রবিবার, ২৬ আগস্ট, ২০১৮

আগামী মাসেই সিআইপি মুজিবদের(অনুপ্রবেশকারীদের)দল থেকে বের করে দিচ্ছে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ

কমিটি প্রধান ডা. দীপু মনি এই প্রতিবেদককে বলেন, আমরা প্রতিটি জেলা, উপজেলা, থানা ও ওয়ার্ড পর্যায়ে সার্বিক খোঁজখবর নিয়ে অনুপ্রবেশকারীদের তালিকা তৈরি করেছি। বর্তমানে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। আওয়ামী লীগের কোন কোন নেতার সঙ্গে সম্পর্ক করে দলে বিএনপি-জামায়াত অনুপ্রবেশ করেছে সে বিষয়ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তাদের তালিকাও তৈরি করা হচ্ছে।
জানা গেছে, অনুপ্রবেশকারীদের তালিকা চূড়ান্ত করার পর আওয়ামী লীগের বিভাগীয় আট সাংগঠনিক সম্পাদকের সঙ্গে বসবেন শেখ হাসিনা।
দলের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এমপি এই প্রতিবেদককে বলেন, ডা. দীপু মনির নেতৃত্বাধীন কমিটি অনুপ্রবেশকারীদের চিহিৃত করার কাজটি করছেন। তালিকার বিষয়টি কমিটির সদস্যদের বাইরে অন্য নেতারা কিছুই জানেন না। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের স্বার্থেই অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। আওয়ামী লীগের ত্যাগী নেতাকর্মীরা চরম দু:সময়েও শেখ হাসিনার সঙ্গে বেঈমানী করবে না। কিন্তু অনুপ্রবেশকারীরা আওয়ামী লীগের দু:সময়ে বেঈমানী করবে। বিশ্বাসঘাতকতা করবে।
আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী গত ২৩ জুন গণভবনে দলের বিশেষ বর্ধিতসভা করেন শেখ হাসিনা। কেন্দ্রীয় কমিটি, উপদেষ্টা পরিষদ, দলীয় এমপি, মহানগর, উপজেলা, থানা ও পৌরসভার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের নিয়ে সভা করেন তিনি। এরপর দুই ধাপে ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতাদের নিয়েও বর্ধিতসভা করেন শেখ হাসিনা। এই বর্ধিতসভায় শেখ হাসিনা অনুপ্রবেশকারীদের ব্যাপারে দলীয় এমপি ও মন্ত্রীদের কড়া হুশিয়ারি দেন। শেখ হাসিনা বলেন, আমার ত্যাগী নেতাকর্মীদের দূরে ঠেলে দিয়ে যারা নিজের দল ভারি করতে বিএনপি-জামায়াতের লোকদের দলে টেনেছেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদের আগামীতে মনোনয়ন দেওয়া হবে না।

শনিবার, ২৫ আগস্ট, ২০১৮

Milon Mela of Jamaat Shibir by the hand of CIP Mujib in Banskhali


Banskhali's acting Amir CIP Mujib led the acting Ameer led by Bazkhali Napor, we saw the real picture of all the students held in Tasaki.
Mr.
Mujib, as you should, in whatever way you are, you are the finance secretary of the Chittagong South District Awami League's current committee. After the meeting of your Yesterday, not the finance secretary, you have identified the Awami family of Banskhali as Jamaat's acting Ameer.

Again,
who gave the name of the Awami League in return for the money, they all are a hypocrite like you, Awami League nominated Jamaat's broker.
And you are a bigger Jamaat-e-Islami, it has proved to be the banner of the rally. You are comfortable to sell the name of Auamigalija. But jayabangla jayabangala bayarera jayabangbandhu will die in shame, how is it?

Sir,
Before the Awami League, then sell the name of Awami League. So what did you announce on a stage with the BNP Jamaat Shibir?
Awami League is not an ancestral property of anybody. But the paternal Jatiya Jamaat wants a bigger mind to get the license to sell the Awami League to the BNP.

"বাঁশখালীতে সিআইপি মুজিবের হাত ধরেই জামায়াত শিবিরের মিলন মেলা




বাঁখালীর তথাকথিত বিকর্তিত জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমীর সিআইপি মুজিবের নেতৃত্বে বাঁশখালী নাপোড়ায় অনুষ্ঠিত সর্বস্তরের ছাত্র সমাজের বাস্তব চিত্র দেখে টাসকি খেয়ে গেলাম।
জনাব,
মুজিব সাহেব,আপনি যেভাবেই হউক,যে প্রক্রিয়ায় হউক,আপনি চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামীলীগের বর্তমান কমিটির অর্থ সম্পাদক।আপনার গতকালের সমাবেশের পর অর্থ সম্পাদক নয়,আপনাকে বাঁশখালীর আওয়ামী পরিবার জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমীর হিসেবে চিন্হিত করা করেছে।

আবার প্রমাণ করে দিলেন,
টাকার বিনিময়ে যারা আওয়ামীলীগে নাম লেখায়,তারা সবাই আপনার মতো ভণ্ড লীগ,আওয়ামীলীগ নামধারী জামায়াতের দালাল।
আর আপনি কত বড় জামায়াতের দালাল,তা তো সমাবেশের ব্যানারই প্রমাণ করেছে।আওয়ামীলীগের নাম বিক্রি করতে, আপনি সাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।কিন্তু ব্যানারে জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু লিখতে লজ্জায় মরে যাবেন,তা কি করে হয়?

জনাব,
আগে আওয়ামী লীগ হউন,তারপর আওয়ামী লীগের নাম বিক্রি করুন।এভাবে বিএনপি জামায়াত শিবিরকে সাথে নিয়ে এক মঞ্চে দাড়িয়ে আপনি কিসের ঘোষণা দিলেন? আওয়ামীলীগ কারো পৈতৃক সম্পত্তি নই।
কিন্তু পৈতৃক ন্যায় জামায়াত বিএনপির কাছে আওয়ামী লীগ বিক্রি করার লাইসেন্স কই পাইলেন তা জানতে বড় মন চাই।

শুক্রবার, ২৪ আগস্ট, ২০১৮

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ সংশোধন,বিএনপি থেকে সরতে হচ্ছে খালেদা-তারেক

লাদেশের নির্বাচন পরিচালিত হয় গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) ১৯৭২ অনুযায়ী। এই আদেশের কিছু কিছু ধারা সংবিধানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। সেই বিবেচনা থেকে আগামী ২৬ আগস্ট রোববার আরপিও সংশোধনের জন্য বৈঠক ডেকেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদের ১(ঘ) ধারার বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি ‘নৈতিক স্খলনজনিত কোনো ফৌজদারী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হইয়া অনূ্যন দুই বৎসরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন এবং তাঁহার মুক্তিলাভের পর পাঁচ বৎসরকাল অতিবাহিত না হইয়া থাকে’ তবে তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য অযোগ্য বিবেচিত হবেন। কিন্তু ৭২ এর আরপিওতে রাজনৈতিক দলগুলোর নেতৃত্বের ক্ষেত্রে দুর্নীতিবাজদের রাখা না রাখার ক্ষেত্রে সুষ্পষ্ট কোনো বক্তব্য নেই।

এই সুষ্পষ্ট কোনো বক্তব্য না থাকার কারণে কোনো রাজনৈতিক দলের নেতৃত্বে একজন দুর্নীতিবাজ ব্যক্তি বা একাধিক দুর্নীতিবাজ ব্যক্তি আসতে পারেন। আর নেতৃত্বে আসার পর সেই দল যদি নির্বাচনে জয়লাভ করে তাহলে একটি সাংবিধানিক সংকট তৈরি হবে। এই বিবেচনায় নির্বাচন কমিশন মনে করেছে, সংসদ সদস্য নির্বাচনের ক্ষেত্রে সংবিধানের সঙ্গে আরপিওকে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা দরকার। এজন্য আরপিওতে সংশোধন আনা হচ্ছে, কোনো রাজনৈতিক দলের নেতৃত্বে থাকতে হলে তাঁকে সংবিধান অনুযায়ী যোগ্য বিবেচিত হতে হবে।

এজন্য কোনো রাজনৈতিক দলে দণ্ডিত দুর্নীতিবাজ, যার বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে এবং যিনি সংসদ সদস্য পদে নির্বাচিত হওয়ার অযোগ্য, তিনি কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের নেতৃত্বে থাকতে পারবেন না। যদি তিন কোনো রাজনৈতিক দলের নেতৃত্বে থাকেন তবে সেই নেতৃত্ব বাতিল বলে বিবেচিত হবে।

খালেদা জিয়া গ্রেপ্তার হওয়ার আগে বিএনপি তাঁদের স্থায়ী কমিটির কোনো বৈঠক ছাড়াই দলের গঠনতন্ত্রের ৭ এর সব উপধারা বিলুপ্ত করে। বিএনপির গঠনতন্ত্রের ৭ ধারায় ‘কমিটির সদস্য পদের অযোগ্যতা` শিরোনামে বলা ছিল, `নিন্মোক্ত ব্যক্তিগণ জাতীয় কাউন্সিল, জাতীয় নির্বাহী কমিটি, জাতীয় স্থায়ী কমিটি বা যেকোনো পর্যায়ের যেকোনো নির্বাহী কমিটির সদস্য পদের কিংবা জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলের প্রার্থী পদের অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।’ তারা হলেন (ক) ১৯৭২ সালের রাষ্ট্রপতির আদেশ নম্বর ৮ এর বলে দণ্ডিত ব্যক্তি, (খ) দেউলিয়া, (গ) উন্মাদ বলে প্রমাণিত ব্যক্তি, (ঘ) সমাজে দুর্নীতিপরায়ণ বা কুখ্যাত বলে পরিচিত ব্যক্তি। এই উপধারা গুলো বিলুপ্ত করার মধ্য দিয়ে দুর্নীতিবাজদের জন্য বিএনপি দরজা উন্মুক্ত করে।

দেখা যাচ্ছে, খালেদা জিয়া এবং তারেক জিয়া এখনো বিএনপির নেতৃত্বে। এখন আরপিও সংশোধন করে, আদালত কর্তৃক দণ্ডিত কোনো ব্যক্তিকে যদি সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য অযোগ্য বিবেচনা করা হয়, তাহলে তিনি একই ভাবে কোনো রাজনৈতিক দলের নেতৃত্ব প্রদানের জন্য অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। আগামী ২৬ তারিখের আরপিও নিয়ে বৈঠকে এমন সংশোধনীই আনা হচ্ছে।

বিএনপির মহসচিব মির্জা ফখরুল ইসলামের পিতৃ পরিচয় ফাঁস


মির্জা ফকরুলের রাজাকার পিতা মির্জা রুহুল আমিন সমাচার।স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকলীন সময়ে১৯৭১ সালে   মির্জা ফকরুলের পিতা রুহুল আমিন স্বাধীনতার বিরোধিতাকারী হিসাবে ঠাকুরগাঁও জেলার চিহ্নিত রাজাকার ছিলেন।
  রাজাকার হিসাবে যারা বাঙালিদের হত্যা, ধর্ষণ, লুটপাট ও বাড়ি ঘরে অগ্নি সংযোগ করেছিল তাদের বিচারের জন্য প্রনীত  ১৯৭২ সালের  দালাল আইনের আওতায়  বিচারের জন্য রুহুল আমিন জেলে বন্দী  ছিলেন।
৭৫ এর ১৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধুর হত্যার পর জিয়া ক্ষমতা দখল করে বিচারের জন্য অনেক বন্দী রাজাকারের সাথে মির্জা ফকরুলের পিতা রুহুল আমিনকেও জেল থেকে মুক্ত করে দেন।
১৯৭৯ তে রুহুল আমিন বিএনপিতে যোগ দিয়ে ঠাকুরগাঁও থেকে এমপি নির্বাচিত হন।জিয়ার মৃত্যুর পর রাজাকার রুহুল আমিন ভোল পাল্টিয়ে এরশাদের জাতীয় পার্টিতে যোগ দেন।
  এরপরর১৯৮৮ সাল থেকে  এরশাদের পতন না হওয়া জাতীয় পার্টির এমপি ছিলেন।
   এই রাজকার পুত্র মির্জা ফকরুল এখন নাকি স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি।উনি প্রায়শই অভিযোগ করেন আওয়ামীলীগ নাকি স্বাধীনতার ইতিহাস বিকৃতি করছে।

অবশেষে পাওয়া গেলো খুনি রাশিদের মেয়ে শেহনাজ রশিদের স্বামী ফুয়াদ জামানের বাসার ঠিকানা।


ঢাকার বন্ধুরা প্লিজ, এই কুকুরের বাচ্চাটিকে মেরে যদি আইন নিজের হাতে তুলে না নিতে পারেন? অন্তত তার বাসার সামনে গিয়ে একদলা থুথু হলেও গিয়ে ছিটে আসুন। পাশাপাশি তার বাসার সামনে বড় করে একটি সাইনবোর্ড লাগিয়ে দিন, যেন বাসাটির উপর প্রত্যেক নাগরিক থুথু ছিটিয়ে ঘৃণা জানাতে পারে। নতুন প্রজন্ম যেন বুজতে পারে এই বাড়ীটিতেই বাস করে বঙ্গবন্ধু হত্যার একজন আত্নস্বিকৃত খুনীর পরিবারের সদস্যরা।

বাসার ঠিকানাঃ- - হাউজ- ৬৪ (বি-৫ ফ্ল্যাট) রোড-৯/এ, ধানমন্ডি আ/এ, ঢাকা-১২০৯
কর্মস্থানের ঠিকানাঃ- (The Solution Centre) ৫/১৪, ব্লক- ই, লালমাটিয়া, ঢাকা।

আমি মাটিতে সেজদা করতে পারি না:ওবায়দুল কাদের

২১শে আগষ্ট ভয়াবহ গ্রেনেড আমার শরীরে ৯২টি গ্রেনেডের স্পিন্টার বিদ্ধ হয়েছিল ক্ষত বিক্ষত রক্তাক্ত অবস্থায় জড়িয়ে ধরে নেত্রীকে বাঁচাতে পেরেছি।অঞ্জান হয়ে পড়ে গেলে কর্মীরা আমাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়।

সেখান থেকে ভারতের বাঙ্গালোর একটি হাসপাতালে অপারেশন করে ৫০টি স্পিন্টার বের করা হয়।এখনো শরীরে অনেকগুলো স্পিন্টার রয়ে গেছে ব্যথায় ঘুমোতে পারি না অনেক রাত জেগে থাকি ঔষধ খেয়ে বেঁচে আছি।মাটিতে সেজদা দিয়ে নামাজ পড়তে পারি না চেয়ারে বসে নামাজ আদায় করি।আপনাদের খেদমতের জন্য,আপনাদের দোয়ায় আল্লাহ্ আমাকে বাঁচিয়ে রেখেছেন।


সত্যের কল বাতাসে নড়ে,ইতিহাস কে কখনো শৃঙ্খলে বেধে রাখা যায় না।


ঙ্গলবার ২১ আগস্ট সকালে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে  তাঁর চিকিৎসকরা দেখা করতে যান।
জিয়া এতিমখানা দুর্নীতি মামলায় পাঁচ বছরের জন্য দণ্ডিত হয়ে গত ছয় মাস ধরে রাজধানীর নাজিম উদ্দিন রোডের পুরোনো ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে আছেন বেগম জিয়া। আজ কারাগারে সিভিল সার্জনও ছিলেন। চিকিৎসকরা খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেন। স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার পর খালেদা জিয়া কথা বলার জন্য কিছুক্ষণ বসতে বলেন তাঁদের।
এ সময় চিকিৎসকদের সঙ্গে খালেদা জিয়ার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। বিভিন্ন মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন বিষয়েও কথা হয় এসময়। এক পর্যায়ে খালেদা জিয়া ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার প্রসঙ্গে কথা বলেন। বেগম জিয়া চিকিৎসকদের উদ্দেশ্যে বলেন, আজকে যে তিনি কারাগারে এর কারণ এতিমখানা মামলা নয়। ২০০৪ সালের ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলার জন্যই আজ তাঁর এই পরিণতি।
খালেদা জিয়া বলেন, গ্রেনেড হামলাটি ছিল তারেক জিয়ার একটি ভুল সিদ্ধান্ত। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী হলেও বিষয়টি তিনি জানতেন  না বলে উল্লেখ করেন খালেদা জিয়া। কিন্তু বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের অনেকেই ঘটনাটি জানতো।
খালেদা জিয়া চিকিৎসকদের বলেন, ঘটনার পরে তিনি বিষয়টি জানতে পারেন। কিন্তু তখন তাঁর আর কিছু করার ছিল না।
কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি চাইলেই গ্রেনেড হামলার সুবিচারের বন্দোবস্ত করতে পারতেন। কিন্তু তা না করে খালেদা জিয়া ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন।
সবশেষে বিএনপির রাজনীতির এখন যে দুরবস্থা তাঁর মূল কারণ হিসেবে ২১ আগস্টের কথা উল্লেখ করেন কারাবন্দী খালেদা জিয়া।
২১ আগস্টের পর বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার গ্রেনেড হামলার তদন্তে গড়িমসি করেছিল। তবে পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসলে নতুন উদ্যমে মামলার তদন্ত কাজ শুরু করে সিআইডি। তদন্ত শেষে ২০১১ সালের ৩ জুলাই ৩০ জনকে আসামি করে আদালতে সম্পূরক চার্জশিট দাখিল করা হয় যার মধ্যে অন্যতম আসামি হিসেবে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক জিয়ার নাম উল্লেখ করা হয়। আদালতের বিভিন্ন কার্যক্রমেও তারেক জিয়ার অপরাধ প্রমাণিত হয়েছে। এই গ্রেনেড হামলার মামলার রায় যে কোনো সময় ঘোষিত হতে পারে। রায়ে তারেক জিয়ার দণ্ডিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এর আগে চলতি মাসের মাঝামাঝি খালেদা জিয়া কারা কর্মকর্তাদের কাছে তাঁর ভুয়া জন্মদিনের কথাও স্বীকার করেছিলেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করা হয়। জাতীয় শোক দিবসের দিনটিকে অবমাননা করার জন্য রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ১৯৯৬ সাল থেকে ১৫ আগস্টকে বেগম জিয়া জন্মদিন হিসেবে পালন করে আসছিলেন। সপ্তাহখানেক আগে জাতীয় শোক দিবসে কারা কর্মকর্তারা বেগম খালেদা জিয়ার কাছে জানতে চান, আজ তো আপনার জন্মদিন, জন্মদিন উপলক্ষে আপনার জন্য বিশেষ কিছুর আয়োজন করবো? উত্তরে তখন খালেদা জিয়া পরিষ্কার ভাবে বলেছিলেন, তাঁর জন্মদিন সেপ্টেম্বর মাসে, ১৫ আগস্ট নয়।’
এসব স্বীকারোক্তির ঘটনায় মনে করা হচ্ছে, দীর্ঘদিন কারাবন্দী থেকে খালেদা জিয়ার শুভ বুদ্ধির উদয় হয়েছে। কারাগারের একাকীত্ব সাবেক প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে অনুশোচনা, অনুতাপের জন্ম দিয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
চলতি বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া এতিমখানা দুর্নীতি মামলায় বেগম জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন আদালত। ওই দিনই পুরান ঢাকার নাজিম উদ্দিন রোডের পুরানো ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে নেওয়া হয় বেগম জিয়াকে। চলতি আগস্টের ৮ তারিখ বেগম জিয়ার কারাজীবনের ছয় মাস পূর্ণ হয়। একই মামলায় বেগম জিয়ার বড় ছেলে ও বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক জিয়াসহ পাঁচজনকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

আপনি বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আওয়ামী লীগের কর্মীদের মা

আপনি বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আওয়ামী লীগের কর্মীদের মা, সেই মায়ের কাছে এক সন্তানের আবদার এবং অধিকার নিয়ে বলছি মা আপনি আপনার সন্তানের দুঃখের সময় পাশে থাকবে সন্তানরা সেইটাই আশা করে মা আমি একজন আওয়ামী লীগের কর্মী ১৯৯০ সাল থেকে দলের সাথে ছিলাম এখন আছি ২০০১ সাল থেকে ২০০৮সালের পর্যন্ত দলের জন্য অনেক কিছু করেছি মা এবং দলের জন্য অনেক টাকাও খরচ করেছি মা, ঢাকা ১১,আসনে ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী এ কে এম রহমত উল্লার জন্য ৫০০০০০, পাঁচ লাখ টাকা খরচ করে নির্বাচন করেছি আমি, সেই আমি এখন ভাত খেতে পারিনা মা ঘর ভাড়া দিয়ে থাকতে পারিনা আমার ছেলেরা ইংলিশ মিডিয়াম পড়তো এখন আমি তাদের পাড়াতে পারিনা মা এর কারণ রহমত উল্লার ভাগিনা ফারুক আমার একটা জমি ছিলো মা বাডডাতে সেই জমির দখলের জন্য আমি ফারুকের কাছে যাই তখন সে আমার কাছে ৭০০০০০,লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন আমি টাকা দিতে অস্বীকার করাতে আমার জীবনে নেমে আসে অন্ধকার প্রথমে আমার ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানে বাড়িওয়ালা বিএনপির নেতা হাসেমকে দিয়ে আমার প্রতিষ্ঠানে তালা ঝুলিয়ে দেয় কিন্তু সে আমার কাছে কোনো টাকা পয়সা পেতো না, আমি অগ্ৰমী ভাড়া বাবদ বাড়িওয়ালা কাছে ২০০০০০,দুই লাখ টাকা পাওনা ছিলাম,এর জন্য আমি বাড্ডা থানায় জিডি করলে আমাকে বিভিন্ন ভাবে হুমকি দিতে থাকে এক সময় এমপির ভাগিনা আমাকে ফোন করে আপোষ মিমাংশার কথা বলে আমি তখন তাদের কথা রাজি না হওয়াতে ফারুকের নেতৃত্বে আমার প্রতিষ্ঠান লুটপাট করে নিয়ে যায় বিএনপির নেতা হাসেম এবং ফারুক গং যেখানে আমার ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ২, কোটি টাকা,মা আজ আমি
রাস্তার ভিক্ষারি মা আমার থাকার একটি ঘর ও নেই মা ভাড়া দিয়ে ও থাকতে পারছিনা মা, যদি আপনি আপনার কর্মীদের সন্তান মনে করেন মা তাহলে এই সন্তানের বিচার টা করবেন মা, আমরা যে আপনার বাধ্য সন্তান মা আপনার কিছু হলে মা আমার হ্নদয়ে রক্তক্ষরণ হয় মা এতোটা ভালোবাসি আপনাকে এবং আওয়ামী লীগকে মা, আপনার দীর্ঘায়ু কামনা করে বিদায় নিচ্ছি মা আমার জননেত্রী শেখ হাসিনা আমার মা তুমি, জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু জয় হোক বঙ্গ কন্যার,এটা বঙ্গ কন্যার বাংলাদেশ আমরা পালন করবো আপনার নির্দেশ
আমি আবদুল আজিজ অটল, বর্তমান
ঠিকানা বনানী কাচা বাজারের বিপরীতে
বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব এম এ কাদের খান ভাইয়ের অফিস

ঈদের ছুটিতে কক্সবাজার গেলে আমাদের সাইনবোর্ডগুলো দেখে আসবেন


১-এর গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির দাবিতে আজ শহরের নিম্নোক্ত ০৫টি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে সাইনবোর্ড বসানো হলঃ

০১. মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ড জেলা ইউনিট এর সামনে

০২. রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি কক্সবাজার জেলা ইউনিট এর সামনে

০৩. ৬ নাম্বার গোলচত্বর ও বিমান বন্দর রোড এর সামনে

০৪. জেলা প্রশাসক ও প্রধান নির্বাচন কমিশনারের প্রধান কার্যালয় এর সামনে

০৫.ডায়বেটিস পয়েন্টে

এই শহরে আমাদের ২০টি গুরুত্বপূর্ণ স্পটে সাইনবোর্ড বসানোর পরিকল্পনা আছে।

গত ঈদের পর্যটকদের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য সাইনবোর্ড বসানো হয়েছিল কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে। এইবার কক্সবাজার।

সামনে সারা বাংলাদেশ...

times24

দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে বাঁশখালীতে আওয়ামীলীগের প্রতিবাদ সমাবেশ

দেশবিরোধী চক্রান্ত – ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে  কালীপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, তাঁতিলীগ,শ্রমিক লীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠন...