সোমবার, ১২ নভেম্বর, ২০১৮

Moinul wants to live, increase your humanity's hand



Banshkhali Upazila Chhatra League is a humble request to the leaders and workers of all walks of life, all of them stand beside the sick and ill-faced former student leader Moinul Huq. It is yours / my moral responsibility and duty. I believe, Allah alone is the master of saving.

But Moinul wants to save. We can not, can we come together united to save one life? We can not do it, to give Moinul a small part of their day-to-day life to his family ... ..?
Maybe,
Muneul can return to normal life with your little / little / little / little effort.

# Moinul Haq Chambal Union Chhatra League's
former vice president (2005), the brutal joke of fate, two kidneys of Moinul have already collapsed, we do not want to lose Muneul, let's do as much as we can, Moinul extended his hand of maximum cooperation.

His own bank account was given below:

Md Moinul Hoque a / c no 188-151-53025 Dutch Bangla Bank CEPZ, Chittagong.
Her own mobile number: -
01813170922 (bKash).

রবিবার, ১১ নভেম্বর, ২০১৮

আব্দুল্লাহ কবির লিটন"বাঁশখালী আ'লীগের নীরব সেবক,যার কাছেই নিরাপদ বাঁশখালী তৃনমূল আ'লীগ

[আব্দুল্লাহ কবির লিটন"বাঁশখালী আ'লীগের নীরব সেবক,যার কাছেই নিরাপদ বাঁশখালী তৃনমূল আ'লীগ]


চট্টগ্রাম সংসদীয় আসন-১৬(বাঁশখালী)!
স্বাধীন সার্বভৌম প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশের জন্মলগ্ন থেকে কখনো আলোচিত/কখনো সমালোচিত প্রিয় বাঁশখালীর ইতিহাস বলতেই দেখেছি,স্বাধীনতা পরবর্তী দীর্ঘ সময়েও পরাধীনতার গ্লানি বয়ে বেড়ানোর নিঃলজ্জকর ইতিহাস।আছে রাজাকারের ফাঁসির রায়ে অফিস,আদালত,মন্দির মসজিদে আগুন দেওয়ার ইতিহাস।
সাঈদীপুত্রদের দেশদ্রোহী তান্ডব আর জ্বালাও পুড়াও আড়ালে স্বাধীনতার পরাজিত শক্তিরা বাঁশখালীতে ৭১এর পুনরাবৃত্তি ঘটিয়েছে নিরহ মানুষের সাথে গবাদি পশুকেও জ্বালিয়ে মারার মধ্য দিয়ে..........

"মিনি পাকিস্তান"
৭১ পরবর্তী বাঁশখালী নতুন নামকরণ'
তৎকালীন বাঁশখালীতে সত্যিকারের স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তির তুলনামূলক লাজুক চিত্র বহন করে।যেখানকার রাজপথ বলতেই যেন জিয়ার সৈনিক আর নারায়ের তাকবিরের রমরমা আধিপত্য।ছাত্রলীগ অনেকটা সংখ্যালুঘু।হয়তো আজকের বাঁশখালীর রাজপথের চিত্র ভিন্ন বটে।কিন্তু ঠিকই অবহেলিত বাঁশখালীর ত্যাগী আওয়ামী পরিবার।তবু সবার মতো আমরাও স্বপ্ন দেখছি স্বাধীন হওয়ার।পরাধীনতার গ্লানি মুছে এগিয়ে যাওয়ার।আমরা উড়ে তো এসে,জুড়ে বসি নাই।শুরু থেকে বসেই আছি।কাজেই জামায়াত শিবির মুক্ত বাঁশখালীর স্বপ্ন দেখতেই পারি।

বাঁশখালীর রাজপথ আমাদের শ্রম আর রক্তের প্রতিটা ফোঁটার নীরব সাক্ষী। আমরা সেদিনও লেজ গুটিয়ে পালিয়ে যাই নাই,আজো যাবো না। আমাদের টিয়ার কাবিকার প্রয়োজন হয় না।জনকের আদর্শকে ভালোবেসেছি বলেই শত প্রতিবন্ধকতা সর্তেও বাঁশখালীর রাজপথ আমরাই পাহারা দিয়েছি।আজো দিচ্ছি।কোন স্বার্থের মোহে নয়।রাজপথে হাজারও সহযোদ্ধার যাওয়া আসার মিছিল দেখেছি।দেখেছি অগনিত মেধাবী ছাত্রনেতা ঝরে যাওয়ার নিদারুণ করুন দৃশ্যও।
বাঁশখালীতে স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তিদ্বয় যতবারই হোচট খেয়েছে,যতবারই জামায়াত-বিএনপি কর্তৃক আক্রান্ত হয়েছে...?
            ঠিক ততবারই ত্রানকর্তার ভূমিকায় কেউ না কেউ সংগঠনের হাল ধরেছেন।সংগঠনের চরম দুঃসময়ে যে ক'জন নেতা ছায়া হয়ে সংগঠনের প্রয়োজনে রাজপথে নিজেদের নিঃস্বার্থভাবে বিলিয়ে দিয়েছেন,তাদের মধ্যে আলহাজ্ব আব্দুল্লাহ কবির লিটন (Abdullah Kabir liton) ভাই একমাত্র ব্যক্তি,যিনি আজ অবধি পর্যন্ত শুধু দিয়েই গেছেন।যার ত্যাগ অবদান আর  বিচক্ষণ নেতৃত্বের ফসল আজকের সুসংগঠিত এবং ঐক্যবদ্ধ বাঁশখালী উপজেলা ছাত্রলীগ তথা আওয়ামী লীগ পরিবার।আমি আমার নেতা বলে বলছি না,ত্যাগ অবদান,জনপ্রিয়তার কাতারে বাঁশখালী আওয়ামীলীগের মহানায়ক,সাবেক সাংসদ,বীর মুক্তিযুদ্ধা এ্যাড সুলতানুল কবির চৌধুরী পরবর্তী বাঁশখালী বলতেই আলহাজ্ব আব্দুল্লাহ কবির লিটন.......................।
বাঁশখালীর সমস্ত জনপদ জুড়ে যার অস্থিত্ব।

ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়,
৭০এর নির্বাচনে জাতির পিতার ডাকে সেইদিন সারা বাংলাদেশ এক সাথে সাড়া দিলেও সাতকানিয়া আর আমরাই ছিলাম (বাঁশখালী) ব্যতিক্রম। একটি তর্জনী,একটা দেশের স্বাধীনতা।একটা স্বাধীন ভূখণ্ড।
৭১এর মুক্তিযুদ্ধে ৩০লক্ষ শহীদের আত্মদান,২লক্ষ মা বোনের ইজ্জত বিনিময়ে অর্জিত লাল সবুজের পতাকাচিত স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের মাঠিতে,স্বাধীনতা পরবর্তী দীর্ঘ সময় আমরাই ছিলাম পরাধীন।হয়তো এখনো আছি!বিগত উপজেলা নির্বাচনে রাজাকার সমিতির প্যানেল-সহকারে জয়,আজ পর্যন্ত সরকারি গাড়ির তেল পুড়ে নিষিদ্ধ জামায়াতের খরচ ও রসদ জোগাচ্ছেন,উপজেলা জামায়াত আমির জহির উদ্দীন।উপজেলা পরিষদ সরকারি দপ্তর বটে।কিন্তু বাস্তবে পুরোটাই জামাতিদের হেডকোয়ার্টার।

"আব্দুল্লাহ কবির লিটন"
বাঁশখালীবাসীকে সেই পথটাই দেখিয়েছেন,যে পথে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সমন্বিত রেখে এবং জাতির পিতার আদর্শ প্রতিষ্ঠিত করা যায়।নিজেদের আত্মনির্ভরশীল জাতিতে পরিণত করা যায়।বাঁশখালী আওয়ামী লীগ তথা স্বাধীনতার স্বপক্ষের সংগঠন গুলো আজ সুসংগঠিত।ঐক্যবদ্ধ ও নৌকার বিজয়ে প্রতিশ্রুতিদ্ধ।পরিবর্তনে অঙ্গীকার বদ্ধ।
আগামী জাতীয় নির্বাচনে বাঁশখালীতে নৌকা প্রতীকের বিকল্প নেই।
আমরা বিশ্বাস  করি,
নৌকাই মুক্তির ধারকবাহক, যা প্রতিটি স্বাধীনতাকামী সচেতন নাগরিকের শিরায় উপশিরায়......
একটা আদর্শের সুত্র ধরেই ছুটে চলেছি।পিতার অমর উক্তি আজ আমাদের এতোদূর নিয়ে এসেছে।থেমে যেতে চাই না।

আমরা বুকে লালন করি,প্রতিবন্ধকতা যত বড়ই হোক,
"বাঙ্গালীকে কেউ ধাবায় রাখতে পারবে না"
বিজয় অবশ্যই আসবে,
ইনশাআল্লাহ!

জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু।

শুক্রবার, ১৯ অক্টোবর, ২০১৮

দূর্গাপুজার ব্যানার উত্তোলন করায়,মিন্টু নাথকে তার বাড়ি থেকে ধর'এনে মারধর

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গকন্যা শেখ হাসিনার ছবি সম্বলিত এই ব্যানারের প্রকৃত দৃশ্যমান কোন সমস্যা আছে কিনা ?যার গুরুতর অপরাধে কাউকে তার বাড়ি থেকে ধরে এনে মারধর করা যায়..! বাঁশখালী জামায়াত অধ্যুষিত চাম্বল এলাকায় এই ব্যানার উত্তোলন করার অপরাধে প্রিয় ছোট ভাই,মিন্টু কান্তি নাথকে তার বাড়িতে গিয়ে,তারই মা'বাবার সামনে পিটিালেন! মারধর করলেন।ব্যানার নামিয়ে ফেললেন। সমস্যা নেই..? আপনি প্রমাণ করেছেন,আপনি বড় লীগার।আপনার অনেক ক্ষমতা।আর তাই তো জামায়াত বিএনপিকে কিছু করতে পারেন না,দেখে দেখে আওয়ামী লীগ মারেন।আর এখন এদের ধর্মীয় উৎসবকে সামনে রেখে শুভেচ্ছা জানানো একটা ব্যানারের অপরাধে সংখ্যালুঘু মারা শুরু করলেন...? এতো ছোট মন মানসিকতা আপনাদের..?চক্ষুলজ্জা বলতে কিছুই তো নেই। কোথায় ছিলেন সেইদিন? যেইদিন জামায়াতের একটা ব্যানার নামাতে গিয়ে বাঁশখালী বাঁশখালী থানা'র ১০পুলিশ কর্মকর্তা লাঞ্ছিত হয়,মারধরের শিকার হয়!গুলিবিদ্ধ হয়।কি করেছিলেন সেইদিন...? আজ কি করলেন? আসলেই এখানে বঙ্গবন্ধুর ছবি সম্বলিত ব্যানার তো থাকার কথা নয়।ভেবেছিলাম স্বাধীন হয়েছে,কিন্তু এখনো দেখছি...? ধন্যবাদ আপনাকে। নতুন করে ছিনতে পারলাম।

রবিবার, ৭ অক্টোবর, ২০১৮

Times24

বঞ্চিতদের মাঠ ছাড়ার নির্দেশ

যারা আগামী নির্বাচনে মনোনয়ন পাবেন না, তাদের বার্তা দিচ্ছে আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা নিউইয়র্ক থেকে দেশে ফেরার পর, বাদ দের আগে নির্বাচনের মাঠ থেকে সরানোর নির্দেশ দিয়েছেন। আওয়ামী লীগ সভাপতি দলের সাধারণ সম্পাদককে ডেকে, যারা আগামী নির্বাচনে দলের মনোনয়ন পাবে না, তাদের নির্বাচনী প্রচারণা বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, এরা যতো প্রচারণা করবে ততোই দলে বিভক্তি সৃষ্টি হবে।ঢাকার বিভিন্ন আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী একাধিক নেতা বিশাল বিশাল বিলবোর্ড, পোস্টার লাগিয়েছেন। সংশ্লিষ্টদের অনতি বিলম্বে এসব বিলবোর্ড এবং পোষ্টার নামিয়ে ফেলার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সিটি কর্পোরেশনকে এসব ব্যানার ফেস্টুন নামিয়ে ফেলার নির্দেশ দিয়েছেন। ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘কেউ যদি সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড নিয়ে পোস্টার করে, তাহলে আপত্তি নেই। কিন্তু নৌকা মার্কার প্রার্থী হিসেবে এখনই কেউ ভোট চাইলে, তাতে বাঁধা দেয়া হবে।
আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল একাধিক সূত্র বলছে, ৩০০ আসনেই আওয়ামী লীগ তাঁর মনোনয়ন চূড়ান্ত করে ফেলেছে। এর মধ্যে ১৭৫জন প্রার্থীকে ইতিমধ্যে দলের সভাপতি ‘সবুজ সংকেত’ দিয়েছেন। যারা তাঁদের নির্বাচনী এলাকায় প্রচারণা করছেন। কিন্তু ঐ ১৭৫ আসনের অনেকগুলোতেই আওয়ামী লীগের অন্য কেউ প্রচারণা করছে। ঐ প্রার্থী যত না তাঁর পক্ষে প্রচারণা করছেন, তাঁর চেয়ে বেশী সবুজ সংকেত পাওয়া প্রার্থীর বিরুদ্ধে প্রচারণা করছেন। তাঁর দূর্নীতি, ব্যর্থতা ইত্যাদি নিয়ে কথা বলছেন। এর ফলে আওয়ামী লীগের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে। সারাদেশে মাঠ পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহকারী প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ টীম এ ব্যাপারে একটি রিপোর্ট দলীয় সভাপতির কাছে জমা দিয়েছেন।


ঐ প্রতিবেদনে দেখা যাচ্ছে, বিরোধী দলের চেয়েও কঠিন ভাষায় আওয়ামী লীগের নেতারাই একে অন্যের সমালোচনা করছেন। এজন্য যেসব আসনে প্রার্থীদের সবুজ সংকেত দেয়া হয়েছে, সেখানে আওয়ামী লীগের অন্য কেউ যেন ভোট প্রার্থনা বা প্রচারণা না করে, সেটা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এরকম অন্তত ১৩ জনকে নির্বাচনের মাঠ খালি করতে বলেছেন। ঢাকার একটি আসনে এরকম মনোনয়ন প্রত্যাশীকে বলেছেন, ‘এরপর তোমার প্রার্থী হওয়ার একটি পোস্টার দেখলে, আমি ব্যাবস্থা নেবো। একই বার্তা দেয়া হয়েছে, খুলনা, নাটোর, পাবনা, নওগাঁ, চট্টগ্রামের আসনগুলোতে। জানা গেছে, চলতি সপ্তাহেই ১৭৫ টি আসনে সব বিদ্রোহী প্রার্থীকে বসিয়ে দেওয়া হবে।



আওয়ামী লীগের সূত্রগুলো বলছে, বাকী ১২৫টি আসনে একাধিক প্রার্থী বিবেচনায় আছে। শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে বিএনপি কি করে, বিরোধী জোট কেমন হয় ইত্যাদি দেখেশুনে তারপর প্রার্থী ঘোষণা করা হবে বলে জানা গেছে। এছাড়া শরিকদের আসনগুলোও এখনো চূড়ান্ত হয়নি বলে আওয়ামী লীগের সূত্রগুলো বলছে।আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বাংলা ইনসাইডারকে বলেছেন, ‘আমাদের নেত্রী সারা দেশে পরিচালিত জরিপ থেকে মনোনয়ন মোটামুটি চূড়ান্ত করে ফেলেছেন। আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়ন চূড়ান্ত করবে মনোনয়ন কমিটি। তবে এখন থেকেই বিদ্রোহী প্রার্থী এবং দলীয় কোন্দলের ব্যাপারে আমরা কঠোর অবস্থান নিচ্ছি।’

সোমবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

বাঁচতে চায় মঈনুল,বাড়িয়ে দিন,আপনার মানবতার হাত

বাঁশখালী উপজেলা ছাত্রলীগের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের প্রতি বিনীত অনুরোধ,আপনারা সকলেই নিজ নিজ অবস্থান থেকে গুরুতর অসুস্থ সাবেক ছাত্রনেতা মঈনুল হকের পাশে দাড়ান।এটা আপনার/আমার নৈতিক দায়িত্ব ও কর্তব্য।আমি বিশ্বাস করি,বাচানোর মালিক একমাত্র আল্লাহ।

তবে মঈনুল বাচতে চায়।আমরা কি পারি না,একটা জীবন বাচাতে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসতে?আমরা কি পারি না,নিজেদের একটা দিনের দৈনন্দিন খরচের সামান্য অংশ মঈনুলের জীবন বাচাতে তার পরিবারের হাতে তুলে দিতে.......?
হয়তো,
আপনার/আমার/আমাদের/আপনাদের সামান্য প্রচেষ্টায় স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারে মঈনুল।

#মঈনুল হক চাম্বল ইউনিয়ন ছাত্রলীগ এর
সাবেক সহ সভাপতি (২০০৫),ভাগ্যের নির্মম পরিহাস, বর্তমানে মঈনুল এর দুইটা কিডনিই বিকল হয়ে গেছে, আমরা মঈনুল কে হারাতে চাইনা,আসুন যেই যেভাবে পারি,মঈনুল কে নিজেদের সর্বোচ্চ সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেই।

নিচে তাহার নিজের ব্যাংক হিসাব দেওয়া হল:

Md Moinul Hoque a/c no 188-151-53025 Dutch Bangla Bank C E P Z, Chittagong।
তার নিজের মোবাইল নং:-
01813170922 (বিকাশ)।

কাটের্সীঃ-
হোছাইন মোহাম্মদ(Hussain Muhammad)
সাংগঠনিক সম্পাদক।
চট্টগ্রাম দক্ষিণ ছাত্রলীগ।

x

শনিবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

জন্মদিন উপলক্ষে দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি তাওহীদুল ইসলাম জেকির ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ

নিজের জম্মদিন উপলক্ষ্যে চট্টগ্রাম দক্ষিণজেলা  ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি তাওহীদুল ইসলাম জেকির  জুলধা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের নিয়ে ব্যতিক্রমী কর্মসূচী পালন করেন   ।
চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি তাওহীদুল ইসলাম জেকি'র জন্মদিন উপলক্ষ্যে জুলধা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি মোঃ নুরুল হক চৌধুরীর সভাপতিত্বে ইছালে সওয়াবের উদ্দেশ্যে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে। উক্ত দোয়া মাহফিলে নাতে মোস্তফা সঃ, দরূদে মোস্তফা, ও বিশেষ মোনাজাত এ দেশবাসী ও পরিবার পরিজনের জন্য দোয়া প্রার্থনা করা হয়।
উক্ত দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন জুলধা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ মুছা, যুবলীগ নেতা ফারুক, জুলধা ছাত্রলীগের যুগ্ন সম্পাদক ইয়াছিন আহমেদ রুমেল, ছাত্রলীগ নেতা এসকান্দর হামিদ, মহিউদ্দীন, মনির, জাহিদুল হক বাবু, নুর উদ্দীন কাজল প্রমুখ।



শুক্রবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

বাঁশখালী আলাওল কলেজে প্রিন্সিপাল পদে সাবেক শিবির ক্যাডার


চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের একসময়কার কুখ্যাত শিবির ক্যাডার,বর্তমান জামায়াতের নেতা প্রফেসার আজিজুর রহমানকে বাঁশখালী সরকারী আলাওল ডিগ্রী কলেজে প্রিন্সিপাল পদে নিয়োগ বাণিজ্য করে সিনিয়র প্রফেসারের মধ্যে তিন নাম্বারে থাকা প্রফেসারকে প্রিন্সিপাল করার জোর প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
বাঁশখালী আওয়ামীলীগ,যুবলীগ ও ছাত্রলীগের প্রতি অনুরোধ প্রিয় সরকারি আলাওল ডিগ্রী কলেজকে জামায়াত-শিবিরের ঘাঁটি হওয়া থেকে রক্ষা করুন।
এই জামাতি প্রফেসারকে যদি প্রিন্সিপাল করা হয় বাঁশখাল সরকারি আলাওল কলেজ ছাত্রলীগের কি অবস্থা হবে,তা আপনারাই চিন্তা করেন।

এইভাবে কি আমরা বার বার জামাতিদের কাছে হেরে যাবো?
আমরা কি এতোই দুর্বল?এইসবের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা প্রতিটা ছাত্রলীগ ভাইয়ের ঈমানী কর্তব্য।যেই ছাত্রলীগকে নিয়ে আমরা গর্ব করি যে প্রতিষ্ঠানকে নিয়ে আমরা অহংকার করি,যে কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ছাত্রলীগের নেতৃত্বের সৃষ্টি,সেখানকার অভ্যন্তীন চিত্র যদি এমনই হয়,তাহলে বাঁশখালী আলাওল কলেজ ছাত্রলীগের কি অবস্থা হয় আপনারা বলুন।
এখনই সময়,এগিয়ে আসুন।
বাঁশখালী সরকারি আলাওল কলেজকে জামায়াত-শিবিরের হাত থেকে রক্ষার্থে সকল প্রকার গ্রুপিং চিন্তা উর্ধ্বে রেখে প্রতিবাদ করি...

জামায়াত-শিবিরের আস্তানায় পরিনত হওয়ার পূর্বে প্রিয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান 'বাঁশখালী সরকারি আলাওল কলেজকে রক্ষা করি ।

বুধবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

চট্টগ্রামের ১৬টি আসনে নৌকার প্রার্থী হচ্ছেন যারা

বিএনপিসহ ২০ দলীয় জোট একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে ধরে নিয়েই পুরোদমে নির্বাচনী মাঠে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট। দশম সংসদের মত বিএনপিজোট নির্বাচন বর্জন করবে, নাকি অংশগ্রহণ করবে সেদিকে তীক্ষ্ম দৃষ্টি রয়েছে ক্ষমতাসীনদের। এরই মধ্যে তারা গত দুই সংসদ নির্বাচনের মত শুরু করেছে ভোটের হিসাবে জোটের রাজনীতি। এবারও ঐক্যবদ্ধ ভোটের রাজনীতির আভাস মিলেছে আওয়ামী লীগের শীর্ষপর্যায় থেকে। পাশাপাশি তিন স্তরের প্রার্থী তালিকাও তৈরি করেছে আওয়ামী লীগ।
আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির নির্ভরযোগ্য সূত্র ও দলটির কেন্দ্রীয় সংসদের ঘনিষ্ঠ সূত্রের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বিএনপিজোট অংশ নিলে গত সংসদ নির্বাচনের বেশিরভাগ প্রার্থীই বহাল থাকবেন। আর বিএনপি নির্বাচন না করলে ভোটসঙ্গী জাতীয় পার্টির সঙ্গে অলিখিত সমঝোতার মাধ্যমে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করতে বিকল্প প্রার্থী-তালিকা তৈরি করেছে আওয়ামী লীগ। পাশাপাশি গতবারের মত মহাজোটগত নির্বাচন হলেও প্রাথমিকভাবে তিনশ’ আসনেই নিজেদের প্রার্থী ঘোষণা করবে আওয়ামী লীগ।
পরে অবশ্য জোটের স্বার্থে সেখান থেকে নিজেদের প্রার্থীকে প্রত্যাহার করে নেবে দলটি অর্থাৎ এসব প্রার্থী হলেন আওয়ামী লীগের ডামি প্রার্থী। তবে মূল প্রার্থী তালিকায় চূড়ান্তভাবে তালিকাভুক্ত করা আছে মহাজোটগত নির্বাচনের প্রার্থী তালিকা আর বিএনপিবিহীন জাতীয় পার্টির সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারীদের দুটি তালিকা। তৃতীয় তালিকাটি আওয়ামী লীগের ডামি প্রার্থীর তালিকা। গত সংসদ নির্বাচনে মহাজোট গত নির্বাচনের কারণে বেশ কয়েকজন ডামি প্রার্থীকে সরে যেতে হয়েছিল। মূলত এই তিনটি প্রার্থী তালিকাকে সামনে নিয়েই নির্বাচনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে আওয়ামী লীগ।
এবার প্রার্থী নির্ধারণে বেশ কিছু বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ করেছে দলটির শীর্ষ নেতৃত্ব ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটি। প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে প্রাধান্য পাবে বর্তমান সংসদ সদস্য, ভোটের রাজনীতিতে জনপ্রিয়তা, অতীত ভালোমন্দ, তৃণমূলের সঙ্গে সর্ম্পকের ধরন, নির্বাচনী খরচ জোগানের ক্ষমতা, তিনটি সরকারি গোয়েন্দা সংস্থার জরিপ ও দলের নিজস্ব উইংয়ের মাধ্যমে জরিপের পর সর্বোপরি দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে সু-সম্পর্কের বিষয়টি।
এদিকে, চট্টগ্রামের ১৬ আসনে বর্তমানে দুটিতে জাতীয় পার্টি, একটিতে জাসদ ও একটি তরিকত ফেডারেশনের এমপিরা সংসদে প্রতিনিধিত্ব করছেন। আর বাকী ১২টিতে প্রতিনিধিত্ব করছেন আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্যরা।
তবে এবার মনোনয়নের ক্ষেত্রে চট্টগ্রামভিত্তিক একটি শিল্পগ্রুপ অন্তত চারটি আসনে ভূমিকা রাখবে। ইতোমধ্যে ওই গ্রুপের সঙ্গে সুসম্পর্ক থাকার কারণে তিনটি আসনে আওয়ামী লীগের বর্তমান প্রার্থীরা অনেকটা নির্ভার। অন্যদিকে দক্ষিণ চট্টগ্রামের বাঁশখালী আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী পরিবর্তনের আভাস মিলেছে। নাটকীয় সিদ্ধান্ত না হলে বন্দর আসনেও বর্তমান এমপির প্রার্থিতা বহাল থাকবে। সব মিলিয়ে চট্টগ্রামের ১৬ আসনে এবার ১৫ আসনেই প্রার্থী বহাল থাকলেও বাঁশখালী আসনে নতুন মুখ আসতে পারে। এরপরও অন্যান্য আসনেও মনোনয়নের জন্য মাঠে কাজ করে যাচ্ছেন প্রবীণ ও নবীন আওয়ামী লীগের নেতারা।
চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসনে বর্তমান সংসদ সদস্য গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন। এবারও তাঁর মনোনয়নের বিষয়টি অনেকটা নিশ্চিত। এরপরও বিকল্প তালিকায় নাম রয়েছে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি গিয়াস উদ্দিন। আর নতুন মুখ হিসেবে সামাজিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে আলোচনায় রয়েছেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ কমিটির সদস্য ও তরুণ শিল্পোদ্যাক্তা নিয়াজ মোর্শেদ এলিট।
চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে এবারও নিশ্চিত ১৪ দলের অন্যতম নেতা বর্তমান সংসদ সদস্য তরিকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান মাওলানা নজিবুল বশর মাইজভাণ্ডারী। আর বিকল্প তালিকায় আছেন গতবারের প্রার্থিতা প্রত্যাহারকারী সাবেক এমপি প্রয়াত রফিকুল আনোয়ারের কন্যা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগ সদস্য খাদিজাতুল আনোয়ার সানি। আলোচনায় আছেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও ২০০৮-এর আওয়ামী লীগ প্রার্থী এটিএম পেয়ারুল ইসলাম।
চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) আসনে আওয়ামী লীগের বর্তমান সংসদ সদস্য দ্বীপবন্ধু সাবেক সাংসদ মোস্তাফিজুর রহমানের সন্তান মাহফুজুর রহমান মিতা। এবারও তাঁর প্রার্থিতা অনেকটা নিশ্চিত।
চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড) আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য সাবেক মেয়র মনজুরুল আলমের ভাতিজা শিল্পপতি মো. দিদারুল আলম। নানা হিসাব-নিকাশ ও সরকারের শীর্ষপর্যায়ে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ এবং সীতাকুণ্ডের সাংসদ হিসেবে অনেকটা বিতর্কের উর্ধ্বে থাকতে পারায় এবারও দিদারুল আলমের হাতে উঠবে নৌকার টিকিট। তবে আলোচনায় আছেন প্রাক্তন সাংসদ আবুল কাশেম মাস্টারের বড় ছেলে সীতাকুণ্ড উপজেলা চেয়ারম্যান ও উত্তর জেলা যুবলীগের সভাপতি আবদুল্লাহ আল মামুন।
চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী) জোটের ভোটসঙ্গী জাতীয় পার্টির কারণে এবারও এই আসনটি ছেড়ে দিতে হবে জাতীয় পার্টির শীর্ষ নেতা বর্তমান সংসদ সদস্য ও পরিবেশমন্ত্রী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদের কাছে। বিকল্প প্রার্থীর তালিকায় আছেন উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এম এ সালাম। আলোচনায় আছেন গতবারের প্রার্থিতা প্রত্যাহারকারী উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক ইউনূস গণি চৌধুরী।
চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসনে টানা তিন বার আওয়ামী লীগের বর্তমান সংসদ সদস্য ও রেলপথ মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির সভাপতি, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী এবারো অপ্রতিদ্বন্দ্বী। তবে মনোনয়ন চেয়ে নিজেকে আলোচনায় রেখেছেন ছাত্রলীগের সাবেক সেক্রেটারি মাহফুজুল হায়দার রোটন।
চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া ও বোয়ালখালীর শ্রীপুর-খরণদ্বীপ ইউনিয়ন) আসনে টানা দুবারের সংসদ সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদের এবারো অপ্রতিদ্বন্দ্বী। তিনি মনোনয়ন পাচ্ছেন তা নিশ্চিত।
চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী-চান্দগাঁও) আসনেও গত দুই বারের সংসদ সদস্য জাসদের মইন উদ্দিন খান বাদলের এবারের প্রার্থিতা নিশ্চিত। জাতীয় রাজনীতি ও সংসদে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার কারণে তার উপরই আস্থা মহাজোট নেত্রীর। এরপরও বিকল্প প্রার্থী তালিকায় রয়েছেন সিডিএ চেয়ারম্যান আব্দুচ ছালাম ও দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোসলেম উদ্দিন আহমেদ। তবে গত দুবার আবদুচ ছালাম আওয়ামী লীগের প্রাথমিক মনোনয়ন পেলেও বাদলের কাছে প্রার্থিতা ছেড়ে দিয়েছিলেন কেন্দ্রের নির্দেশে।
নগরীর প্রেস্টিজিয়াস আসন খ্যাত চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালী-বাকলিয়া) আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম মেম্বার জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু। জোটের হিসেবে ভোটসঙ্গী জাপার হেভিওয়েট প্রার্থী বাবলুর প্রার্থিতাও অনেকটা নিশ্চিত। তবে এ আসনে বিকল্প প্রার্থী হিসেবে আছেন প্রয়াত মহিউদ্দিন চৌধুরীর সন্তান আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, ২০০৮ এর এমপি এবং বর্তমান প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী নুরুল ইসলাম বি.এসসি ও সিডিএ চেয়ারম্যান আবদুচ ছালামও।
চট্টগ্রাম-১০ (ডবলমুরিং-হালিশহর) এই আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য নগর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি ও সাবেক গণশিক্ষামন্ত্রী ডা. আফছারুল আমীন। নানান প্রার্থীর ভিড়ে ভোটের রাজনীতিতে এখনো অপ্রতিদ্বন্দ্বী আফছারুল। সেই হিসেবে তাঁর হাতেই থাকছে আগামী নির্বাচনে নৌকার টিকিট। তবে বিকল্প প্রার্থী হিসেবে আছেন আওয়ামী লীগ নেতা মরহুম এম এ আজিজের ছেলে সাইফুদ্দিন খালেদ বাহার। আলোচনায় আছেন সাবেক মেয়র মনজুরুল আলমও।
চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা) আসনে গত দুই বারের সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন আলোচিত-সমালোচিত ব্যবসায়ী নেতা আওয়ামী লীগের এম এ লতিফ। তবে নানা কারণে তাঁর মনোনয়ন-বঞ্চনার খবর প্রকাশ হলেও নানা সমীকরণে এবারও নৌকার টিকিট নিজের দখলে রাখতে পারেন এম এ লতিফ। তবে বিকল্প হিসেবে জোর আলোচনায় আছেন নগর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি তৃণমূল থেকে উঠে আসা খোরশেদুল আলম সুজন। আলোচনায় আছেন চট্টগ্রাাম চেম্বারের শীর্ষ এক নেতাও।
চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) গত দুবারের আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য শামশুল হক চৌধুরী এবারও নিজের মনোনয়ন নিশ্চিত করেছেন। পটিয়ায় সরকারের হাজার হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন ও জনপ্রিয়তার ওপর ভর করে শামসুল হক চৌধুরী টানা তৃতীয়বারের মত পটিয়ায় নৌকার প্রার্থী হচ্ছেন। তবে বিকল্প প্রার্থী হিসেবে আছেন এস আলম গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ লাভু।
চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী) আসনের বর্তমান এমপি আওয়ামী লীগের প্রয়াত প্রেসিডিয়াম সদস্য আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবুর সন্তান সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ। ভূমি প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনকারী জাবেদ গত দুবারের মত এবারও নৌকার টিকিটে নির্বাচন করবেন সেটা অনেকটা নিশ্চিত। তবে বিকল্প প্রার্থী হিসেবে আছেন বর্তমান সংরক্ষিত আসনের এমপি আওয়ামী লীগের আরেক প্রেসিডিয়াম সদস্য প্রয়াত আতাউর রহমান খান কায়সারের কন্যা ওয়াশেকা আয়েশা খান।
চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ) বর্তমান সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম চৌধুরীকে এবারও নৌকার টিকিট দিচ্ছেন দলের শীর্ষ নেতৃত্ব ভোটের রাজনীতি ও গত পাঁচ বছরে এলাকায় কোনো নেতিবাচক কর্মকা- না থাকার কারণে ব্যাপক জনপ্রিয়তা বাড়িয়েছেন নিজ কর্মগুণে প্রবীণ এ নেতা। সে কারণে তিনিই হচ্ছেন চন্দনাইশের নৌকার একক প্রার্থী।
চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) প্রথমবারের মত জামায়াতবিহীন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের টিকিটে নির্বাচন করে ফসল ঘরে তুলে নৌকায় চড়ে সংসদে যান প্রফেসর ড. আবু রেজা মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন নদভী। আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগের উপ প্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমীন, ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মাঈনুদ্দীন হাসান চৌধুরী, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আবু সুফিয়ান, বনফুল গ্রুপের কর্ণধার এম এ মোতালেবসহ অনেকে মনোনয়ন প্রত্যাশা করলেও কৌশলগত কারণে জামায়াতের ভোট-ব্যাংক হিসেবে পরিচিত এই আসনে আবারও নদভীকে নৌকার টিকিট দিতে যাচ্ছেন আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃত্ব।
চট্টগ্রাম-১৬ (বাশঁখালী) আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী। কিন্তু নির্বাচিত হবার পর থেকে নানা বির্তকের জন্ম দেওয়ায় চূড়ান্তভাবে মনোনয়ন-তালিকা থেকে বাদ পড়তে যাচ্ছেন তিনি। এ আসন থেকে নতুন মুখ হিসেবে আসতে পারেন এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান সাইফুল আলম মাসুদের ঘনিষ্ঠ আত্মীয় আব্দুল্লাহ কবির লিটন। বাঁশখালীর গ-ামারায় এস আলম গ্রুপের কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের সময় গ্রামবাসীর সঙ্গে পুলিশের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের সময় এলাকায় ছিলেন না বর্তমান সাংসদ। প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে দুপক্ষের সঙ্গে ফয়সালা করেছিলেন লিটন। এছাড়া গণভবনের ঘনিষ্ঠ এস আলম গ্রুপও চায় আব্দুল্লাহ কবির লিটনই হোক বাঁশখালীর নৌকার প্রার্থী। তবে ভোটসঙ্গী জাতীয় পার্টির মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী যদি জোটগত নির্বাচন করেন তাহলে সেখানে লিটনের কপাল পুড়তে পারে।himel001


শনিবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

দম্ভ গৌরব অহংকারহীন জীবনের সারাংশ

বল
তে গেলে সোনার চামচ মুখে নিয়ে জন্মেছেন, বিদেশ থেকে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হয়েছেন, দেশের ধর্ণাঢ্য শিল্পপতি, দেশের অন্যতম শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতাও,  দেশের বহুল পরিচিত অন্যতম রাজনৈতিক পরিবারের সন্তানও বটে,

কিন্তু তাঁর বচন ভঙ্গি সৌজন্যতায় যেন একজন সাধারণ মানুষের মতোই ৷ দেশের অনেক নেতারাই যখন নেতৃত্ব পাওয়ার পর সাধারণ মানুষকে ভুলে যান, জনগনের সাথে যোগাযোগ রাখেনও না তিনি ঠিক তাঁর বিপরীতেই, নেতৃত্ব পাওয়ার পর নেতৃত্বের  সুষম বিকাশ তথা জনগনের অর্পিত ওয়াদা রক্ষায় ঢাকার দাপ্তরিক কাজ শেষ করে সপ্তাহের প্রতি শুক্র ও শনি দুদিন পৌছে যান জনগনের দোড়গোড়ায় ৷ উনি উনার সংসদীয় আসনের বিভিন্ন ইউনিয়নের যেকোন একটি মসজিদে নিয়মিত ধারাবাহিকভাবে জুমার নামাজ আদায় করেন ৷ দল মত ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকলের সাথে কুশল বিনিময় করেন , বিভিন্ন সমস্যার কথা শুনে দ্রুত তা সমাধানের আপ্রাণ চেষ্টা করেন ৷ শুধু তাই নয় প্রতি শুক্রবার এবং শনিবার সন্ধ্যা থেকে মধ্যরাত অবধি তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে সময় কাটান ৷ এবং তিনি দল মত নির্বিশেষে সকলের জন্য তাঁর দুয়ার খোলা ঘোষনা দিয়েছিলেন সে প্রতিশ্রুতি মোতাবেক দল মত নির্বিশেষে যেকোন মানুষের সমস্যা অভিযোগ সরারসি শুনেন এবং সমস্যা সমাধানে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করেন ৷ অপরাধের ক্ষেত্রে অপরাধী যেই হোক এমনকি নিজ দলের কেউ অপরাধ করলে তাকেও ন্যূনতম ছাড় দেননা তিনি বরং কঠোর ব্যাবস্থা গ্রহন করে থাকেন ৷
মন্ত্রী হিসেবে রাষ্ট্র কর্তৃক প্রদত্ত বেতন বাড়ি গাড়ি সহ বিভিন্ন ধরনের সুযোগ সুবিধা তিনি গ্রহন করেন না বরং নিজ তহবিল থেকে নীরবে অনেক মানুষকে সাহায্য সহযোগিতা করে যাচ্ছেন যা অগণিত ৷
উনার ছবিটি আজকের, চাতরী জুমার নামাজের জন্য মসজিদে প্রবেশের পূর্বে মসজিদের বারান্দার সিড়িতে বসে এলাকার মানুষের সাথে কথা বার্তা বলছিলেন যাতে তিনি মন্ত্রী কিংবা শিল্পপতির দম্ভ নিয়ে সিড়িতে বসতেও সংকোচ বোধ করেননি ৷ এটাই নেতৃত্বের সর্বোচ্চ গুণাবলী যিনি নিজেকে সাধারণের কাতারে ভাবতে পছন্দ করেন ৷
যার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে হাজার হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন কার্যক্রমে অানোয়ারা - কর্ণফুলী উপজেলাদ্বয় দেশের অন্যতম মডার্ণ উপজেলায় রুপান্তরিত হচ্ছে ৷

তিনি আর কেউ নন, তিনি মহান মু্ক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রাক্তন প্রেসিডিয়াম সদস্য, স্বাধীন বাংলাদেশের অন্যতম শিল্পদ্যোক্তা, ইউসিবির প্রতিষ্ঠাতা, আন্তর্জাতিক ব্যবসায়ী নেতা, বিজ্ঞ সাংসদ, চট্টল সিংহ  মরহুম জননেতা আলহাজ্ব আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবু'র সুযোগ্য উত্তরসূরী বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক সদস্য, মাননীয় ভূমি প্রতিমন্ত্রী জননেতা আলহাজ্ব সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ এমপি মহোদয়।

এমন নির্লোভ নিরহংকার গণমানুষের আস্থার প্রতীক জননেতা আলহাজ্ব সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ ভাইকে পূনঃরায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার মন্ত্রী সভার পূর্ণ সদস্য হিসেবে দেখতে আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে ভোট দিন ৷

মার্কা নৌকা
সিদ্ধান্ত আপনার!

কপি: H M Humayun Kabir

times24

দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে বাঁশখালীতে আওয়ামীলীগের প্রতিবাদ সমাবেশ

দেশবিরোধী চক্রান্ত – ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে  কালীপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, তাঁতিলীগ,শ্রমিক লীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠন...