অজ্ঞতায় আত্মনিমগ্ন কতিপয় কিছু অমানুষ ব্যতীত, দেশের কোনো সচেতন নাগরিকই' আশাকরি বাঁশখালী নিয়ে ঢালাওভাবে নেতিবাচক মন্তব্য পোষণ করবে না। গুটিকয়েক অমানুষের কারণে পুরো বাঁশখালীবাসীকে কেউ এক পাল্লায় পরিমাপ করবে না।
বাঁশখালীতে জলদস্যুদের আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠান প্রসঙ্গে নেতিবাচক মন্তব্য প্রসবকারী তথাকথিত হলুদ সাংঘাতিকদের জ্ঞার্থে বলছি, বলদের পরিচয় না দিয়ে, সবার আগে তথ্য উপাত্ত ভালো করে যাচাই করুন। দয়াকরে বাঁশখালী প্রসঙ্গে কেউ অহেতুক মনগড়া নেতিবাচক মন্তব্য প্রসব করবেন না। কষ্টটা আমাদেরও লাগে। যদিও এইরূপ মন্তব্য করার অধিকারও কেউ রাখে না। বাঁশখালীতে জলদস্যুের আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠান মানে, বাঁশখালী চোর-ডাকাতের ঘাটি নয়, বাঁশখালী চোর ডাকাতের অভয়ারণ্য নয়। নয় চোর-ডাকাতের মিলনমেলা। আজকের অনুষ্ঠানও কিন্তু বাঁশখালীর কথিত ডাকাতদের আত্মসমর্পণের মাঝে সীমাবদ্ধতা ছিলো না, ছিলো কুতুবদিয়া মহেশখালী পর্যন্ত বিস্তৃত।তাছাড়া আত্মসমর্পণকৃত ১১বাহিনীর ৩৪ জলদস্যুর অধিকাংশের বাড়িও কিন্তু কুতুবদিয়া মহেশখালী, বাঁশখালী নয়।
কাজেই,
কুতুবদিয়া মহেশখালীর পরিবর্তে বাঁশখালীতে আত্মসমর্পণের অনুষ্ঠান করায় 'যে বা যারা সাংঘাতিক পরিচয়ে বাঁশখালী নিয়ে বিরূপ মন্তব্য রটাচ্ছেন, আমরা বাঁশখালীবাসী তাদের প্রতি চরম ক্ষোভ প্রকাশ করছি । এবং সেই সাথে ধিক্কার জানাচ্ছি সেইসব তথাকথিত জানোয়াদেরর প্রতি' যাদের নোংরা মনমানসিকতার কারণে আবারো সারাদেশে আমরা বাঁশখালীবাসী নেগেটিভভাবে উপস্থাপিত হয়েছি। এটি তাদের জন্য আনন্দের খোরাক হতে পারে, আমাদের জন্য লজ্জার।
