মঙ্গলবার, ২৯ আগস্ট, ২০১৭
সীমান্তে যৌথ অভিযানের প্রস্তাব
মিয়ানমার সীমান্তে যৌথ অভিযানের প্রস্তাব দিলো বাংলাদেশ
রাষ্ট্রদূতের সাথে বৈঠক
সীমান্তে সশস্র সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে যৌথ অভিযানের প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ। তবে এসব সন্ত্রাসীকে ‘বাঙালি’ হিসেবে চিহ্নিত করার মিয়ানমার সরকারের প্রবণতার তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।গতকাল ঢাকায় মিয়ানমারের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত অং মিনকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ডেকে নিয়ে রাখাইন সঙ্কট নিয়ে সরকারের অবস্থান জানানো হয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক (দণি-পূর্ব এশিয়া অণুবিভাগ) মঞ্জুরুল ইসলামের সাথে বৈঠক করেন তিনি।
বাংলাদেশের তরফে বলা হয়েছে, গত সপ্তাহে রাখাইনে পুলিশ ও সেনাসদস্যদের ওপর হামলার ঘটনাটি মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ বিষয়। তবে এর সাথে ‘বাঙালি সন্ত্রাসী’ শব্দের ব্যবহার অগ্রহণযোগ্য। মিয়ানমার যদি মনে করে সীমান্তে সন্ত্রাসী বা উগ্রবাদী আছে, তাদের আটকে ঢাকা সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে। কেননা বাংলাদেশের মাটি কোনো দেশের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী বা উগ্রবাদী কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করার সুযোগ দেয়া হয় না। এ নীতি সরকার দৃঢ়ভাবে অনুসরণ করে।
বৈঠকে মিয়ানমারের উগ্রবাদী, আরাকান আর্মি ও অন্য যেকোনো শক্তির বিরুদ্ধে নিরাপত্তা বাহিনীর মাধ্যমে যৌথ অভিযানের প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ। নিরাপত্তা নিয়ে মিয়ানমারের যে উদ্বেগ রয়েছে, তা দূর করতে সহযোগিতা করতে চায় বাংলাদেশ।
রাখাইন পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে গত শনিবার মিয়ানমারের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত অং মিনকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব করা হয়। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (এশিয়া ও প্যাসিফিক) মাহবুব উজ জামান এ সময় অং মিনকে জানান, গত বছরের ৯ অক্টোবর মিয়ানমার পুলিশের ওপর সন্ত্রাসী হামলার পর সেখানে সেনা অভিযান হয়েছিল, যার পরিপ্রেক্ষিতে প্রায় ৮৫ হাজার মিয়ানমার নাগরিক বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করেছে। চলমান পরিস্থিতিতে রাখাইনের নারী, শিশু, বয়োজ্যেষ্ঠসহ হাজার হাজার নিরস্ত্র নাগরিক বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টায় সীমান্তে জড়ো হয়েছেন। এটি অত্যন্ত উদ্বেগের। সচিব বলেন, এমনিতেই বাংলাদেশ বছরের পর বছর ধরে কয়েক লাখ মিয়ানমার নাগরিককের ভার বয়ে চলেছে, যারা বিভিন্ন ঘটনায় প্রাণ বাঁচতে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ মনে করে সাধারণ নাগরিকদের রায় মিয়ানমারের দায়িত্ব নেয়া জরুরি।
নিরস্ত্র নাগরিক, বিশেষত চরম ঝুঁকিতে থাকা নারী, শিশু ও বয়োজ্যেষ্ঠদের উপযুক্ত নিরাপত্তা ও আশ্রয় নিশ্চিত করতে মিয়ানমার কর্তৃপরে প্রতি আহ্বান জানায় বাংলাদেশ।
বুধবার, ২ আগস্ট, ২০১৭
সোমবার, ২৪ জুলাই, ২০১৭
মীর কাসেমের শেষ পরিনতি
কুখ্যাত রাজাকার মীর কাশেম আলীর যত কুকর্ম ও শেষ পরিনতিঃ
---------------------------------------------
------------------------------
অবশেষে মীর কাশেমের চাপ্টার ক্লোজড।
চলুন এক নজরে দেখে আসি এই জানোয়ারের যত অপকর্ম ও নির্যাতনের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস।
জামায়াত নেতাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বিত্ত-সম্পদের মালিক হচ্ছেন মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্দ্ণ্ডকপ্রাপ্ত কুখ্যাত রাজাকার মীর কাসেম আলী ওরফে খান সাহেব।
যদিও এই # জামায়াত_শিবিরেরর অবস্তা এখন জনবিচ্ছিন্ন জঙ্গি সংগঠন ছাড়া আর কিছু নয়।
যুদ্ধপরাধের দায়ে খুব শ্রীঘই বাংলাদেশে জামায়াত শিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধ করা হচ্ছে। সব মহলে আজ দাবি উঠেছে এমনটাই।
এইদিকে জামায়াতের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য মীর কাসেম আলী একজন বিলিয়নিয়ার ব্যবসায়ী। জামায়াত-শিবিরের অর্থের প্রধান জোগানদাতাও তাকেই বলা হয়। মীর কাসেম আলীর বেড়ে ওঠা,মীর কাসেম আলীর জন্ম ১৯৫২ সালে মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার চালা গ্রামে। তার বাবা তৈয়ব আলী বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডে চাকরি করতেন। চার ভাইয়ের মধ্যে তিনি দ্বিতীয়।
মীর কাসেমকে এলাকার মানুষ
# মিন্টু নামেই চেনেন। বাবার চাকরির সুবাদে পরিবারের সঙ্গে থাকতেন চট্টগ্রামে। ভর্তি হন চট্টগ্রাম কলেজে। ১৯৭০ সালে চট্টগ্রাম সরকারি কলেজের ছাত্র থাকাকালে জামায়াতের ছাত্রসংগঠন ইসলামী ছাত্রসংঘের চট্টগ্রাম শাখার সভাপতি হন তিনি।
# একাত্তরের_ভূমিকা : ১৯৭১ সালে স্বাধীনতাযুদ্ধের সময় জামায়াত পক্ষ নেয় পাকিস্তানের। রাজাকার অর্ডিন্যান্স জারির পর জামায়াতে ইসলামী তাদের ছাত্রসংগঠন ছাত্রসংঘের নেতাদের নিজ নিজ জেলার আলবদর বাহিনীর প্রধান নিযুক্ত করেন। সেই সুবাদে মীর কাসেম আলী চট্টগ্রাম জেলার প্রধান হন। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, ১৯৭১ সালের ২ আগস্ট চট্টগ্রাম মুসলিম ইনস্টিটিউটে তার নেতৃত্বে
# স্বাধীনতাবিরোধী
_সমাবেশ_আয়োজন_করা_হয় ।
সভাপতি হিসেবে তিনি তার ভাষণে বলেন, গ্রামগঞ্জে প্রতিটি এলাকায় খুঁজে খুঁজে পাকিস্তানবিরোধীদের শেষ চিহ্নটি মুছে ফেলতে হবে। মীর কাসেমের বিরুদ্ধে আরেকটি বড় অভিযোগ হচ্ছে- তিনি সংখ্যালঘু পরিবারের বাড়ি ‘ # মহামায়া_ভবন_দখল করে বানান|៲'丨丿’iノ៸°′ ̄/sz°
# টর্চার_সেল ।
# ডালিম_হোটেল নামে পরিচিত ওই টর্চার সেলে এনে মুক্তিযোদ্ধাদের ওপর নির্মম নির্যাতন করা হতো। স্বাধীন দেশে মীর কাসেম আলী।
জানা যায়, স্বাধীনতার পর মীর কাসেম ঢাকায় আসেন। কিন্তু কিছু দিন যেতে-না-যেতেই মুক্তিযোদ্ধাদের রোষানলে পড়ার ভয়ে চলে যান লন্ডনে। সেখান থেকে সৌদি আরব। সৌদিতে থাকাকালীন সেখানকার অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির সঙ্গে তার সুসম্পর্ক হয়। বঙ্গবন্ধু হত্যার পর দেশে ফিরে আসেন মীর কাসেম।
মীর কাসেমের নেতৃত্বেই ১৯৭৭ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি ইসলামী ছাত্রসংঘ নাম পরিবর্তন করে ছাত্রশিবির নামে আত্মপ্রকাশ করে। তিনি হন শিবিরের প্রথম কেন্দ্রীয় সভাপতি। এরপর মীর কাসেমকে আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্ক থাকার কারণে ১৯৮০ সালে তিনি রাবেতা আল ইসলামীর এ দেশীয় পরিচালক হন।
মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর টাকায় আস্তে আস্তে গড়ে তোলেন ইসলামী ব্যাংক, ইবনে সিনা ট্রাস্ট ও ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যালস। জামায়াতে ইসলামী ও শিবিরের আয় ও কর্মসংস্থানের বড় উৎস হয়ে দাঁড়ায় এসব প্রতিষ্ঠান। সঙ্গে সঙ্গে জামায়াত-শিবিরের রাজনীতিতে বাড়তে থাকে তার আধিপত্য। যত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক মীর কাসেম।
মীর কাসেম আলী দলীয় আর্থিক ফান্ড সমৃদ্ধ করার পাশাপাশি নিজেও হয়েছেন শত শত কোটির টাকার মালিক। ব্যাংক, চিকিৎসাসেবা, পরিবহণ, টেলিযোগাযোগ,গণমাধ্যম ও শিক্ষা সব খাতেই রয়েছে তার দাপুটে বিচরণ । মীর কাসেম আলী মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান রাবেতা আল ইসলামীর বাংলাদেশ পরিচালক, ইসলামী ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ভাইস চেয়ারম্যান ও পরিচালক, ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। ইবনে সিনা ট্রাস্ট (প্রশাসন) ও ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যালসের বোর্ড অব ডিরেক্টরের সদস্যও তিনি। এই ট্রাস্টের আটটি হাসপাতাল, ডায়াগনস্টিক ও ইমেজিং সেন্টার, একটি মেডিক্যাল কলেজ, একটি নার্সিং কলেজ ও একটি ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানি, ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল, ইসলামী ব্যাংক স্কুল ও কলেজ এবং দিগন্ত পেপার মিলের মালিক কাসেম আলীই। তিনি ফুয়াদ আল খতিব ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রাস্ট (এআইটি) ও বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান।দিগন্ত মিডিয়া করপোরেশনের চেয়ারম্যান মীর কাসেম আলী। এর অধীনে রয়েছে দৈনিক নয়া দিগন্ত পত্রিকা আর দিগন্ত টেলিভিশন। এ ছাড়া মীর কাসেম আলীর ব্যক্তিগত বাণিজিক গ্রুপের নাম ‘কেয়ারী’।
তিনি কেয়ারী হাউজিং ও ইডেন শিপিং লাইনসের চেয়ারম্যান। নামের আগে ‘কেয়ারী’ রয়েছে এ রকম ১০টি কোম্পানির পরিচালক মীর কাসেম আলী। এগুলো হলো- কেয়ারী লিমিটেড, কেয়ারী পোলট্রি হ্যাচারি অ্যান্ড প্রসেস, কেয়ারী স্প্রিং, কেয়ারী শান, কেয়ারী ট্যুরস অ্যান্ড সার্ভিসেস, কেয়ারী তাজ, কেয়ারী কালার সেন্টার, কেয়ারী ঝর্ণা, কেয়ারী রিয়েল এস্টেট ও কেয়ারী টেলিকম লিমিটেড।কক্সবাজারের টেকনাফ থেকে সেন্ট মার্টিনে যাওয়ার জন্য রয়েছে মীর কাসেমের একক মালিকানাধীন বিলাসবহুল পাঁচটি প্রমোদতরি কেয়ারী ক্রুইজ, কেয়ারী ডাইন, কেয়ারী সিন্দবাদ, কেয়ারী কর্ণফুলী ও কেয়ারী তরঙ্গ।এ ছাড়া কেয়ারী গ্রুপের সহস্রাধিক অ্যাপার্টমেন্ট ও বিপণি বিতান রয়েছে ঢাকা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজারসহ বিভিন্ন স্থানে। বিচার ঠেকাতে মীর কাসেমের তৎপরতা : জানা যায়, মানবতাবিরোধী বিচারের কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করতে মীর কাসেম আলী ২০১০ সালের ১০ মে ছয় মাসের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের কনসালট্যান্সি ফার্ম কেসিডি অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটসের সঙ্গে চুক্তি করেন। যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশ সরকারের ওপর চাপ প্রয়োগ ও লবিং করাই ওই চুক্তির লক্ষ্য। চুক্তি অনুযায়ী কনসালট্যান্সি ফার্মটি মীর কাসেম আলীর পক্ষে আমেরিকান কংগ্রেস, সিনেট সদস্য এবং ইউএস প্রশাসনের প্রধান সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীদের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন করবে। একই সঙ্গে দক্ষিণ এশিয়ার বৈদেশিক নীতির বিষয়ে মতামত দেবে। তারই লবিংয়ে হাউস অব কমন্সের শক্তিশালী একটি লবিস্ট গ্রুপ কাজ শুরু করে এবং তারা যুক্তরাজ্যসহ ইউরোপের বিভিন্ন শহরে সেমিনার ও আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে থাকে। মীর কাসেম আলীর ভাই মীর মাসুম আলী ও জামায়াত আমির মতিউর রহমান নিজামীর ছেলে নাকীবুর রহমান নিজামীর তত্ত্বাবধানে ‘অর্গানাইজেশন ফর পিস অ্যান্ড জাস্টিস’ এবং ‘হিউম্যান রাইটস ডেভেলপমেন্ট ইন বাংলাদেশ’ চালাতে শুরু করে নানা প্রচারণা। ‘ক্লোয়াক্রম অ্যাডভাইজর’ ও ‘কে গ্লোবাল’ নামে দুটি লবিং প্রতিষ্ঠানও সাবকনট্রাক্টের ভিত্তিতে কাজ শুরু করে তাদের সঙ্গে। অবশেষে বিচারের মুখোমুখি : এত কিছু করেও শেষ রক্ষা পাননি জামায়াতের প্রভাবশালী এই ব্যবসায়ী নেতা। জামায়াতের নির্বাহী পরিষদের সদস্য মীর কাসেম আলীর বিরুদ্ধে ২০১২ সালের ১৭ জুন গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন ট্রাইব্যুনাল। ওই দিন বিকেলেই মতিঝিলে দৈনিক নয়া দিগন্ত কার্যালয়ের (দিগন্ত মিডিয়া করপোরেশন) থেকে তাকে গ্রেফতার করে বিকেল সোয়া ৪টার দিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। এরপর ২০১৩ সালের ১৬ মে মীর কাসেমের বিরুদ্ধে ১৪টি অভিযোগ দাখিল করেন রাষ্ট্রপক্ষ। ২৬ মে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল-১। এরপর মামলাটি ট্রাইব্যুনাল-২-এ স্থানান্তর করা হয়। গত বছরের ৫ সেপ্টেম্বর মীর কাসেম আলীকে ১৪টি ঘটনায় অভিযুক্ত করে অভিযোগ গঠন করেন ট্রাইব্যুনাল। বিচারিক কার্যক্রম শেষে ২০১৪ সালের ২ নভেম্বর চেয়ারম্যান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ মীর কাসেমকে মৃত্যুদণ্ডের রায় প্রদান করেন। রাষ্ট্রপক্ষের আনীত ১১ ও ১২ নম্বর অভিযোগে মুক্তিযোদ্ধা জসিম ও জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীকে হত্যার দায়ে আদালত তাকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন। এর মধ্যে ১২ নম্বর অভিযোগে সংখ্যাগরিষ্ঠের ভিত্তিতে রায় প্রদান করা হয়। ২০১৪ সালের ৩০ নভেম্বর ট্রাইব্যুনালের দেওয়া মৃত্যুদণ্ড থেকে বেকসুর খালাস চেয়ে আপিল করেন মীর কাসেমের আইনজীবীরা। আপিলে তার খালাসের পক্ষে ১৮১টি যুক্তি তুলে ধরা হয়।চলতি বছরের ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়ে ২৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট ১১ কার্য দিবস মীর কাসেমের পক্ষে-বিপক্ষে আপিল শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।। চূড়ান্ত রায়ে মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকায় অবশেষে ফাঁসির দড়িতেই ঝুললেন প্রভাবশালী এ জামায়াত নেতা।
---------------------------------------------
------------------------------
অবশেষে মীর কাশেমের চাপ্টার ক্লোজড।
চলুন এক নজরে দেখে আসি এই জানোয়ারের যত অপকর্ম ও নির্যাতনের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস।
জামায়াত নেতাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বিত্ত-সম্পদের মালিক হচ্ছেন মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্দ্ণ্ডকপ্রাপ্ত কুখ্যাত রাজাকার মীর কাসেম আলী ওরফে খান সাহেব।
যদিও এই # জামায়াত_শিবিরেরর অবস্তা এখন জনবিচ্ছিন্ন জঙ্গি সংগঠন ছাড়া আর কিছু নয়।
যুদ্ধপরাধের দায়ে খুব শ্রীঘই বাংলাদেশে জামায়াত শিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধ করা হচ্ছে। সব মহলে আজ দাবি উঠেছে এমনটাই।
এইদিকে জামায়াতের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য মীর কাসেম আলী একজন বিলিয়নিয়ার ব্যবসায়ী। জামায়াত-শিবিরের অর্থের প্রধান জোগানদাতাও তাকেই বলা হয়। মীর কাসেম আলীর বেড়ে ওঠা,মীর কাসেম আলীর জন্ম ১৯৫২ সালে মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার চালা গ্রামে। তার বাবা তৈয়ব আলী বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডে চাকরি করতেন। চার ভাইয়ের মধ্যে তিনি দ্বিতীয়।
মীর কাসেমকে এলাকার মানুষ
# মিন্টু নামেই চেনেন। বাবার চাকরির সুবাদে পরিবারের সঙ্গে থাকতেন চট্টগ্রামে। ভর্তি হন চট্টগ্রাম কলেজে। ১৯৭০ সালে চট্টগ্রাম সরকারি কলেজের ছাত্র থাকাকালে জামায়াতের ছাত্রসংগঠন ইসলামী ছাত্রসংঘের চট্টগ্রাম শাখার সভাপতি হন তিনি।
# একাত্তরের_ভূমিকা : ১৯৭১ সালে স্বাধীনতাযুদ্ধের সময় জামায়াত পক্ষ নেয় পাকিস্তানের। রাজাকার অর্ডিন্যান্স জারির পর জামায়াতে ইসলামী তাদের ছাত্রসংগঠন ছাত্রসংঘের নেতাদের নিজ নিজ জেলার আলবদর বাহিনীর প্রধান নিযুক্ত করেন। সেই সুবাদে মীর কাসেম আলী চট্টগ্রাম জেলার প্রধান হন। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, ১৯৭১ সালের ২ আগস্ট চট্টগ্রাম মুসলিম ইনস্টিটিউটে তার নেতৃত্বে
# স্বাধীনতাবিরোধী
_সমাবেশ_আয়োজন_করা_হয় ।
সভাপতি হিসেবে তিনি তার ভাষণে বলেন, গ্রামগঞ্জে প্রতিটি এলাকায় খুঁজে খুঁজে পাকিস্তানবিরোধীদের শেষ চিহ্নটি মুছে ফেলতে হবে। মীর কাসেমের বিরুদ্ধে আরেকটি বড় অভিযোগ হচ্ছে- তিনি সংখ্যালঘু পরিবারের বাড়ি ‘ # মহামায়া_ভবন_দখল করে বানান|៲'丨丿’iノ៸°′ ̄/sz°
# টর্চার_সেল ।
# ডালিম_হোটেল নামে পরিচিত ওই টর্চার সেলে এনে মুক্তিযোদ্ধাদের ওপর নির্মম নির্যাতন করা হতো। স্বাধীন দেশে মীর কাসেম আলী।
জানা যায়, স্বাধীনতার পর মীর কাসেম ঢাকায় আসেন। কিন্তু কিছু দিন যেতে-না-যেতেই মুক্তিযোদ্ধাদের রোষানলে পড়ার ভয়ে চলে যান লন্ডনে। সেখান থেকে সৌদি আরব। সৌদিতে থাকাকালীন সেখানকার অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির সঙ্গে তার সুসম্পর্ক হয়। বঙ্গবন্ধু হত্যার পর দেশে ফিরে আসেন মীর কাসেম।
মীর কাসেমের নেতৃত্বেই ১৯৭৭ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি ইসলামী ছাত্রসংঘ নাম পরিবর্তন করে ছাত্রশিবির নামে আত্মপ্রকাশ করে। তিনি হন শিবিরের প্রথম কেন্দ্রীয় সভাপতি। এরপর মীর কাসেমকে আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্ক থাকার কারণে ১৯৮০ সালে তিনি রাবেতা আল ইসলামীর এ দেশীয় পরিচালক হন।
মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর টাকায় আস্তে আস্তে গড়ে তোলেন ইসলামী ব্যাংক, ইবনে সিনা ট্রাস্ট ও ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যালস। জামায়াতে ইসলামী ও শিবিরের আয় ও কর্মসংস্থানের বড় উৎস হয়ে দাঁড়ায় এসব প্রতিষ্ঠান। সঙ্গে সঙ্গে জামায়াত-শিবিরের রাজনীতিতে বাড়তে থাকে তার আধিপত্য। যত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক মীর কাসেম।
মীর কাসেম আলী দলীয় আর্থিক ফান্ড সমৃদ্ধ করার পাশাপাশি নিজেও হয়েছেন শত শত কোটির টাকার মালিক। ব্যাংক, চিকিৎসাসেবা, পরিবহণ, টেলিযোগাযোগ,গণমাধ্যম ও শিক্ষা সব খাতেই রয়েছে তার দাপুটে বিচরণ । মীর কাসেম আলী মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান রাবেতা আল ইসলামীর বাংলাদেশ পরিচালক, ইসলামী ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ভাইস চেয়ারম্যান ও পরিচালক, ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। ইবনে সিনা ট্রাস্ট (প্রশাসন) ও ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যালসের বোর্ড অব ডিরেক্টরের সদস্যও তিনি। এই ট্রাস্টের আটটি হাসপাতাল, ডায়াগনস্টিক ও ইমেজিং সেন্টার, একটি মেডিক্যাল কলেজ, একটি নার্সিং কলেজ ও একটি ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানি, ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল, ইসলামী ব্যাংক স্কুল ও কলেজ এবং দিগন্ত পেপার মিলের মালিক কাসেম আলীই। তিনি ফুয়াদ আল খতিব ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রাস্ট (এআইটি) ও বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান।দিগন্ত মিডিয়া করপোরেশনের চেয়ারম্যান মীর কাসেম আলী। এর অধীনে রয়েছে দৈনিক নয়া দিগন্ত পত্রিকা আর দিগন্ত টেলিভিশন। এ ছাড়া মীর কাসেম আলীর ব্যক্তিগত বাণিজিক গ্রুপের নাম ‘কেয়ারী’।
তিনি কেয়ারী হাউজিং ও ইডেন শিপিং লাইনসের চেয়ারম্যান। নামের আগে ‘কেয়ারী’ রয়েছে এ রকম ১০টি কোম্পানির পরিচালক মীর কাসেম আলী। এগুলো হলো- কেয়ারী লিমিটেড, কেয়ারী পোলট্রি হ্যাচারি অ্যান্ড প্রসেস, কেয়ারী স্প্রিং, কেয়ারী শান, কেয়ারী ট্যুরস অ্যান্ড সার্ভিসেস, কেয়ারী তাজ, কেয়ারী কালার সেন্টার, কেয়ারী ঝর্ণা, কেয়ারী রিয়েল এস্টেট ও কেয়ারী টেলিকম লিমিটেড।কক্সবাজারের টেকনাফ থেকে সেন্ট মার্টিনে যাওয়ার জন্য রয়েছে মীর কাসেমের একক মালিকানাধীন বিলাসবহুল পাঁচটি প্রমোদতরি কেয়ারী ক্রুইজ, কেয়ারী ডাইন, কেয়ারী সিন্দবাদ, কেয়ারী কর্ণফুলী ও কেয়ারী তরঙ্গ।এ ছাড়া কেয়ারী গ্রুপের সহস্রাধিক অ্যাপার্টমেন্ট ও বিপণি বিতান রয়েছে ঢাকা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজারসহ বিভিন্ন স্থানে। বিচার ঠেকাতে মীর কাসেমের তৎপরতা : জানা যায়, মানবতাবিরোধী বিচারের কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করতে মীর কাসেম আলী ২০১০ সালের ১০ মে ছয় মাসের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের কনসালট্যান্সি ফার্ম কেসিডি অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটসের সঙ্গে চুক্তি করেন। যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশ সরকারের ওপর চাপ প্রয়োগ ও লবিং করাই ওই চুক্তির লক্ষ্য। চুক্তি অনুযায়ী কনসালট্যান্সি ফার্মটি মীর কাসেম আলীর পক্ষে আমেরিকান কংগ্রেস, সিনেট সদস্য এবং ইউএস প্রশাসনের প্রধান সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীদের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন করবে। একই সঙ্গে দক্ষিণ এশিয়ার বৈদেশিক নীতির বিষয়ে মতামত দেবে। তারই লবিংয়ে হাউস অব কমন্সের শক্তিশালী একটি লবিস্ট গ্রুপ কাজ শুরু করে এবং তারা যুক্তরাজ্যসহ ইউরোপের বিভিন্ন শহরে সেমিনার ও আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে থাকে। মীর কাসেম আলীর ভাই মীর মাসুম আলী ও জামায়াত আমির মতিউর রহমান নিজামীর ছেলে নাকীবুর রহমান নিজামীর তত্ত্বাবধানে ‘অর্গানাইজেশন ফর পিস অ্যান্ড জাস্টিস’ এবং ‘হিউম্যান রাইটস ডেভেলপমেন্ট ইন বাংলাদেশ’ চালাতে শুরু করে নানা প্রচারণা। ‘ক্লোয়াক্রম অ্যাডভাইজর’ ও ‘কে গ্লোবাল’ নামে দুটি লবিং প্রতিষ্ঠানও সাবকনট্রাক্টের ভিত্তিতে কাজ শুরু করে তাদের সঙ্গে। অবশেষে বিচারের মুখোমুখি : এত কিছু করেও শেষ রক্ষা পাননি জামায়াতের প্রভাবশালী এই ব্যবসায়ী নেতা। জামায়াতের নির্বাহী পরিষদের সদস্য মীর কাসেম আলীর বিরুদ্ধে ২০১২ সালের ১৭ জুন গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন ট্রাইব্যুনাল। ওই দিন বিকেলেই মতিঝিলে দৈনিক নয়া দিগন্ত কার্যালয়ের (দিগন্ত মিডিয়া করপোরেশন) থেকে তাকে গ্রেফতার করে বিকেল সোয়া ৪টার দিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। এরপর ২০১৩ সালের ১৬ মে মীর কাসেমের বিরুদ্ধে ১৪টি অভিযোগ দাখিল করেন রাষ্ট্রপক্ষ। ২৬ মে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল-১। এরপর মামলাটি ট্রাইব্যুনাল-২-এ স্থানান্তর করা হয়। গত বছরের ৫ সেপ্টেম্বর মীর কাসেম আলীকে ১৪টি ঘটনায় অভিযুক্ত করে অভিযোগ গঠন করেন ট্রাইব্যুনাল। বিচারিক কার্যক্রম শেষে ২০১৪ সালের ২ নভেম্বর চেয়ারম্যান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ মীর কাসেমকে মৃত্যুদণ্ডের রায় প্রদান করেন। রাষ্ট্রপক্ষের আনীত ১১ ও ১২ নম্বর অভিযোগে মুক্তিযোদ্ধা জসিম ও জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীকে হত্যার দায়ে আদালত তাকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন। এর মধ্যে ১২ নম্বর অভিযোগে সংখ্যাগরিষ্ঠের ভিত্তিতে রায় প্রদান করা হয়। ২০১৪ সালের ৩০ নভেম্বর ট্রাইব্যুনালের দেওয়া মৃত্যুদণ্ড থেকে বেকসুর খালাস চেয়ে আপিল করেন মীর কাসেমের আইনজীবীরা। আপিলে তার খালাসের পক্ষে ১৮১টি যুক্তি তুলে ধরা হয়।চলতি বছরের ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়ে ২৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট ১১ কার্য দিবস মীর কাসেমের পক্ষে-বিপক্ষে আপিল শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।। চূড়ান্ত রায়ে মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকায় অবশেষে ফাঁসির দড়িতেই ঝুললেন প্রভাবশালী এ জামায়াত নেতা।
শনিবার, ২২ জুলাই, ২০১৭
ইউএনও'র বিরুদ্ধে মামলাকারী সৈয়দ ওবায়েদ উল্লাহ সাজুকে দল থেকে বহিষ্কার করলো আ'লীগ"
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি বিকৃতির অভিযোগে বরিশালের আগৈলঝাড়ার সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গাজী তারিক সালমনের বিরুদ্ধে করা মামলার বাদী অ্যাডভোকেট সৈয়দ ওবায়েদ উল্লাহ সাজুকে দল থেকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করেছে আওয়ামী লীগ।
(২১ জুলাই) সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার নির্বাচন মনোনয়ন বোর্ডের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন দলের সভাপতি এবং স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ ও উপজেলা পরিষদ নির্বাচন) মনোনয়ন বোর্ডের সভাপতি শেখ হাসিনা। বৈঠক শেষে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের জানান, সভায় ইউএনও’র বিরুদ্ধে মামলাকারী বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও বরিশাল আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ ওবায়েদ উল্লাহ সাজুকে দল থেকে সাময়িকভাবেবহিষ্কার করা হয়েছে। দলীয় গঠনতন্ত্রের ৪৭ এর ক ধারা অনুযায়ী সাজুর বিরুদ্ধে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ‘একই সঙ্গে তাকে কেন দল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে না- চিঠি দিয়ে তাও জানতে চাওয়া হয়েছে।’গাজী তারিক সালমন বর্তমানে বরগুনাজেলা সদরে ইউএনও হিসেবে কর্মরত। এর আগে আগৈলঝাড়ার ইউএনও ছিলেন তিনি। গত ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপনে উপজেলা প্রশাসনের আমন্ত্রণপত্রে এক শিশুর আঁকা বঙ্গবন্ধর ছবি ব্যবহার করা হয়। আরসেই কার্ডের ছবিটিতে বঙ্গবন্ধুর ছবি ‘বিকৃত’ করা হয়েছে অভিযোগ করে ইউএনও গাজী তারিক সালমানের বিরুদ্ধে এ মামলা করেন আওয়ামী লীগনেতা সাজু।সমন জারি হলে গত বুধবার (১৯ জুলাই)সকালে আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন তারিক সালমান। কিন্তু প্রথমে তাকে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিলেও পরে একই আদালত তা প্রত্যাহার করে জামিন মঞ্জুর করেন। এ ঘটনায় খবর প্রকাশিত হলে দেশজুড়েতীব্র আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। যার উত্তাপ ছড়িয়ে পড়ে সামাজিকযোগাযোগমাধ্যমগুলোতেও।
শনিবার, ১০ জুন, ২০১৭
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যসমূহ (Atom)
times24
দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে বাঁশখালীতে আওয়ামীলীগের প্রতিবাদ সমাবেশ
দেশবিরোধী চক্রান্ত – ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে কালীপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, তাঁতিলীগ,শ্রমিক লীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠন...


