সোমবার, ২৭ আগস্ট, ২০১৮

তৈলার দ্বীপ সেতুর নামকরণ মৌলভী সৈয়দের নামে করা হোক।


জাতীর জনক বঙ্গবন্ধুর হত্যার প্রথম প্রতিবাদকারী,চট্টগ্রাম পুর্বাঞ্চলীয় গেরিলা বাহিনীর প্রধান,চট্টগ্রাম নেভাল অপারেশন জেকপট প্রধান বেজ কমান্ডার,চট্টগ্রাম আওয়ামী যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি,বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ মৌলভী সৈয়দ আহমদের শাহাদাত বার্ষিকীতে আমার দাবী:
তৈলার দ্বীপ সেতুর নামকরণ মৌলভী সৈয়দের নামে করা হোক।

#অগ্নিশপথ

রবিবার, ২৬ আগস্ট, ২০১৮

১৫ আগস্ট বেগম খালেদা জিয়ার জন্মদিন ব্যারিস্টার মওদুদ কী বলেন ?

১৫ আগস্ট বেগম খালেদা জিয়ার #জন্মদিন ? অবশ্যই না। তবে কেন ? তিনি হঠাৎ ১৯৯৬ সাল থেকে ১৫ আগস্ট তাঁর জন্ম দিন পালন করা শুরু করলেন-এই নিবন্ধ থেকে তা অনেকটা জানা যাবে। #সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট রাতের অন্ধকারে কিছু বিপথগামী সেনাসদস্য স্বপরিবারে হত্যা করে রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করে নেয়। #দীর্ঘ ২১ বছর পর ১৯৯৬ সালের সাধারণ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ রাষ্ট্র ক্ষমতায় এলে ১৫ আগষ্টকে জাতীয় শোক দিবস হিসেবে ঘোষনা করে এবং দিনটি জাতীয় ভাবে পালনের সরকারী সিন্ধান্ত গৃহীত হয়। আর তখনই একটা হীন মতলবে শোক দিবসের পাল্টা হিসেবে একই দিন বেগম খালেদা জিয়ার জন্ম দিনের উৎসব পালন করার ব্যাপারটির সূত্রপাত ঘটে। প্রত্যেক মানুষের একটি জন্মদিন থাকে। ঘটা করে অনেকে তা পালনও করে থাকেন। আর সেলিব্রেটির জন্মদিন হলে তো কথাই নেই। তা তারা নিজের পালন না করলেও ভক্ত, সমর্থক, অনুসারীরা তা পালন করে থাকেন। বেগম খালেদা জিয়া নিঃসন্দেহে এদেশের অন্যতম একজন সেলিব্রেটি। ১৫ আগস্ট যদি বেগম খালেদা জিয়ার জন্মদিন হতো তাহলে কোন কথাই ছিল না। জাতীয় শোক দিবস হউক বা অন্য যাই হোক না কেন, একই দিনে কারো জন্ম হলে সে কী তার জন্ম দিন পালন করবে না ? অবশ্যই করবে। কিন্তু ১৫ আগস্ট বেগম জিয়ার প্রকৃত জন্ম দিন নয়। এটা তাঁর বানানো জন্ম দিন এবং এই জন্ম দিনের শুরু ১৯৯৬ সালের সাধারণ নির্বাচনের পর। উদ্দেশ্য কেবলমাত্র ঘোষিত জাতীয় শোক দিবসের শোক প্রকাশকে তুচ্ছ, তাচ্ছিল্য, ও খাটো করা। বেগম খালেদা জিয়ার আসল জন্মদিন যা তাঁর পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বিয়ের কাবিন এবং ১৯৯১ সালে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর সরকারী সূত্রে গণ

মাধ্যমগুলির রেকর্ডে নথিভুক্ত আছে। ১৯৮১ সালের ৩০শে মে প্রেসিডেন্ট জিয়া নিহত হওয়ার পর থেকেই বিএনপিতে রাজনৈতিক বিশৃংখলা দেখা দেয়। বিএনপির রাজনৈতিক শৃংখলা ফিরিয়ে আনতে বেগম জিয়া রাজনীতিতে আসেন। গৃহবধু থেকে রাজনৈতিক দলের নেত্রী হওয়ার পর বেগম জিয়ার সাফল্য সম্পর্কে সংশয় প্রকাশ করেছিলেন তাঁরই পিতা ইসকান্দার মজুমদার। তিনি এবং তাঁর স্ত্রী তৈয়বা খাতুন তাঁদের তৃতীয় মেয়ে খালেদা খানম পুতুলের জন্ম, শিক্ষা, বিয়ে, বংশ পরিচয় ও পারিবারিক পরিচয় তুলে ধরেছিলেন ১৯৮৪ সালে একটি সাপ্তাহিক পত্রিকায়। উক্ত সাক্ষাৎকারের এক অংশে পিতা ইসকান্দার মজুমদার বলেছিলেন, আমার তৃতীয় মেয়ে হচ্ছে খালেদা। খালেদার জন্ম ১৯৪৫ সালের ৫ সেপ্টেম্বর একটি ঐতিহাসিক দিনে, যে দিন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয়ে বিশ্বের বুকে শান্তি এলো। আমাদের ফ্যামিলি ফিজিসিয়ান ছিলেন ডাঃ অবনী গোস্বামী। তিনি বলেছিলেন আপনার এই মেয়ে অত্যন্ত ভাগ্যবতী হবে। তার নাম আপনারা শান্তি রাখুন। সাপ্রদায়িক পরিস্থিতির কারণে সেটা তখন সম্ভব ছিল না। তাই তার ডাক নাম রাখলাম পুতুল। খালেদা জিয়া সবারই আদরের এবং দেখতে শুনতেও সবার চেয়ে ভালো ছিল। সেজন্য আমরা পুতুল বলেই ডাকতাম। আজো সেই নামেই আমরা ডাকি। তার পুরো নাম ছিল খালেদা খানম। ১৯৬১ সালে খালেদার সাথে জিয়াউর রহমানের বিয়ে হয়। তখন জিয়া ছিল ক্যাপ্টেন। ডি.জি.এফ আইয়ের অফিসার হিসিবে তার পোষ্টিং ছিল দিনাজপুর। জিয়া ছিল আমার স্ত্রীর ভাগ্নে। তার চাচাত বোনের ছেলে। খালেদা সেবার মেট্রিক পরীক্ষা দিয়েছে মাত্র। বিয়ের কয়েক দিন আগে জিয়া আমাদের বাসায় এসে একদিন হঠাৎ করে বলে বসলো আপনারা আগামী শুক্রবারের মধ্যে যদি বিয়ে দেন তাহলে বিয়ে হবে, নইলে আর বিয়েই করব না।
আমরা বললাম বেশ তাই হবে। বিয়ে হয়ে গেল দিনাজপুরের মুদিপাড়ায়। বিয়েতে জিয়ার মামা, নানা ও বিভাগীয় অনেক বন্ধু-বান্ধব উপস্থিত ছিলেন। আমাদের বিয়ে হয়েছে ১৯৩৭ সালের ২৯ মার্চ। আমার স্ত্রীর জন্ম ১৯২৪ সালের মার্চ মাসে। নাম তৈয়বা খাতুন। তার বাপের বাড়ি দিনাজপুরের (বর্তমান পঞ্চগড়ের) চন্দন বাড়িতে। তারা মীর জুমলার বংশধর। বাংলাদেশী টি ফ্যামিলী নামে খ্যাত। এই ফ্যামেলি বক্সার যুদ্ধে বৃটিশ সরকারকে সমর্থন দিয়েছিল। পরে বৃটিশ সরকার তাদেরকে তামার পাতে লেখা সনদ উপহার দেয়। তারা বিনা খরচে ইংল্যান্ড যেতে পারতো। যার ফলে এদের ভিতরে অনেকেই মেম বিয়ে করে বিলেতবাসী হয়ে গেছেন। আমার শ্বশুড় ছিলেন জেলা সাব রেজিষ্টার। আমার স্ত্রীর কোন ভাই নেই। তারা দু’বোন। ঐ সাক্ষাৎকারের আরেক অংশ বেগম খালেদা জিয়ার মা তৈয়বা খাতুন তাঁর মেয়ে সম্পর্কে বলেছিলেন, ‘খালেদা খুব বেশি লেখাপাড়া করত না, তবে লেখাপড়ায় ভাল ছিল। নাচ শিখেছে ওস্তাদের কাছে। অনেক ফাংশনে নেচে পুরস্কার পেয়েছে। গান শুনতে ভাল বাসতো। কথা খুব বেশি বলতো না। লেখাপড়া করেছে প্রথমে মিশনারী কিন্ডারগার্টেন স্কুলে ও পরে দিনাজপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে’। বেগম জিয়ার মা-বাবা প্রদত্ত সাক্ষাৎকার অনুযায়ী তাঁর জন্ম তারিখ ৫ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫ সাল এবং লেখাপড়া হাইস্কুল পর্যন্ত। ১৯৬১সালে মেট্রিক পরীক্ষা দেওয়ার পরই তাঁর বিয়ে হয়ে যায়। বিয়ের পর লেখাপড়া করেছিলেন বলে তাঁর মা-বাবা উল্লেখ করেন নাই। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের রেকর্ডে দেখা যায় বেগম জিয়া ১৯৫৪ সালের ১লা জানুয়ারী দিনাজপুর সরকারী বালিকা বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণীতে ভর্তি হন। ভর্তি রেজিষ্টার অনুযায়ী তাঁর জন্ম তারিখ ৫ সেপ্টেম্বর ১৯৪৬ সাল। তিনি ঐ বিদ্যালয় থেকে ১৯৬১ সালে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মেট্রিকুলেশন পরীায় অংশ গ্রহণ করেন।
ঢাকা বোর্ডের রেকর্ডে দেখা যায় খালেদা খানম, পিতা মোহাম্মদ এসকান্দর অত্র বোর্ডের আওতাধীন দিনাজপুর কেন্দ্রের দিনাজপুর বালিকা বিদ্যালয় হইতে ১৯৬১ সালে মেট্রিকুলেশন পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করিয়া অকৃতকার্য হন। তাঁহার রোল নম্বর ছিল রোল-দিনা নং এফ-৭৯২। রেকর্ড মুলে তার জন্ম তারিখ ৫ সেপ্টেম্বর ১৯৪৬ সাল। ফলাফলে দেখা যায় তিনি ইংরেজী, ইতিহাস, ভুগোল ও ঐচ্ছিক বিষয়ে অকৃতকার্য হন। বিদ্যালয় ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের রেকর্ড থেকে দেখা যায় তাঁর জন্ম তারিখ ৫ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫ সাল এবং তিনি মেট্রিক ফেল করেছেন। পরবর্তীকালে তিনি আর মেট্রিক পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করেছিলেন বলে কোন রেকর্ড ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে নেই। মা-বাবার বক্তব্য অনুযায়ী বেগম জিয়ার জন্ম সাল এবং বিদ্যালয় ও শিক্ষা বোর্ডের রেকর্ডের জন্ম সালের মধ্যে এক বৎসরের পার্থক্য দেখা যায়। এর কারণ হচ্ছে বয়স কমানো। তাই জন্ম তারিখ ঠিক রেখে জন্ম সাল এক বৎসর কমিয়ে দেওয়া হয়। বেগম জিয়ার বিয়ের কাবিনে দেখা যায় তাঁর জন্ম তারিখ ৫ আগস্ট ১৯৪৪ সাল। এর কারণ হচ্ছে ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইন অনুযায়ী বেগম জিয়ার প্রকৃত জন্ম তারিখ ৫ সেপ্টম্বর ১৯৪৫ সাল বা শিক্ষা সনদের জন্ম তারিখ ৫ সেপ্টম্বর ১৯৪৬ সাল অনুযায়ী বিয়ের সময় তার বয়স দাঁড়ায় যথাক্রমে ১৪ বা ১৫ বছর। বিয়ের জন্য আইন সিদ্ধ নয়। তাই আইন সিদ্ধ করার জন্য জন্ম তারিখ এমনভাবে পিছানো হয় যাতে ১৬ বৎসর হয়। এখানে কাবিনের প্রয়োজনে জন্ম সাল এবং মাস পরিবর্তন করা হলেও তারিখ ৫ ঠিক রাখা হয়। ১৯৯১ সালের সাধারণ নির্বাচনে নির্বাচনী ফরমে এবং নির্বাচিত হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর বিভিন্ন পত্রিকার অফিসে এবং রেডিও ও টেলিভিশনে সরকারী ভাবে পাঠানো তার জীবন বৃত্তান্তে তার জন্ম দিন ১৯ আগস্ট ১৯৪৫ সাল উল্লেখ করে প্রচার করা হয়, যা ঐ সময়কার পত্র-পত্রিকায় লিড নিউজ আকারে ছাপা হয়।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দক্ষিণ কোরিয়া সফর কালে সরকারীভাবে ছাপানো প্রধানমন্ত্রীর জীবন বৃত্তান্তে এবং তাঁর লাল কূটনৈতিক পাসপোর্টে জন্ম তারিখ উল্লেখ আছে ৫ সেপ্টেম্বর ১৯৪৬ সাল। তাছাড়া অন্যান্য আরো অনেক সরকারী রেকর্ড পত্রে তাঁর জন্ম তারিখ ৫ সেপ্টেম্বর উল্লেখ আছে। গত তত্তবধায়ক সরকারের সময় প্রণীত জাতীয় পরিচয় পত্রে দেখা যায় বেগম জিয়ার জন্ম তারিখ ১৫ আগস্ট ১৯৪৭ সাল। এই সন তারিখ যে একেবারে সঠিক নয় তার প্রমাণ তাঁর শিক্ষা সনদ এবং বিয়ের কাবিন। শিক্ষা সনদ অনুযায়ী তিনি ১৯৬১ সালে মেট্রিক পরীক্ষায় অংশ নেন এবং বিয়েও হয় সেই ১৯৬১ সালে। শিক্ষা বোর্ডের নিয়মানুযায়ী একজন শিক্ষার্থীর সাধারণভাবে ১৬ বৎসর বয়সে মেট্রিক পরীক্ষায় অংশ নিয়ে থাকে। বিশেষ কারণে এক দুই বৎসর বেশ কম হতে পারে। তবে ১৪ বৎসরের কম বয়সে মেট্রিক পরীক্ষায় অংশ নেওয়া যায় না। আবার ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইন অনুযায়ী বিয়ের কনের বয়স কমপক্ষে ১৬ বৎসর পূর্ণ হতে হবে। ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট বেগম জিয়ার জন্ম হলে ১৯৬১ সালে তাঁর বয়স দাঁড়ায় মাত্র সাড়ে ১৩ বৎসর। এই বয়সে মেট্রিক পরীক্ষায় অংশ নেওয়া বা বিয়ের কাবিন রেজিষ্ট্রি করা মোটেও সম্ভব নয়। সম্প্রতি প্রকাশিত বিএনপির নীতিনির্ধারকদের অন্যতম সিনিয়র নেতা ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ লিখিত ‘কারাগারের দিনগুলি’ বইয়ে ১৫ আগস্ট বেগম জিয়ার জন্মদিনকে বিতর্কিত জন্মদিন বলে উল্লেখ করেছেন। বেগম জিয়ার এতগুলো জন্ম তারিখ ও সাল পর্যালোচনা করে দেখা যায় তিনি বিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার সময় জন্ম সাল বদলিয়েছেন বয়স কমানোর জন্য, বিয়ের কাবিনে জন্ম সাল এবং মাস বদলিয়েছেন বয়স বাড়িয়ে বিয়ে রেজিষ্ট্রি আইন সিদ্ধ করার জন্য। জাতীয় পরিচয় পত্রে জন্মসাল এবং তারিখ বদলিয়েছেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতির উদ্দেশ্যে ঘোষিত জাতীয় শোক দিবসের শোককে ম্লান করার জন্য। শোকের দিনে তথাকথিত জন্ম দিনের কেক কেটে আনন্দ উল্লাস, হৈ হুল্লা করার জন্য। যে মহান নেতার আত্মত্যাগ ও আজীবন সংগ্রামের ফসল এই স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। যার বদৌলতে অনেকের মত আজ গৃহবধু ও প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারে, বিরোধী দলীয় নেতার আসনে। যে মহান নেতার প্রত্যক হস্তক্ষেপে সে দিন যে গৃহবধুর সংসার টিকে ছিল, আজ সেই গৃহবধু সেই মহান নেতার মৃত্যু দিবসকে ম্লান করার জন্য নিজের ভূয়া জন্মদিন পালন করছেন।
                                                        সংগৃহীত

"আ. লীগের সামনে কঠিন সময়"

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আছে মাত্র ৪ মাস। অক্টোবরের শেষ নাগাদ নির্বাচন কমিশন ঘোষণা করবে তফসিল। আওয়ামী লীগ সরকার দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে প্রথমবারের মতো টানা দুই মেয়াদ পূর্ণ করতে যাচ্ছে। কিন্তু রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, সরকারের জন্য আগামী ৪ মাস অত্যন্ত কঠিন সময়। আওয়ামী লীগ এই ১২০ দিন সময় কীভবে এবং কতটা রাজনৈতিক দক্ষতায় পার করে সেটি দেখার বিষয়। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগকে অনেকগুলো বড় বাধা পেরুতে হবে। আওয়ামী লীগ সভাপতি এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও ঈদের দিন নেতাকর্মীদের বলেছেন, ‘এখানে শ্লোগান না দিয়ে এলাকায় যেতে, জনগণের সঙ্গে কথা বলতে।’ ঈদের আনন্দের মধ্যেও প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘সামনে কঠিন সময় আসছে।’

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছে, ডিসেম্বরে জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এর আগে আওয়ামী লীগকে অন্তত ৫ টি বড় বাঁধা পেরুতে হবে।

আওয়ামী লীগের এই পাঁচ বাধাগুলো হলো এরকম:

এক. শিক্ষার্থী এবং তরুণ ভোটারদের ক্ষোভ প্রশমন। গত কয়েক মাসে আওয়ামী লীগ সরকারের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সম্পর্কের টানাপোড়েন সৃষ্টি হয়েছে। কোটা সংস্কার আন্দোলন, নিরাপদ সড়ক আন্দোলনে শিক্ষার্থীরা রাজপথে নেমেছে। আগামী ৪ মাসে এই শিক্ষার্থী এবং তরুণদের আবার রাজপথে নামানোর চেষ্টা হতে পারে। তাদের সরকারের মুখোমুখি করার নীল নকশা হবে। শিক্ষার্থী ও তরুণদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রাখা এবং সরকারের প্রতিপক্ষ না করা আওয়ামী লীগের জন্য এক কঠিন চ্যালেঞ্জ।

দুই. বর্তমান প্রশাসন এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থা দৃশ্যত সরকারের পক্ষে। কিন্তু এদের মধ্যেও অনেকে আওয়ামী লীগ বিরোধী। অনেকেই আওয়ামী লীগ সেজে ঘাপটি মেরে অপেক্ষায় আছে। অক্টোবরের নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে এদের অনেকের চেহারা পাল্টেও যাবে। যেমন গিয়েছিল ২০০১ সালে। এটিও আওয়ামী লীগের জন্য এক কঠিন পরীক্ষা হবে।

তিন. আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিরোধীদলগুলো বিশেষ করে বিএনপির অংশগ্রহণ আওয়ামী লীগের জন্য এক অগ্নিপরীক্ষা। শেষ পর্যন্ত বিএনপি যদি ঐক্যবদ্ধ ভাবে নির্বাচন করে সেক্ষেত্রে তা আওয়ামী লীগকে এক কঠিন লড়াইয়ের সামনে নেবে। আবার যদি বিএনপি শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে অংশ না নেয়, তাহলে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করতে না পারার অভিযোগে  অভিযুক্ত হবে  ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। ২০১৪’র মতে, আরেকটি নির্বাচন কি দেশে এবং বিদেশে গ্রহণযোগ্য হবে?

চার. আওয়ামী লীগের দশ বছরের শাসনামলে দলটি ক্রমশ: বন্ধুহীন হয়ে পড়েছে। ১৪ দলের নাম সর্বস্ব রাজনৈতিক দলগুলো ছাড়া আওয়ামী লীগের মিত্র নেই। মুক্ত চিন্তার মানুষের সঙ্গেও আওয়ামী লীগের দূরত্ব হয়েছে। জাতীয় পার্টি, এই আছে, এই নেই।  এরশাদ আস্থাভাজন বন্ধু নন। রাজনীতিতে  আওয়ামী লীগ এত  মিত্রহীন কবে ছিল?

পাঁচ. দীর্ঘ ১০ বছর ক্ষমতায় থাকলেও আওয়ামী লীগ সাংগঠনিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছে। এই দুর্বলতার প্রধান কারণ কোন্দল এবং বহিরাগতদের অনুপ্রবেশ। এই সংগঠন কঠিন পরিস্থিতি কীভাবে মোকাবেলা করবে সে প্রশ্ন আওয়ামী লীগ নেতাদেরই।

এই পাঁচ বাধা কাটিয়ে তবেই আওয়ামী লীগের তৃতীয়বারে ক্ষমতায় আসার স্বপ্ন পূরণ হবে। আওয়ামী লীগ কি তা পারবে?

বাংলা ইনসাইডার/জেডএm

বঙ্গবন্ধুর প্রকৃত সন্তানরা একবার ক্ষেপে গেলে রাস্তায় চলতে পারবেন না।

চট্রগ্রাম দক্ষিন জেলা আওয়ামীলীগের কথিত অর্থ সম্পাদক, এবং আগামী সংসদ নির্বাচনে বাঁশখালী আসনে নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী তিনি।
বাঁশখালীর মাটিতে আজ পর্যন্ত কখনো জয়বাংলা বলেন নি,আওয়ামীলীগ পরিচয় দিতে তিনি বারবার লজ্জাবোধ করেন বাঁশখালীতে। আওয়ামীলীগের পদে থেকে তিনি সর্বদলীয় ভাবে নির্বাচন করতে চান।জামায়াত, হেফাজত তার কাছে আলেম ওলামা,,তিনি যেন সর্বদলীয় অনাথ আশ্রম খুলেছেন।খুদ-খুড়ার লোভে একজন প্রকৃত বঙ্গবন্ধু অনুসারি তার প্রতিষ্টিত অনাত আশ্রমে নিতে না পারলেও আওয়ামী মুখুশে অনেক পাকি নষ্টবীর্য শিবির কে ঠিকই তার অনাথ আশ্রমে স্থায়ী ভাবে ঠাঁই দিয়েছেন।
আওয়ামীলীগের পদে থাকলেও কোনদিন আওয়ামীলীগের ব্যানারে বাঁশখালীতে সমা সমাবেশ না করলেও সম্প্রতি তিনি জাতীয় পার্টির ছাত্র সংগঠন "ছাত্র সমাজের " ব্যানারে দক্ষিন বাঁশখালী কেন্দ্রীক, শিবির,হেফাজতি,দের ঐক্যবদ্ধ করতে পেরেছেন।
সমগ্র দক্ষিন বাঁশখালীতে তার টাকায় লালিত হয় একাত্তরের নষ্টবীর্য জামায়াত শিবির।জামায়াতের আমির তার কাছে দেবতুল্য। নরঘাতক সাঈদীর চাঁদে যাওয়ার দিন জলদীর সংখ্যালঘু দয়াল হরির হত্যাকারিরা তার কাছে মেধারী সাহসি বীর।জামায়াত আমিরের পিতা তার কাছে বিরাট ওলি, জিন্দাপীর।
পীরের ছেলে তার উপদেষ্টা হবেন এটাই স্বাভাবিক।
জনাব এই সব ভন্ডামি বাদ দেন,আওয়ামীলীগ বিক্রি বন্ধ করেন।জামায়াত,বিএনপি, হেফাজত নিয়ে সর্বদলীয় অনাথ আশ্রমের ব্যানারে নির্বাচনের প্রস্তুতি নেন।জনকের কালজয়ী আদর্শের সংগঠনকে আর বিক্রি করবেন না।বঙ্গবন্ধুর প্রকৃত সন্তানরা একবার ক্ষেপে গেলে রাস্তায় চলতে পারবেন না।

 

অবশ্য আপনার অনেক টাকা একটা হেলিকপ্টার কিনে নিতে পারবেন হয়তো,কিন্তু জনাব মাটিতে নামতে পারবেন কি??
সাধু সাবধানৃ



গাজী জাহেদ ভাইয়ের টাইমলাইন থেকে 

ইতিহাসের পাঠ


৯৬৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাস।শহীদ আসাদ মতিয়ুরের রক্ত মূলধনের পটভুমিতে সৃষ্ট ঐতিহাসিক গন অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে টগবগ করে ফুটছে বাংলাদেশ।রাজপথ জনপথ বিদির্ন করা শ্লোগান তখন একটাই - "শেখ মুজিবের মুক্তি চাই।"

বাংলার অবিসংবাদী নেতা মুজিব তখনো কারাগারে বন্দী। সেনানিবাসের অভ্যন্তরে আগরতলা  মামলা তখনও চলছে। এর মধ্যে ১৫ ফেব্রুয়ারি খবর এলো পাক সেনাবাহিনী ক্যান্টনমেন্টের অভ্যন্তরে মামলার অন্যতম অভিযুক্ত সার্জেন্ট জহুরুল হককে গুলি করে হত্যা করেছে। এ নির্মম হত্যার খবর নিমিষেই ছড়িয়ে গেলো সবখানে।আর সাথে সাথে রাজপথের মিছিলের শ্লোগানে আসলো ঝটিতি পরিবর্তন। "বীর বাঙালি অস্ত্র ধর,বাংলাদেশ স্বাধীন কর/"জহুরের রক্ত স্বাধীনতার মন্ত্র/" জহুরের রক্ত বৃথা যেতে দেবোনা/" -এই হয়ে গেলো মূল শ্লোগান। তারপরের ইতিহাস সবারই জানা।
     
এরপর ১৯৭০ সালের ১৫ ই ফেব্রুয়ারি পালন করা হয় সার্জেন্ট জহুর দিবস। এসময়েই গঠিত হয়েছিল "ফেব্রুয়ারী ১৫ই বাহিনী" ,পরে যা "জয় বাংলা বাহিনী"তে পরিনত হয়েছিল । সেই বছর সার্জেন্ট জহুরের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী পালন উপলক্ষে একটা বিরাট র‍্যালী আমরা করেছিলাম। অন্যান্য শ্লোগানের সাথে একটা গান আমরা সবাই কোরাসের মত করে গেয়েছিলাম।

"আসাদ-জোহা-মতিয়ুর-রুস্তম
জহুরের রক্তে রক্তনিশান এঁকেছি।
তাইতো মোরা সবকিছু ভুলে
এক মিছিলে মিলেছি।
ভুলিনি তাদের মোরা ভুলিনি
আমরা তাদের মনে রেখেছি।
আকাশের বুকে উজ্জ্বল তারা হয়ে
তারা রবে চির অম্লান"।

সম্ভবত:ছাত্রলীগের সিনিয়র নেতা নাসিরুল ইসলাম বাচ্চু ও কেন্দ্রীয় সংসদের সাহিত্য সম্পাদক এই গানটি লিখেছিলেন। আমার এখনো মনে আছে,ছাত্রনেতা গোলাম ফারুকের সুরে,তাঁর গলায় গলা মিলিয়ে কোরাস পদ্ধতিতে এই গানটা গাইতাম সবাই মিলে।শ্লোগানের ফাঁকে ফাঁকে আমরা গাইতাম এই গান।মনে পড়ে যায়,যেন ভুল না হয়,সেজন্য ডাকসুর প্যাডে আমি স্বহস্তে লিখে রেখেছিলাম সেই অমর গান।আজ আটচল্লিশ বছর পর সবার জন্য ফেসবুকে বয়ান দিলাম সেই গান ;সাথে লিখে রাখা সেই পাতা।
জয় বাংলা।
ফেব্রুয়ারি মাস।শহীদ আসাদ মতিয়ুরের রক্ত মূলধনের পটভুমিতে সৃষ্ট ঐতিহাসিক গন অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে টগবগ করে ফুটছে বাংলাদেশ।রাজপথ জনপথ বিদির্ন করা শ্লোগান তখন একটাই - "শেখ মুজিবের মুক্তি চাই।"

বাংলার অবিসংবাদী নেতা মুজিব তখনো কারাগারে বন্দী। সেনানিবাসের অভ্যন্তরে আগরতলা  মামলা তখনও চলছে। এর মধ্যে ১৫ ফেব্রুয়ারি খবর এলো পাক সেনাবাহিনী ক্যান্টনমেন্টের অভ্যন্তরে মামলার অন্যতম অভিযুক্ত সার্জেন্ট জহুরুল হককে গুলি করে হত্যা করেছে। এ নির্মম হত্যার খবর নিমিষেই ছড়িয়ে গেলো সবখানে।আর সাথে সাথে রাজপথের মিছিলের শ্লোগানে আসলো ঝটিতি পরিবর্তন। "বীর বাঙালি অস্ত্র ধর,বাংলাদেশ স্বাধীন কর/"জহুরের রক্ত স্বাধীনতার মন্ত্র/" জহুরের রক্ত বৃথা যেতে দেবোনা/" -এই হয়ে গেলো মূল শ্লোগান। তারপরের ইতিহাস সবারই জানা।
     
এরপর ১৯৭০ সালের ১৫ ই ফেব্রুয়ারি পালন করা হয় সার্জেন্ট জহুর দিবস। এসময়েই গঠিত হয়েছিল "ফেব্রুয়ারী ১৫ই বাহিনী" ,পরে যা "জয় বাংলা বাহিনী"তে পরিনত হয়েছিল । সেই বছর সার্জেন্ট জহুরের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী পালন উপলক্ষে একটা বিরাট র‍্যালী আমরা করেছিলাম। অন্যান্য শ্লোগানের সাথে একটা গান আমরা সবাই কোরাসের মত করে গেয়েছিলাম।

"আসাদ-জোহা-মতিয়ুর-রুস্তম
জহুরের রক্তে রক্তনিশান এঁকেছি।
তাইতো মোরা সবকিছু ভুলে
এক মিছিলে মিলেছি।
ভুলিনি তাদের মোরা ভুলিনি
আমরা তাদের মনে রেখেছি।
আকাশের বুকে উজ্জ্বল তারা হয়ে
তারা রবে চির অম্লান"।

সম্ভবত:ছাত্রলীগের সিনিয়র নেতা নাসিরুল ইসলাম বাচ্চু ও কেন্দ্রীয় সংসদের সাহিত্য সম্পাদক এই গানটি লিখেছিলেন। আমার এখনো মনে আছে,ছাত্রনেতা গোলাম ফারুকের সুরে,তাঁর গলায় গলা মিলিয়ে কোরাস পদ্ধতিতে এই গানটা গাইতাম সবাই মিলে।শ্লোগানের ফাঁকে ফাঁকে আমরা গাইতাম এই গান।মনে পড়ে যায়,যেন ভুল না হয়,সেজন্য ডাকসুর প্যাডে আমি স্বহস্তে লিখে রেখেছিলাম সেই অমর গান।আজ আটচল্লিশ বছর পর সবার জন্য ফেসবুকে বয়ান দিলাম সেই গান ;সাথে লিখে রাখা সেই পাতা।
জয় বাংলা।

আগামী মাসেই সিআইপি মুজিবদের(অনুপ্রবেশকারীদের)দল থেকে বের করে দিচ্ছে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ

কমিটি প্রধান ডা. দীপু মনি এই প্রতিবেদককে বলেন, আমরা প্রতিটি জেলা, উপজেলা, থানা ও ওয়ার্ড পর্যায়ে সার্বিক খোঁজখবর নিয়ে অনুপ্রবেশকারীদের তালিকা তৈরি করেছি। বর্তমানে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। আওয়ামী লীগের কোন কোন নেতার সঙ্গে সম্পর্ক করে দলে বিএনপি-জামায়াত অনুপ্রবেশ করেছে সে বিষয়ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তাদের তালিকাও তৈরি করা হচ্ছে।
জানা গেছে, অনুপ্রবেশকারীদের তালিকা চূড়ান্ত করার পর আওয়ামী লীগের বিভাগীয় আট সাংগঠনিক সম্পাদকের সঙ্গে বসবেন শেখ হাসিনা।
দলের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এমপি এই প্রতিবেদককে বলেন, ডা. দীপু মনির নেতৃত্বাধীন কমিটি অনুপ্রবেশকারীদের চিহিৃত করার কাজটি করছেন। তালিকার বিষয়টি কমিটির সদস্যদের বাইরে অন্য নেতারা কিছুই জানেন না। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের স্বার্থেই অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। আওয়ামী লীগের ত্যাগী নেতাকর্মীরা চরম দু:সময়েও শেখ হাসিনার সঙ্গে বেঈমানী করবে না। কিন্তু অনুপ্রবেশকারীরা আওয়ামী লীগের দু:সময়ে বেঈমানী করবে। বিশ্বাসঘাতকতা করবে।
আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী গত ২৩ জুন গণভবনে দলের বিশেষ বর্ধিতসভা করেন শেখ হাসিনা। কেন্দ্রীয় কমিটি, উপদেষ্টা পরিষদ, দলীয় এমপি, মহানগর, উপজেলা, থানা ও পৌরসভার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের নিয়ে সভা করেন তিনি। এরপর দুই ধাপে ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতাদের নিয়েও বর্ধিতসভা করেন শেখ হাসিনা। এই বর্ধিতসভায় শেখ হাসিনা অনুপ্রবেশকারীদের ব্যাপারে দলীয় এমপি ও মন্ত্রীদের কড়া হুশিয়ারি দেন। শেখ হাসিনা বলেন, আমার ত্যাগী নেতাকর্মীদের দূরে ঠেলে দিয়ে যারা নিজের দল ভারি করতে বিএনপি-জামায়াতের লোকদের দলে টেনেছেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদের আগামীতে মনোনয়ন দেওয়া হবে না।

শনিবার, ২৫ আগস্ট, ২০১৮

Milon Mela of Jamaat Shibir by the hand of CIP Mujib in Banskhali


Banskhali's acting Amir CIP Mujib led the acting Ameer led by Bazkhali Napor, we saw the real picture of all the students held in Tasaki.
Mr.
Mujib, as you should, in whatever way you are, you are the finance secretary of the Chittagong South District Awami League's current committee. After the meeting of your Yesterday, not the finance secretary, you have identified the Awami family of Banskhali as Jamaat's acting Ameer.

Again,
who gave the name of the Awami League in return for the money, they all are a hypocrite like you, Awami League nominated Jamaat's broker.
And you are a bigger Jamaat-e-Islami, it has proved to be the banner of the rally. You are comfortable to sell the name of Auamigalija. But jayabangla jayabangala bayarera jayabangbandhu will die in shame, how is it?

Sir,
Before the Awami League, then sell the name of Awami League. So what did you announce on a stage with the BNP Jamaat Shibir?
Awami League is not an ancestral property of anybody. But the paternal Jatiya Jamaat wants a bigger mind to get the license to sell the Awami League to the BNP.

"বাঁশখালীতে সিআইপি মুজিবের হাত ধরেই জামায়াত শিবিরের মিলন মেলা




বাঁখালীর তথাকথিত বিকর্তিত জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমীর সিআইপি মুজিবের নেতৃত্বে বাঁশখালী নাপোড়ায় অনুষ্ঠিত সর্বস্তরের ছাত্র সমাজের বাস্তব চিত্র দেখে টাসকি খেয়ে গেলাম।
জনাব,
মুজিব সাহেব,আপনি যেভাবেই হউক,যে প্রক্রিয়ায় হউক,আপনি চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামীলীগের বর্তমান কমিটির অর্থ সম্পাদক।আপনার গতকালের সমাবেশের পর অর্থ সম্পাদক নয়,আপনাকে বাঁশখালীর আওয়ামী পরিবার জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমীর হিসেবে চিন্হিত করা করেছে।

আবার প্রমাণ করে দিলেন,
টাকার বিনিময়ে যারা আওয়ামীলীগে নাম লেখায়,তারা সবাই আপনার মতো ভণ্ড লীগ,আওয়ামীলীগ নামধারী জামায়াতের দালাল।
আর আপনি কত বড় জামায়াতের দালাল,তা তো সমাবেশের ব্যানারই প্রমাণ করেছে।আওয়ামীলীগের নাম বিক্রি করতে, আপনি সাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।কিন্তু ব্যানারে জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু লিখতে লজ্জায় মরে যাবেন,তা কি করে হয়?

জনাব,
আগে আওয়ামী লীগ হউন,তারপর আওয়ামী লীগের নাম বিক্রি করুন।এভাবে বিএনপি জামায়াত শিবিরকে সাথে নিয়ে এক মঞ্চে দাড়িয়ে আপনি কিসের ঘোষণা দিলেন? আওয়ামীলীগ কারো পৈতৃক সম্পত্তি নই।
কিন্তু পৈতৃক ন্যায় জামায়াত বিএনপির কাছে আওয়ামী লীগ বিক্রি করার লাইসেন্স কই পাইলেন তা জানতে বড় মন চাই।

শুক্রবার, ২৪ আগস্ট, ২০১৮

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ সংশোধন,বিএনপি থেকে সরতে হচ্ছে খালেদা-তারেক

লাদেশের নির্বাচন পরিচালিত হয় গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) ১৯৭২ অনুযায়ী। এই আদেশের কিছু কিছু ধারা সংবিধানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। সেই বিবেচনা থেকে আগামী ২৬ আগস্ট রোববার আরপিও সংশোধনের জন্য বৈঠক ডেকেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদের ১(ঘ) ধারার বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি ‘নৈতিক স্খলনজনিত কোনো ফৌজদারী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হইয়া অনূ্যন দুই বৎসরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন এবং তাঁহার মুক্তিলাভের পর পাঁচ বৎসরকাল অতিবাহিত না হইয়া থাকে’ তবে তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য অযোগ্য বিবেচিত হবেন। কিন্তু ৭২ এর আরপিওতে রাজনৈতিক দলগুলোর নেতৃত্বের ক্ষেত্রে দুর্নীতিবাজদের রাখা না রাখার ক্ষেত্রে সুষ্পষ্ট কোনো বক্তব্য নেই।

এই সুষ্পষ্ট কোনো বক্তব্য না থাকার কারণে কোনো রাজনৈতিক দলের নেতৃত্বে একজন দুর্নীতিবাজ ব্যক্তি বা একাধিক দুর্নীতিবাজ ব্যক্তি আসতে পারেন। আর নেতৃত্বে আসার পর সেই দল যদি নির্বাচনে জয়লাভ করে তাহলে একটি সাংবিধানিক সংকট তৈরি হবে। এই বিবেচনায় নির্বাচন কমিশন মনে করেছে, সংসদ সদস্য নির্বাচনের ক্ষেত্রে সংবিধানের সঙ্গে আরপিওকে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা দরকার। এজন্য আরপিওতে সংশোধন আনা হচ্ছে, কোনো রাজনৈতিক দলের নেতৃত্বে থাকতে হলে তাঁকে সংবিধান অনুযায়ী যোগ্য বিবেচিত হতে হবে।

এজন্য কোনো রাজনৈতিক দলে দণ্ডিত দুর্নীতিবাজ, যার বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে এবং যিনি সংসদ সদস্য পদে নির্বাচিত হওয়ার অযোগ্য, তিনি কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের নেতৃত্বে থাকতে পারবেন না। যদি তিন কোনো রাজনৈতিক দলের নেতৃত্বে থাকেন তবে সেই নেতৃত্ব বাতিল বলে বিবেচিত হবে।

খালেদা জিয়া গ্রেপ্তার হওয়ার আগে বিএনপি তাঁদের স্থায়ী কমিটির কোনো বৈঠক ছাড়াই দলের গঠনতন্ত্রের ৭ এর সব উপধারা বিলুপ্ত করে। বিএনপির গঠনতন্ত্রের ৭ ধারায় ‘কমিটির সদস্য পদের অযোগ্যতা` শিরোনামে বলা ছিল, `নিন্মোক্ত ব্যক্তিগণ জাতীয় কাউন্সিল, জাতীয় নির্বাহী কমিটি, জাতীয় স্থায়ী কমিটি বা যেকোনো পর্যায়ের যেকোনো নির্বাহী কমিটির সদস্য পদের কিংবা জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলের প্রার্থী পদের অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।’ তারা হলেন (ক) ১৯৭২ সালের রাষ্ট্রপতির আদেশ নম্বর ৮ এর বলে দণ্ডিত ব্যক্তি, (খ) দেউলিয়া, (গ) উন্মাদ বলে প্রমাণিত ব্যক্তি, (ঘ) সমাজে দুর্নীতিপরায়ণ বা কুখ্যাত বলে পরিচিত ব্যক্তি। এই উপধারা গুলো বিলুপ্ত করার মধ্য দিয়ে দুর্নীতিবাজদের জন্য বিএনপি দরজা উন্মুক্ত করে।

দেখা যাচ্ছে, খালেদা জিয়া এবং তারেক জিয়া এখনো বিএনপির নেতৃত্বে। এখন আরপিও সংশোধন করে, আদালত কর্তৃক দণ্ডিত কোনো ব্যক্তিকে যদি সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য অযোগ্য বিবেচনা করা হয়, তাহলে তিনি একই ভাবে কোনো রাজনৈতিক দলের নেতৃত্ব প্রদানের জন্য অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। আগামী ২৬ তারিখের আরপিও নিয়ে বৈঠকে এমন সংশোধনীই আনা হচ্ছে।

times24

দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে বাঁশখালীতে আওয়ামীলীগের প্রতিবাদ সমাবেশ

দেশবিরোধী চক্রান্ত – ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে  কালীপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, তাঁতিলীগ,শ্রমিক লীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠন...