বুধবার, ২২ নভেম্বর, ২০১৭
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে হত্যার পর জিয়াউর রহমান ক্ষমতা দখল করে ধর্মনিরপেক্ষ অসাম্প্রদায়িক চেতনার বাঙলাদেশে সর্বদলীয় গনতন্ত্রের নামে একাত্তরের ঘাতক দালাল রাজাকার যুদ্ধাপরাধী গোলাম আযমকে পাকিস্তান থেকে আমদানী করে ধর্ম ভিত্তিক রাজনীতি চালু করে । জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে হত্যার পর জিয়াউর রহমান ক্ষমতা দখল করে ধর্মনিরপেক্ষ অসাম্প্রদায়িক চেতনার বাঙলাদেশে সর্বদলীয় গনতন্ত্রের নামে একাত্তরের ঘাতক দালাল রাজাকার যুদ্ধাপরাধী গোলাম আযমকে পাকিস্তান থেকে আমদানী করে ধর্ম ভিত্তিক রাজনীতি চালু করে । জিয়াউর রহমান খুন হওয়ায়াউর রহমান খুন হওয়া
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে হত্যার পর জিয়াউর রহমান ক্ষমতা দখল করে ধর্মনিরপেক্ষ অসাম্প্রদায়িক চেতনার বাঙলাদেশে সর্বদলীয় গনতন্ত্রের নামে একাত্তরের ঘাতক দালাল রাজাকার যুদ্ধাপরাধী গোলাম আযমকে পাকিস্তান থেকে আমদানী করে ধর্ম ভিত্তিক রাজনীতি চালু করে ।
জিয়াউর রহমান খুন হওয়ার পর ক্ষমতায় আসে সর্বকালের সেরা লুইচ্চা এরশাদ । সে এসেই রাষ্ট্রের মাথায় টুপি পরিয়ে স্বাধীন সার্বভৌম ধর্মনিরপেক্ষ অসাম্প্রদায়িক বাঙলাদেশকে শুধুমাত্র মুসলমানদের দেশ বানাইতে চেষ্টা করে । এই দেশের মানুষের মগজে ধর্মীয় রাজনীতির বিষবাস্প ঢুকিয়ে দেয় ।
গনভ্যুত্থানের মাধ্যমে সর্বকালের সেরা লুইচ্চা এরশাদকে হটানোর পর ক্ষমতায় আসে মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী একমাত্র দল আওয়ামীলীগ । আওয়ামীলীগ পাঁচ বছর রাষ্ট্র শাষন করলেও দীর্ঘ একুশ বছরের জঞ্জাল পরিস্কার করতে তারা সফল হয় নাই । যার ফলে ধর্ম বিরোধীতার অভিযোগে দুইহাজার এক সালে আওয়ামীলীগকে ক্ষমতা হারাইতে হয় উগ্রধর্মান্ধ অশিক্ষিত কুশিক্ষিত কুসংস্কারাচ্ছন্ন বিএনপি জামাতের কাছে ।
বিএনপি জামাত দেশকে আবার শুধুমাত্র মুসলমানদের দেশ বানাইতে উঠে পড়ে লাগে । তারা প্রকাশ্যে স্লোগান দেয় রাস্তায় "আমরা সবাই মুসলমান বাঙলা হইবে পাকিস্তান আফগান" । দেশে উত্থান হয় বাঙলা ভাই শায়খ আবদুর রহমানদের মতো উগ্রপন্থী জঙ্গিদের ।
একাত্তরের ঘাতক দালাল রাজাকার যুদ্ধাপরাধীরা সমাজের বিভিন্ন সেক্টরে নিজেদের অবস্থান পাকাপোক্ত করে বিরাট বিরাট আলেম ওলেমা সাইজা বসে । মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি ও সংখ্যালগুদের উপর চালায় ভয়াবহ দমন পীড়ন ।
ধর্মনিরপেক্ষ অসাম্প্রদায়িক স্বাধীন সার্বভৌম বাঙলাদেশে ধর্মনিরপেক্ষ অসাম্প্রদায়িকতা এবং জাতির পিতার আদর্শের কথা বললেই নাস্তিক , খোদাদ্রোহী , কোরান বিরোধী তথা ইসলাম বিরোধী বইলা অপপ্রচার চালানো হয় সবখানে । কোনঠাসা হয়ে পড়ে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের লোকজন ।
বিএনপি জামাত ক্ষমতায় থাকাকালে এই দেশে স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবর্তে যত্রতত্র গড়ে উঠে নামে বেনা মসজিদ মাদ্রাসা । সেইসব মসজিদ মাদ্রাসায় নিয়োগ দেওয়া হয় একাত্তরের ঘাতক দালাল রাজাকার যুদ্ধাপরাধীদের উম্মত জামাত শিবিরের চিহ্নিত নেতা কর্মী সমর্থকদের । তৈরি করা হয় আধুনিক ও দুনিয়াবী বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষার পরিবর্তে উগ্রধর্মান্ধ অশিক্ষিত কুসংস্কারাচ্ছন্ন পাকিস্তানী আকিদার ধর্মনিরপেক্ষ অসাম্প্রদায়িক চেতনার পরিপন্থী নয়া প্রজন্ম । যারা আওয়ামীলীগ এবং মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করাকেই একমাত্র জান্নাতের টিকেট মনে করে ।
হাটে মাঠে গ্রামে গঞ্জে রটিয়ে দেওয়া হয় , যারা আওয়ামীলীগ করে তারা মুসলমান নয় । শেখ হাসিনা হিন্দু । শেখ মুজিব হিন্দু । কোন মুসলমান আওয়ামীলীগ করতে পারে না । যে আওয়ামীলীগ করে সে মুসলমান নয় । আওয়ামীলীগকে ভোট দিলে জাহান্নাম নিশ্চিত । শেখ মুজিবকে যারা জাতির পিতা বলে স্বীকার করে তারা কখনোই মুসলমান হইতে পারে না ।
আওয়ামীলীগের বিরুদ্ধে ধর্মকে একমাত্র অস্ত্র হিসাবে ব্যবহার করে । গ্রামের মহিলাদের বুঝানো হয় আওয়ামীলীগ হিন্দু দেশ ভারতের দ্বারা চলে । ভারত কখনোই মুসলমানের বন্ধু হতে পারে না । তৈরি করা হয় একাত্তরের পরাজিত পাকিস্তানীদের পক্ষের প্রজন্ম । যে প্রজন্ম পুরাটাই বাঙলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌত্ব মুক্তিযুদ্ধ জাতীয় সংগীত জাতীয় পতাকা স্মৃতিসৌধ শহীদ মিনার জাতীয় দিবস পহেলা বৈশাখসহ সকল ধরনের বাঙালি সংস্কৃতির বিরোধী ।
আওয়ামীলীগ দুইহাজার আট সালে আবার ক্ষমতায় এসে দেশের নয়া প্রজন্মের মগজকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ফেরত নিয়ে যাওয়ার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা শুরু করে । শুরু করে একাত্তরের ঘাতক দালাল রাজাকার যুদ্ধাপরাধীদের বিচার । নয়া প্রজন্ম পুরুজ্জীবিত হয় । গড়ে তোলে রাজাকার যুদ্ধাপরাধী ও উগ্রধর্মান্ধদের বিরুদ্ধে দুর্বার আন্দোলন । একাত্তরের ঘাতক দালাল রাজাকার যুদ্ধাপরাধী জামাত শিবির আস্তে আস্তে কোনঠাসা হয়ে পড়ে । এইদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের লোকজন আবার আসার আলো দেখতে পায় ।
কিন্তু বিএনপি জামাত ষড়যন্ত্র থামায় নাই । একটার পর একটা ষড়যন্ত্র করতেই থাকে । কিন্তু শেখের বেটি হাসিনার দুরদর্শিতায় সেই সব ষড়যন্ত্র হালে পানি পায় নাই । নস্যাৎ হতে থাকে একের পর এক ষড়যন্ত্র ।
আওয়ামীলীগ এখন টানা ক্ষমতায় । দেশে এখন একটি প্রজন্ম তৈরি হচ্ছে যারা ধর্মবিরোধি নয় আবার ধর্মান্ধও নয় । তারা মুক্তিযুদ্ধের ধর্মনিরপেক্ষ অসাম্প্রদায়িক চেতনা এবং জাতির পিতার আদর্শের ।
এই দেশে আওয়ামীলীগকে টানা ক্ষমতায় রাখা না গেলে দেশে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাঙলা গড়া সম্ভব হবে না ।
তাই বলছি , একাত্তরের ঘাতক দালাল রাজাকার যুদ্ধাপরাধী জামাত শিবির এবং উগ্রধর্মান্ধ তেতুলবাগী হেফাজতিদের দোসর বিএনপির হাতে ক্ষমতা নয় ক্ষমতায় থাকুক মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি আওয়ামীলীগ ।
আওয়ামীলীগের হাতে দেশ থাকলে দেশ আগাবেই । আওয়ামীলীগ দেশ এবং মানুষের লগে বেঈমানি করে না । আওয়ামীলীগ কোন ধর্মের বিরোধিতা করে না । আওয়ামীলীগ সকল ধর্মের সকল মানুষের সর্বচ্চো স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে ।
আসুন ভরসা রাখি নৌকায় ।
আসুন ভরসা রাখি মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ।
জয় বাঙলা
জয় বঙ্গবন্ধু ।
times24
দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে বাঁশখালীতে আওয়ামীলীগের প্রতিবাদ সমাবেশ
দেশবিরোধী চক্রান্ত – ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে কালীপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, তাঁতিলীগ,শ্রমিক লীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠন...