কমিটি প্রধান ডা. দীপু মনি এই প্রতিবেদককে বলেন, আমরা প্রতিটি জেলা, উপজেলা, থানা ও ওয়ার্ড পর্যায়ে সার্বিক খোঁজখবর নিয়ে অনুপ্রবেশকারীদের তালিকা তৈরি করেছি। বর্তমানে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। আওয়ামী লীগের কোন কোন নেতার সঙ্গে সম্পর্ক করে দলে বিএনপি-জামায়াত অনুপ্রবেশ করেছে সে বিষয়ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তাদের তালিকাও তৈরি করা হচ্ছে।
জানা গেছে, অনুপ্রবেশকারীদের তালিকা চূড়ান্ত করার পর আওয়ামী লীগের বিভাগীয় আট সাংগঠনিক সম্পাদকের সঙ্গে বসবেন শেখ হাসিনা।
জানা গেছে, অনুপ্রবেশকারীদের তালিকা চূড়ান্ত করার পর আওয়ামী লীগের বিভাগীয় আট সাংগঠনিক সম্পাদকের সঙ্গে বসবেন শেখ হাসিনা।
দলের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এমপি এই প্রতিবেদককে বলেন, ডা. দীপু মনির নেতৃত্বাধীন কমিটি অনুপ্রবেশকারীদের চিহিৃত করার কাজটি করছেন। তালিকার বিষয়টি কমিটির সদস্যদের বাইরে অন্য নেতারা কিছুই জানেন না। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের স্বার্থেই অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। আওয়ামী লীগের ত্যাগী নেতাকর্মীরা চরম দু:সময়েও শেখ হাসিনার সঙ্গে বেঈমানী করবে না। কিন্তু অনুপ্রবেশকারীরা আওয়ামী লীগের দু:সময়ে বেঈমানী করবে। বিশ্বাসঘাতকতা করবে।
আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী গত ২৩ জুন গণভবনে দলের বিশেষ বর্ধিতসভা করেন শেখ হাসিনা। কেন্দ্রীয় কমিটি, উপদেষ্টা পরিষদ, দলীয় এমপি, মহানগর, উপজেলা, থানা ও পৌরসভার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের নিয়ে সভা করেন তিনি। এরপর দুই ধাপে ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতাদের নিয়েও বর্ধিতসভা করেন শেখ হাসিনা। এই বর্ধিতসভায় শেখ হাসিনা অনুপ্রবেশকারীদের ব্যাপারে দলীয় এমপি ও মন্ত্রীদের কড়া হুশিয়ারি দেন। শেখ হাসিনা বলেন, আমার ত্যাগী নেতাকর্মীদের দূরে ঠেলে দিয়ে যারা নিজের দল ভারি করতে বিএনপি-জামায়াতের লোকদের দলে টেনেছেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদের আগামীতে মনোনয়ন দেওয়া হবে না।














