বুধবার, ২২ আগস্ট, ২০১৮

বিশিষ্ট জনদের ফৌজদারী অপরাধে অভিযুক্ত ব্যাক্তিদের নিঃশর্ত মুক্তির আবদার এবং জনমনে অজস্ত্র প্রশ্ন!!

অভিযুক্ত ব্যাক্তির 'নিঃশর্ত মুক্তি' এবং 'জামিন' এক কথা নয়৷যে কোন ফৌজদারী মামলায় উপযুক্ত আদালতে জামিন চাওয়ার অধিকার নাগরীকদের সাংবিধানিক অধিকার এবং জামিন পাওয়ার অধিকারও সাংবিধানিক৷ মামলায় জামিন পাওয়ার অর্থ এই নয় যে--মামলার বিচার হবেনা, মামলাটির মেরিট বিনষ্ট হয়েছে অথবা মামটির অপমৃত্যু ঘটেছে৷
    দেশদ্রোহীতা, গুজব সৃষ্টি ও প্রচার, উদ্দেশ্যমূলক আইন শৃংখলা অবনতি ঘটানোর নিমিত্তে উস্কানী, মিথ্যা বক্তব্য প্রকাশ ও প্রচার, পরিকল্পিত ও উদ্দেশ্যমূলক ষড়যন্ত্র ইত্যাদি রাষ্ট্রের দৃষ্টিতে ফৌজদারী অপরাধ৷
    সম্প্রতি জনস্বার্থ সম্পৃত্ত অহিংস 'কোটা আন্দোলন ও শিশু কিশোরদের নিরাপদ সড়ক আন্দোলন'কে কেন্দ্র করে, যে সমস্ত 'ব্যাক্তি ও প্রতিষ্ঠান, সামাজিক, ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক সংগঠন, জনসম্পৃত্ত মিডিয়া,গোষ্টি, সম্প্রদায় অথবা রাজনৈতিক দল তাঁদের কায়েমী স্বার্থ চরিতার্থ করার উদ্দেশ্যে আন্দোলনে অনুপ্রবেশ অথবা অন্যস্থান থেকে সহিংসতা বা সহিংসতার উস্কানি দিয়েছে, নিঃসন্দেহে তাঁরা বৃহত্তর জনগোষ্টির স্বার্থহানী ঘটানোর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছিলেন৷ বৃহত্তর জনগোষ্টির স্বার্থে পরিচালিত 'কোটা ও সড়ক' অহিংস আন্দোলনে শান্তিপূর্ণ অংশগ্রহন-- উৎসাহী যে কোন নাগরিকের নাগরিক অধিকার৷ অপরপক্ষে উক্ত শান্তিপূর্ণ  আন্দোলনকে সুরক্ষা দেয়া রাষ্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব ও কর্তব্য৷
    রাষ্ট্র এবং সরকার উল্লেখিত আন্দোলনে সহিংসতার উদ্দেশ্যে অনুপ্রবেশ, মিথ্যা গুজব সৃষ্টি, মিথ্যা প্রকাশ ও প্রচার, রাষ্ট্রযন্ত্র, রাষ্ট্রের  এক বা একাধিক অঙ্গের বিরুদ্ধে অপপ্রচার, সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারী ব্যাক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নিয়েছেন৷ দেশ ও জনগনের কল্যানে সরকারের উল্লেখিত পদক্ষেপ অত্যান্ত সুখকর, সময়োপযোগী, বাস্তবমূখী এবং সার্বিক আইন শৃংখলা রক্ষায় যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে সর্বমহলে প্রসংশিত হচ্ছে এবং আরো হবে৷ 
    বিগত অর্ধশত বছর বাংলাদেশের ছাত্র জনতা আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষে রাজপথে নিয়ন্তর আন্দোলন সংগ্রামে বুকের তাজা রক্ত ঢেলে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার অধিকার অর্জন করেছে৷জনগনের প্রত্যক্ষ নির্বাচনে জিজয়ী  বর্তমান সরকার  রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হওয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশের জনগনগনের পক্ষে "আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার  কায্যকর উদ্যোগ গ্রহন করবে ইহাই স্বাভাবিক৷
     বাংলাদেশের জনগনের কাংক্ষিত আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় বিঘ্ন সৃষ্টিকারী প্রত্যেক ব্যাক্তি ও সংস্থার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের অধিকার জনগন মহান মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের মাধ্যমে অর্জন করেছিল৷ মহান জাতি বাঙ্গালীর মহৎ জনক বঙ্গবন্ধু ১৯৭২ ইং সালে প্রনিত বিশ্বের শ্রেষ্ঠ লিখিত সংবিধানে, সাংবিধানিকভাবে জনগনের আকাংক্ষা প্রতিষ্ঠিত করেছিল৷
    দুঃখ্যজনক হলেও সত্য-অবৈধ রাষ্ট্র ক্ষমতা দখলকারী প্রেতাত্বার সরকার দীর্ঘ বছর জনগনের কষ্টার্জিত সংবিধান পরিবর্তন, পরিবর্ধন, স্থগিত, বাতিল, সংযোজন, বিয়োজন করে আইনের শাসন ভুলুন্ঠিত করে বাংলাদেশের জনগনের সঙ্গে চরম প্রতারনা অব্যাহত রেখেছিল৷
     মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশের জনগন প্রায় অর্ধশত বছর নিয়ন্তর  আন্দোলন সংগ্রামে প্রতিনিয়ত রক্তের বন্যায় রাজপথ রঞ্জিত করে, অসংখ্য প্রানের বিনিময়ে, অজস্ত্র সম্পদ বিনষ্টের মাধ্যমে পূণঃরায় তাঁদের হৃত গৌরব, সংবিধান, সাংবিধানিক অধিকার, রাষ্ট্র  পরিচালনার অধিকার অর্জন করেছে৷
     জনগনের সরকার জনস্বার্থ  বিবেচনায় সরকার পরিচালনা করবে, সাংবিধানিক রীতিনীতি কঠোরভাবে অনুসরণ করবে,আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার চলমান প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখবে, দুষ্টের দমন শিষ্টের পালন নীতি অনুসরণ করবে, উন্নয়ন অগ্রগতির চলমান চাকা সচল রাখবে, জনগনের সম্পদের সুরক্ষা দিবে,সদা সর্বদা জনকল্যানে নিবেদিত থাকবে সর্বোপরি কল্যান রাষ্ট্র বিনির্মানের পথে বাধা অপসারনে প্রয়োজনে রাষ্ট্রশক্তি প্রয়োগ করবে--জনগন একান্তভাবেই কামনা করে৷
   সম্প্রতি উদ্ভেগজনক ভাবে লক্ষ করছি-- বিভিন্ন মিডিয়ায় ফৌজদারী মামলায় আইন শৃংখলা বাহিনী কতৃক গ্রেপ্তারকৃত ব্যাক্তিদের কৃত অপরাধ সম্পর্কে জেনেশুনে কতিপয় বরেন্য বুদ্ধিজীবি, শিল্পি, সাহিত্যিক, সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ তাঁদের 'নিঃশর্ত মুক্তি' দেয়ার আবদার করছেন৷ ইহা একান্তই অনভিপ্রেত, বালক সুলভ, নির্বুদ্ধিতা, স্বজনপ্রীতি, অনধিকারচর্চা, আইনের শাসন পরিপন্থি এবং  সাক্ষাৎ অপরাধ এবং অপরাধির পক্ষাবলম্বন বলে আমি মনে করি৷ বাংলাদেশের জনগন দেশ ও জনগনের সম্মানের আধাঁর বিশিষ্ট ব্যাক্তিদের নিকট ফৌজদারী অপরাধীদের নিঃশর্ত মুক্তি দাবী আশা করেনা৷
    উনারা'ই তো বলেন-"আইন সবার জন্য সমান"৷ উনারা কিভাবে, কোন বিবেকে রাষ্ট্রের আইন শৃংখলা বাহিনী কতৃক ধৃত রাষ্ট্রদ্রোহী ফৌজদারী অপরাধিদের নিঃশর্ত মুক্তি দাবী করেন? শুধু তাই নয়-তাঁদের সমতুল্য কোন এক বিশিষ্ট নাগরিকের বিচার এড়িয়ে যেতে রাষ্ট্রকে বাধ্য করতে চান?বাংলাদেশের জনগন প্রতিটি ক্ষেত্রে কতিপয় বিশিষ্ট বরেন্য ব্যাক্তিদের প্রতিনিয়ত দ্বিচারিতা আশা করেনা৷
   
     "জয়বাংলা    জয়বঙ্গবন্ধু"

জয়বাংলার শ্লোগানে শ্লোগানে মুখরিত বাঁশখালীর রাজপথ যেন ঐক্যবদ্ধতার নিদর্শন


যথাযথ মর্যাদায় জাতীয় শোকদিবস উৎযাপন করার লক্ষে,নন্দিত প্রিয়নেতা আলহাজ্ব Abdullah Kabir Liton ভাইয়ের নেতৃত্বে,বাঁশখালী উপজেলা তৃনমূল আওয়ামী লীগ,যুবলীগ,ছাত্রলীগ আয়োজিত আজকের শোকর‍্যালীতে সাধারন জনতার সতস্ফুর্ত অংশগ্রহন বাঁশখালী আওয়ামীলীগের ইতিহাসে নতুন মাইফলকের সৃষ্টি।

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে,বাঁশখালীর রাজপথে সাধারন জনতার সতস্ফুর্ত অংশগ্রহনই জানান দেয়,আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লিটন ভাইয়ের বিচক্ষণ নেতৃত্বে বাঁশখালীর মুজিব পরিবার সুসংগঠিত,ঐক্যবদ্ধ।

ভয়াল /রক্তাক্ত ২১শে আগষ্ট


আগষ্ট মানেই ষড়যন্ত্র এবং ষড়যন্ত্রকারীদের মেলবন্ধন।
এই ষড়যন্ত্র হচ্ছে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে।
এই ষড়যন্ত্র হচ্ছে বঙ্গবন্ধুর পরিবারের বিরুদ্ধে।
এই ষড়যন্ত্র হচ্ছে বাঙালি জাতীয়তাবাদের বিরুদ্ধে।
এই ষড়যন্ত্র হচ্ছে বাংলাদেশকে পাকিস্তানি করনের ষড়যন্ত্র।
এই ষড়যন্ত্র হচ্ছে স্বাধীনতার পরাজিত শক্তি এবং তাদের দোসরদের ষড়যন্ত্র।

৭৫ এর ১৫ই আগষ্টের ধারাবাহিকতায় ২০০৪ সালের ২১শে আগষ্ট বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ সহ বঙ্গবন্ধু কণ্যা আজকের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে চিরতরে সরিয়ে দেবার জন্য বিএনপি সরকার এবং কুচক্রি জিয়া পুত্র তারেক রহমানের ব্লুপ্রিন্ট অনুযায়ী বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে আয়োজিত সন্ত্রাসবিরোধী সমাবেশে ইতিহাসের ভয়াবহ গ্রেনেড হামলা চালানো হয়। এক নিমিষেই পুরো বঙ্গবন্ধু এভিনিউ মৃত্যুপুরীতে রুপান্তরিত হয়। একের পর এক গ্রেনেড বিস্ফোরণে ছিন্ন ভিন্ন হয়ে পড়ে শতশত মানুষ। সেদিন ঘটনাস্থলে নিহত হন ১৬ জন। তন্মধ্যে আইভী রহমান অন্যতম। গ্রেনেডের স্পিলিন্টার শরীরে বয়ে বছর দেড়েকের মাথায় মারা যান আওয়ামী লীগের জনপ্রিয় নেতা মেয়র মোহাম্মদ হানিফ।

এই ষড়যন্ত্র ছিল স্পষ্টতই বঙ্গবন্ধু কণ্যাকে হত্যার ষড়যন্ত্র।
এই ষড়যন্ত্রের সাথে জড়িত বিএনপি -জামায়াতের উর্ধ্বতন নেতৃবৃন্দ।
এই ষড়যন্ত্রে জড়িত পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা।
এই ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নে সমন্বিতভাবে অংশগ্রহণ করেছিল আমাদের দেশেরই গোয়েন্দা সংস্থা।
ষড়যন্ত্রকারীদের ছোড়া গ্রেনেড যদি সেদিন সমাবেশে রাখা ট্রাকে বিস্ফারিত হতো তবে বঙ্গবন্ধু কণ্যা সহ আওয়ামী লীগের কোন সিনিয়র নেতৃবৃন্দই সেদিন প্রানে রক্ষা পেতেন না। গ্রেনেড ছুড়ে বঙ্গবন্ধু কণ্যাকে হত্যা করতে না পেরে সেদিন শেখ হাসিনাকে বহনকারী বুলেটপ্রুফ গাড়িটি লক্ষ্য করে ঘাতকরা বৃষ্টির মতোই গুলি ছুড়েছিল। বঙ্গবন্ধু কণ্যার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা কর্মী ল্যান্স কর্পোরাল মাহবুবুর রশীদ সেদিন নিজের জীবন দিয়ে রক্ষা করেন বঙ্গবন্ধু কণ্যাকে। তৎকালীন সরকারের ইশারায় 'লুকিং শত্রুজ' তৎকালীন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী মিঃ লুৎফুজ্জামান বাবর ষড়যন্ত্রকারীদের বাঁচাতে মঞ্চস্থ করে 'জজ মিয়া' নাটক।

বিচার বিভাগীয় তদন্তও হয় এবং যথারীতি তৎকালীন সরকারের 'জজ মিয়া' নাটকের দৃশ্য এন্ডোর্সড করে যায়!!
আজকাল আদালত স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে কত আদেশ -নির্দেশ দিয়ে যায় কিন্তু সেইদিন আদালত কোথায় ছিল??? কোথায় সেই বিচারপতি যিনি বিভাগীয় তদন্ত করেছিলেন??? ষড়যন্ত্রকারীদের সাথে সেই বিচারপতিকে কেন বিচারের কাঠগড়ায় দাড় করানো হবেনা?
আগষ্ট উপস্থিত হলেই যে ষড়যন্ত্রকারীরা হামলে পড়ে এবং উৎসাহিত হয় তার বড় প্রমাণ হলো ২০১৭ সালের আগষ্ট এবং ২০১৮ সালের আগষ্ট মাসেও খোন্দকার মোশতাকের প্রেতাত্মারা আমেরিকার অঙ্গুলি হেলনে ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে!!
তাই, পুনর্বার সকলকে আহ্বান জানাই, শোকের লেবাস খুলে ফেলে প্রতিবাদ এবং প্রতিরোধের মন্ত্রে দীক্ষিত হওয়ার জন্য।

বাঁশখালীতে সার্ক সংগঠনের ব্যানারে বেপরোয়া ছাত্রশিবির'কৌশলে সরকার বিরোধী জনমত গঠনে ব্যস্ত

নিষি
নিষিদ্ধের দ্বারপ্রান্তে দাড়িয়েও অনেকটা পূর্বের ন্যায় সক্রিয় আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিপ্রাপ্ত বিশ্বের তৃতীয় স্বশস্ত্র সন্ত্রাসী সংগঠন ইসলামী ছাত্রশিবির।আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে ৭১এর ঐ তথাকথিত পরাজিত শক্তি,জামায়াত বিএনপির ঔরসজাত সন্তানেরা সারাদেশে ভিন্ন ভিন্ন সংগঠনের ব্যানারে রাজপথ শুধু সক্রিয় নয়।কখনো এরা কোটা আন্দোলনের নামে,কখনো বা নিরাপদ সড়কের নামে রাজপথে নেমে উন্মোচিত করেছে তাদের পূর্ব পরিচয়।কখনো ধর্মের দোহাই,কখনো বা গুজবের আশ্রয় সাধারন মানুষকে বিভ্রান্ত করে সরকার বিরোধী ঐক্যমত সৃষ্টি করতে কৌশলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে কাজে লাগিয়েছে মদুদীপুত্রদ্বয়।
#সার্কঃ-
শিবিরের একাধিক উপ সংগঠনের মধ্যে আপাতত সার্কই একমাত্র সংগঠন,যে সংগঠনের নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ  বাঁশখালীতে বসবাসরত রাজাকার বিবির সন্তানেরা।

বাঁশখালীঃ-
যার অতীত যেমনই হোক,বর্তমান সম্পূর্ন ভিন্ন।
যেখানে এমনও একটা সময় ছিলো,যে সময়ে অনেকেই প্রিয় মাতৃভূমিকে মিনি পাকিস্তানে আদলে নামান্তর করেছিলেন।কিন্তু আজ অনেকটা..................!!

বিগত কয়েক মাসের ব্যবধানে সারা দেশের মানুষ দেখেছে,সাধারনের ভীড়ে অসাধারনদের যতসব উপস্থিতি।কোটা বলেন কিংবা নিরাপদ সড়ক,উভয়েই ছিলো শিবিরের সৃষ্টি।
ঠিক তেমনি সার্ক মানবাধিকার সংগঠনের ব্যানারে বাঁশখালী মধুদিপুত্রদ্বয়ের বেপরোয়া সক্রিয়তা বাঁশখালী আওয়ামীলীগ পরিবারের জন্য অশুভ লক্ষণ।যাদের উপরের আবরণ যেমনই হউক,এদের লক্ষ্য সরকার বিরোধী জনমত গঠন।
সবার জ্ঞার্থে বলছি,
বাংলাদেশে আজ পর্যন্ত এমন কোন সংগঠনের আর্বিভাব ঘটেনি,যে সংগঠনের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড সারা রাত ধরেই চলে।দিনে যেমন তেমন,রাত হলে চিপাচাপা গলিতে তৎপর.................

দীর্ঘ সময় ধরে এদের গতিবিধির উপর নজরদারি এবং সংশ্লিষ্ট সংগঠনের সদস্যদের অতীত বর্তমান রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের আলোকে প্রতিবেদন সহকারে এদের মুখোশ উম্মোচন করছি।
সাথে থাকুন।

মঙ্গলবার, ২১ আগস্ট, ২০১৮

তৃনমূল মুজিব প্রেমিদের স্বপ্ন সারথি


"আলহাজ্ব আবদুল্লাহ কবির লিটন" স্রোতের প্রতিকুলে সকল বৈরিতাকে তুচ্ছকরে জননি জন্মভুমি কে ভালবেসে জনকের আদর্শে জনকের সংগঠন কে সংগঠিত করে অবহেলিত তৃনমূল কর্মিদের পুনরায় সংগঠন মুখি করার লড়াইয়ে বিপ্লবী একটি নাম।কোন পদ নেই,পদবি নেই,সরকারি হালুয়া রুটি,

(টিআর,কাবিখা) নেই তবুও দুই যুগের অধিক সময় ধরে, নিজের কষ্টার্জিত অর্থ ব্যয় করে প্রাণের সংগঠনকে সংগঠিত করার প্রয়াস চালাচ্ছেন যা বর্তমান ভোগবাদী রাজনীতিতে বিরল।
আজকে অনেক ভোগবাদী, অাদর্শ বিবর্জিত নেতা দম্ভ করে বলেন "লিটন" আওয়ামীলীগের কেউনা কিন্তু তারা জানেনা বঙ্গবন্ধুর কালজয়ী আদর্শ চর্চায় কারো সার্টিফিকেট বা পরিচয় পত্র লাগেনা।
Abdullah Kabir Liton বিশ্বাস করেন আওয়ামীলীগ করতে পদ-পদবি লাগেনা।জনক, জন্মভুমির প্রতি ভালবাসায় যথেষ্ট।তিনি বিশ্বাস করেন আওয়ামীলীগ বাঁচলেই বাঁচবে বাংলাদেশ,সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাবে ৫৬ হাজার বর্গমাইলের মানচিত্র।শ্যামল বাংলার রক্তেভেঁজা পলি মাটিতে উড়বে লাল- সবুজের পতাকা।ধর্মান্ধ শুকুনেরা কখনো মাথা তুলতে পারবেনা কথিত দ্বি-জাতি তত্বকে মিথ্যা প্রমান করে স্বাধীনতা ছিনিয়ে আনা বাঙালীর আবাসভুমি এ বাংলাদেশে।নেতৃত্বের ব্যর্থতায় এবং কথিত সওদাগরি নেতৃত্বের কালোটাকার নেশায় যখন বাঁশখালী আওয়ামীলীগ বিপর্যস্ত,ত্যাগি কর্মিরা যখন সংগঠন বিমুখ,কথিত নেতাদের হামলা,মামলায় যখন নিগৃহীত জনকের আদর্শিক সন্তান, ঠিক তখনি উত্তাল সাগরে একখন্ড ভেলা হয়ে ডুবন্ত মুজিব পরিবারকে বাঁচাতেই বাঁশখালীর রাজনীতিতে লিটন ভাইয়ের আগমন।হ্যামিলনের বাঁশি ওয়ালার মত যাদুকরি সুরে বিনি সুতোর মালায় গেঁথে ঐক্যবদ্ধ করেছেন প্রাণের কর্মিদের।সাহস জুগিয়েছেন,বিপদে পাশে দাড়িয়েছেন সাধারন কর্মিদের।নিজের জিবন বিপন্ন জেনেও সবসময় আগলে রেখেছেন সংগঠন ও আদর্শিক কর্মিদের। তাইতো হন্তারকের ছোড়া হাজারো তপ্ত বুলেটের সামনে নিজে বুকপেতে দাড়িয়েছেন, প্রিয় কর্মিরা হাজার বুলেট বুকে নিয়ে রক্তে রাজপথ রন্জিত করেছেন তবুও নেতার প্রতি অবিচল আস্থায় রাজপথ ছাড়েন নি।আজন্ম অসাম্প্রদায়িক চেতনা লালন করা ব্যক্তি জিবনে ধার্মিক এ মানুষটির হাতেই নিরাপদ জনকের সংগঠন এবং প্রিয় জনপদ বাঁশখালী।
আগামী সংসদ নির্বাচনে তিনিই নৌকার একমাত্র যোগ্য প্রার্থি।
জয়বাংলা -জয় বঙ্গবন্ধু

সাবেক ছাত্রনেতা গাজী জাহেদ ভাইয়ের টাইমলাইন থেকে

গনভবনে'র ঈদ শুভেচ্ছা কার্ড হাতে কে এই যুবক?


এই লোক কে?
কী তার রাজনৈতিক পরিচয়?
কোন ক্ষমতার বদৌলতে এরা প্রধানমন্ত্রীর গণভবনে আমন্ত্রণ পত্র পায়?
আর কারা এসব ব্যক্তিদের আমন্ত্রণ পত্র দেন?তারা কী দলের স্বার্থের অনেক র্উধ্বে কেউ?যাকে এই আমন্ত্রণ পত্রটি দিচ্ছেন তার ব্যক্তিগত পরিচয় কী?সে দলের কোন পদে আছে,কোথায় আছে?

 আদৌ আছে কিনা তার কোনো খোজখবর না নিয়েই গণভবনে যাবার আমন্ত্রণ পত্র ধরিয়ে দিলো!!!

এই ব্যক্তি বিএনপির লোক
নাম আরিফ হাসান অপু।

  নেত্রীকে নিয়ে আমরা সাধারণ কর্মীরা চিন্তিত।কারণ আওয়ামীলীগের মধ্যেই সর্ষের মধ্যে ভূত লুকিয়ে আছে।গতবছর  দিয়েছে রাজশাহীর এক ইয়াবা ব্যবসায়ী কে, চট্টগ্রামের শিবির এক কর্মীকে!!!

এবার দেখুন কে এই লোক  ২১ আগষ্টে গ্রেনেড হামলা করে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী  শেখ হাসিনাকে হত্যা করে আওয়ামীলীগে নাম নিশানা মুছে ফেলতে চেয়েছিল,সেই বিএনপির বংশধর, যার রক্তের এক কোণাতেও আওয়ামীলীগের চিহৃ নাই।

 সে গণভবনে প্রবেশের জন্য নেত্রীর ঈদ শুভেচ্ছার কার্ড পায়। যশোর যুবলীগের নামে।

দুঃখজনক দলের ভেতর কিছু স্বার্থান্বেষী চক্র আছে,তারাই শুধু মাত্র বন্ধুত্ব আর বাণিজ্যের খাতিরে স্বাধীনতা বিরোধীদের সাথে হাত মিলিয়ে ফায়দা লুটছে।সকল সুযোগ সুবিধা নিচ্ছে।

দলীয় কর্মীরা কাজ না পেলেও এই ব্যক্তি একের পর এক কাজ পেয়ে যায়, আর দলের কর্মীরা বেকার থাকে। কোনো কাজের সুপারিশ করলে আওয়ামীলীগ কর্মীদের ভাগ্যে সেই কাজ ঝুটেনা।আর গণভবনের প্রবেশের অনুমোদন তো দুরের কথা গেট পর্যন্ত যাওয়ার অনুমতি পায়না আওয়ামীলীগ তৃণমূল কর্মীরা।

অথচ যেসব এমপি বা দলে অনুপ্রবেশকারী হাইব্রিড কাউয়া নেতা আছে তারাই ঠিকই তাদের জাতি ভাইদের আমন্ত্রণ কার্ড দিয়ে নিজেদের ফায়দা লুটে নিচ্ছেন। দলের কারো বন্ধু কারো আত্মীয় হওয়ার সুবাদে ।

 আরিফ হাসান অপুর পরিবারের সবাই বিএনপি করে,অপু বিএনপি'র ঠিকাদারী করে এবং একজন বন্ধু আছে তার মাধ্যমে আওয়ামী লীগে থেকে সব শুবিধা নিচ্ছে।

দলের কর্মীরা এতো ত্যাগ করেও গণভবনের শুভেচ্ছা কার্ড পাওয়ার স্বপ্নেও দেখেনা,কিন্তু বিএনপির রক্তবীজরা ঠিকই পেয়ে যাচ্ছে গনভবনের অামন্ত্রন পত্র।এই কাউয়ারা ফেসবুকে অামন্ত্রন পত্রের ছবি পোষ্ট দিয়ে প্রচার করছে যাচ্ছে তারা জাতীয় নেতা । তারা গনভবনের কার্ড পায়। অার অামাদের বঙ্গবন্ধু'র সৈনিকগন শুধু তাঁদের অামন্ত্রন পত্র দেখে অাফসোস করে যায়, বাকিটা ইতিহাস।

আজ ভীষণ ভয় হচ্ছে চিন্তা হচ্ছে,সত্যি দলের কিছু সুবিধাবাদীদের জন্য নেত্রীর জীবন নিরাপত্তা ঝুকিতে।আল্লাহ সহায় হবেন আমাদের শেষ আশ্রয় আর ভরসাস্থল আমাদের প্রাণপ্রিয় নেত্রীকে তুমি রক্ষা করিও সকল দুর্বৃত্তদের হাত থেকে।

রবিবার, ১২ আগস্ট, ২০১৮

গুজব ও শিবির নেতৃত্বে প্রশ্নবিদ্ধ ছাত্র-আন্দোলন

√ছাত্র আন্দোলন
একাধিক সুনির্দিষ্ট কারনবশত সদ্য সমাপ্ত ছাত্র-আন্দোলন বাংলাদেশের মানুষের কাছে অবশ্যই স্মরণীয় হয়ে থাকবে।আন্দোলনের শুরুটা যেমনই হোক না কেন.?মাঝ আর শেষটাই ছিলো দেশ ও স্বাধীনতার অস্তিত্ব বিনাশের আরো একটি ব্যর্থ মিশন।
নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের ব্যানারে ছাত্রছাত্রীদের যৌক্তিক দাবির আন্দোলনে'জামায়াত শিবিরের অনুপ্রবেশ এবং কৌশলে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে আন্দোলনকে শুধু ভিন্নখাতে প্রভাবিত করেনি। বরং গুজবের উপর ভর করে ছাত্রদের গ্রহনযোগ্য আন্দোলনের উপর ঘৃণ্য প্রলেপ লেপন করিয়েছে ঐ ৭১পরাজিত শক্তিদ্বয়ের অশুভ অস্থিত্বের।
বাংলাদেশের জম্মলগ্ন থেকে সদ্য সমাপ্ত আন্দোলনের পূর্ববর্তী সংঘটিত  অগনিত আন্দোলন সংগ্রামে বিচক্ষণ নেতৃত্ব বাংলাদেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্যে স্মারকবুকে জায়গা করে নিয়েছে।
একটা আন্দোলন,একাধিক অজানা তথ্যের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়,  শিক্ষা দেয়,পরিচয় করিয়ে দেয় ডিজিটাল গুজব কাহিনীর সাথে..................!
পরিচয় করিয়ে দেয়,মুখোশের আড়ালে পুরোদমে বেপরোয়া লুকানো সব জাত শত্রুদের!যারা নির্দিষ্ট সময়ের সময়ের জন্য,কিংবা নির্দিষ্ট কোন উদ্দেশ্য বা মিশনকে সামনে রেখে তথ্য সংগ্রহ বা টিকিয়ে থাকার লড়াইয়ে সাময়িক নিরাপদ উৎসের সন্ধানে আপনার/আমার পাশ ঘেষে দিব্যি ....................।

জানিনা ঐ অশুভ শক্তির সাময়িক বিচরণে কে কি লক্ষ্য করেছেন?
তবে,
এইবারের এই ছাত্র আন্দোলন আমার কাছে আজীবন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
নিরাপদ সড়ক আন্দোলনকে সামনে রেখে সাধারান ছাত্রছাত্রীদের দাবি বাস্তবায়নের জন্য পেশকৃত একাধিক দাবি সমুহকে,যৌক্তিক দাবি বলে উল্লেখ্য এবং ধারাবাহিক ভাবে তাদের পেশকৃত সব গুলো দাবীর সঠিক বাস্তবায়ন,প্রিয়নেত্রী গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সফল প্রধানমন্ত্রী  দেশরত্ন শেখ হাসিনা প্রকাশ্যে ঘোষনা প্রদানের সাথে সাথেই সাধারন ছাত্রছাত্রীদের গ্রহনযোগ্য নৈতিক দাবি আন্দোলনের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রন বা নেতৃত্ব নিয়ে নেয় শিবির +ছাত্রদলের ক্যাডারেরা।যেখানে নেতৃত্বের হাত বদলের সাথে সাথেই আন্দোলন গতিবিধি পরিবর্তন করে,আন্দোলনকে ভিন্নখাতে প্রভাবিত করে জামায়াত শিবির ও ৭১এর তৎকালীন স্বাধীনতা বিরুধীরা...।

যা কিনা, পূর্ব-পরিকল্পনার অংশ হিসেবে অনলাইনের বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সমূহতে,যেমন ফেইসবুক,টুইটারে একাধিক সাজানো গুজব ছড়িয়ে দিয়ে মুহুর্তের মধ্যেই ছাত্রছাত্রীদের দাবী আদায়ের আন্দোলনকে সরকার বিরোধী আন্দোলনে রূপান্তর করে রাজাকার #বিবির_সন্তানেরা!

এডিট করা বিভিন্ন রক্তমাখা ছবি,বিভিন্ন দেশের নারী নির্যাতনের ছবি এবং ধর্ষনের গুজব কাহিনী  ছড়িয়ে দিয়ে'বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে হামলা করাই ছিলো তাদের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।যাদের ধারনায় ছিলো,সরকার দলীয় সংগঠনের প্রধান কার্যালয়ে হামলা হলে,তা ক্রমান্বয়ে ছড়িয়ে পড়বে দেশের প্রত্যান্ত অঞ্চলে।একসাথে আক্রান্ত হবে দেশের সরকার দলীয় রাজনৈতিক কার্যালয়।শিবিরের একাধিক সাইটে এখনো তার সত্যতা প্রমাণ মেলে।
(মাধ্যমঃ)-> গুজব
 
সভ্য সমাজের মানুষ হিসেবে আমাদের অবশ্যই গর্ব করা উচিত।সভ্যতার আড়ালে অসভ্যতার আবরণে ডাকা মানুষ গুলো আজো গুজবে মগ্ন হয়ে চিলের পিছনে দৌড়াতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে।
বাস্তবতা এই যে জামাতিদের ৫মিনিটের সাজানো গুজব কাহিনীতেও নিমগ্ন হয়ে স্বেচ্ছায় উলঙ্গ হয়,দেশের অসচেতন নির্বোধ ০.৭%আমজনতা।যাদের অজ্ঞাতাকে  কাজে লাগিয়ে দেশের শত্রু,পাকের বন্ধু মদুধি পুত্রদ্বয়ের দেশদ্রোহী কার্য সমূহও মাঝেমধ্যে এভাবেই কারো না কাঁধে ভর করে,গুজব আর রাষ্ট্রীয় ক্ষতিসাধনের সহিত তাদের অশুভ অস্তিত্বের জানান দেয়।
এরা সংখ্যায় হয়তো নগন্য,কিন্তু ঐক্যবদ্ধ।সব ঋতুতেই যেন সমানে সমান।এরা ধর্মকে পুঁজি করে নিজের স্বার্থ হাসিল করে,যারা ধর্ম ব্যবসায়ী নামে সর্ব মহলে পরিচিত।আর্ন্তজাতিক পরিচয় বলতে," ইউনেস্কো কর্তৃক বিশ্বের ৩নং সন্ত্রাসী সংগঠন উপাধীতে ভূষিত।
√√√√

শুরুতেই লিখেছিলাম,
অশুভ ছায়ায় আক্রান্ত গত ছাত্র-আন্দোলনে,যা দেখেছি,যা বুঝেছি,যা শিখেছি,তা আমৃত্যু স্মরণীয় হয়ে থাকবে।আর প্রকাশ্যে উন্মোচিত হওয়া মুখোশ গুলো সারা জীবন ঘৃণার চোখে পরিলক্ষিত হবে।
কেন থাকবে না? কেন হবে না?
আপনারাই বলুন।

√√ দেশে বর্তমান শিক্ষার হার আকাশ ছোয়া।শিক্ষিত ব্যক্তি বা সমাজের সংখ্যাও যেখানে নেহাত কম নয়।সেখানে সচেতন ব্যক্তির সংখ্যা দেখে............

হাইরে গুজব।

√√ প্রিয় সংগঠনে বিভিন্ন সময়ে এসে পেট ও পিট বাচাতে আশ্রয় নেওয়া অতিথিদের গনবিদায়ের দৃশ্য যেমনই হোক না কেন,সংগঠন কিন্তু আগাছা মুক্ত হয়েছে।যারা সংগঠনের বিভিন্ন ইউনিটে নেতৃত্বে ছিনিয়ে নিতে কৌশলে গ্রুপিং লাগিয়ে দিয়ে৷ ভাগিয়ে নিয়েছিলো প্রিয় সংগঠনের পদপদবী৷
তারাই সরকারের নিশ্চিত পতন ভেবে  ফেইসবুকে পদত্যাগ নাটক' আমাদের চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে।

স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তির তথা অস্থিত্বের স্থায়ী বিনাশে ওরা কতটা আগ্রাসী।চেয়ে দেখুন ওরা
কতটা বেহায়া,কতটা প্রতিশোধ পরায়ণ..।

প্রিয় সংগঠনের অভিভাবকদের দৃষ্টি আকর্ষন করছি,তাদের স্থায়ী বহিষ্কার করুন,যারা ছাত্র-আন্দোলনকে উসকে দিতে ছাত্রলীগ কে নিয়ে নোংরা মন্তব্যের সহিত পদ-পদবি থেকে তাদের জাত ভাইদের ঈশারায় সংগঠনের দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করেছিলো।ছাত্রলীগকে বিতর্কিত করতে মোস্তাকের ভূমিকায় অবর্তীন্ন হয়েছিলো।যারা অনুপ্রবেশের সহায়তায় প্রিয় সংগঠনের চারপাশে আগাছার ন্যায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে।
ওদের সংখ্যা খুব একটা নয়,যাদের মুখোশ উন্মোচিত হয়েছে,তাদের চিনে রাখুন।আর যারা লুকিয়ে আছে,তাদের সনাক্ত করুন।নাহলে আরো একটা সমস্যার মুখামুখি দাড়াতে হবে প্রিয় সংগঠনকে..............

যদিও নিজেদের আরেকদফা নিশ্চিত  পরাজয় জেনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উস্কানিমূলক প্রসবকৃত তাদের  স্টাটাসসহ সরকার বিরোধী সকল স্টাটাস, নোংরা মন্তব্য ও গুজব নাটকের দৃশ্য সমূহ সংশ্লিষ্ট শুয়ারের বাচ্চাদের টাইম লাইন থেকে আস্তে আস্তে হারিয়ে যাচ্ছে।তবে স্কীনশর্ট.........??

আর এখনো যারা আগাছা হয়ে কৌশলে প্রিয় সংগঠনের আনাচে কানাচে মুকোশের আড়ালে লুকিয়ে আছে,তাদের ছিন্হিত করার এটাই উপযুক্ত সময়।যাদের সনাক্ত করতে বেশি কিছু আয়োজনের প্রয়োজন নেই।
শুধু গত/বিগতে হওয়া অশুভ ছায়ায় আবৃত ব্যর্থ আন্দোলন গুলোর শুরু এবং শেষ সময় গুলোতে প্রিয় সংগঠনের নাম ভাংঙ্গিয়ে চলা/প্রিয় সংগঠনের নেতৃত্বে থাকা আপনার/ আমার/আপনাদের সহযোদ্ধাদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং সংগঠনের প্রয়োজনে অর্পিত দায়-দায়িত্বের চিত্র গুলোতেই চোখ রাখুন।

চিনতে পারবেন.........
√অনুপ্রবেশকারী।

দেখতে পাবেন..........
√সুবিধাবাদী।

লজ্জিত হয়েছি আমি,লজ্জিত হবেন আপনি।কেননা আপনার/আমার/ আমাদের ব্যর্থতার সমষ্টিতেই সৃষ্টি এদের সিংহভাগ অস্তিত্ব ।somuy.blogspot.com

বৃহস্পতিবার, ৫ জুলাই, ২০১৮

আগামী কালের পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি স্থগিত


- বৈরি আবহাওয়ার কারনে,পূর্ব নির্ধারিত (০৫/০৭/২০১৮)ইউনিয়ন পর্যায়ে,নৌকার বিজয় তরান্বিত করার লক্ষে বাঁশখালী উপজেলা আওয়ামীলীগ যুবলীগ, ছাত্রলীগের উদ্দ্যেগে আয়োজিত   গন-সংযোগ কর্মসূচী আগামী এক সপ্তাহের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। ১৩/০৭/২০১৮ তারিখ হইতে পূর্ব নির্ধারিত ৯নং গন্ডামারা ইউনিয়নসহ অন্যান্য ইউনিয়ন সমুহের পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি যথা সময়েই অনুষ্টিত হবে। বিঃদ্রঃ- স্থগিত ইউনিয়ন সমূহে গন-সংযোগ কর্মসূচি'র তারিখ ও সময় পরবর্তিতে তৃনমূল
আওয়ামীলীগ,যুবলীগ,ছাত্রলীগের অবিভাবক,আলহাজ্ব Abdullah Kabir Liton ভাইয়ের দিক নির্দেশনায় অনুষ্ঠিত হবে। জয়বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু।

বৃহস্পতিবার, ৮ মার্চ, ২০১৮

স্বাধীনতার অপরনাম ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষন'' চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগ


' ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষনকে ইউনেস্কো কর্তৃক স্বাকৃতিদান ও আন্তর্জাতিক মহলে তুলে ধরায় চট্টগ্রাম দক্ষিন জেলা ছাত্রলীগের মিছিল পরবর্তী পথসভা অনুষ্ঠিত। উক্ত মিছিল ও পভাসভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা ছাত্রলীগের বিপ্লবী সহ-সভাপতি তাওহীদুল ইসলাম জেকী, এম ইসতিয়াক আলম চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক হোছাইন মোহাম্মদ, হামিদ হোসেন, সহ-সম্পাদক রিপন তালুকদার, দক্ষিনজেলা ছাত্রলীগ নেতা সামশেদ হোসেন উমর সহ জেলা ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ ও চট্টগ্রাম দক্ষিনের আওতাধীন বিভিন্ন উপজেলা ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ।। উক্ত মিছিল ও পথসভা সফল ভাবে সম্পন্ন হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

times24

দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে বাঁশখালীতে আওয়ামীলীগের প্রতিবাদ সমাবেশ

দেশবিরোধী চক্রান্ত – ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে  কালীপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, তাঁতিলীগ,শ্রমিক লীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠন...