রবিবার, ২৬ নভেম্বর, ২০১৭

জাজিরা প্রান্তে পদ্মাসেতুর ৩৯ নম্বর পিলারের ফাইনাল ধাপের ঢালাই শেষ।

 দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে পদ্মাসেতু প্রকল্পের কাজ। সেতুটির ৫১ দশমিক ২০ শতাংশ নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে। ৩৯ নম্বর পিলারের প্লিন্থ ঢালাইয়ের কাজ শেষ হচ্ছে শনিবার (২৫ নভেম্বর)। ঢালাই শেষ হলে স্প্যান বসানোর জন্য উপযোগী হবে পিলারটি।
২০১৮ সালের ডিসেম্বর মাসে ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের এই সেতুর কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। বিজয় দিবসের আগেই পিলারের উপর দু’টি স্প্যান বসবে বলে আশাবাদী পদ্মাসেতু প্রকল্পের প্রকৌশলীরা।

পদ্মাসেতু প্রকৌশলী সূত্র বাংলানিউজকে বলেন,
জাজিরা প্রান্তে পদ্মাসেতুর ৩৯ নম্বর পিলারের ফাইনাল ধাপের ঢালাই শেষ। চলতি মাসের শেষের দিকে ৩৯ নম্বর পিলারটি স্প্যান বসানোর উপযোগী হলেও ৪০ নম্বর পিলারের ঢালাই শেষ হতে ডিসেম্বর মাস লাগবে। ফাইনাল লেয়ারের রড বাঁধাইয়ের কাজ চলছে ৪০ নম্বর পিলারে। ৪২ নম্বর পিলারের পাইল ক্যাপ ঢালাই শেষ এবং পিলারের রড বাঁধাইয়ের কাজ শুরু হবে এই সপ্তাহে।

এছাড়া ৪২ নম্বর পিলারের পাইল ক্যাপ ঢালাই শেষ। খুব শিগগিরই পিয়ার কলামের রড বাঁধাইয়ের কাজ শুরু হবে। এর পরে পিয়ার কলামের প্রথম ধাপের ঢালাই শুরু হবে। এসব কাজে বিশেষজ্ঞ প্যানেল নিখুঁতভাবে যাচাই বাছাই করে পরামর্শ এবং সিদ্ধান্ত নিচ্ছে।
এদিকে, ৪১ নম্বর পিলারের পাইল পরশনের কাজ চলছে। পুরোপুরি পাইলটি উপযোগী হতে চলতি বছর লেগে যাবে। ২০১৮ সালের প্রথম দিকে পাইল ক্যাপের কাজ শুরু হবে। মাওয়ার কুমারভোগ ওয়ার্কশপে ৭বি ও ৭সি নামের দুইটি স্প্যানকে ক্লিনিং করার কাজ চলছে, এরপর শুরু হবে পেইন্টিংয়ের কাজ। শেষ ধাপে রংয়ের কাজ শেষ হলে মাওয়া থেকে জাজিরা প্রান্তে নিয়ে আসা হবে।
পদ্মাসেতুর নির্মাণকাজ ৫১ দশমিক ২০ শতাংশ, নদীশাসন ৩৪ শতাংশ এবং সেতুর দুইপাশের অ্যাপ্রোচ রোড শতভাগ শেষ হয়েছে।
সেতুর একটি স্প্যান ইতোমধ্যেই বসানো হয়েছে এবং আরও একটি স্প্যান ডিসেম্বরের মধ্যেই বসবে। বৃহস্পতিবার (২৩ নভেম্বর) সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি সরেজমিনে পরিদর্শন শেষে এসব তথ্য জানান।

রাজকার-আলবদর, যুদ্ধাপরাধী, খুনি, দুর্নীতিবাজ ও ইতিহাস বিকৃতিকারীরা যেন ক্ষমতায় আসতে না পারে।


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, রাজকার-আলবদর, যুদ্ধাপরাধী, খুনি, দুর্নীতিবাজ ও ইতিহাস বিকৃতিকারীরা যেন ক্ষমতায় আসতে না পারে। আগামীর বাংলাদেশ হবে অর্থনৈতিক মুক্তির ও সমৃদ্ধির বাংলাদেশ। যা বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণেই বলা আছে। 
শনিবার (২৫ নভেম্বর) বিকেলে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে তিনি এসব কথা বলেন। বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণকে ইউনেস্কোর স্বীকৃতি দেওয়ায় রাষ্ট্রীয়ভাবে উদযাপন উপলক্ষে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে। 
সমাবেশের প্রধান অতিথি শেখ হাসিনা বলেন, রাজাকার, আলবদর, যুদ্ধাপরাধী, খুনি, দুর্নীতিবাজ এবং ইতিহাস বিকৃতিকারীরা যাতে ক্ষমতায় আসতে না পারে সে জন্য খেয়াল রাখতে হবে। সরকার ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ে এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। আমরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলবো। 
তিনি বলেন, সমাবেশে আগামী প্রজন্মের অনেক ছেলে-মেয়ে এখানে উপস্থিত রয়েছে। বঙ্গবন্ধু ৭ই মার্চ যে ভাষণ দিয়েছিলেন তা তাদের জানতে হবে বুঝতে হবে, অনুধাবন করতে হবে। কেননা এই ভাষণেই বলা আছে ভবিষ্যত বাংলাদেশ কেমন হবে। 
বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা বলেন, পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট জাতির পিতাকে হত্যার পর এই ভাষণকে নিষিদ্ধ করা হয়। প্রজন্মের পর প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানতে পারেনি। যারা এই ভাষণ নিষিদ্ধ করে দিয়েছিলো, তাদের অবস্থা আজ কী? তারা এখন কোথায় মুখ লুকাবে? 

আমরা রাজনীতিকরা যদি দুর্নীতিমুক্ত থাকি, তবে দেশের দুর্নীতি অটোমেটিক্যালি অর্ধেক কমে যাবে।”

শনিবার, ২৫ নভেম্বর, ২০১৭

এমপির মদদে প্রতিদ্বন্দ্বীকে হত্যাচেষ্টা

বাঁশখালীর সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরীর বিরুদ্ধে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ করেছেন তার প্রতিদন্দ্বী মনোনয়ন প্রত্যাশী আবদুল্লাহ কবির লিটন। গতকাল শনিবার দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন তিনি। প্রসঙ্গত, ৯ নভেম্বর বাঁশখালী পৌর সদরের সরল ইউনিয়নের পাইরাং এলাকায় আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবুর স্মরণসভা ঘিরে সরকার দলীয় সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ও আবদুল্লাহ কবীর লিটনের অনুসারীদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। এতে অন্তত ১১ জন গুলিবিদ্ধসহ আহত হয় ২৩জন। সংবাদ সম্মেলনে সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমানের মদদে লিটনের ওপর সশস্ত্র হামলা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়। সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস’া গ্রহণের দাবিও জানান আবদুল্লাহ কবির লিটন। সাংসদের চাচা রশিদ আহমেদ ও পিএস তাজুল ইসলাম হামলার নেতৃত্ব দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেন লিটন। হামলার ঘটনায় লিটনের অনুসারী আনিসুল হক বাদি হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে বাঁশখালী থানায় একটি মামলা করেন। মামলার সংসদ সদস্যের চাচা ও সরল ইউপি চেয়ারম্যান রশিদ আহমদ চৌধুরীকে প্রধান আসামি করা হয়। দুই নম্বর আসামি করা হয়েছে সংসদ সদস্যের পিএস ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি তাজুল ইসলামকে। সংবাদ সম্মেলনে লিটন জানান, সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরীর বাড়ির কাছেই হামলার এ ঘটনা ঘটে। তার চাচা বর্তমান সরল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রশিদ আহমদ এবং পিএস তাজুল ইসলামের নেতৃত্বে তাকে (লিটন) হত্যার উদ্দেশে তার গাড়িবহর ও নেতাকর্মীদের লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ শুরু করে। এসময় অনুসারীরা মানবঢাল তৈরি করে তাকে রক্ষা করেন। এসময় ঘটনাস’লে গুলিবিদ্ধ হন বৈলছড়ি ইউপি সদস্য বাঁশখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলম উদ্দিন, যুবলীগ নেতা মাহমুদুল ইসলাম বদি, যুবলীগ কর্মী ইউসুফ, দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি আনিসুল হক চৌধুরী, আওয়ামী লীগ নেতা মাহমুদুল আলম, ছাত্রলীগকর্মী জাফর। এছাড়া ৩৫জন নেতাকর্মী আহত হন। হামলার পর সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা এমপির বাড়ির দিকে চলে যায়। লিটন অভিযোগ করেন, ইতোপূর্বে অবৈধ প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় নির্বাচন কর্মকর্তাকে মারধর করেছেন এমপি। টিআর ও সরকারি বিভিন্ন প্রকল্প থেকে এমপি এবং তার পিএস তাজুলের লাগামহীন দুর্নীতি করেছেন। ভুয়া প্রকল্পের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা আত্মসাত করেন এমপি এবং তার পিএস তাজুল। সংবাদ সম্মেলনে লিটন আরও অভিযোগ করেন, লাখ লাখ টাকার বাণিজ্যে যুদ্ধাপরাধী দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর রায়ের পর তাণ্ডবে নিহত দয়াল হরি হত্যা মামলা এবং নাশকতা মামলার একাধিক আসামিদের অব্যাহতির সুপারিশ দিয়েছেন সংসদ সদস্য মোস্তাফিজ। হামলায় জড়িতদের গ্রেফতার এবং বাঁশখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের কমিটি বাতিলের দাবিও জানান লিটন। সংবাদ সম্মেলনে উপসি’ত ছিলেন-দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সমাজ সেবা বিষয়ক সম্পাদক নুরুল আলম, দক্ষিণ জেলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার ইসলাম আহমেদ, দক্ষিণ জেলা যুবলীগ নেতা আকতার হোসাইন, কারা পরিদর্শক শেখ হোস

বৃহস্পতিবার, ২৩ নভেম্বর, ২০১৭

অবশেষে গ্রেফতার ট্রিপল মার্ডারের আসামী আহমদ

বাঁশখালীতে বহুল আলোচিত ট্রিপল মার্ডারসহ অর্ধ ডজন মামলার চার্জশীটভুক্ত আসামি,গন্ডামারার ১নং ওয়ার্ড এলাকার ফজল আহমদকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গত বুধবার গভীর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গন্ডামারার নিজ বাড়ি থেকে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত ফজল গন্ডামারার মৃত রশিদ আহমদের ছেলে। অস্ত্র ব্যবসায়ী ফজল আহমদকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসায়' বাঁশখালী থানার ওসি ও পুলিশ প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট এলাকার জনসাধারন।

বুধবার, ২২ নভেম্বর, ২০১৭

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে হত্যার পর জিয়াউর রহমান ক্ষমতা দখল করে ধর্মনিরপেক্ষ অসাম্প্রদায়িক চেতনার বাঙলাদেশে সর্বদলীয় গনতন্ত্রের নামে একাত্তরের ঘাতক দালাল রাজাকার যুদ্ধাপরাধী গোলাম আযমকে পাকিস্তান থেকে আমদানী করে ধর্ম ভিত্তিক রাজনীতি চালু করে । জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে হত্যার পর জিয়াউর রহমান ক্ষমতা দখল করে ধর্মনিরপেক্ষ অসাম্প্রদায়িক চেতনার বাঙলাদেশে সর্বদলীয় গনতন্ত্রের নামে একাত্তরের ঘাতক দালাল রাজাকার যুদ্ধাপরাধী গোলাম আযমকে পাকিস্তান থেকে আমদানী করে ধর্ম ভিত্তিক রাজনীতি চালু করে । জিয়াউর রহমান খুন হওয়ায়াউর রহমান খুন হওয়া

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে হত্যার পর জিয়াউর রহমান ক্ষমতা দখল করে ধর্মনিরপেক্ষ অসাম্প্রদায়িক চেতনার বাঙলাদেশে সর্বদলীয় গনতন্ত্রের নামে একাত্তরের ঘাতক দালাল রাজাকার যুদ্ধাপরাধী গোলাম আযমকে পাকিস্তান থেকে আমদানী করে ধর্ম ভিত্তিক রাজনীতি চালু করে । জিয়াউর রহমান খুন হওয়ার পর ক্ষমতায় আসে সর্বকালের সেরা লুইচ্চা এরশাদ । সে এসেই রাষ্ট্রের মাথায় টুপি পরিয়ে স্বাধীন সার্বভৌম ধর্মনিরপেক্ষ অসাম্প্রদায়িক বাঙলাদেশকে শুধুমাত্র মুসলমানদের দেশ বানাইতে চেষ্টা করে । এই দেশের মানুষের মগজে ধর্মীয় রাজনীতির বিষবাস্প ঢুকিয়ে দেয় । গনভ্যুত্থানের মাধ্যমে সর্বকালের সেরা লুইচ্চা এরশাদকে হটানোর পর ক্ষমতায় আসে মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী একমাত্র দল আওয়ামীলীগ । আওয়ামীলীগ পাঁচ বছর রাষ্ট্র শাষন করলেও দীর্ঘ একুশ বছরের জঞ্জাল পরিস্কার করতে তারা সফল হয় নাই । যার ফলে ধর্ম বিরোধীতার অভিযোগে দুইহাজার এক সালে আওয়ামীলীগকে ক্ষমতা হারাইতে হয় উগ্রধর্মান্ধ অশিক্ষিত কুশিক্ষিত কুসংস্কারাচ্ছন্ন বিএনপি জামাতের কাছে । বিএনপি জামাত দেশকে আবার শুধুমাত্র মুসলমানদের দেশ বানাইতে উঠে পড়ে লাগে । তারা প্রকাশ্যে স্লোগান দেয় রাস্তায় "আমরা সবাই মুসলমান বাঙলা হইবে পাকিস্তান আফগান" । দেশে উত্থান হয় বাঙলা ভাই শায়খ আবদুর রহমানদের মতো উগ্রপন্থী জঙ্গিদের । একাত্তরের ঘাতক দালাল রাজাকার যুদ্ধাপরাধীরা সমাজের বিভিন্ন সেক্টরে নিজেদের অবস্থান পাকাপোক্ত করে বিরাট বিরাট আলেম ওলেমা সাইজা বসে । মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি ও সংখ্যালগুদের উপর চালায় ভয়াবহ দমন পীড়ন । ধর্মনিরপেক্ষ অসাম্প্রদায়িক স্বাধীন সার্বভৌম বাঙলাদেশে ধর্মনিরপেক্ষ অসাম্প্রদায়িকতা এবং জাতির পিতার আদর্শের কথা বললেই নাস্তিক , খোদাদ্রোহী , কোরান বিরোধী তথা ইসলাম বিরোধী বইলা অপপ্রচার চালানো হয় সবখানে । কোনঠাসা হয়ে পড়ে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের লোকজন । বিএনপি জামাত ক্ষমতায় থাকাকালে এই দেশে স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবর্তে যত্রতত্র গড়ে উঠে নামে বেনা মসজিদ মাদ্রাসা । সেইসব মসজিদ মাদ্রাসায় নিয়োগ দেওয়া হয় একাত্তরের ঘাতক দালাল রাজাকার যুদ্ধাপরাধীদের উম্মত জামাত শিবিরের চিহ্নিত নেতা কর্মী সমর্থকদের । তৈরি করা হয় আধুনিক ও দুনিয়াবী বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষার পরিবর্তে উগ্রধর্মান্ধ অশিক্ষিত কুসংস্কারাচ্ছন্ন পাকিস্তানী আকিদার ধর্মনিরপেক্ষ অসাম্প্রদায়িক চেতনার পরিপন্থী নয়া প্রজন্ম । যারা আওয়ামীলীগ এবং মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করাকেই একমাত্র জান্নাতের টিকেট মনে করে । হাটে মাঠে গ্রামে গঞ্জে রটিয়ে দেওয়া হয় , যারা আওয়ামীলীগ করে তারা মুসলমান নয় । শেখ হাসিনা হিন্দু । শেখ মুজিব হিন্দু । কোন মুসলমান আওয়ামীলীগ করতে পারে না । যে আওয়ামীলীগ করে সে মুসলমান নয় । আওয়ামীলীগকে ভোট দিলে জাহান্নাম নিশ্চিত । শেখ মুজিবকে যারা জাতির পিতা বলে স্বীকার করে তারা কখনোই মুসলমান হইতে পারে না । আওয়ামীলীগের বিরুদ্ধে ধর্মকে একমাত্র অস্ত্র হিসাবে ব্যবহার করে । গ্রামের মহিলাদের বুঝানো হয় আওয়ামীলীগ হিন্দু দেশ ভারতের দ্বারা চলে । ভারত কখনোই মুসলমানের বন্ধু হতে পারে না । তৈরি করা হয় একাত্তরের পরাজিত পাকিস্তানীদের পক্ষের প্রজন্ম । যে প্রজন্ম পুরাটাই বাঙলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌত্ব মুক্তিযুদ্ধ জাতীয় সংগীত জাতীয় পতাকা স্মৃতিসৌধ শহীদ মিনার জাতীয় দিবস পহেলা বৈশাখসহ সকল ধরনের বাঙালি সংস্কৃতির বিরোধী । আওয়ামীলীগ দুইহাজার আট সালে আবার ক্ষমতায় এসে দেশের নয়া প্রজন্মের মগজকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ফেরত নিয়ে যাওয়ার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা শুরু করে । শুরু করে একাত্তরের ঘাতক দালাল রাজাকার যুদ্ধাপরাধীদের বিচার । নয়া প্রজন্ম পুরুজ্জীবিত হয় । গড়ে তোলে রাজাকার যুদ্ধাপরাধী ও উগ্রধর্মান্ধদের বিরুদ্ধে দুর্বার আন্দোলন । একাত্তরের ঘাতক দালাল রাজাকার যুদ্ধাপরাধী জামাত শিবির আস্তে আস্তে কোনঠাসা হয়ে পড়ে । এইদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের লোকজন আবার আসার আলো দেখতে পায় । কিন্তু বিএনপি জামাত ষড়যন্ত্র থামায় নাই । একটার পর একটা ষড়যন্ত্র করতেই থাকে । কিন্তু শেখের বেটি হাসিনার দুরদর্শিতায় সেই সব ষড়যন্ত্র হালে পানি পায় নাই । নস্যাৎ হতে থাকে একের পর এক ষড়যন্ত্র । আওয়ামীলীগ এখন টানা ক্ষমতায় । দেশে এখন একটি প্রজন্ম তৈরি হচ্ছে যারা ধর্মবিরোধি নয় আবার ধর্মান্ধও নয় । তারা মুক্তিযুদ্ধের ধর্মনিরপেক্ষ অসাম্প্রদায়িক চেতনা এবং জাতির পিতার আদর্শের । এই দেশে আওয়ামীলীগকে টানা ক্ষমতায় রাখা না গেলে দেশে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাঙলা গড়া সম্ভব হবে না । তাই বলছি , একাত্তরের ঘাতক দালাল রাজাকার যুদ্ধাপরাধী জামাত শিবির এবং উগ্রধর্মান্ধ তেতুলবাগী হেফাজতিদের দোসর বিএনপির হাতে ক্ষমতা নয় ক্ষমতায় থাকুক মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি আওয়ামীলীগ । আওয়ামীলীগের হাতে দেশ থাকলে দেশ আগাবেই । আওয়ামীলীগ দেশ এবং মানুষের লগে বেঈমানি করে না । আওয়ামীলীগ কোন ধর্মের বিরোধিতা করে না । আওয়ামীলীগ সকল ধর্মের সকল মানুষের সর্বচ্চো স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে । আসুন ভরসা রাখি নৌকায় । আসুন ভরসা রাখি মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় । জয় বাঙলা জয় বঙ্গবন্ধু ।

মঙ্গলবার, ২৯ আগস্ট, ২০১৭

সীমান্তে যৌথ অভিযানের প্রস্তাব

মিয়ানমার সীমান্তে যৌথ অভিযানের প্রস্তাব দিলো বাংলাদেশ রাষ্ট্রদূতের সাথে বৈঠক সীমান্তে সশস্র সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে যৌথ অভিযানের প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ। তবে এসব সন্ত্রাসীকে ‘বাঙালি’ হিসেবে চিহ্নিত করার মিয়ানমার সরকারের প্রবণতার তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।গতকাল ঢাকায় মিয়ানমারের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত অং মিনকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ডেকে নিয়ে রাখাইন সঙ্কট নিয়ে সরকারের অবস্থান জানানো হয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক (দণি-পূর্ব এশিয়া অণুবিভাগ) মঞ্জুরুল ইসলামের সাথে বৈঠক করেন তিনি। বাংলাদেশের তরফে বলা হয়েছে, গত সপ্তাহে রাখাইনে পুলিশ ও সেনাসদস্যদের ওপর হামলার ঘটনাটি মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ বিষয়। তবে এর সাথে ‘বাঙালি সন্ত্রাসী’ শব্দের ব্যবহার অগ্রহণযোগ্য। মিয়ানমার যদি মনে করে সীমান্তে সন্ত্রাসী বা উগ্রবাদী আছে, তাদের আটকে ঢাকা সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে। কেননা বাংলাদেশের মাটি কোনো দেশের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী বা উগ্রবাদী কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করার সুযোগ দেয়া হয় না। এ নীতি সরকার দৃঢ়ভাবে অনুসরণ করে। বৈঠকে মিয়ানমারের উগ্রবাদী, আরাকান আর্মি ও অন্য যেকোনো শক্তির বিরুদ্ধে নিরাপত্তা বাহিনীর মাধ্যমে যৌথ অভিযানের প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ। নিরাপত্তা নিয়ে মিয়ানমারের যে উদ্বেগ রয়েছে, তা দূর করতে সহযোগিতা করতে চায় বাংলাদেশ। রাখাইন পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে গত শনিবার মিয়ানমারের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত অং মিনকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব করা হয়। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (এশিয়া ও প্যাসিফিক) মাহবুব উজ জামান এ সময় অং মিনকে জানান, গত বছরের ৯ অক্টোবর মিয়ানমার পুলিশের ওপর সন্ত্রাসী হামলার পর সেখানে সেনা অভিযান হয়েছিল, যার পরিপ্রেক্ষিতে প্রায় ৮৫ হাজার মিয়ানমার নাগরিক বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করেছে। চলমান পরিস্থিতিতে রাখাইনের নারী, শিশু, বয়োজ্যেষ্ঠসহ হাজার হাজার নিরস্ত্র নাগরিক বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টায় সীমান্তে জড়ো হয়েছেন। এটি অত্যন্ত উদ্বেগের। সচিব বলেন, এমনিতেই বাংলাদেশ বছরের পর বছর ধরে কয়েক লাখ মিয়ানমার নাগরিককের ভার বয়ে চলেছে, যারা বিভিন্ন ঘটনায় প্রাণ বাঁচতে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ মনে করে সাধারণ নাগরিকদের রায় মিয়ানমারের দায়িত্ব নেয়া জরুরি। নিরস্ত্র নাগরিক, বিশেষত চরম ঝুঁকিতে থাকা নারী, শিশু ও বয়োজ্যেষ্ঠদের উপযুক্ত নিরাপত্তা ও আশ্রয় নিশ্চিত করতে মিয়ানমার কর্তৃপরে প্রতি আহ্বান জানায় বাংলাদেশ।

সোমবার, ২৪ জুলাই, ২০১৭

মীর কাসেমের শেষ পরিনতি

কুখ্যাত রাজাকার মীর কাশেম আলীর যত কুকর্ম ও শেষ পরিনতিঃ
---------------------------------------------
------------------------------
অবশেষে মীর কাশেমের চাপ্টার ক্লোজড।
চলুন এক নজরে দেখে আসি এই জানোয়ারের যত অপকর্ম ও নির্যাতনের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস।
জামায়াত নেতাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বিত্ত-সম্পদের মালিক হচ্ছেন মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্দ্ণ্ডকপ্রাপ্ত কুখ্যাত রাজাকার মীর কাসেম আলী ওরফে খান সাহেব।
যদিও এই # জামায়াত_শিবিরেরর অবস্তা এখন জনবিচ্ছিন্ন জঙ্গি সংগঠন ছাড়া আর কিছু নয়।
যুদ্ধপরাধের দায়ে খুব শ্রীঘই বাংলাদেশে জামায়াত শিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধ করা হচ্ছে। সব মহলে আজ দাবি উঠেছে এমনটাই।
এইদিকে জামায়াতের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য মীর কাসেম আলী একজন বিলিয়নিয়ার ব্যবসায়ী। জামায়াত-শিবিরের অর্থের প্রধান জোগানদাতাও তাকেই বলা হয়। মীর কাসেম আলীর বেড়ে ওঠা,মীর কাসেম আলীর জন্ম ১৯৫২ সালে মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার চালা গ্রামে। তার বাবা তৈয়ব আলী বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডে চাকরি করতেন। চার ভাইয়ের মধ্যে তিনি দ্বিতীয়।
মীর কাসেমকে এলাকার মানুষ
# মিন্টু নামেই চেনেন। বাবার চাকরির সুবাদে পরিবারের সঙ্গে থাকতেন চট্টগ্রামে। ভর্তি হন চট্টগ্রাম কলেজে। ১৯৭০ সালে চট্টগ্রাম সরকারি কলেজের ছাত্র থাকাকালে জামায়াতের ছাত্রসংগঠন ইসলামী ছাত্রসংঘের চট্টগ্রাম শাখার সভাপতি হন তিনি।
# একাত্তরের_ভূমিকা : ১৯৭১ সালে স্বাধীনতাযুদ্ধের সময় জামায়াত পক্ষ নেয় পাকিস্তানের। রাজাকার অর্ডিন্যান্স জারির পর জামায়াতে ইসলামী তাদের ছাত্রসংগঠন ছাত্রসংঘের নেতাদের নিজ নিজ জেলার আলবদর বাহিনীর প্রধান নিযুক্ত করেন। সেই সুবাদে মীর কাসেম আলী চট্টগ্রাম জেলার প্রধান হন। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, ১৯৭১ সালের ২ আগস্ট চট্টগ্রাম মুসলিম ইনস্টিটিউটে তার নেতৃত্বে
# স্বাধীনতাবিরোধী
_সমাবেশ_আয়োজন_করা_হয় ।
সভাপতি হিসেবে তিনি তার ভাষণে বলেন, গ্রামগঞ্জে প্রতিটি এলাকায় খুঁজে খুঁজে পাকিস্তানবিরোধীদের শেষ চিহ্নটি মুছে ফেলতে হবে। মীর কাসেমের বিরুদ্ধে আরেকটি বড় অভিযোগ হচ্ছে- তিনি সংখ্যালঘু পরিবারের বাড়ি ‘ # মহামায়া_ভবন_দখল করে বানান|៲'丨丿’iノ៸°′ ̄/sz°
# টর্চার_সেল ।
# ডালিম_হোটেল নামে পরিচিত ওই টর্চার সেলে এনে মুক্তিযোদ্ধাদের ওপর নির্মম নির্যাতন করা হতো। স্বাধীন দেশে মীর কাসেম আলী।
জানা যায়, স্বাধীনতার পর মীর কাসেম ঢাকায় আসেন। কিন্তু কিছু দিন যেতে-না-যেতেই মুক্তিযোদ্ধাদের রোষানলে পড়ার ভয়ে চলে যান লন্ডনে। সেখান থেকে সৌদি আরব। সৌদিতে থাকাকালীন সেখানকার অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির সঙ্গে তার সুসম্পর্ক হয়। বঙ্গবন্ধু হত্যার পর দেশে ফিরে আসেন মীর কাসেম।
মীর কাসেমের নেতৃত্বেই ১৯৭৭ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি ইসলামী ছাত্রসংঘ নাম পরিবর্তন করে ছাত্রশিবির নামে আত্মপ্রকাশ করে। তিনি হন শিবিরের প্রথম কেন্দ্রীয় সভাপতি। এরপর মীর কাসেমকে আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্ক থাকার কারণে ১৯৮০ সালে তিনি রাবেতা আল ইসলামীর এ দেশীয় পরিচালক হন।
মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর টাকায় আস্তে আস্তে গড়ে তোলেন ইসলামী ব্যাংক, ইবনে সিনা ট্রাস্ট ও ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যালস। জামায়াতে ইসলামী ও শিবিরের আয় ও কর্মসংস্থানের বড় উৎস হয়ে দাঁড়ায় এসব প্রতিষ্ঠান। সঙ্গে সঙ্গে জামায়াত-শিবিরের রাজনীতিতে বাড়তে থাকে তার আধিপত্য। যত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক মীর কাসেম।
মীর কাসেম আলী দলীয় আর্থিক ফান্ড সমৃদ্ধ করার পাশাপাশি নিজেও হয়েছেন শত শত কোটির টাকার মালিক। ব্যাংক, চিকিৎসাসেবা, পরিবহণ, টেলিযোগাযোগ,গণমাধ্যম ও শিক্ষা সব খাতেই রয়েছে তার দাপুটে বিচরণ । মীর কাসেম আলী মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান রাবেতা আল ইসলামীর বাংলাদেশ পরিচালক, ইসলামী ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ভাইস চেয়ারম্যান ও পরিচালক, ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। ইবনে সিনা ট্রাস্ট (প্রশাসন) ও ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যালসের বোর্ড অব ডিরেক্টরের সদস্যও তিনি। এই ট্রাস্টের আটটি হাসপাতাল, ডায়াগনস্টিক ও ইমেজিং সেন্টার, একটি মেডিক্যাল কলেজ, একটি নার্সিং কলেজ ও একটি ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানি, ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল, ইসলামী ব্যাংক স্কুল ও কলেজ এবং দিগন্ত পেপার মিলের মালিক কাসেম আলীই। তিনি ফুয়াদ আল খতিব ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রাস্ট (এআইটি) ও বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান।দিগন্ত মিডিয়া করপোরেশনের চেয়ারম্যান মীর কাসেম আলী। এর অধীনে রয়েছে দৈনিক নয়া দিগন্ত পত্রিকা আর দিগন্ত টেলিভিশন। এ ছাড়া মীর কাসেম আলীর ব্যক্তিগত বাণিজিক গ্রুপের নাম ‘কেয়ারী’।
তিনি কেয়ারী হাউজিং ও ইডেন শিপিং লাইনসের চেয়ারম্যান। নামের আগে ‘কেয়ারী’ রয়েছে এ রকম ১০টি কোম্পানির পরিচালক মীর কাসেম আলী। এগুলো হলো- কেয়ারী লিমিটেড, কেয়ারী পোলট্রি হ্যাচারি অ্যান্ড প্রসেস, কেয়ারী স্প্রিং, কেয়ারী শান, কেয়ারী ট্যুরস অ্যান্ড সার্ভিসেস, কেয়ারী তাজ, কেয়ারী কালার সেন্টার, কেয়ারী ঝর্ণা, কেয়ারী রিয়েল এস্টেট ও কেয়ারী টেলিকম লিমিটেড।কক্সবাজারের টেকনাফ থেকে সেন্ট মার্টিনে যাওয়ার জন্য রয়েছে মীর কাসেমের একক মালিকানাধীন বিলাসবহুল পাঁচটি প্রমোদতরি কেয়ারী ক্রুইজ, কেয়ারী ডাইন, কেয়ারী সিন্দবাদ, কেয়ারী কর্ণফুলী ও কেয়ারী তরঙ্গ।এ ছাড়া কেয়ারী গ্রুপের সহস্রাধিক অ্যাপার্টমেন্ট ও বিপণি বিতান রয়েছে ঢাকা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজারসহ বিভিন্ন স্থানে। বিচার ঠেকাতে মীর কাসেমের তৎপরতা : জানা যায়, মানবতাবিরোধী বিচারের কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করতে মীর কাসেম আলী ২০১০ সালের ১০ মে ছয় মাসের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের কনসালট্যান্সি ফার্ম কেসিডি অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটসের সঙ্গে চুক্তি করেন। যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশ সরকারের ওপর চাপ প্রয়োগ ও লবিং করাই ওই চুক্তির লক্ষ্য। চুক্তি অনুযায়ী কনসালট্যান্সি ফার্মটি মীর কাসেম আলীর পক্ষে আমেরিকান কংগ্রেস, সিনেট সদস্য এবং ইউএস প্রশাসনের প্রধান সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীদের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন করবে। একই সঙ্গে দক্ষিণ এশিয়ার বৈদেশিক নীতির বিষয়ে মতামত দেবে। তারই লবিংয়ে হাউস অব কমন্সের শক্তিশালী একটি লবিস্ট গ্রুপ কাজ শুরু করে এবং তারা যুক্তরাজ্যসহ ইউরোপের বিভিন্ন শহরে সেমিনার ও আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে থাকে। মীর কাসেম আলীর ভাই মীর মাসুম আলী ও জামায়াত আমির মতিউর রহমান নিজামীর ছেলে নাকীবুর রহমান নিজামীর তত্ত্বাবধানে ‘অর্গানাইজেশন ফর পিস অ্যান্ড জাস্টিস’ এবং ‘হিউম্যান রাইটস ডেভেলপমেন্ট ইন বাংলাদেশ’ চালাতে শুরু করে নানা প্রচারণা। ‘ক্লোয়াক্রম অ্যাডভাইজর’ ও ‘কে গ্লোবাল’ নামে দুটি লবিং প্রতিষ্ঠানও সাবকনট্রাক্টের ভিত্তিতে কাজ শুরু করে তাদের সঙ্গে। অবশেষে বিচারের মুখোমুখি : এত কিছু করেও শেষ রক্ষা পাননি জামায়াতের প্রভাবশালী এই ব্যবসায়ী নেতা। জামায়াতের নির্বাহী পরিষদের সদস্য মীর কাসেম আলীর বিরুদ্ধে ২০১২ সালের ১৭ জুন গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন ট্রাইব্যুনাল। ওই দিন বিকেলেই মতিঝিলে দৈনিক নয়া দিগন্ত কার্যালয়ের (দিগন্ত মিডিয়া করপোরেশন) থেকে তাকে গ্রেফতার করে বিকেল সোয়া ৪টার দিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। এরপর ২০১৩ সালের ১৬ মে মীর কাসেমের বিরুদ্ধে ১৪টি অভিযোগ দাখিল করেন রাষ্ট্রপক্ষ। ২৬ মে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল-১। এরপর মামলাটি ট্রাইব্যুনাল-২-এ স্থানান্তর করা হয়। গত বছরের ৫ সেপ্টেম্বর মীর কাসেম আলীকে ১৪টি ঘটনায় অভিযুক্ত করে অভিযোগ গঠন করেন ট্রাইব্যুনাল। বিচারিক কার্যক্রম শেষে ২০১৪ সালের ২ নভেম্বর চেয়ারম্যান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ মীর কাসেমকে মৃত্যুদণ্ডের রায় প্রদান করেন। রাষ্ট্রপক্ষের আনীত ১১ ও ১২ নম্বর অভিযোগে মুক্তিযোদ্ধা জসিম ও জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীকে হত্যার দায়ে আদালত তাকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন। এর মধ্যে ১২ নম্বর অভিযোগে সংখ্যাগরিষ্ঠের ভিত্তিতে রায় প্রদান করা হয়। ২০১৪ সালের ৩০ নভেম্বর ট্রাইব্যুনালের দেওয়া মৃত্যুদণ্ড থেকে বেকসুর খালাস চেয়ে আপিল করেন মীর কাসেমের আইনজীবীরা। আপিলে তার খালাসের পক্ষে ১৮১টি যুক্তি তুলে ধরা হয়।চলতি বছরের ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়ে ২৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট ১১ কার্য দিবস মীর কাসেমের পক্ষে-বিপক্ষে আপিল শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।। চূড়ান্ত রায়ে মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকায় অবশেষে ফাঁসির দড়িতেই ঝুললেন প্রভাবশালী এ জামায়াত নেতা।

শনিবার, ২২ জুলাই, ২০১৭

ইউএনও'র বিরুদ্ধে মামলাকারী সৈয়দ ওবায়েদ উল্লাহ সাজুকে দল থেকে বহিষ্কার করলো আ'লীগ"

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি বিকৃতির অভিযোগে বরিশালের আগৈলঝাড়ার সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গাজী তারিক সালমনের বিরুদ্ধে করা মামলার বাদী অ্যাডভোকেট সৈয়দ ওবায়েদ উল্লাহ সাজুকে দল থেকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করেছে আওয়ামী লীগ।

 (২১ জুলাই)  সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার নির্বাচন মনোনয়ন বোর্ডের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন দলের সভাপতি এবং স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ ও উপজেলা পরিষদ নির্বাচন) মনোনয়ন বোর্ডের সভাপতি শেখ হাসিনা। বৈঠক শেষে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের জানান, সভায় ইউএনও’র বিরুদ্ধে মামলাকারী বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও বরিশাল আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ ওবায়েদ উল্লাহ সাজুকে দল থেকে সাময়িকভাবেবহিষ্কার করা হয়েছে। দলীয় গঠনতন্ত্রের ৪৭ এর ক  ধারা অনুযায়ী সাজুর বিরুদ্ধে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ‘একই সঙ্গে তাকে কেন দল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে না- চিঠি দিয়ে তাও জানতে চাওয়া হয়েছে।’গাজী তারিক সালমন বর্তমানে বরগুনাজেলা সদরে ইউএনও হিসেবে কর্মরত। এর আগে আগৈলঝাড়ার ইউএনও ছিলেন তিনি। গত ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপনে উপজেলা প্রশাসনের আমন্ত্রণপত্রে এক শিশুর আঁকা বঙ্গবন্ধর ছবি ব্যবহার করা হয়। আরসেই কার্ডের ছবিটিতে বঙ্গবন্ধুর ছবি ‘বিকৃত’ করা হয়েছে অভিযোগ করে ইউএনও গাজী তারিক সালমানের বিরুদ্ধে এ মামলা করেন আওয়ামী লীগনেতা সাজু।সমন জারি হলে গত বুধবার (১৯ জুলাই)সকালে আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন তারিক সালমান। কিন্তু প্রথমে তাকে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিলেও পরে একই আদালত তা প্রত্যাহার করে জামিন মঞ্জুর করেন। এ ঘটনায় খবর প্রকাশিত হলে দেশজুড়েতীব্র আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। যার উত্তাপ ছড়িয়ে পড়ে সামাজিকযোগাযোগমাধ্যমগুলোতেও।

times24

দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে বাঁশখালীতে আওয়ামীলীগের প্রতিবাদ সমাবেশ

দেশবিরোধী চক্রান্ত – ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে  কালীপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, তাঁতিলীগ,শ্রমিক লীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠন...