শুক্রবার, ১ নভেম্বর, ২০১৯

"জামাতিদের আহারে পরিনত হচ্ছে আ'লীগ"

আওয়ামীলীগ এর ফাঁদে জামাত নয়,বরং জামাত ইসলামের ফাঁদে পা দিয়েছে আওয়ামীলীগ।আওয়ামী হাইকমাণ্ড জামায়াত নিয়ে যা ভাবছেন,জামাত ইসলাম তা বিগত দশ বছর আগে ভেবে রেখেছে !এবং সেভাবেই তারা অগ্রসর হচ্ছে!তাতে কোন সন্দেহ নেই।আজ যে বা যারা জামায়াতের দক্ষ/ধনী নতুন প্রজন্ম কে দলে ডুকাচ্ছেন এবং পদ পদবী দিচ্ছেন!তাদের জেনে রাখা উচিত,"তৈল আর জল কখনো এক হয় না"!
সংগঠনের প্রবেশদ্বার উম্মুক্ত বলে 'জামায়াত শিবিরের প্রশিক্ষিত ক্যাডার গুলো তাদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করার জন্য আওয়ামী সংগঠনে আশ্রয় নিচ্ছে।আর মনে মনে স্লোগান দিচ্ছে,,,,,,,,,
---------------#জয়বাংলা,কিন্তু #ভালবাসি_দাড়ি_পাল্লা"!

শুধু আওয়ামীলীগ নয়,ছাত্রলীগ,যুবলীগসহ সকল ভ্রাতৃপ্রতিম ও সহযোগী সংগঠনের তৃনমুল থেকে কেন্দ্রীয় সব কমিটিতেই জায়গা করে নিয়েছে জামাত শিবিরের বহু প্রশিক্ষিত ক্যাডারেরা।ভাল করে একবার লক্ষ্য করুন, থানার সিপাহী থেকে শুরু করে সচিবালয় পর্যন্ত জামাতের প্রশিক্ষিত অগনিত ক্যাডাররা রয়েছেন" সরকারী বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরসমুহতে কর্মকর্তার দায়িত্বে।তাদেরকে কে বা কারা বসিয়েন এইসব সরকারি গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর সমুহতে........??

উত্তরঃ-একটাই #আওয়ামীলীগ।

শুধু চাকরি নয়,কেন্দ্র থেকে ইউনিয়ন পর্যন্ত সব সেক্টরে জামাত শিবিরের কর্মীরাই কিনে নিচ্ছেন আ'লীগ,যুবলীগ,ছাত্রলীগের পোষ্ট পদবী।আর এদের পরিকল্পিত নকশা বাস্তবায়নে সুযোগ করে দিচ্ছেন আওয়ামীলীগ নামধারী কিছু সংখ্যক মীর জাফর।এরা টাকার গন্ধে এতোটাই মাতোয়ারা যে,দলীয় পোষ্ট পদবীর পাশাপাশি #নৌকা'ও বিক্রয় করেন জামাতি গংদের নিকট আপন খেয়াল খুশি মতো,যা দেখে অনুমান হয়,এটি তাদের পৈতৃক সম্পর্ত্তির অংশবিশেষ।তবে বাস্তব কথা হচ্ছে, বিশ্বের ৩নং সন্ত্রাসী সংগঠন হওয়া শর্তেও জামাতি বেজম্মাদের মত সুসংগঠিত আর কোন দল-ই নাই।লক্ষ্য করলে আপনিও দেখবেন,জামাত ছাড়া সব দলেই দলীয় কোন্দল লেগে আছে।
        ওরা সংখ্যায় নগন্য,তবে বিষাক্ত।জামাতিরা নিজেদের সাথে পল্টিবাজী করে না,যতটুকু করে.!আর আমার প্রশ্নটা এখানেই,জামাতিরা যদি টাকার কাছে নিজেদের বিক্রি না করে,তাহলে ওদের কাছে আমাদের কর্তাবাবুরা বিক্রয় হবে কেন..........?
               শুধু একটু চিন্তা করুন,আন্তজার্তিক যুদ্ধপরাধ ট্রাইবুন্যালে রাষ্ট্র কর্তৃক আনিত অভিযোগ গুলো  প্রমাণিত হওয়ায়,কুখ্যাত রাজাকার  মীর কাশেম আলী কে বাঁচানোর জন্য তারা দুইশত কোটি টাকায় লবিস্ট নিয়োগ করেছিলো?একজনের জন্য যদি বাজেট ২০০কোটি হয়,তবে দল বাঁচানোর জন্য কত হবে?প্রশ্নটা বঙ্গপিতার সৈনিকদের কাছে রাখলাম.........?
                   যারা এই টাকার গন্ধে দিশেহারা হয়ে জামাতিদের কাছে সংগঠনের দায়-দায়িত্ব তুলে দিচ্ছেন,তাদের কাছে জানতে চাই?আপনারা কি ভুলে গেছেন বঙ্গবন্ধুর কথা?আপনারা কি ভুলে গেছেন ৫২এর ভাষা আন্দোলনের পেক্ষাপট ?৭১ এর সেই কালো দিন গুলো..?৭৫ এর পিতৃহারার বেদনার বিমুর দিন গুলোর কথা?কিভাবে আড়াল করতে পারলেন ২১আগষ্টের নারকীয় হামলার হৃদয় বিধারক দৃশ্য গুলো.!আপনাদের উদাসীনতা আর নীরবতায় জানান দিচ্ছে, আপনারা মীর জাফরেরও বড় ভাই।মুখোশধারী সয়তান।
          তবে একটু দেরিতে হলেও এখন বুঝলাম,কেন সেইদিন বঙ্গকন্যা শেখ হাসিনা বলেছিলেন,
#আওয়ামীলীগের সবাইকে কেনা যায়,কেবল আমাকে ছাড়া।
প্রিয় নেত্রী,
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের আ'লীগে নব্য মীরজাফররা জামাতের বীজ বপন করে চলছে অবিরাম।(হয়তো আপনাকে ভুল বোঝানো হয়েছে)।হে প্রিয় নেত্রী,আমরা আর কোন ৭৫দেখতে চাই না। দেখতে চাই না আর কোন ২১আগষ্ট।জনগন ও দেশের স্বার্থে আপনার আরো কঠোরতা আমাদের কাম্য।আমরা দেখতে চাই না,সময়ের পরিক্রমায় বীজটা গাছে পরিনত হউক। ডালপালা গজাক চারদিক।শুনতে চাই না এমন কোন নীরব শ্লোগান,
-----------------#জয়বাংলা ,মগার ভালোবাসি #দাড়িপাল্লা!

জয়বাংলা,জয়বঙ্গবন্ধু।
জয়েতু শেখ হাসিনা।
জয় হোক বাংলার মেহনতি জনতার।

----------২৯জুলাই ২০১৭ইং!
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=270244366793522&id=100014238819243

( Hussain Muhammad)

শনিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

গোপনে পপুলারে চিকিৎসা নিতে গিয়ে অবাক ম্যাজিস্ট্রেট তমা


0
32581
নিউজ ডেস্ক: রুবাইয়া ইয়াসমিন তমা। তিনি গাজীপুরের সহকারি কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। সম্প্রতি তিনি নিজের ফেসবুক ওয়ালে জানান, রাজধানীর পপুলার হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়েছিলেন। সাধারণ রোগীর মতোই হাসপাতালে যান তিনি। কিন্তু তার সঙ্গে যে ব্যবহার করা হয় তা মোটেই শোভনীয় নয়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রুবাইয়া ইয়াসমিন তমার গত শনিবার রাতে ফেসবুক ওয়ালে (১৪ই সেপ্টেম্বর) লেখেন-
‘আমি সাধারণত নিজের কর্মস্থলের বাইরে ডাক্তার দেখালে পরিচয় দিয়ে যাই না, কথা প্রসঙ্গে পরিচয় বের হলে সেটা ভিন্ন কথা। কিন্তু আজ জনমের মত শিক্ষা হলো, জীবনে আর কোথাও যাই করি, এদেশে ডাক্তার দেখাতে গেলে নিজের পরিচয় না দিলে কোন কোন ডাক্তারের কাছে মান-ইজ্জত তো থাকবেই না, বরং কুকুর-বিড়ালের মত আচরণ পেতে হতে পারে। যদিও সব ডাক্তার এক রকম নয়।’
তিনি লেখেন, ‘আজ ধানমন্ডি পপুলার হাসপাতালে গাইনী বিশেষজ্ঞ প্রফেসর ডক্টর কোহিনূর বেগম (প্রাক্তন অধ্যাপক, ঢাকা মেডিকেল কলেজ) এর কাছে পরামর্শের জন্য গিয়েছিলাম। প্রথমে একজন সহকারি রোগের কথা শুনে সামারি লিখে নিলেন, খুব ভালো। কিন্তু ডাক্তারের চেম্বারে ঢুকে দেখি, তিনি অন্য রোগী দেখছেন। ডাক্তার এতই ব্যস্ত যে, একজন আয়া এসে আমার কাছে আমার রোগ সম্পর্কে জানতে চাইলেন। আয়াটার কাজ হচ্ছে, রোগের ‘র’ টা শুনবে, আর অমনি রোগীকে শুইয়ে দিয়ে রোগীর কাপড় খুলে নিবে। আমি বললাম, আমার কি করতে হবে না হবে, তা ডাক্তার এসে বলুক, আপনি এমন করছেন কেন? আয়া মহাশয়ার জবাবের টোন শুনে মনে হচ্ছে, তিনি কোন লাট বাহাদুর হবেন। অতঃপর ডাক্তার এসে জানালেন, তার এত সময় নেই আমাকে চেক করার, এসে বসে কথা বলতে বললেন। তিনি যখন কথা বলা শুরু করলেন, তখন মনে হল তার জিহবার সাথে একটা চাকু লাগানো আছে। রোগের কথা যা-ই বলি, তিনি তেলে বেগুনে তেতে উঠছেন।
ক্ষুব্ধ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তমা আরও লেখেন, ‘ফ্রি তো দেখাতে যাইনি, সার্ভিস দিতে এত রাগ হয়, টাকাটা নিতে লজ্জা করে না? আমরা জাতি হিসেবে কবে মানুষ হব? সততা অনেক বিশাল ব্যপ্ত একটি বিষয়; শুধু ঘুষ না খাওয়া মানেই যে সততা নয়। যে কাজের জন্য টাকা নিচ্ছি, সেটা ঠিকমতো না করলে যে ঐ টাকা হালাল হয় না, টেবিলের ওপাশে সেবা নিতে আসা মানুষটার সাথে দুরাচরণ করাটা কত বড় পাপ, তা আমরা কবে বুঝতে শিখবো?’
এ ব্যাপারে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রুবাইয়া ইয়াসমিন তমা বলেন, ধানমন্ডি পপুলার এর ডক্টর কোহিনূর বেগম, গাইনোকোলোজিস্ট। তার চেম্বারে আয়া এসে রোগ জিজ্ঞেস করে, ডাক্তার এর সময় বাঁচানোর জন্য, কি রোগ সেটা ডাক্তার শোনার আগেই আয়া এসে রোগীর কাপড় খুলে নেয়। এটা কেমন কথা? রোগীকে কাপড় খুলতে হবে কিনা, সেটা তো ডাক্তার বলবে তাই না?
আর ঐ ডাক্তারের আচরণে মনে হচ্ছে তিনি ফ্রি চিকিৎসা দিচ্ছেন, তাই তার সময় নেই, মন মেজাজ খুবই খারাপ। অথচ, ১০০০ টাকা ফি টা যখন নিলেন তিনি, তখন লজ্জা করলো না! রোগী হিসেবে তিনি তার অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন বলেও জানান এই কর্মকর্তা।

শুক্রবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

বাবার মতো জীবন দিব, তবু দুর্নীতির সাথে আপোস করব না : সোহেল তাজ

সময় নিউজ

স্বাধীন বাংলার প্রথম প্রধানমন্ত্রী মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক বঙ্গবন্ধুর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সহচর জাতীয় চার নেতার একজন বঙ্গতাজ তাজউদ্দীন আহমেদের পুত্র, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ বলেছেন, বাবার মতো জীবন দিব, তবু দুর্নীতির সাথে আপোস করব না।

তাজউদ্দিন আহমেদের জন্মদিন উপলক্ষে একটি স্মরণসভায় সোহেল তাজ এ কথা বলেন। আজ শুক্রবার নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে সোহেল তাজ একটি পোস্টের মাধ্যমে ওইদিনের সেই বক্তব্য শেয়ার করেন।

বুধবার, ২২ মে, ২০১৯

পরিবহন ভাড়া এমনই,যা একবার বাড়লে আর কমেনা

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদ, ছাত্রনেতা হোছাইন মোহাম্মদ এর টাইমলাইন থেকে
   
 বিশ্বাস করেন,কিংবা না-ই করেন,এটাই কিন্তু অবিশ্বাস্য হলেও সত্য যে,আমাদের দেশে যেকোনো অজুহাতে/যেকোন উপায়ে যদি একবার পরিবহন ভাড়া বৃদ্ধি করা যায়,তাহলে তা আর সহজে কমানো যায় না।পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের একটা আন্দোলন মানে,একদফা ভাড়া বৃদ্ধি।একটা অজুহাত মানে,দ্বিগুণ ভাড়া বৃদ্ধি।জ্বালানি তৈল আর গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি মানে,আরেকদফা নতুন আন্দোলনের নবসূচনা।
           আর পেক্ষাপট যদি হয় বাঁশখালী,তাহলে তো কথাই নেই।চট্টগ্রাম সংসদীয় আসন ১৬(বাঁশখালী) এমন একটি উপজেলার নাম,যে উপজেলা'টির সামগ্রিক উন্নয়ন' বাংলাদেশের যেকোন উপজেলার চেয়ে আজ পর্যন্ত শতগুণ পিছিয়ে।সবুজ শ্যামল প্রকৃতির লীলাভূমি প্রিয় বাঁশখালীর পশ্চিমাঞ্চল নদনদী বেষ্টিত হলেও,পূর্বদিক বরাবরই প্রকৃতির অপরুপ সৌন্দর্যে ডাকা প্রিয় বাঁশখালীর মোট আয়তন ৩৭৬.৯কি.মি,আর সর্বমোট জনসংখ্যা ৪লক্ষের উপরে।
         যদিও বাঁশখালীর প্রধান সড়ক ইতিবাচক ভূমিকায় অন্য যেকোনো উপজেলার চেয়ে অনেকাংশে ব্যতিক্রম।যেখানে নেই কোন অযাচিত টার্নিং পয়েন্ট,নেই আঁকাবাকা কোন সরুপথ।আছে পুকুরিয়া থেকে পুঁইছুড়ী পর্যন্ত একই ধারায় সমন্বয়ের বিরল দৃষ্টান্ত।
অথচ বাঁশখালীর বর্তমান পরিবহন ভাড়া যেন নীরবে ভেঙেছে অতীতের সমস্ত রেকর্ড।যেখানে কারনে-অকারনে ভাড়ার বৃদ্ধির দৃশ্যটাই কেবল সবাই দেখেছে,কিন্তু ভাড়া কমানোর দৃশ্য আজ অবধি কেউ দেখেছে বলে আমার জানা নেই।
সত্য এটাই যে,
এখানে এমনও একটা সময় ছিলো,যে সময়ে বাঁশখালীর প্রধান সড়ক ছিলো অনেকটা ব্যবহার অনুপযোগী,যানবাহন ছিলো প্রয়োজনের চেয়ে অতীব নগন্য।কিন্তু বাড়া ছিলো বরাবরই নাগালের মধ্যে সীমাবদ্ধ।তাছাড়া এমন একটা সময় আমরাও উপভোগ করেছি,যে সময়ে বাঁশখালীস্থ পৌরসদর থেকে চট্টগ্রামে যাতায়াত ভাড়া ছিলো মাত্র ২৫/৩০ টাকাতে সীমাবদ্ধ।হয়তো যাতায়াত সময় লাগতো ৩ঘন্টারও অধিক,কিন্তু যানবাহন ছিলো চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল.......................
   কিন্তু আজ বাঁশখালীর প্রধান সড়কের মান বেড়েছে বহুগুণ,যানবাহন বেড়েছে কম হলেও ১০গুন,বেড়েছে জনসংখ্যা,আছে তৈল আর গ্যাসের তুলনামূলক স্থিতিশীলতা।কিন্তু ভাড়ার বাজারে এখনো সেই পূর্বের ন্যায় উত্তপ্ত।সত্যি বলতে বাঁশখালীর যাতায়াত ভাড়ার এরূপ বেহাল অবস্থার কারন জানতে আজ আমারও বড্ড বেশি মন চাই।যদিও বৃহস্পতিবার আর শুক্রবার বাঁশখালীতে কিসের আয়োজন হয়,তা আজও জানতে পারিনি,জানতে পারিনি এদিনে কেন ৫০টাকার ভাড়া ১০০টাকা,১০০টাকার ভাড়া ৫০০টাকা হয় .?
বাঁশখালী পরিবহন মালিক সমিতি কর্তাবাবুরা যদি এর রহস্য উন্মোচন করেন,তাহলে তাদের সাথে সাথে আমরাও কিছুটা উপকৃত হই।

বাঁশখালীর যানবাহন মালিক সমিতির প্রতি বিনীত অনুরোধ,আশাকরি এইবার অন্তত জানিয়ে দিবেন,আপনাদের মনগড়া ভাড়া আদায়ের আসল রহস্যটা কোথায়! কেন আপনারা ভাড়া আদায়ের ক্ষেত্রে কোন ধরনের নিয়ম নীতির তোয়াক্কা করেন না।কোন নিয়ামক প্রভাবে আপনারা এরূপ মাত্রাতিরিক্ত অনিয়মে ডুবে আছেন?
             কেন বা আপনারা বাঁশখালীর সাধারণ মানুষদের অধিকার নিয়ে প্রতিনিয়ত তামাশার জম্ম দিচ্ছেন....?
যাইহোক,সময় এসেছে,হয় এইসব রহস্যময় অজানা প্রশ্নের উত্তর দিবেন,না'হয় যাতায়াত ভাড়া পরিমাণ নিদিষ্ট করবেন।অন্যথায় দাবি আদায়ের জন্য অচিরেই রাস্তায় নামবে বাঁশখালীর সাধারণ জনগণ।
[Just wait & see]

✔বাঁশখালীর পরিবহন ভাড়া নিদিষ্ট করা হউক।
✔বৃহস্পতিবার কিংবা শুক্রবার নয়,সব-বারের জন্য ভাড়া চাই।
✔ফিটনেস-বিহীন যানবাহন প্রধান সড়কে নিষিদ্ধ করা হউক।
✔ড্রাইভারদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হউক।
✔অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের নামে যাত্রী হয়রানি বন্ধ করা হউক।

সোমবার, ১৩ মে, ২০১৯

[লিটন ভাইয়ের বিকল্প কেবল লিটন ভাই]

দেশি-বিদেশী বহু ষড়যন্ত্রকে প্রতিহত করে বিশ্বদরবারে বাংলাদেশকে অনন্য মর্যাদায় অধিষ্টিত করা,বিশ্বমানবতার জননী বঙ্গকন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান আওয়ামীলীগ সরকারের সার্বিক উন্নয়নে প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষ প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টকারীরাও যখন সংগঠনের পাহাড় সমান পদ-পদবীতে আসিন হয়,তখন তাদের নৌকা কিনে মাঝি হওয়ার স্বপ্ন দেখাটা দোষের নয়।(যদি উন্নয়নের প্রতীকটি-কে পণ্য হিসেবে বিবেচিত হয়)///

সবকিছুর পর'ও বাস্তব সত্য বলতে,
কষ্ট হয়,জাতির পিতার হাতেগড়া স্বাধীনতার স্বপক্ষের একমাত্র সংগঠনটির সাংগঠনিক গতিশীলতা দেখে। আমরা সাধারন কর্মী,অসাধারণ কিছু বলা-টা বরাবরই বেমানান।
(বাঁশখালীঃ)
সংসদীয় আসন ১৬,যেটি স্বদেশের জন্মলগ্ন থেকে আজ অবধি পর্যন্ত কারনে-অকারনে সমালোচিত, আলোচিত, থেমে থেমে খবরের শিরোনাম। কমবেশি সকলের অগোচরে,তবু আলোচনার প্রসঙ্গতায়............
যেমন,
★৭০এর নির্বাচনে জাতির পিতা নৌকা প্রতীকে যে দুটি আসনে বিজয় বঞ্চিত হয়েছেন,তারমধ্যে বাঁশখালী অন্যতম,যদিও অপর উপজেলাটি সাতকানিয়া।
★জাতির পিতা হত্যার ১ম প্রতিবাদকারী বাঁশখালীর সন্তান হওয়ায় তার তিনি মৃত্যুর পরও অবহেলিত।
★জাতীয় নির্বাচন বলতে বিএনপি প্রার্থীর পরপর ৪বার জয়লাভ,যদিও আওয়ামীলীগের অভ্যন্তরীণ কোন্দলে রাজপথ সদা উত্তার্প্ত।
★সাম্প্রতিক সময় তথা বিগত উপজেলা নির্বাচনে প্যানেল সহকারে জামাতের জয়লাভ,কিংবা জামাতপ্রেমে মগ্ন হয়ে জামাতিদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলায় ৯৮জন আ'লীগ,যুবলীগ, ছাত্রলীগের নাম অন্তভূক্তিকরন।
যেখানে সাঈদী প্রেমে মাতাল হয়ে মানুষ হত্যাসহ অফিস আদালত জ্বালিয়ে দেওয়ার তালিকাভুক্ত জামাত-শিবির ও বিএনপির ক্যাডারদের সংখ্যা কিন্তু নেহাত কম নয়,আছে ২৫০০হাজারের উপরে।
গ্রেফতার বলতে......০০০!
(প্রসঙ্গ ২৮ফ্রেবুয়ারি)।

সময়ের পরিবর্তন ঘটেছে,ডিজিটালের ছোয়ায় স্বদেশের বিপরীতে পরিবর্তিত হয়েছে দলের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড।
দূসময়ের আওয়ামী কর্মীরা অবহেলার মাত্রাতিরিক্ততায় যেখানে সংগঠন বিমুখ।
সেখানে অতিথিরাই আসছেন ঘর-পরিচালনার দায়িত্বে। কেউ কেউ প্রহর গুনছেন নৌকা কেনে মাঝি হওয়ার।

কোথায় কেমন তা জানিনা,
বাঁশখালী আওয়ামীলীগের বর্তমান চিত্র ইতিহাস গড়ার মতো। ১৮/২০বছরের বিপরীতেও মেয়াদ উর্ত্তিন্ন না হওয়া বাঁশখালী আওয়ামীলীগের কর্তাবাবুরা আওয়ামীলীগকে ব্যবহার করেছেন নিজেদের পৈতৃক সম্পর্তি রূপে।
আধিপত্য বিস্তার করতে গিয়ে কেউ কেউ জামাতের সমযোতায় আওয়ামীলীগ,যুবলীগ, ছাত্রলীগ নিধনে পার করেছেন ব্যস্ত সময়।
তবু একটি আদর্শকে বুকে ধারন করে হাজার হাজার মাঠকর্মী আজো স্বপ্ন দেখেন,সংগঠনের চরম বিপর্যয়ে হাল ধরা জাতির পিতার যোগ্য উত্তোসুরিদের ঐতিহাসিক সব নজির দেখে।

আলহাজ্ব Abdullah Kabir Liton কেবল একটি ব্যক্তিই নন,বলতে পারেন একটি প্রতিষ্টান,যে প্রতিষ্টান হাজার হাজার অবহেলিত তৃনমূল নেতাকর্মীদের এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা জোগিয়েছেন।
বঙ্গকন্যার ডাকে সাড়া দিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে জামাত-বিএনপির নৈরাজ্য প্রতিহত করেছেন রাজপথে। নিজ স্বার্থ নয়,দলীয় স্বার্থে বিলিয়ে দিয়েছেন নিজেকে।
দলের জন্য ত্যাগ, কর্মীর প্রয়োজনে এগিয়ে আসা,জনগনের প্রতি অকৃত্রিম ভালবাসার স্বীকতি জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায়' গত ৫জানুয়ারি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের স্তম্ব সৈয়দ আশরাফ ভাই নিজ মুখে ঘোষনা করেছিলেন। পরবর্তীতে বৃহৎ স্বার্থে নেত্রীর আদেশকে মাথা পেতে নেওয়া,কিংবা মধু মিয়ার পাতানো ফাঁদ ভণ্ডুল হওয়ায়,
হাতছানি দেওয়া সুবর্ণ সুযোগকে এড়িয়ে গিয়ে প্রিয় নেত্রীর সিন্ধার্ন্ত ও সাংগঠনিক দিক নির্দেশনা মোতাবেক আজ পর্যন্ত বাঁশখালী-বাসীর সুখেদুঃখে পাশে থেকেছেন,সেই প্রিয় বিচক্ষণ ব্যক্তি আলহাজ্ব আব্দুল্লাহ কবির লিটন ভাইয়ের হাত ধরেই পরিবর্তিত হউক অবহেলিত বাঁশখালীর জনপথ ।
এই যেন বাঁশখালীর প্রতিটি সচেতন ব্যক্তির অব্যক্ত উক্তি।
তবু কিছু বৈরি হাওয়ায় বিভ্রান্তকর চিত্র দেখে হাসি পায়,যেখানে পৈতৃক সম্পর্তি ন্যায় আ'লীগ বিক্রি করেছে,কেউ আবার বিভিন্ন পন্থায় জামায়াত কে  রাস্তায় প্রতিষ্টটিত করেছেন।
যেখানেও আবার কারো অবদান অর্থ , কারো আবার শ্রম।
কাজেই দলের এজকন ক্ষুদ্রর কর্মী হিসেবে আমাদের প্রাণের দাবী,যে বা যারা বাঁশখালীতে কৌশলে জামাতিদের প্রতিষ্টিত করেছে,যারা সংগঠন বিক্রি করে,সংগঠনের নিয়ম নীতি বিরোধী কার্যকলাপ লিপ্ত থেকে,সংগঠনের নেতাকর্মী দের মামলা হামলায় জর্জরিত করেছে,য়ারা প্রাপ্ত ক্ষমতার অপব্যবহার করেছে,তাদের হাতে,উন্নয়নের প্রতীক,আমাদের স্বাধীনতার প্রতীক নৌকা তুলে দিবেন না।
যারা পণ্যের ন্যায় নৌকা কিনতে চায়, তারা নৌকা নয়,সময়কে ভালবাসে,নিজের স্বার্থ ভালবাসে।
এখন আওয়ামীলীগ এর সময় ভালো,তাই তারা নৌকাকে ভালবাসে।
যাদের বিচরণে আওয়ামীলীগ বেঁচেছে,যাদের পাহারায় সংগঠন জেগেছে,যার বিচক্ষণ নেতৃত্বে বাঁশখালীর মুজিব পরিবার ঐক্যবদ্ধ হয়েছে,সেই আলোকিত পথপ্রদর্শক আলহাজ্ব  abdullah kabir liton এমন একজন ব্যক্তি,যিনি অবদান  বঙ্গপিতার নৌকার মাঝি হওয়ার সার্বিক যোগ্যতা রাখে।

জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু

মঙ্গলবার, ১৩ নভেম্বর, ২০১৮

"চট্টল বীরের এই মুজিবকোট-ই হোক আপনার অনুপ্রেরনার উৎস" 🚧🚧🚧🚧🚧🚧🚧🚧🚧🚧🚧


🇧🇩ইতিহাস,ঐতিহ্য,ত্যাগ,অবদানে,দেশ ও জনগণের স্বার্থ সংরক্ষণের গৌরবময় পথপ্রদর্শক হিসেবে সর্বজন স্বীকৃত মহান স্বাধীনতার স্বপক্ষের একমাত্র সংগঠন বাংলাদেশ আ'লীগ।জাতির পিতার বিচক্ষণ নেতৃত্ব আর সহযোদ্ধা/সহচরদের সহোদর সহিত ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় অর্জিত লাল সবুজের পতাকা,বাঙ্গালি জাতির ইতিহাস,ঐতিহ্য আর দেশপ্রেমের পরিচয় বহন করে।
১৯৭১সালে জাতির পিতার নির্দেশে,পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙ্গে স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় নিজদের জীবন উৎসর্গ/বাজী রাখা বীরদ্বয় বাংলা মায়ের শ্রেষ্ঠ সন্তান।যাদের #রাজনৈতিক_জীবনাদর্শই হলো দেশ ও দেশের জনগনের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট অধিকার প্রতিষ্টায় বীরত্বের মহাকাব্য।

বাংলাদেশের স্থপতি,হাজার বছরের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালি,জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের  রাজনৈতিক সহচর /সহযোদ্ধারা স্বদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের রাজসাক্ষী।যারা অবধি রাজনীতির সর্বজন স্বীকৃত জীবন্ত কিংবদন্তী।আদর্শিক রাজনীতির শিক্ষক।
সুঃদীর্ঘ ৯মাস রক্তক্ষয়ী সশস্ত্র সংগ্রামের মধ্য দিয়ে অর্জিত বিজয়' আজ সময়ের পরিক্রমায় ৪৬বছরে পদার্পণ করলো বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ।জায়গা করে নিয়েছে,অনুন্নত দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিশ্বের সবচেয়ে সম্ভাবনাময় দেশ সমুহের ১ম সারিতেই..............

#ডিসেম্বর!
বাঙ্গালি জাতির বিজয়ের মাস। ৩০লক্ষ শহীদের আত্মাহুতি আর ২লক্ষ মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে পাওয়া অর্জিত বিজয়,২০১৭সালেই যেন শোকাচ্ছন্নে পরিনত হলো,৭১এর বীর সেনানী প্রিয় চট্টল-বীরের চিরবিদায়ের মধ্য দিয়ে।
আওয়ামী রাজনীতির কিংবদন্তী,জনকের ঘনিষ্ঠ সহচরের চিরবিদায় চোখের জলে ভাসালো বার আউলিয়ার চারণভূমি বীর চট্টলার সর্বস্তরের জনতাকে।
শোকাচ্ছন্ন বিজয়কে শক্তিতে পরিনত করে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে চট্টগ্রামের সবকটি আসনই নৌকার বিজয় উপহার দিতে আমরা ঐক্যবদ্ধ,অঙ্গীকারবদ্ধ,প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

(বাঁশখালীঃ)
✏সংসদীয় আসনঃ-১৬,
হেলায়-অবহেলায় অবহেলিত বাঁশখালীর জনপদের উন্নয়নের সার্বিক চিত্রটি যেমনই হোক,কিন্তু সংগঠনের সাংগঠনিক অবস্থা যেন একবারেই ব্যতিক্রম।জম্ম-ইতিহাস যেন তার'ও ব্যতিক্রম।নানানবিধ প্রতিকূলতা,আর ধারাবাহিক প্রতিবন্ধকতাকে জয় করে,বাঁশখালীর তৃনমূল আ'লীগ,যুবলীগ,ছাত্রলীগকে স-ুসংগঠিত করা আলহাজ্ব Abdullah Kabir Liton ভাইয়ের বিচক্ষণ নেতৃত্ব,
"বাঁশখালীর তৃনমূল আ'লীগকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন অনন্য মর্যাদায়"

জামায়াত বিএনপি অধ্যুষিত বাঁশখালী' সার্বভৌম আর স্বাধীনতার পূর্ণ আত্মতৃপ্তি পেয়েছে মহান মুক্তিযুদ্ধের ৩৫বছর পর।বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ দুই(২) রাজনৈতিক সহচর,বাংলাদেশ আ'লীগের প্রয়াত প্রেসিড়িয়াম সদস্য,বাংলাদেশ আ'লীগ,চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আ'লীগের সাবেক সফল সভাপতি,বীর মুক্তিযুদ্ধা আলহাজ্ব #আখতারুজ্জামান_চৌধুরী_বাবু ভাইয়ের হাতেগড়া সৃষ্টি।
এবং সদ্য প্রয়াত বীর মুক্তিযুদ্ধা,সাবেক সফল সিটি মেয়র,চট্টগ্রাম মহানগর আ'লীগের বিপ্লবী সভাপতি,চট্টলবীর আলহাজ্ব এবিএম মহিউদ্দীন চৌধুরী (মহিউদ্দীন) ভাইয়ের স্নেহ-মমতা আর সঠিক রাজনৈতিক দিক-নির্দেশনায় অবহেলিত বাঁশখালী আ'লীগকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন বহুদূর।আজ আমাদের মাঝে নেই বীর চট্টলার কালজয়ী বরণ্য এই রাজনীতিবিদ গন।
কিন্তু আপনি তো আছেন।আজ আপনার দিকে থাকিয়ে আছে বাঁশখালীর সর্বস্তরের জনগন।বাঁশখালীর গর্ব,আমাদের অহংকার।বীর চট্টলার নন্দিত নেতা,
প্রিয় অভিভাবক আলহাজ্ব আব্দুল্লাহ কবির লিটন ভাই।প্রয়াত বীরদের জীবনাদর্শই হোক আপনার এগিয়ে প্রেরণা।আপনার প্রতিটা রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড জুড়ে সদা জাগ্রত থাকুক,প্রয়াত রাজনৈতিক শিক্ষকদ্বয়ের অস্থিত্ব।

আমরা বিশ্বাস করি,
আদর্শ, নীতি, নৈতিকতার সমষ্টি একজন যোগ্য নেতৃত্বের গুণাবলিতে সতন্ত্র বৈশিষ্ট্যের সূচনা ঘটায়।হয়তো সবাই রাজনীতি করে,কিন্তু সবাই নেতা হয় না।সময়ের বিবর্তন কিংবা সংগঠনের অর্পিত দায়-দায়িত্ব আর পোষ্ট-পদবীর তবিয়তে অগনিয়ত নেতার আবির্ভাব হয়েছে বটে।কিন্তু আবির্ভাব হয়নি আর কোন বীর মহিউদ্দীন বা বাবু ভাইদের মতো বীরের।যাদের রাজনীতি বলতেই আমৃত্যু জনকল্যাণে নিবেদিত প্রাণ।

হে প্রিয় অভিভাবক,
"আপনার রাজনৈতিক জীবনে চট্টল সিংহ খ্যাত বাবু ভাইয়ের সংস্পর্শ লাভ,চট্টল বীর মহিউদ্দীন ভাইয়ের
কাছ থেকে পাওয়া ৬ বোতাম বিশিষ্ট অমূল্য এই কালো-কোট-টি হউক জাতির পিতার স্বপ্ন পুরুনে আপনার অনুপ্রেরণার প্রধান উৎস।প্রিয় নেত্রীর নির্দেশিত সকল সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নে আপনার পাশে থাকবে বাঁশখালীর তৃনমূল আ'লীগ,যুবলীগ,ছাত্রলীগসহ মহান স্বাধীনতার স্বপক্ষের সর্বস্তরের শক্তিদ্বয়।ভয় নেই,এগিয়ে যান।

জয়বাংলা,বাংলার জয়.....
হবে,হবে,হবে।হবে নিশ্চয়।

জয়বাংলা, জয়বঙ্গবন্ধু।
জয়েতু দেশরত্ন শেখ হাসিনা।
জয় হোক,
বাঁশখালীর তৃনমূল আওয়ামীলীগের,জয় হোক বাঁশখালীর লাখো মেহনতি জনতার।

-------------------------জয়বাংলা।

"চট্টল বীরের এই মুজিবকোট-ই হোক আপনার অনুপ্রেরনার উৎস

www.times23.blogspot.com
🇧🇩ইতিহাস,ঐতিহ্য,ত্যাগ,অবদানে,দেশ ও জনগণের স্বার্থ সংরক্ষণের গৌরবময় পথপ্রদর্শক হিসেবে সর্বজন স্বীকৃত মহান স্বাধীনতার স্বপক্ষের একমাত্র সংগঠন বাংলাদেশ আ'লীগ।জাতির পিতার বিচক্ষণ নেতৃত্ব আর সহযোদ্ধা/সহচরদের সহোদর সহিত ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় অর্জিত লাল সবুজের পতাকা,বাঙ্গালি জাতির ইতিহাস,ঐতিহ্য আর দেশপ্রেমের পরিচয় বহন করে।
১৯৭১সালে জাতির পিতার নির্দেশে,পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙ্গে স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় নিজদের জীবন উৎসর্গ/বাজী রাখা বীরদ্বয় বাংলা মায়ের শ্রেষ্ঠ সন্তান।যাদের #রাজনৈতিক_জীবনাদর্শই হলো দেশ ও দেশের জনগনের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট অধিকার প্রতিষ্টায় বীরত্বের মহাকাব্য।

বাংলাদেশের স্থপতি,হাজার বছরের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালি,জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের  রাজনৈতিক সহচর /সহযোদ্ধারা স্বদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের রাজসাক্ষী।যারা অবধি রাজনীতির সর্বজন স্বীকৃত জীবন্ত কিংবদন্তী।আদর্শিক রাজনীতির শিক্ষক।

সোমবার, ১২ নভেম্বর, ২০১৮

Moinul wants to live, increase your humanity's hand



Banshkhali Upazila Chhatra League is a humble request to the leaders and workers of all walks of life, all of them stand beside the sick and ill-faced former student leader Moinul Huq. It is yours / my moral responsibility and duty. I believe, Allah alone is the master of saving.

But Moinul wants to save. We can not, can we come together united to save one life? We can not do it, to give Moinul a small part of their day-to-day life to his family ... ..?
Maybe,
Muneul can return to normal life with your little / little / little / little effort.

# Moinul Haq Chambal Union Chhatra League's
former vice president (2005), the brutal joke of fate, two kidneys of Moinul have already collapsed, we do not want to lose Muneul, let's do as much as we can, Moinul extended his hand of maximum cooperation.

His own bank account was given below:

Md Moinul Hoque a / c no 188-151-53025 Dutch Bangla Bank CEPZ, Chittagong.
Her own mobile number: -
01813170922 (bKash).

রবিবার, ১১ নভেম্বর, ২০১৮

আব্দুল্লাহ কবির লিটন"বাঁশখালী আ'লীগের নীরব সেবক,যার কাছেই নিরাপদ বাঁশখালী তৃনমূল আ'লীগ

[আব্দুল্লাহ কবির লিটন"বাঁশখালী আ'লীগের নীরব সেবক,যার কাছেই নিরাপদ বাঁশখালী তৃনমূল আ'লীগ]


চট্টগ্রাম সংসদীয় আসন-১৬(বাঁশখালী)!
স্বাধীন সার্বভৌম প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশের জন্মলগ্ন থেকে কখনো আলোচিত/কখনো সমালোচিত প্রিয় বাঁশখালীর ইতিহাস বলতেই দেখেছি,স্বাধীনতা পরবর্তী দীর্ঘ সময়েও পরাধীনতার গ্লানি বয়ে বেড়ানোর নিঃলজ্জকর ইতিহাস।আছে রাজাকারের ফাঁসির রায়ে অফিস,আদালত,মন্দির মসজিদে আগুন দেওয়ার ইতিহাস।
সাঈদীপুত্রদের দেশদ্রোহী তান্ডব আর জ্বালাও পুড়াও আড়ালে স্বাধীনতার পরাজিত শক্তিরা বাঁশখালীতে ৭১এর পুনরাবৃত্তি ঘটিয়েছে নিরহ মানুষের সাথে গবাদি পশুকেও জ্বালিয়ে মারার মধ্য দিয়ে..........

"মিনি পাকিস্তান"
৭১ পরবর্তী বাঁশখালী নতুন নামকরণ'
তৎকালীন বাঁশখালীতে সত্যিকারের স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তির তুলনামূলক লাজুক চিত্র বহন করে।যেখানকার রাজপথ বলতেই যেন জিয়ার সৈনিক আর নারায়ের তাকবিরের রমরমা আধিপত্য।ছাত্রলীগ অনেকটা সংখ্যালুঘু।হয়তো আজকের বাঁশখালীর রাজপথের চিত্র ভিন্ন বটে।কিন্তু ঠিকই অবহেলিত বাঁশখালীর ত্যাগী আওয়ামী পরিবার।তবু সবার মতো আমরাও স্বপ্ন দেখছি স্বাধীন হওয়ার।পরাধীনতার গ্লানি মুছে এগিয়ে যাওয়ার।আমরা উড়ে তো এসে,জুড়ে বসি নাই।শুরু থেকে বসেই আছি।কাজেই জামায়াত শিবির মুক্ত বাঁশখালীর স্বপ্ন দেখতেই পারি।

বাঁশখালীর রাজপথ আমাদের শ্রম আর রক্তের প্রতিটা ফোঁটার নীরব সাক্ষী। আমরা সেদিনও লেজ গুটিয়ে পালিয়ে যাই নাই,আজো যাবো না। আমাদের টিয়ার কাবিকার প্রয়োজন হয় না।জনকের আদর্শকে ভালোবেসেছি বলেই শত প্রতিবন্ধকতা সর্তেও বাঁশখালীর রাজপথ আমরাই পাহারা দিয়েছি।আজো দিচ্ছি।কোন স্বার্থের মোহে নয়।রাজপথে হাজারও সহযোদ্ধার যাওয়া আসার মিছিল দেখেছি।দেখেছি অগনিত মেধাবী ছাত্রনেতা ঝরে যাওয়ার নিদারুণ করুন দৃশ্যও।
বাঁশখালীতে স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তিদ্বয় যতবারই হোচট খেয়েছে,যতবারই জামায়াত-বিএনপি কর্তৃক আক্রান্ত হয়েছে...?
            ঠিক ততবারই ত্রানকর্তার ভূমিকায় কেউ না কেউ সংগঠনের হাল ধরেছেন।সংগঠনের চরম দুঃসময়ে যে ক'জন নেতা ছায়া হয়ে সংগঠনের প্রয়োজনে রাজপথে নিজেদের নিঃস্বার্থভাবে বিলিয়ে দিয়েছেন,তাদের মধ্যে আলহাজ্ব আব্দুল্লাহ কবির লিটন (Abdullah Kabir liton) ভাই একমাত্র ব্যক্তি,যিনি আজ অবধি পর্যন্ত শুধু দিয়েই গেছেন।যার ত্যাগ অবদান আর  বিচক্ষণ নেতৃত্বের ফসল আজকের সুসংগঠিত এবং ঐক্যবদ্ধ বাঁশখালী উপজেলা ছাত্রলীগ তথা আওয়ামী লীগ পরিবার।আমি আমার নেতা বলে বলছি না,ত্যাগ অবদান,জনপ্রিয়তার কাতারে বাঁশখালী আওয়ামীলীগের মহানায়ক,সাবেক সাংসদ,বীর মুক্তিযুদ্ধা এ্যাড সুলতানুল কবির চৌধুরী পরবর্তী বাঁশখালী বলতেই আলহাজ্ব আব্দুল্লাহ কবির লিটন.......................।
বাঁশখালীর সমস্ত জনপদ জুড়ে যার অস্থিত্ব।

ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়,
৭০এর নির্বাচনে জাতির পিতার ডাকে সেইদিন সারা বাংলাদেশ এক সাথে সাড়া দিলেও সাতকানিয়া আর আমরাই ছিলাম (বাঁশখালী) ব্যতিক্রম। একটি তর্জনী,একটা দেশের স্বাধীনতা।একটা স্বাধীন ভূখণ্ড।
৭১এর মুক্তিযুদ্ধে ৩০লক্ষ শহীদের আত্মদান,২লক্ষ মা বোনের ইজ্জত বিনিময়ে অর্জিত লাল সবুজের পতাকাচিত স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের মাঠিতে,স্বাধীনতা পরবর্তী দীর্ঘ সময় আমরাই ছিলাম পরাধীন।হয়তো এখনো আছি!বিগত উপজেলা নির্বাচনে রাজাকার সমিতির প্যানেল-সহকারে জয়,আজ পর্যন্ত সরকারি গাড়ির তেল পুড়ে নিষিদ্ধ জামায়াতের খরচ ও রসদ জোগাচ্ছেন,উপজেলা জামায়াত আমির জহির উদ্দীন।উপজেলা পরিষদ সরকারি দপ্তর বটে।কিন্তু বাস্তবে পুরোটাই জামাতিদের হেডকোয়ার্টার।

"আব্দুল্লাহ কবির লিটন"
বাঁশখালীবাসীকে সেই পথটাই দেখিয়েছেন,যে পথে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সমন্বিত রেখে এবং জাতির পিতার আদর্শ প্রতিষ্ঠিত করা যায়।নিজেদের আত্মনির্ভরশীল জাতিতে পরিণত করা যায়।বাঁশখালী আওয়ামী লীগ তথা স্বাধীনতার স্বপক্ষের সংগঠন গুলো আজ সুসংগঠিত।ঐক্যবদ্ধ ও নৌকার বিজয়ে প্রতিশ্রুতিদ্ধ।পরিবর্তনে অঙ্গীকার বদ্ধ।
আগামী জাতীয় নির্বাচনে বাঁশখালীতে নৌকা প্রতীকের বিকল্প নেই।
আমরা বিশ্বাস  করি,
নৌকাই মুক্তির ধারকবাহক, যা প্রতিটি স্বাধীনতাকামী সচেতন নাগরিকের শিরায় উপশিরায়......
একটা আদর্শের সুত্র ধরেই ছুটে চলেছি।পিতার অমর উক্তি আজ আমাদের এতোদূর নিয়ে এসেছে।থেমে যেতে চাই না।

আমরা বুকে লালন করি,প্রতিবন্ধকতা যত বড়ই হোক,
"বাঙ্গালীকে কেউ ধাবায় রাখতে পারবে না"
বিজয় অবশ্যই আসবে,
ইনশাআল্লাহ!

জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু।

শুক্রবার, ১৯ অক্টোবর, ২০১৮

দূর্গাপুজার ব্যানার উত্তোলন করায়,মিন্টু নাথকে তার বাড়ি থেকে ধর'এনে মারধর

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গকন্যা শেখ হাসিনার ছবি সম্বলিত এই ব্যানারের প্রকৃত দৃশ্যমান কোন সমস্যা আছে কিনা ?যার গুরুতর অপরাধে কাউকে তার বাড়ি থেকে ধরে এনে মারধর করা যায়..! বাঁশখালী জামায়াত অধ্যুষিত চাম্বল এলাকায় এই ব্যানার উত্তোলন করার অপরাধে প্রিয় ছোট ভাই,মিন্টু কান্তি নাথকে তার বাড়িতে গিয়ে,তারই মা'বাবার সামনে পিটিালেন! মারধর করলেন।ব্যানার নামিয়ে ফেললেন। সমস্যা নেই..? আপনি প্রমাণ করেছেন,আপনি বড় লীগার।আপনার অনেক ক্ষমতা।আর তাই তো জামায়াত বিএনপিকে কিছু করতে পারেন না,দেখে দেখে আওয়ামী লীগ মারেন।আর এখন এদের ধর্মীয় উৎসবকে সামনে রেখে শুভেচ্ছা জানানো একটা ব্যানারের অপরাধে সংখ্যালুঘু মারা শুরু করলেন...? এতো ছোট মন মানসিকতা আপনাদের..?চক্ষুলজ্জা বলতে কিছুই তো নেই। কোথায় ছিলেন সেইদিন? যেইদিন জামায়াতের একটা ব্যানার নামাতে গিয়ে বাঁশখালী বাঁশখালী থানা'র ১০পুলিশ কর্মকর্তা লাঞ্ছিত হয়,মারধরের শিকার হয়!গুলিবিদ্ধ হয়।কি করেছিলেন সেইদিন...? আজ কি করলেন? আসলেই এখানে বঙ্গবন্ধুর ছবি সম্বলিত ব্যানার তো থাকার কথা নয়।ভেবেছিলাম স্বাধীন হয়েছে,কিন্তু এখনো দেখছি...? ধন্যবাদ আপনাকে। নতুন করে ছিনতে পারলাম।

times24

দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে বাঁশখালীতে আওয়ামীলীগের প্রতিবাদ সমাবেশ

দেশবিরোধী চক্রান্ত – ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে  কালীপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, তাঁতিলীগ,শ্রমিক লীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠন...