রবিবার, ২৬ নভেম্বর, ২০১৭

জনমনে ক্ষোভ দূর করতে অবিলম্বে পদক্ষেপ নিতে সাঈদ খোকনকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

ঢাকা দক্ষিণের মেয়র সাঈদ খোকন তার মেয়াদকালে এখন পর্যন্ত কোনো কাজে সফল হতে পারেননি। উল্টো একের পর এক বিতর্কিত সিদ্ধান্ত নিয়ে জনমনে ক্ষোভ সৃষ্টি করেছেন। সম্প্রতি মেয়র সাঈদ খোকনের প্রতি ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রীও, নেতারাও অসন্তুষ্ট।
একদিকে মেয়র হিসেবে ব্যর্থতা, অন্যদিকে দলের অভ্যন্তরে বিরোধ ঘিরে প্রতিপক্ষের কর্মসূচি বানচালে ময়লা আবর্জনার স্তুপ ফেলে রাখায় চরম অসন্তুষ্ট তারা । নেতাকর্মীরাও তার উপর রুষ্ট। সম্প্রতি ফোনালাপে সাঈদ খোকনের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই জীবনে তুমি অনেক পেয়েছো, আর কোনদিন মেয়র না হলেও চলবে। 
হকারমুক্ত সড়ক, কমিউনিটি সেন্টারগুলোকে আবার সামাজিক সমাবেশের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলাসহ অনেক প্রতিশ্রুতি দিয়েই ঢাকা দক্ষিণের মেয়র হয়েছিলেন সাঈদ খোকন। এরপর হকার উচ্ছেদে তাকে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি। এখনো রাজধানীর এই অংশে হকাররা আছে বহাল তবিয়তে। আবার সিটি করপোরেশনের কমিউনিটি সেন্টারগুলোকে সংস্কার করে পূর্বের অবস্থায় আনার প্রতিশ্রুতি ছিল সাঈদ খোকনের। এখনো এই প্রতিশ্রুতির কোনো বাস্তবায়ন দেখা যায়নি।
অপরদিকে হোল্ডিং ট্যাক্স বাড়িয়ে জনমনে ক্ষোভ সৃষ্টি করেছেন সাঈদ খোকন। এর মধ্যেই আবার সিটি করপোশনের রাস্তার বাতির বিদ্যুৎ বিল ফেলা হচ্ছে এলাকাবাসীর মধ্যে। এমন সিদ্ধান্তে ঢাকা দক্ষিণের বাসিন্দারা ক্ষুব্ধ।
প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে বিফল ও জনমনে ক্ষোভ সৃষ্টি করেও ক্ষান্ত হননি সাঈদ খোকন। আবর্জনা দিয়ে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দমনের মতো নোংরা মানসিকতাও দেখিয়েছেন তিনি। তার সঙ্গে মহানগর আওয়ামী লীগের অনেক নেতার বিরোধের কথাও কারও অজানা নয়।
জনমনে ক্ষোভ দূর করতে অবিলম্বে পদক্ষেপ নিতে সাঈদ খোকনকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এমন নির্দেশের পর ঢাকা দক্ষিণ মেয়রের কোনো পরিবর্তন হয় কিনা তা জানা যাবে কিছুদিনের মধ্যেই, তার কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে।

বঙ্গবন্ধু এ একটি ভাষণের মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতিকে এক সারিতে দাঁড় করিয়েছিলেন

 বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণকে বিএনপি ইতিহাস থেকে ‍মুছে ফেলতে চেয়েছিলো বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ।
শনিবার (২৫ নভেম্বর) দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের (টিএসসি) মিলনায়তনে আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। ‘বজ্রকণ্ঠ: মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড’ প্রতিপাদ্য নিয়ে আলোচনা সভার আয়োজন করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
 
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে এতে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দীন, শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. এএসএম মাকসুদ কামাল, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. রহমত উল্লাহ, রেজিস্টার এনামউজ্জামান প্রমুখ।
 

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন,
বঙ্গবন্ধু এ একটি ভাষণের মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতিকে এক সারিতে দাঁড় করিয়েছিলেন। নিরস্ত্র বাঙালি জাতিকে সশস্ত্র বাঙালি জাতিতে রুপান্তরিত করেছিলেন। সেজন্য এ ভাষণ মুক্তিযুদ্ধে আমাদের প্রেরণার উৎস ছিলো। যতোদিন বাংলাদেশ থাকবে ততোদিন বঙ্গবন্ধুর মতোই তার এ ভাষণ এ দেশে উচ্চারিত হবে।

 
তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সময় আমরা বঙ্গবন্ধুর এ ভাষণ বাজাতে ও শুনতে পারতাম না। তারা এ ভাষণ প্রত্যাখ্যান করে মুছে ফেলতে চেয়েছিলো। আজ সে ভাষণই পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ভাষণে পরিণত হয়েছে।
বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ ‘বিশ্বপ্রামাণ্য ঐতিহ্য’র স্বীকৃতি অর্জন করায় দিনব্যাপী কর্মসূচি গ্রহণ করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। কর্মসূচির মধ্যে ছিল অপরাজেয় বাংলার পাদদেশ থেকে র‌্যালি সহকারে ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের উদ্দেশে যাত্রা, ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণের ওপর আলোকচিত্র প্রদর্শনী

(বিএনপি) চায় না রোহিঙ্গারা তাদের দেশে (মিয়ানমার) ফিরে যাক।

রোহিঙ্গাদের ফেরত যাওয়া নিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্যের সমালোচনা করে আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এবং দলের অন্যতম মুখপাত্র ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপি মহাসচিবের বক্তব্যের মাধ্যমে এটিই প্রমাণিত হয় যে, তারা
(বিএনপি) চায় না রোহিঙ্গারা তাদের দেশে (মিয়ানমার) ফিরে যাক।
শনিবার (২৫ নভেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ আওয়ামী হকার্স লীগ আয়োজিত 'বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ : ঐতিহাসিক দলিল' শীর্ষক মানববন্ধন ও সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
ড. হাছান মাহমুদ বলেন, রোহিঙ্গাদের দেখতে যাওয়ার সময় খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার ঘটনা ঘটেছিল। সেটি ছিল বিএনপির পরিকল্পনার অংশ। এবার রংপুরে সংখ্যালঘুদের উপর হামলা করা হয়েছে। এসব ঘটনা একই সূত্রে গাঁথা। প্রকৃতপক্ষে বিএনপি চাইছে এ সকল ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করতে।
আওয়ামী লীগের মুখপাত্র বলেন, বিএনপি নেতারা বলছেন নেতা কর্মীদের চাঙ্গা করতে খালেদা জিয়া দেশব্যাপী সফর করবেন। আমি বিএনপির উদ্দেশ্যে বলতে চাই, অতীতে আপনারা  রাজনৈতিক কর্মসূচির নামে দেশব্যাপী বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টা করেছেন, অগ্নি সন্ত্রাসের মাধ্যমে নিরীহ জনগণকে হত্যা করেছেন। এবারও যদি খালেদা জিয়া তার কর্মসূচির মাধ্যমে দেশে স্থিতিশীলতা নষ্ট করার চেষ্টা করেন তাহলে দেশের সাধারণ জনগণকে সাথে নিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা আপনাদেরকে কঠোরভাবে প্রতিহত করবে।
সাবেক পরিবেশ ও বনমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বিএনপি বলছে রাষ্ট্র নাকি গুমের কথা স্বীকার করেছে। প্রকৃতপক্ষে প্রধানমন্ত্রী বিএনপি নেতাদের স্বেচ্ছায় নিখোঁজ হওয়ার কথা বলেছেন। তারা যে মামলা থেকে রেহাই পেতে নিখোঁজ হয়ে আবার হাজির হন সে কথা বলেছেন।
আয়োজক সংগঠনের সভাপতি জাকারিয়া হানিফের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন, মুক্তিযোদ্ধা সমন্বয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম, আয়োজক সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক হাজী জাহিদ, বাংলাদেশ স্বাধীনতা পরিষদ সভাপতি জিন্নাত আলি খান জিন্নাহ, সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন টয়েল প্রমুখ।

কলা‌রোয়া উপ‌জেলায় আওয়ামী লী‌গের দু’গ্রু‌পের সংঘর্ষ

 সাতক্ষীরার কলা‌রোয়া উপ‌জেলায় আওয়ামী লী‌গের অভ্যন্তরীণ কোন্দল‌কে কেন্দ্র ক‌রে দু’গ্রু‌পের সংঘর্ষে পুলিশসহ ২৫ জন আহত হয়েছেন।
শ‌নিবার (২৫ ন‌ভেম্বর) সকাল ও দুপুরে উপ‌জেলা আওয়ামী লী‌গের সভাপ‌তি ও সম্পাদক গ্রু‌পের ম‌ধ্যে এ ঘটনা ঘটে। পরে প‌রি‌স্থি‌তি নিয়ন্ত্র‌ণে পুলিশ ১৫ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুঁড়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সকাল ১০টার দি‌কে বঙ্গবন্ধুর ভাষণকে ইউনেস্কোর স্বীকৃতি উদযাপনে আনন্দ শোভাযাত্রার পর উপ‌জেলা আওয়ামী লী‌গের সভাপ‌তি ফি‌রোজ আহ‌মেদ স্বপন উস্কা‌নিমূলক বক্তব্য দেন। এছাড়া উপ‌জেলা আওয়ামী লী‌গের সাধারণ সম্পাদক‌ আ‌মিনুল ইসলাম লাল্টুকে বক্তব্য দি‌তে না দেওয়ায় তার প‌ক্ষের কর্মীরা ফুঁসে ওঠেন। এক পর্যা‌য়ে উভয় গ্রু‌পের নেতাকর্মীরা সংঘ‌র্ষে জ‌ড়ি‌য়ে প‌ড়েন। এ সময় ক‌য়েক‌টি কক‌টেল বি‌স্ফোর‌ণের ঘটনা ঘ‌টে। প‌রে ফিরোজ আহ‌মেদের নেতৃত্বাধীন অংশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের দুই ঘণ্টা অবরুদ্ধ ক‌রে রা‌খেন সম্পাদক আ‌মিনুলের সমর্থকরা। এসময় প‌রি‌স্থি‌তি নিয়ন্ত্র‌ণে আন‌তে পু‌লিশ ফাঁকা গু‌লি ক‌রে। এতে পাঁচ পু‌লিশ সদস্যসহ অন্তত ২৫ জন আহত হন।
এদিকে, দুপুরে কলারোয়া থানার মধ্যে ফের সংঘাত শুরু হয়। থানায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মেরিনা আক্তারের সঙ্গে দলীয় নেতা ও কর্মকর্তাদের বৈঠক শেষে ফিরোজ গ্রুপ প্রতিপক্ষের লাল্টু গ্রুপকে সন্ত্রাসী ও আসামি বলায় ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন নেতাকর্মীরা। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ সেখা‌নে লাঠিচার্জ করে।
এ ঘটনা‌কে কেন্দ্র ক‌রে ইউএনও অফিস, উপ‌জেলা চেয়ারম্যানের অফিস, এলজিইডি, পরিসংখ্যান অফিস, নির্বাচন অফিসসহ বেশ কয়েকটি অফিস ভাঙচুর ক‌রে‌ছেন বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা।
কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপ্লব কুমার নাথ বাংলা‌নিউজ‌কে বলেন, আওয়ামী লী‌গের দু্ই গ্রু‌পের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘ‌র্ষের ঘটনা ঘটেছে। এসময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ১৫ রাউন্ড ফাঁকা গুলি করে।

জাজিরা প্রান্তে পদ্মাসেতুর ৩৯ নম্বর পিলারের ফাইনাল ধাপের ঢালাই শেষ।

 দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে পদ্মাসেতু প্রকল্পের কাজ। সেতুটির ৫১ দশমিক ২০ শতাংশ নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে। ৩৯ নম্বর পিলারের প্লিন্থ ঢালাইয়ের কাজ শেষ হচ্ছে শনিবার (২৫ নভেম্বর)। ঢালাই শেষ হলে স্প্যান বসানোর জন্য উপযোগী হবে পিলারটি।
২০১৮ সালের ডিসেম্বর মাসে ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের এই সেতুর কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। বিজয় দিবসের আগেই পিলারের উপর দু’টি স্প্যান বসবে বলে আশাবাদী পদ্মাসেতু প্রকল্পের প্রকৌশলীরা।

পদ্মাসেতু প্রকৌশলী সূত্র বাংলানিউজকে বলেন,
জাজিরা প্রান্তে পদ্মাসেতুর ৩৯ নম্বর পিলারের ফাইনাল ধাপের ঢালাই শেষ। চলতি মাসের শেষের দিকে ৩৯ নম্বর পিলারটি স্প্যান বসানোর উপযোগী হলেও ৪০ নম্বর পিলারের ঢালাই শেষ হতে ডিসেম্বর মাস লাগবে। ফাইনাল লেয়ারের রড বাঁধাইয়ের কাজ চলছে ৪০ নম্বর পিলারে। ৪২ নম্বর পিলারের পাইল ক্যাপ ঢালাই শেষ এবং পিলারের রড বাঁধাইয়ের কাজ শুরু হবে এই সপ্তাহে।

এছাড়া ৪২ নম্বর পিলারের পাইল ক্যাপ ঢালাই শেষ। খুব শিগগিরই পিয়ার কলামের রড বাঁধাইয়ের কাজ শুরু হবে। এর পরে পিয়ার কলামের প্রথম ধাপের ঢালাই শুরু হবে। এসব কাজে বিশেষজ্ঞ প্যানেল নিখুঁতভাবে যাচাই বাছাই করে পরামর্শ এবং সিদ্ধান্ত নিচ্ছে।
এদিকে, ৪১ নম্বর পিলারের পাইল পরশনের কাজ চলছে। পুরোপুরি পাইলটি উপযোগী হতে চলতি বছর লেগে যাবে। ২০১৮ সালের প্রথম দিকে পাইল ক্যাপের কাজ শুরু হবে। মাওয়ার কুমারভোগ ওয়ার্কশপে ৭বি ও ৭সি নামের দুইটি স্প্যানকে ক্লিনিং করার কাজ চলছে, এরপর শুরু হবে পেইন্টিংয়ের কাজ। শেষ ধাপে রংয়ের কাজ শেষ হলে মাওয়া থেকে জাজিরা প্রান্তে নিয়ে আসা হবে।
পদ্মাসেতুর নির্মাণকাজ ৫১ দশমিক ২০ শতাংশ, নদীশাসন ৩৪ শতাংশ এবং সেতুর দুইপাশের অ্যাপ্রোচ রোড শতভাগ শেষ হয়েছে।
সেতুর একটি স্প্যান ইতোমধ্যেই বসানো হয়েছে এবং আরও একটি স্প্যান ডিসেম্বরের মধ্যেই বসবে। বৃহস্পতিবার (২৩ নভেম্বর) সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি সরেজমিনে পরিদর্শন শেষে এসব তথ্য জানান।

রাজকার-আলবদর, যুদ্ধাপরাধী, খুনি, দুর্নীতিবাজ ও ইতিহাস বিকৃতিকারীরা যেন ক্ষমতায় আসতে না পারে।


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, রাজকার-আলবদর, যুদ্ধাপরাধী, খুনি, দুর্নীতিবাজ ও ইতিহাস বিকৃতিকারীরা যেন ক্ষমতায় আসতে না পারে। আগামীর বাংলাদেশ হবে অর্থনৈতিক মুক্তির ও সমৃদ্ধির বাংলাদেশ। যা বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণেই বলা আছে। 
শনিবার (২৫ নভেম্বর) বিকেলে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে তিনি এসব কথা বলেন। বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণকে ইউনেস্কোর স্বীকৃতি দেওয়ায় রাষ্ট্রীয়ভাবে উদযাপন উপলক্ষে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে। 
সমাবেশের প্রধান অতিথি শেখ হাসিনা বলেন, রাজাকার, আলবদর, যুদ্ধাপরাধী, খুনি, দুর্নীতিবাজ এবং ইতিহাস বিকৃতিকারীরা যাতে ক্ষমতায় আসতে না পারে সে জন্য খেয়াল রাখতে হবে। সরকার ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ে এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। আমরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলবো। 
তিনি বলেন, সমাবেশে আগামী প্রজন্মের অনেক ছেলে-মেয়ে এখানে উপস্থিত রয়েছে। বঙ্গবন্ধু ৭ই মার্চ যে ভাষণ দিয়েছিলেন তা তাদের জানতে হবে বুঝতে হবে, অনুধাবন করতে হবে। কেননা এই ভাষণেই বলা আছে ভবিষ্যত বাংলাদেশ কেমন হবে। 
বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা বলেন, পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট জাতির পিতাকে হত্যার পর এই ভাষণকে নিষিদ্ধ করা হয়। প্রজন্মের পর প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানতে পারেনি। যারা এই ভাষণ নিষিদ্ধ করে দিয়েছিলো, তাদের অবস্থা আজ কী? তারা এখন কোথায় মুখ লুকাবে? 

আমরা রাজনীতিকরা যদি দুর্নীতিমুক্ত থাকি, তবে দেশের দুর্নীতি অটোমেটিক্যালি অর্ধেক কমে যাবে।”

শনিবার, ২৫ নভেম্বর, ২০১৭

এমপির মদদে প্রতিদ্বন্দ্বীকে হত্যাচেষ্টা

বাঁশখালীর সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরীর বিরুদ্ধে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ করেছেন তার প্রতিদন্দ্বী মনোনয়ন প্রত্যাশী আবদুল্লাহ কবির লিটন। গতকাল শনিবার দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন তিনি। প্রসঙ্গত, ৯ নভেম্বর বাঁশখালী পৌর সদরের সরল ইউনিয়নের পাইরাং এলাকায় আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবুর স্মরণসভা ঘিরে সরকার দলীয় সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ও আবদুল্লাহ কবীর লিটনের অনুসারীদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। এতে অন্তত ১১ জন গুলিবিদ্ধসহ আহত হয় ২৩জন। সংবাদ সম্মেলনে সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমানের মদদে লিটনের ওপর সশস্ত্র হামলা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়। সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস’া গ্রহণের দাবিও জানান আবদুল্লাহ কবির লিটন। সাংসদের চাচা রশিদ আহমেদ ও পিএস তাজুল ইসলাম হামলার নেতৃত্ব দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেন লিটন। হামলার ঘটনায় লিটনের অনুসারী আনিসুল হক বাদি হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে বাঁশখালী থানায় একটি মামলা করেন। মামলার সংসদ সদস্যের চাচা ও সরল ইউপি চেয়ারম্যান রশিদ আহমদ চৌধুরীকে প্রধান আসামি করা হয়। দুই নম্বর আসামি করা হয়েছে সংসদ সদস্যের পিএস ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি তাজুল ইসলামকে। সংবাদ সম্মেলনে লিটন জানান, সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরীর বাড়ির কাছেই হামলার এ ঘটনা ঘটে। তার চাচা বর্তমান সরল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রশিদ আহমদ এবং পিএস তাজুল ইসলামের নেতৃত্বে তাকে (লিটন) হত্যার উদ্দেশে তার গাড়িবহর ও নেতাকর্মীদের লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ শুরু করে। এসময় অনুসারীরা মানবঢাল তৈরি করে তাকে রক্ষা করেন। এসময় ঘটনাস’লে গুলিবিদ্ধ হন বৈলছড়ি ইউপি সদস্য বাঁশখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলম উদ্দিন, যুবলীগ নেতা মাহমুদুল ইসলাম বদি, যুবলীগ কর্মী ইউসুফ, দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি আনিসুল হক চৌধুরী, আওয়ামী লীগ নেতা মাহমুদুল আলম, ছাত্রলীগকর্মী জাফর। এছাড়া ৩৫জন নেতাকর্মী আহত হন। হামলার পর সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা এমপির বাড়ির দিকে চলে যায়। লিটন অভিযোগ করেন, ইতোপূর্বে অবৈধ প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় নির্বাচন কর্মকর্তাকে মারধর করেছেন এমপি। টিআর ও সরকারি বিভিন্ন প্রকল্প থেকে এমপি এবং তার পিএস তাজুলের লাগামহীন দুর্নীতি করেছেন। ভুয়া প্রকল্পের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা আত্মসাত করেন এমপি এবং তার পিএস তাজুল। সংবাদ সম্মেলনে লিটন আরও অভিযোগ করেন, লাখ লাখ টাকার বাণিজ্যে যুদ্ধাপরাধী দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর রায়ের পর তাণ্ডবে নিহত দয়াল হরি হত্যা মামলা এবং নাশকতা মামলার একাধিক আসামিদের অব্যাহতির সুপারিশ দিয়েছেন সংসদ সদস্য মোস্তাফিজ। হামলায় জড়িতদের গ্রেফতার এবং বাঁশখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের কমিটি বাতিলের দাবিও জানান লিটন। সংবাদ সম্মেলনে উপসি’ত ছিলেন-দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সমাজ সেবা বিষয়ক সম্পাদক নুরুল আলম, দক্ষিণ জেলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার ইসলাম আহমেদ, দক্ষিণ জেলা যুবলীগ নেতা আকতার হোসাইন, কারা পরিদর্শক শেখ হোস

বৃহস্পতিবার, ২৩ নভেম্বর, ২০১৭

অবশেষে গ্রেফতার ট্রিপল মার্ডারের আসামী আহমদ

বাঁশখালীতে বহুল আলোচিত ট্রিপল মার্ডারসহ অর্ধ ডজন মামলার চার্জশীটভুক্ত আসামি,গন্ডামারার ১নং ওয়ার্ড এলাকার ফজল আহমদকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গত বুধবার গভীর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গন্ডামারার নিজ বাড়ি থেকে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত ফজল গন্ডামারার মৃত রশিদ আহমদের ছেলে। অস্ত্র ব্যবসায়ী ফজল আহমদকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসায়' বাঁশখালী থানার ওসি ও পুলিশ প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট এলাকার জনসাধারন।

বুধবার, ২২ নভেম্বর, ২০১৭

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে হত্যার পর জিয়াউর রহমান ক্ষমতা দখল করে ধর্মনিরপেক্ষ অসাম্প্রদায়িক চেতনার বাঙলাদেশে সর্বদলীয় গনতন্ত্রের নামে একাত্তরের ঘাতক দালাল রাজাকার যুদ্ধাপরাধী গোলাম আযমকে পাকিস্তান থেকে আমদানী করে ধর্ম ভিত্তিক রাজনীতি চালু করে । জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে হত্যার পর জিয়াউর রহমান ক্ষমতা দখল করে ধর্মনিরপেক্ষ অসাম্প্রদায়িক চেতনার বাঙলাদেশে সর্বদলীয় গনতন্ত্রের নামে একাত্তরের ঘাতক দালাল রাজাকার যুদ্ধাপরাধী গোলাম আযমকে পাকিস্তান থেকে আমদানী করে ধর্ম ভিত্তিক রাজনীতি চালু করে । জিয়াউর রহমান খুন হওয়ায়াউর রহমান খুন হওয়া

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে হত্যার পর জিয়াউর রহমান ক্ষমতা দখল করে ধর্মনিরপেক্ষ অসাম্প্রদায়িক চেতনার বাঙলাদেশে সর্বদলীয় গনতন্ত্রের নামে একাত্তরের ঘাতক দালাল রাজাকার যুদ্ধাপরাধী গোলাম আযমকে পাকিস্তান থেকে আমদানী করে ধর্ম ভিত্তিক রাজনীতি চালু করে । জিয়াউর রহমান খুন হওয়ার পর ক্ষমতায় আসে সর্বকালের সেরা লুইচ্চা এরশাদ । সে এসেই রাষ্ট্রের মাথায় টুপি পরিয়ে স্বাধীন সার্বভৌম ধর্মনিরপেক্ষ অসাম্প্রদায়িক বাঙলাদেশকে শুধুমাত্র মুসলমানদের দেশ বানাইতে চেষ্টা করে । এই দেশের মানুষের মগজে ধর্মীয় রাজনীতির বিষবাস্প ঢুকিয়ে দেয় । গনভ্যুত্থানের মাধ্যমে সর্বকালের সেরা লুইচ্চা এরশাদকে হটানোর পর ক্ষমতায় আসে মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী একমাত্র দল আওয়ামীলীগ । আওয়ামীলীগ পাঁচ বছর রাষ্ট্র শাষন করলেও দীর্ঘ একুশ বছরের জঞ্জাল পরিস্কার করতে তারা সফল হয় নাই । যার ফলে ধর্ম বিরোধীতার অভিযোগে দুইহাজার এক সালে আওয়ামীলীগকে ক্ষমতা হারাইতে হয় উগ্রধর্মান্ধ অশিক্ষিত কুশিক্ষিত কুসংস্কারাচ্ছন্ন বিএনপি জামাতের কাছে । বিএনপি জামাত দেশকে আবার শুধুমাত্র মুসলমানদের দেশ বানাইতে উঠে পড়ে লাগে । তারা প্রকাশ্যে স্লোগান দেয় রাস্তায় "আমরা সবাই মুসলমান বাঙলা হইবে পাকিস্তান আফগান" । দেশে উত্থান হয় বাঙলা ভাই শায়খ আবদুর রহমানদের মতো উগ্রপন্থী জঙ্গিদের । একাত্তরের ঘাতক দালাল রাজাকার যুদ্ধাপরাধীরা সমাজের বিভিন্ন সেক্টরে নিজেদের অবস্থান পাকাপোক্ত করে বিরাট বিরাট আলেম ওলেমা সাইজা বসে । মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি ও সংখ্যালগুদের উপর চালায় ভয়াবহ দমন পীড়ন । ধর্মনিরপেক্ষ অসাম্প্রদায়িক স্বাধীন সার্বভৌম বাঙলাদেশে ধর্মনিরপেক্ষ অসাম্প্রদায়িকতা এবং জাতির পিতার আদর্শের কথা বললেই নাস্তিক , খোদাদ্রোহী , কোরান বিরোধী তথা ইসলাম বিরোধী বইলা অপপ্রচার চালানো হয় সবখানে । কোনঠাসা হয়ে পড়ে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের লোকজন । বিএনপি জামাত ক্ষমতায় থাকাকালে এই দেশে স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবর্তে যত্রতত্র গড়ে উঠে নামে বেনা মসজিদ মাদ্রাসা । সেইসব মসজিদ মাদ্রাসায় নিয়োগ দেওয়া হয় একাত্তরের ঘাতক দালাল রাজাকার যুদ্ধাপরাধীদের উম্মত জামাত শিবিরের চিহ্নিত নেতা কর্মী সমর্থকদের । তৈরি করা হয় আধুনিক ও দুনিয়াবী বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষার পরিবর্তে উগ্রধর্মান্ধ অশিক্ষিত কুসংস্কারাচ্ছন্ন পাকিস্তানী আকিদার ধর্মনিরপেক্ষ অসাম্প্রদায়িক চেতনার পরিপন্থী নয়া প্রজন্ম । যারা আওয়ামীলীগ এবং মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করাকেই একমাত্র জান্নাতের টিকেট মনে করে । হাটে মাঠে গ্রামে গঞ্জে রটিয়ে দেওয়া হয় , যারা আওয়ামীলীগ করে তারা মুসলমান নয় । শেখ হাসিনা হিন্দু । শেখ মুজিব হিন্দু । কোন মুসলমান আওয়ামীলীগ করতে পারে না । যে আওয়ামীলীগ করে সে মুসলমান নয় । আওয়ামীলীগকে ভোট দিলে জাহান্নাম নিশ্চিত । শেখ মুজিবকে যারা জাতির পিতা বলে স্বীকার করে তারা কখনোই মুসলমান হইতে পারে না । আওয়ামীলীগের বিরুদ্ধে ধর্মকে একমাত্র অস্ত্র হিসাবে ব্যবহার করে । গ্রামের মহিলাদের বুঝানো হয় আওয়ামীলীগ হিন্দু দেশ ভারতের দ্বারা চলে । ভারত কখনোই মুসলমানের বন্ধু হতে পারে না । তৈরি করা হয় একাত্তরের পরাজিত পাকিস্তানীদের পক্ষের প্রজন্ম । যে প্রজন্ম পুরাটাই বাঙলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌত্ব মুক্তিযুদ্ধ জাতীয় সংগীত জাতীয় পতাকা স্মৃতিসৌধ শহীদ মিনার জাতীয় দিবস পহেলা বৈশাখসহ সকল ধরনের বাঙালি সংস্কৃতির বিরোধী । আওয়ামীলীগ দুইহাজার আট সালে আবার ক্ষমতায় এসে দেশের নয়া প্রজন্মের মগজকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ফেরত নিয়ে যাওয়ার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা শুরু করে । শুরু করে একাত্তরের ঘাতক দালাল রাজাকার যুদ্ধাপরাধীদের বিচার । নয়া প্রজন্ম পুরুজ্জীবিত হয় । গড়ে তোলে রাজাকার যুদ্ধাপরাধী ও উগ্রধর্মান্ধদের বিরুদ্ধে দুর্বার আন্দোলন । একাত্তরের ঘাতক দালাল রাজাকার যুদ্ধাপরাধী জামাত শিবির আস্তে আস্তে কোনঠাসা হয়ে পড়ে । এইদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের লোকজন আবার আসার আলো দেখতে পায় । কিন্তু বিএনপি জামাত ষড়যন্ত্র থামায় নাই । একটার পর একটা ষড়যন্ত্র করতেই থাকে । কিন্তু শেখের বেটি হাসিনার দুরদর্শিতায় সেই সব ষড়যন্ত্র হালে পানি পায় নাই । নস্যাৎ হতে থাকে একের পর এক ষড়যন্ত্র । আওয়ামীলীগ এখন টানা ক্ষমতায় । দেশে এখন একটি প্রজন্ম তৈরি হচ্ছে যারা ধর্মবিরোধি নয় আবার ধর্মান্ধও নয় । তারা মুক্তিযুদ্ধের ধর্মনিরপেক্ষ অসাম্প্রদায়িক চেতনা এবং জাতির পিতার আদর্শের । এই দেশে আওয়ামীলীগকে টানা ক্ষমতায় রাখা না গেলে দেশে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাঙলা গড়া সম্ভব হবে না । তাই বলছি , একাত্তরের ঘাতক দালাল রাজাকার যুদ্ধাপরাধী জামাত শিবির এবং উগ্রধর্মান্ধ তেতুলবাগী হেফাজতিদের দোসর বিএনপির হাতে ক্ষমতা নয় ক্ষমতায় থাকুক মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি আওয়ামীলীগ । আওয়ামীলীগের হাতে দেশ থাকলে দেশ আগাবেই । আওয়ামীলীগ দেশ এবং মানুষের লগে বেঈমানি করে না । আওয়ামীলীগ কোন ধর্মের বিরোধিতা করে না । আওয়ামীলীগ সকল ধর্মের সকল মানুষের সর্বচ্চো স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে । আসুন ভরসা রাখি নৌকায় । আসুন ভরসা রাখি মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় । জয় বাঙলা জয় বঙ্গবন্ধু ।

times24

দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে বাঁশখালীতে আওয়ামীলীগের প্রতিবাদ সমাবেশ

দেশবিরোধী চক্রান্ত – ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে  কালীপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, তাঁতিলীগ,শ্রমিক লীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠন...