মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০

ভাইয়ের অপমানে ফেইসবুকে কালবৈশাখী ঝড় হয়,কিন্তু #নেত্রীর অপমানে মেঘ'ও হয় না।

অতিথি কলামিস্টঃ হোছাইন মোহাম্মদ।   



মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা আজ ভাইলীগের নেতা নয় বলেই, এই জঘন্য কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে #ভাইলীগের নেতাকর্মীদের কোনরূপ সাড়াশব্দ নেই। অথচ নেত্রীর ছবির জায়গায় আজ যদি কোনো #ভাইয়ের থাকতো, তাহলে এতক্ষণে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দফায় দফায় দমকা হাওয়া শুরু হতো। ফেইসবুক-জুড়ে বয়ে যেতো কালবৈশাখীর মহাপ্রলয়। 

#ফেইসবুক" বাংলাদেশের বর্তমান রাজনীতির বিশাল প্লাটফর্ম। যার কাছে মার খেয়েছে মাঠের রাজনীতি। হারিয়ে গেছে #রাজপথ। 


সংগঠনের নাম ব্যবহার করে, সংগঠন প্রদত্ত সকল সুযোগ সুবিধা ভোগ করে 'ফেইসবুকে কেবল সেলফি আর কুলফির প্রতিযোগিতায় মেতে উঠাকে সাংগঠনিক দায়িত্ব বলে না। 

ভাইয়ের সম্মান রক্ষার প্রয়োজনে বা গ্রুপিং রাজনীতির স্বার্থে কিংবা বিকৃত মন-মানসিকতার কারনে' প্রিয় সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা অনলাইনে কত জটিল পারদর্শিতায় নিজেদের সহযোদ্ধাদের ফেইসবুক আইডি রিপোর্টে রিপোর্টে চান্দে পাঠায়। অথচ সে পারদর্শিতার ১%-ও যদি নেত্রীর ছবি বিকৃতিকারীদের নিম্নোক্ত ফেইসবুক আইডি গুলোর বিরুদ্ধে সক্রিয় হয়, তাহলে এই বেজন্মা কুলাঙ্গারের বাচ্চারা ডিম্বাণুতেই ধ্বংস হতো। 


ওহে ভাইলীগের ভাইয়েরা, হতে কি পারে না !? 

দেশের রাজনীতির নয়া প্লাটফর্মে এটাও প্রিয় সংগঠনের নেতাকর্মীদের সাংগঠনিক কর্মকান্ডের অবিচ্ছেদ্য অংশ.? অবাক লাগে, তরী আজ কানায় কানায় পরিপূর্ণ, অথচ সুসময়ে কোথাও ঠাঁই হয়না প্রকৃত নেতাকর্মীর।


ইতিহাস হয়ে থাকবে,

জাতির পিতার সেই হিমালয় তুল্য সোনার তরী,সুসময়ে কাউয়া আর সুশীলে গিয়াছে ভরি। আগাছা পরগাছা আর বিষাক্ত কীটপতঙ্গে ভরে উঠা প্রিয় সংগঠনের নেতাকর্মীদের সাংগঠনিক কর্মকান্ডে আমি কর্মী হিসেবে বিব্রত। ছাত্রনেতা পরিচয়ে লজ্জিত।


বিঃদ্রঃ

       [সঙ্গত কারনে' ছবি কমেন্টে]

times24

দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে বাঁশখালীতে আওয়ামীলীগের প্রতিবাদ সমাবেশ

দেশবিরোধী চক্রান্ত – ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে  কালীপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, তাঁতিলীগ,শ্রমিক লীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠন...