মঙ্গলবার, ২১ আগস্ট, ২০১৮

তৃনমূল মুজিব প্রেমিদের স্বপ্ন সারথি


"আলহাজ্ব আবদুল্লাহ কবির লিটন" স্রোতের প্রতিকুলে সকল বৈরিতাকে তুচ্ছকরে জননি জন্মভুমি কে ভালবেসে জনকের আদর্শে জনকের সংগঠন কে সংগঠিত করে অবহেলিত তৃনমূল কর্মিদের পুনরায় সংগঠন মুখি করার লড়াইয়ে বিপ্লবী একটি নাম।কোন পদ নেই,পদবি নেই,সরকারি হালুয়া রুটি,

(টিআর,কাবিখা) নেই তবুও দুই যুগের অধিক সময় ধরে, নিজের কষ্টার্জিত অর্থ ব্যয় করে প্রাণের সংগঠনকে সংগঠিত করার প্রয়াস চালাচ্ছেন যা বর্তমান ভোগবাদী রাজনীতিতে বিরল।
আজকে অনেক ভোগবাদী, অাদর্শ বিবর্জিত নেতা দম্ভ করে বলেন "লিটন" আওয়ামীলীগের কেউনা কিন্তু তারা জানেনা বঙ্গবন্ধুর কালজয়ী আদর্শ চর্চায় কারো সার্টিফিকেট বা পরিচয় পত্র লাগেনা।
Abdullah Kabir Liton বিশ্বাস করেন আওয়ামীলীগ করতে পদ-পদবি লাগেনা।জনক, জন্মভুমির প্রতি ভালবাসায় যথেষ্ট।তিনি বিশ্বাস করেন আওয়ামীলীগ বাঁচলেই বাঁচবে বাংলাদেশ,সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাবে ৫৬ হাজার বর্গমাইলের মানচিত্র।শ্যামল বাংলার রক্তেভেঁজা পলি মাটিতে উড়বে লাল- সবুজের পতাকা।ধর্মান্ধ শুকুনেরা কখনো মাথা তুলতে পারবেনা কথিত দ্বি-জাতি তত্বকে মিথ্যা প্রমান করে স্বাধীনতা ছিনিয়ে আনা বাঙালীর আবাসভুমি এ বাংলাদেশে।নেতৃত্বের ব্যর্থতায় এবং কথিত সওদাগরি নেতৃত্বের কালোটাকার নেশায় যখন বাঁশখালী আওয়ামীলীগ বিপর্যস্ত,ত্যাগি কর্মিরা যখন সংগঠন বিমুখ,কথিত নেতাদের হামলা,মামলায় যখন নিগৃহীত জনকের আদর্শিক সন্তান, ঠিক তখনি উত্তাল সাগরে একখন্ড ভেলা হয়ে ডুবন্ত মুজিব পরিবারকে বাঁচাতেই বাঁশখালীর রাজনীতিতে লিটন ভাইয়ের আগমন।হ্যামিলনের বাঁশি ওয়ালার মত যাদুকরি সুরে বিনি সুতোর মালায় গেঁথে ঐক্যবদ্ধ করেছেন প্রাণের কর্মিদের।সাহস জুগিয়েছেন,বিপদে পাশে দাড়িয়েছেন সাধারন কর্মিদের।নিজের জিবন বিপন্ন জেনেও সবসময় আগলে রেখেছেন সংগঠন ও আদর্শিক কর্মিদের। তাইতো হন্তারকের ছোড়া হাজারো তপ্ত বুলেটের সামনে নিজে বুকপেতে দাড়িয়েছেন, প্রিয় কর্মিরা হাজার বুলেট বুকে নিয়ে রক্তে রাজপথ রন্জিত করেছেন তবুও নেতার প্রতি অবিচল আস্থায় রাজপথ ছাড়েন নি।আজন্ম অসাম্প্রদায়িক চেতনা লালন করা ব্যক্তি জিবনে ধার্মিক এ মানুষটির হাতেই নিরাপদ জনকের সংগঠন এবং প্রিয় জনপদ বাঁশখালী।
আগামী সংসদ নির্বাচনে তিনিই নৌকার একমাত্র যোগ্য প্রার্থি।
জয়বাংলা -জয় বঙ্গবন্ধু

সাবেক ছাত্রনেতা গাজী জাহেদ ভাইয়ের টাইমলাইন থেকে

গনভবনে'র ঈদ শুভেচ্ছা কার্ড হাতে কে এই যুবক?


এই লোক কে?
কী তার রাজনৈতিক পরিচয়?
কোন ক্ষমতার বদৌলতে এরা প্রধানমন্ত্রীর গণভবনে আমন্ত্রণ পত্র পায়?
আর কারা এসব ব্যক্তিদের আমন্ত্রণ পত্র দেন?তারা কী দলের স্বার্থের অনেক র্উধ্বে কেউ?যাকে এই আমন্ত্রণ পত্রটি দিচ্ছেন তার ব্যক্তিগত পরিচয় কী?সে দলের কোন পদে আছে,কোথায় আছে?

 আদৌ আছে কিনা তার কোনো খোজখবর না নিয়েই গণভবনে যাবার আমন্ত্রণ পত্র ধরিয়ে দিলো!!!

এই ব্যক্তি বিএনপির লোক
নাম আরিফ হাসান অপু।

  নেত্রীকে নিয়ে আমরা সাধারণ কর্মীরা চিন্তিত।কারণ আওয়ামীলীগের মধ্যেই সর্ষের মধ্যে ভূত লুকিয়ে আছে।গতবছর  দিয়েছে রাজশাহীর এক ইয়াবা ব্যবসায়ী কে, চট্টগ্রামের শিবির এক কর্মীকে!!!

এবার দেখুন কে এই লোক  ২১ আগষ্টে গ্রেনেড হামলা করে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী  শেখ হাসিনাকে হত্যা করে আওয়ামীলীগে নাম নিশানা মুছে ফেলতে চেয়েছিল,সেই বিএনপির বংশধর, যার রক্তের এক কোণাতেও আওয়ামীলীগের চিহৃ নাই।

 সে গণভবনে প্রবেশের জন্য নেত্রীর ঈদ শুভেচ্ছার কার্ড পায়। যশোর যুবলীগের নামে।

দুঃখজনক দলের ভেতর কিছু স্বার্থান্বেষী চক্র আছে,তারাই শুধু মাত্র বন্ধুত্ব আর বাণিজ্যের খাতিরে স্বাধীনতা বিরোধীদের সাথে হাত মিলিয়ে ফায়দা লুটছে।সকল সুযোগ সুবিধা নিচ্ছে।

দলীয় কর্মীরা কাজ না পেলেও এই ব্যক্তি একের পর এক কাজ পেয়ে যায়, আর দলের কর্মীরা বেকার থাকে। কোনো কাজের সুপারিশ করলে আওয়ামীলীগ কর্মীদের ভাগ্যে সেই কাজ ঝুটেনা।আর গণভবনের প্রবেশের অনুমোদন তো দুরের কথা গেট পর্যন্ত যাওয়ার অনুমতি পায়না আওয়ামীলীগ তৃণমূল কর্মীরা।

অথচ যেসব এমপি বা দলে অনুপ্রবেশকারী হাইব্রিড কাউয়া নেতা আছে তারাই ঠিকই তাদের জাতি ভাইদের আমন্ত্রণ কার্ড দিয়ে নিজেদের ফায়দা লুটে নিচ্ছেন। দলের কারো বন্ধু কারো আত্মীয় হওয়ার সুবাদে ।

 আরিফ হাসান অপুর পরিবারের সবাই বিএনপি করে,অপু বিএনপি'র ঠিকাদারী করে এবং একজন বন্ধু আছে তার মাধ্যমে আওয়ামী লীগে থেকে সব শুবিধা নিচ্ছে।

দলের কর্মীরা এতো ত্যাগ করেও গণভবনের শুভেচ্ছা কার্ড পাওয়ার স্বপ্নেও দেখেনা,কিন্তু বিএনপির রক্তবীজরা ঠিকই পেয়ে যাচ্ছে গনভবনের অামন্ত্রন পত্র।এই কাউয়ারা ফেসবুকে অামন্ত্রন পত্রের ছবি পোষ্ট দিয়ে প্রচার করছে যাচ্ছে তারা জাতীয় নেতা । তারা গনভবনের কার্ড পায়। অার অামাদের বঙ্গবন্ধু'র সৈনিকগন শুধু তাঁদের অামন্ত্রন পত্র দেখে অাফসোস করে যায়, বাকিটা ইতিহাস।

আজ ভীষণ ভয় হচ্ছে চিন্তা হচ্ছে,সত্যি দলের কিছু সুবিধাবাদীদের জন্য নেত্রীর জীবন নিরাপত্তা ঝুকিতে।আল্লাহ সহায় হবেন আমাদের শেষ আশ্রয় আর ভরসাস্থল আমাদের প্রাণপ্রিয় নেত্রীকে তুমি রক্ষা করিও সকল দুর্বৃত্তদের হাত থেকে।

রবিবার, ১২ আগস্ট, ২০১৮

গুজব ও শিবির নেতৃত্বে প্রশ্নবিদ্ধ ছাত্র-আন্দোলন

√ছাত্র আন্দোলন
একাধিক সুনির্দিষ্ট কারনবশত সদ্য সমাপ্ত ছাত্র-আন্দোলন বাংলাদেশের মানুষের কাছে অবশ্যই স্মরণীয় হয়ে থাকবে।আন্দোলনের শুরুটা যেমনই হোক না কেন.?মাঝ আর শেষটাই ছিলো দেশ ও স্বাধীনতার অস্তিত্ব বিনাশের আরো একটি ব্যর্থ মিশন।
নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের ব্যানারে ছাত্রছাত্রীদের যৌক্তিক দাবির আন্দোলনে'জামায়াত শিবিরের অনুপ্রবেশ এবং কৌশলে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে আন্দোলনকে শুধু ভিন্নখাতে প্রভাবিত করেনি। বরং গুজবের উপর ভর করে ছাত্রদের গ্রহনযোগ্য আন্দোলনের উপর ঘৃণ্য প্রলেপ লেপন করিয়েছে ঐ ৭১পরাজিত শক্তিদ্বয়ের অশুভ অস্থিত্বের।
বাংলাদেশের জম্মলগ্ন থেকে সদ্য সমাপ্ত আন্দোলনের পূর্ববর্তী সংঘটিত  অগনিত আন্দোলন সংগ্রামে বিচক্ষণ নেতৃত্ব বাংলাদেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্যে স্মারকবুকে জায়গা করে নিয়েছে।
একটা আন্দোলন,একাধিক অজানা তথ্যের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়,  শিক্ষা দেয়,পরিচয় করিয়ে দেয় ডিজিটাল গুজব কাহিনীর সাথে..................!
পরিচয় করিয়ে দেয়,মুখোশের আড়ালে পুরোদমে বেপরোয়া লুকানো সব জাত শত্রুদের!যারা নির্দিষ্ট সময়ের সময়ের জন্য,কিংবা নির্দিষ্ট কোন উদ্দেশ্য বা মিশনকে সামনে রেখে তথ্য সংগ্রহ বা টিকিয়ে থাকার লড়াইয়ে সাময়িক নিরাপদ উৎসের সন্ধানে আপনার/আমার পাশ ঘেষে দিব্যি ....................।

জানিনা ঐ অশুভ শক্তির সাময়িক বিচরণে কে কি লক্ষ্য করেছেন?
তবে,
এইবারের এই ছাত্র আন্দোলন আমার কাছে আজীবন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
নিরাপদ সড়ক আন্দোলনকে সামনে রেখে সাধারান ছাত্রছাত্রীদের দাবি বাস্তবায়নের জন্য পেশকৃত একাধিক দাবি সমুহকে,যৌক্তিক দাবি বলে উল্লেখ্য এবং ধারাবাহিক ভাবে তাদের পেশকৃত সব গুলো দাবীর সঠিক বাস্তবায়ন,প্রিয়নেত্রী গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সফল প্রধানমন্ত্রী  দেশরত্ন শেখ হাসিনা প্রকাশ্যে ঘোষনা প্রদানের সাথে সাথেই সাধারন ছাত্রছাত্রীদের গ্রহনযোগ্য নৈতিক দাবি আন্দোলনের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রন বা নেতৃত্ব নিয়ে নেয় শিবির +ছাত্রদলের ক্যাডারেরা।যেখানে নেতৃত্বের হাত বদলের সাথে সাথেই আন্দোলন গতিবিধি পরিবর্তন করে,আন্দোলনকে ভিন্নখাতে প্রভাবিত করে জামায়াত শিবির ও ৭১এর তৎকালীন স্বাধীনতা বিরুধীরা...।

যা কিনা, পূর্ব-পরিকল্পনার অংশ হিসেবে অনলাইনের বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সমূহতে,যেমন ফেইসবুক,টুইটারে একাধিক সাজানো গুজব ছড়িয়ে দিয়ে মুহুর্তের মধ্যেই ছাত্রছাত্রীদের দাবী আদায়ের আন্দোলনকে সরকার বিরোধী আন্দোলনে রূপান্তর করে রাজাকার #বিবির_সন্তানেরা!

এডিট করা বিভিন্ন রক্তমাখা ছবি,বিভিন্ন দেশের নারী নির্যাতনের ছবি এবং ধর্ষনের গুজব কাহিনী  ছড়িয়ে দিয়ে'বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে হামলা করাই ছিলো তাদের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।যাদের ধারনায় ছিলো,সরকার দলীয় সংগঠনের প্রধান কার্যালয়ে হামলা হলে,তা ক্রমান্বয়ে ছড়িয়ে পড়বে দেশের প্রত্যান্ত অঞ্চলে।একসাথে আক্রান্ত হবে দেশের সরকার দলীয় রাজনৈতিক কার্যালয়।শিবিরের একাধিক সাইটে এখনো তার সত্যতা প্রমাণ মেলে।
(মাধ্যমঃ)-> গুজব
 
সভ্য সমাজের মানুষ হিসেবে আমাদের অবশ্যই গর্ব করা উচিত।সভ্যতার আড়ালে অসভ্যতার আবরণে ডাকা মানুষ গুলো আজো গুজবে মগ্ন হয়ে চিলের পিছনে দৌড়াতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে।
বাস্তবতা এই যে জামাতিদের ৫মিনিটের সাজানো গুজব কাহিনীতেও নিমগ্ন হয়ে স্বেচ্ছায় উলঙ্গ হয়,দেশের অসচেতন নির্বোধ ০.৭%আমজনতা।যাদের অজ্ঞাতাকে  কাজে লাগিয়ে দেশের শত্রু,পাকের বন্ধু মদুধি পুত্রদ্বয়ের দেশদ্রোহী কার্য সমূহও মাঝেমধ্যে এভাবেই কারো না কাঁধে ভর করে,গুজব আর রাষ্ট্রীয় ক্ষতিসাধনের সহিত তাদের অশুভ অস্তিত্বের জানান দেয়।
এরা সংখ্যায় হয়তো নগন্য,কিন্তু ঐক্যবদ্ধ।সব ঋতুতেই যেন সমানে সমান।এরা ধর্মকে পুঁজি করে নিজের স্বার্থ হাসিল করে,যারা ধর্ম ব্যবসায়ী নামে সর্ব মহলে পরিচিত।আর্ন্তজাতিক পরিচয় বলতে," ইউনেস্কো কর্তৃক বিশ্বের ৩নং সন্ত্রাসী সংগঠন উপাধীতে ভূষিত।
√√√√

শুরুতেই লিখেছিলাম,
অশুভ ছায়ায় আক্রান্ত গত ছাত্র-আন্দোলনে,যা দেখেছি,যা বুঝেছি,যা শিখেছি,তা আমৃত্যু স্মরণীয় হয়ে থাকবে।আর প্রকাশ্যে উন্মোচিত হওয়া মুখোশ গুলো সারা জীবন ঘৃণার চোখে পরিলক্ষিত হবে।
কেন থাকবে না? কেন হবে না?
আপনারাই বলুন।

√√ দেশে বর্তমান শিক্ষার হার আকাশ ছোয়া।শিক্ষিত ব্যক্তি বা সমাজের সংখ্যাও যেখানে নেহাত কম নয়।সেখানে সচেতন ব্যক্তির সংখ্যা দেখে............

হাইরে গুজব।

√√ প্রিয় সংগঠনে বিভিন্ন সময়ে এসে পেট ও পিট বাচাতে আশ্রয় নেওয়া অতিথিদের গনবিদায়ের দৃশ্য যেমনই হোক না কেন,সংগঠন কিন্তু আগাছা মুক্ত হয়েছে।যারা সংগঠনের বিভিন্ন ইউনিটে নেতৃত্বে ছিনিয়ে নিতে কৌশলে গ্রুপিং লাগিয়ে দিয়ে৷ ভাগিয়ে নিয়েছিলো প্রিয় সংগঠনের পদপদবী৷
তারাই সরকারের নিশ্চিত পতন ভেবে  ফেইসবুকে পদত্যাগ নাটক' আমাদের চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে।

স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তির তথা অস্থিত্বের স্থায়ী বিনাশে ওরা কতটা আগ্রাসী।চেয়ে দেখুন ওরা
কতটা বেহায়া,কতটা প্রতিশোধ পরায়ণ..।

প্রিয় সংগঠনের অভিভাবকদের দৃষ্টি আকর্ষন করছি,তাদের স্থায়ী বহিষ্কার করুন,যারা ছাত্র-আন্দোলনকে উসকে দিতে ছাত্রলীগ কে নিয়ে নোংরা মন্তব্যের সহিত পদ-পদবি থেকে তাদের জাত ভাইদের ঈশারায় সংগঠনের দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করেছিলো।ছাত্রলীগকে বিতর্কিত করতে মোস্তাকের ভূমিকায় অবর্তীন্ন হয়েছিলো।যারা অনুপ্রবেশের সহায়তায় প্রিয় সংগঠনের চারপাশে আগাছার ন্যায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে।
ওদের সংখ্যা খুব একটা নয়,যাদের মুখোশ উন্মোচিত হয়েছে,তাদের চিনে রাখুন।আর যারা লুকিয়ে আছে,তাদের সনাক্ত করুন।নাহলে আরো একটা সমস্যার মুখামুখি দাড়াতে হবে প্রিয় সংগঠনকে..............

যদিও নিজেদের আরেকদফা নিশ্চিত  পরাজয় জেনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উস্কানিমূলক প্রসবকৃত তাদের  স্টাটাসসহ সরকার বিরোধী সকল স্টাটাস, নোংরা মন্তব্য ও গুজব নাটকের দৃশ্য সমূহ সংশ্লিষ্ট শুয়ারের বাচ্চাদের টাইম লাইন থেকে আস্তে আস্তে হারিয়ে যাচ্ছে।তবে স্কীনশর্ট.........??

আর এখনো যারা আগাছা হয়ে কৌশলে প্রিয় সংগঠনের আনাচে কানাচে মুকোশের আড়ালে লুকিয়ে আছে,তাদের ছিন্হিত করার এটাই উপযুক্ত সময়।যাদের সনাক্ত করতে বেশি কিছু আয়োজনের প্রয়োজন নেই।
শুধু গত/বিগতে হওয়া অশুভ ছায়ায় আবৃত ব্যর্থ আন্দোলন গুলোর শুরু এবং শেষ সময় গুলোতে প্রিয় সংগঠনের নাম ভাংঙ্গিয়ে চলা/প্রিয় সংগঠনের নেতৃত্বে থাকা আপনার/ আমার/আপনাদের সহযোদ্ধাদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং সংগঠনের প্রয়োজনে অর্পিত দায়-দায়িত্বের চিত্র গুলোতেই চোখ রাখুন।

চিনতে পারবেন.........
√অনুপ্রবেশকারী।

দেখতে পাবেন..........
√সুবিধাবাদী।

লজ্জিত হয়েছি আমি,লজ্জিত হবেন আপনি।কেননা আপনার/আমার/ আমাদের ব্যর্থতার সমষ্টিতেই সৃষ্টি এদের সিংহভাগ অস্তিত্ব ।somuy.blogspot.com

বৃহস্পতিবার, ৫ জুলাই, ২০১৮

আগামী কালের পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি স্থগিত


- বৈরি আবহাওয়ার কারনে,পূর্ব নির্ধারিত (০৫/০৭/২০১৮)ইউনিয়ন পর্যায়ে,নৌকার বিজয় তরান্বিত করার লক্ষে বাঁশখালী উপজেলা আওয়ামীলীগ যুবলীগ, ছাত্রলীগের উদ্দ্যেগে আয়োজিত   গন-সংযোগ কর্মসূচী আগামী এক সপ্তাহের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। ১৩/০৭/২০১৮ তারিখ হইতে পূর্ব নির্ধারিত ৯নং গন্ডামারা ইউনিয়নসহ অন্যান্য ইউনিয়ন সমুহের পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি যথা সময়েই অনুষ্টিত হবে। বিঃদ্রঃ- স্থগিত ইউনিয়ন সমূহে গন-সংযোগ কর্মসূচি'র তারিখ ও সময় পরবর্তিতে তৃনমূল
আওয়ামীলীগ,যুবলীগ,ছাত্রলীগের অবিভাবক,আলহাজ্ব Abdullah Kabir Liton ভাইয়ের দিক নির্দেশনায় অনুষ্ঠিত হবে। জয়বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু।

বৃহস্পতিবার, ৮ মার্চ, ২০১৮

স্বাধীনতার অপরনাম ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষন'' চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগ


' ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষনকে ইউনেস্কো কর্তৃক স্বাকৃতিদান ও আন্তর্জাতিক মহলে তুলে ধরায় চট্টগ্রাম দক্ষিন জেলা ছাত্রলীগের মিছিল পরবর্তী পথসভা অনুষ্ঠিত। উক্ত মিছিল ও পভাসভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা ছাত্রলীগের বিপ্লবী সহ-সভাপতি তাওহীদুল ইসলাম জেকী, এম ইসতিয়াক আলম চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক হোছাইন মোহাম্মদ, হামিদ হোসেন, সহ-সম্পাদক রিপন তালুকদার, দক্ষিনজেলা ছাত্রলীগ নেতা সামশেদ হোসেন উমর সহ জেলা ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ ও চট্টগ্রাম দক্ষিনের আওতাধীন বিভিন্ন উপজেলা ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ।। উক্ত মিছিল ও পথসভা সফল ভাবে সম্পন্ন হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

রবিবার, ২৬ নভেম্বর, ২০১৭

জনমনে ক্ষোভ দূর করতে অবিলম্বে পদক্ষেপ নিতে সাঈদ খোকনকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

ঢাকা দক্ষিণের মেয়র সাঈদ খোকন তার মেয়াদকালে এখন পর্যন্ত কোনো কাজে সফল হতে পারেননি। উল্টো একের পর এক বিতর্কিত সিদ্ধান্ত নিয়ে জনমনে ক্ষোভ সৃষ্টি করেছেন। সম্প্রতি মেয়র সাঈদ খোকনের প্রতি ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রীও, নেতারাও অসন্তুষ্ট।
একদিকে মেয়র হিসেবে ব্যর্থতা, অন্যদিকে দলের অভ্যন্তরে বিরোধ ঘিরে প্রতিপক্ষের কর্মসূচি বানচালে ময়লা আবর্জনার স্তুপ ফেলে রাখায় চরম অসন্তুষ্ট তারা । নেতাকর্মীরাও তার উপর রুষ্ট। সম্প্রতি ফোনালাপে সাঈদ খোকনের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই জীবনে তুমি অনেক পেয়েছো, আর কোনদিন মেয়র না হলেও চলবে। 
হকারমুক্ত সড়ক, কমিউনিটি সেন্টারগুলোকে আবার সামাজিক সমাবেশের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলাসহ অনেক প্রতিশ্রুতি দিয়েই ঢাকা দক্ষিণের মেয়র হয়েছিলেন সাঈদ খোকন। এরপর হকার উচ্ছেদে তাকে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি। এখনো রাজধানীর এই অংশে হকাররা আছে বহাল তবিয়তে। আবার সিটি করপোরেশনের কমিউনিটি সেন্টারগুলোকে সংস্কার করে পূর্বের অবস্থায় আনার প্রতিশ্রুতি ছিল সাঈদ খোকনের। এখনো এই প্রতিশ্রুতির কোনো বাস্তবায়ন দেখা যায়নি।
অপরদিকে হোল্ডিং ট্যাক্স বাড়িয়ে জনমনে ক্ষোভ সৃষ্টি করেছেন সাঈদ খোকন। এর মধ্যেই আবার সিটি করপোশনের রাস্তার বাতির বিদ্যুৎ বিল ফেলা হচ্ছে এলাকাবাসীর মধ্যে। এমন সিদ্ধান্তে ঢাকা দক্ষিণের বাসিন্দারা ক্ষুব্ধ।
প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে বিফল ও জনমনে ক্ষোভ সৃষ্টি করেও ক্ষান্ত হননি সাঈদ খোকন। আবর্জনা দিয়ে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দমনের মতো নোংরা মানসিকতাও দেখিয়েছেন তিনি। তার সঙ্গে মহানগর আওয়ামী লীগের অনেক নেতার বিরোধের কথাও কারও অজানা নয়।
জনমনে ক্ষোভ দূর করতে অবিলম্বে পদক্ষেপ নিতে সাঈদ খোকনকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এমন নির্দেশের পর ঢাকা দক্ষিণ মেয়রের কোনো পরিবর্তন হয় কিনা তা জানা যাবে কিছুদিনের মধ্যেই, তার কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে।

বঙ্গবন্ধু এ একটি ভাষণের মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতিকে এক সারিতে দাঁড় করিয়েছিলেন

 বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণকে বিএনপি ইতিহাস থেকে ‍মুছে ফেলতে চেয়েছিলো বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ।
শনিবার (২৫ নভেম্বর) দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের (টিএসসি) মিলনায়তনে আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। ‘বজ্রকণ্ঠ: মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড’ প্রতিপাদ্য নিয়ে আলোচনা সভার আয়োজন করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
 
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে এতে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দীন, শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. এএসএম মাকসুদ কামাল, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. রহমত উল্লাহ, রেজিস্টার এনামউজ্জামান প্রমুখ।
 

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন,
বঙ্গবন্ধু এ একটি ভাষণের মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতিকে এক সারিতে দাঁড় করিয়েছিলেন। নিরস্ত্র বাঙালি জাতিকে সশস্ত্র বাঙালি জাতিতে রুপান্তরিত করেছিলেন। সেজন্য এ ভাষণ মুক্তিযুদ্ধে আমাদের প্রেরণার উৎস ছিলো। যতোদিন বাংলাদেশ থাকবে ততোদিন বঙ্গবন্ধুর মতোই তার এ ভাষণ এ দেশে উচ্চারিত হবে।

 
তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সময় আমরা বঙ্গবন্ধুর এ ভাষণ বাজাতে ও শুনতে পারতাম না। তারা এ ভাষণ প্রত্যাখ্যান করে মুছে ফেলতে চেয়েছিলো। আজ সে ভাষণই পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ভাষণে পরিণত হয়েছে।
বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ ‘বিশ্বপ্রামাণ্য ঐতিহ্য’র স্বীকৃতি অর্জন করায় দিনব্যাপী কর্মসূচি গ্রহণ করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। কর্মসূচির মধ্যে ছিল অপরাজেয় বাংলার পাদদেশ থেকে র‌্যালি সহকারে ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের উদ্দেশে যাত্রা, ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণের ওপর আলোকচিত্র প্রদর্শনী

(বিএনপি) চায় না রোহিঙ্গারা তাদের দেশে (মিয়ানমার) ফিরে যাক।

রোহিঙ্গাদের ফেরত যাওয়া নিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্যের সমালোচনা করে আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এবং দলের অন্যতম মুখপাত্র ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপি মহাসচিবের বক্তব্যের মাধ্যমে এটিই প্রমাণিত হয় যে, তারা
(বিএনপি) চায় না রোহিঙ্গারা তাদের দেশে (মিয়ানমার) ফিরে যাক।
শনিবার (২৫ নভেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ আওয়ামী হকার্স লীগ আয়োজিত 'বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ : ঐতিহাসিক দলিল' শীর্ষক মানববন্ধন ও সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
ড. হাছান মাহমুদ বলেন, রোহিঙ্গাদের দেখতে যাওয়ার সময় খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার ঘটনা ঘটেছিল। সেটি ছিল বিএনপির পরিকল্পনার অংশ। এবার রংপুরে সংখ্যালঘুদের উপর হামলা করা হয়েছে। এসব ঘটনা একই সূত্রে গাঁথা। প্রকৃতপক্ষে বিএনপি চাইছে এ সকল ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করতে।
আওয়ামী লীগের মুখপাত্র বলেন, বিএনপি নেতারা বলছেন নেতা কর্মীদের চাঙ্গা করতে খালেদা জিয়া দেশব্যাপী সফর করবেন। আমি বিএনপির উদ্দেশ্যে বলতে চাই, অতীতে আপনারা  রাজনৈতিক কর্মসূচির নামে দেশব্যাপী বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টা করেছেন, অগ্নি সন্ত্রাসের মাধ্যমে নিরীহ জনগণকে হত্যা করেছেন। এবারও যদি খালেদা জিয়া তার কর্মসূচির মাধ্যমে দেশে স্থিতিশীলতা নষ্ট করার চেষ্টা করেন তাহলে দেশের সাধারণ জনগণকে সাথে নিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা আপনাদেরকে কঠোরভাবে প্রতিহত করবে।
সাবেক পরিবেশ ও বনমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বিএনপি বলছে রাষ্ট্র নাকি গুমের কথা স্বীকার করেছে। প্রকৃতপক্ষে প্রধানমন্ত্রী বিএনপি নেতাদের স্বেচ্ছায় নিখোঁজ হওয়ার কথা বলেছেন। তারা যে মামলা থেকে রেহাই পেতে নিখোঁজ হয়ে আবার হাজির হন সে কথা বলেছেন।
আয়োজক সংগঠনের সভাপতি জাকারিয়া হানিফের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন, মুক্তিযোদ্ধা সমন্বয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম, আয়োজক সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক হাজী জাহিদ, বাংলাদেশ স্বাধীনতা পরিষদ সভাপতি জিন্নাত আলি খান জিন্নাহ, সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন টয়েল প্রমুখ।

কলা‌রোয়া উপ‌জেলায় আওয়ামী লী‌গের দু’গ্রু‌পের সংঘর্ষ

 সাতক্ষীরার কলা‌রোয়া উপ‌জেলায় আওয়ামী লী‌গের অভ্যন্তরীণ কোন্দল‌কে কেন্দ্র ক‌রে দু’গ্রু‌পের সংঘর্ষে পুলিশসহ ২৫ জন আহত হয়েছেন।
শ‌নিবার (২৫ ন‌ভেম্বর) সকাল ও দুপুরে উপ‌জেলা আওয়ামী লী‌গের সভাপ‌তি ও সম্পাদক গ্রু‌পের ম‌ধ্যে এ ঘটনা ঘটে। পরে প‌রি‌স্থি‌তি নিয়ন্ত্র‌ণে পুলিশ ১৫ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুঁড়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সকাল ১০টার দি‌কে বঙ্গবন্ধুর ভাষণকে ইউনেস্কোর স্বীকৃতি উদযাপনে আনন্দ শোভাযাত্রার পর উপ‌জেলা আওয়ামী লী‌গের সভাপ‌তি ফি‌রোজ আহ‌মেদ স্বপন উস্কা‌নিমূলক বক্তব্য দেন। এছাড়া উপ‌জেলা আওয়ামী লী‌গের সাধারণ সম্পাদক‌ আ‌মিনুল ইসলাম লাল্টুকে বক্তব্য দি‌তে না দেওয়ায় তার প‌ক্ষের কর্মীরা ফুঁসে ওঠেন। এক পর্যা‌য়ে উভয় গ্রু‌পের নেতাকর্মীরা সংঘ‌র্ষে জ‌ড়ি‌য়ে প‌ড়েন। এ সময় ক‌য়েক‌টি কক‌টেল বি‌স্ফোর‌ণের ঘটনা ঘ‌টে। প‌রে ফিরোজ আহ‌মেদের নেতৃত্বাধীন অংশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের দুই ঘণ্টা অবরুদ্ধ ক‌রে রা‌খেন সম্পাদক আ‌মিনুলের সমর্থকরা। এসময় প‌রি‌স্থি‌তি নিয়ন্ত্র‌ণে আন‌তে পু‌লিশ ফাঁকা গু‌লি ক‌রে। এতে পাঁচ পু‌লিশ সদস্যসহ অন্তত ২৫ জন আহত হন।
এদিকে, দুপুরে কলারোয়া থানার মধ্যে ফের সংঘাত শুরু হয়। থানায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মেরিনা আক্তারের সঙ্গে দলীয় নেতা ও কর্মকর্তাদের বৈঠক শেষে ফিরোজ গ্রুপ প্রতিপক্ষের লাল্টু গ্রুপকে সন্ত্রাসী ও আসামি বলায় ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন নেতাকর্মীরা। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ সেখা‌নে লাঠিচার্জ করে।
এ ঘটনা‌কে কেন্দ্র ক‌রে ইউএনও অফিস, উপ‌জেলা চেয়ারম্যানের অফিস, এলজিইডি, পরিসংখ্যান অফিস, নির্বাচন অফিসসহ বেশ কয়েকটি অফিস ভাঙচুর ক‌রে‌ছেন বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা।
কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপ্লব কুমার নাথ বাংলা‌নিউজ‌কে বলেন, আওয়ামী লী‌গের দু্ই গ্রু‌পের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘ‌র্ষের ঘটনা ঘটেছে। এসময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ১৫ রাউন্ড ফাঁকা গুলি করে।

times24

দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে বাঁশখালীতে আওয়ামীলীগের প্রতিবাদ সমাবেশ

দেশবিরোধী চক্রান্ত – ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে  কালীপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, তাঁতিলীগ,শ্রমিক লীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠন...