান আমরা সবাই কোরাসের মত করে গেয়েছিলাম।

"আসাদ-জোহা-মতিয়ুর-রুস্তম
জহুরের রক্তে রক্তনিশান এঁকেছি।
তাইতো মোরা সবকিছু ভুলে
এক মিছিলে মিলেছি।
ভুলিনি তাদের মোরা ভুলিনি
আমরা তাদের মনে রেখেছি।
আকাশের বুকে উজ্জ্বল তারা হয়ে
তারা রবে চির অম্লান"।

সম্ভবত:ছাত্রলীগের সিনিয়র নেতা নাসিরুল ইসলাম বাচ্চু ও কেন্দ্রীয় সংসদের সাহিত্য সম্পাদক এই গানটি লিখেছিলেন। আমার এখনো মনে আছে,ছাত্রনেতা গোলাম ফারুকের সুরে,তাঁর গলায় গলা মিলিয়ে কোরাস পদ্ধতিতে এই গানটা গাইতাম সবাই মিলে।শ্লোগানের ফাঁকে ফাঁকে আমরা গাইতাম এই গান।মনে পড়ে যায়,যেন ভুল না হয়,সেজন্য ডাকসুর প্যাডে আমি স্বহস্তে লিখে রেখেছিলাম সেই অমর গান।আজ আটচল্লিশ বছর পর সবার জন্য ফেসবুকে বয়ান দিলাম সেই গান ;সাথে লিখে রাখা সেই পাতা।
জয় বাংলা।

times24

দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে বাঁশখালীতে আওয়ামীলীগের প্রতিবাদ সমাবেশ

দেশবিরোধী চক্রান্ত – ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে  কালীপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, তাঁতিলীগ,শ্রমিক লীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠন...