বুধবার, ২২ মে, ২০১৯

পরিবহন ভাড়া এমনই,যা একবার বাড়লে আর কমেনা

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদ, ছাত্রনেতা হোছাইন মোহাম্মদ এর টাইমলাইন থেকে
   
 বিশ্বাস করেন,কিংবা না-ই করেন,এটাই কিন্তু অবিশ্বাস্য হলেও সত্য যে,আমাদের দেশে যেকোনো অজুহাতে/যেকোন উপায়ে যদি একবার পরিবহন ভাড়া বৃদ্ধি করা যায়,তাহলে তা আর সহজে কমানো যায় না।পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের একটা আন্দোলন মানে,একদফা ভাড়া বৃদ্ধি।একটা অজুহাত মানে,দ্বিগুণ ভাড়া বৃদ্ধি।জ্বালানি তৈল আর গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি মানে,আরেকদফা নতুন আন্দোলনের নবসূচনা।
           আর পেক্ষাপট যদি হয় বাঁশখালী,তাহলে তো কথাই নেই।চট্টগ্রাম সংসদীয় আসন ১৬(বাঁশখালী) এমন একটি উপজেলার নাম,যে উপজেলা'টির সামগ্রিক উন্নয়ন' বাংলাদেশের যেকোন উপজেলার চেয়ে আজ পর্যন্ত শতগুণ পিছিয়ে।সবুজ শ্যামল প্রকৃতির লীলাভূমি প্রিয় বাঁশখালীর পশ্চিমাঞ্চল নদনদী বেষ্টিত হলেও,পূর্বদিক বরাবরই প্রকৃতির অপরুপ সৌন্দর্যে ডাকা প্রিয় বাঁশখালীর মোট আয়তন ৩৭৬.৯কি.মি,আর সর্বমোট জনসংখ্যা ৪লক্ষের উপরে।
         যদিও বাঁশখালীর প্রধান সড়ক ইতিবাচক ভূমিকায় অন্য যেকোনো উপজেলার চেয়ে অনেকাংশে ব্যতিক্রম।যেখানে নেই কোন অযাচিত টার্নিং পয়েন্ট,নেই আঁকাবাকা কোন সরুপথ।আছে পুকুরিয়া থেকে পুঁইছুড়ী পর্যন্ত একই ধারায় সমন্বয়ের বিরল দৃষ্টান্ত।
অথচ বাঁশখালীর বর্তমান পরিবহন ভাড়া যেন নীরবে ভেঙেছে অতীতের সমস্ত রেকর্ড।যেখানে কারনে-অকারনে ভাড়ার বৃদ্ধির দৃশ্যটাই কেবল সবাই দেখেছে,কিন্তু ভাড়া কমানোর দৃশ্য আজ অবধি কেউ দেখেছে বলে আমার জানা নেই।
সত্য এটাই যে,
এখানে এমনও একটা সময় ছিলো,যে সময়ে বাঁশখালীর প্রধান সড়ক ছিলো অনেকটা ব্যবহার অনুপযোগী,যানবাহন ছিলো প্রয়োজনের চেয়ে অতীব নগন্য।কিন্তু বাড়া ছিলো বরাবরই নাগালের মধ্যে সীমাবদ্ধ।তাছাড়া এমন একটা সময় আমরাও উপভোগ করেছি,যে সময়ে বাঁশখালীস্থ পৌরসদর থেকে চট্টগ্রামে যাতায়াত ভাড়া ছিলো মাত্র ২৫/৩০ টাকাতে সীমাবদ্ধ।হয়তো যাতায়াত সময় লাগতো ৩ঘন্টারও অধিক,কিন্তু যানবাহন ছিলো চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল.......................
   কিন্তু আজ বাঁশখালীর প্রধান সড়কের মান বেড়েছে বহুগুণ,যানবাহন বেড়েছে কম হলেও ১০গুন,বেড়েছে জনসংখ্যা,আছে তৈল আর গ্যাসের তুলনামূলক স্থিতিশীলতা।কিন্তু ভাড়ার বাজারে এখনো সেই পূর্বের ন্যায় উত্তপ্ত।সত্যি বলতে বাঁশখালীর যাতায়াত ভাড়ার এরূপ বেহাল অবস্থার কারন জানতে আজ আমারও বড্ড বেশি মন চাই।যদিও বৃহস্পতিবার আর শুক্রবার বাঁশখালীতে কিসের আয়োজন হয়,তা আজও জানতে পারিনি,জানতে পারিনি এদিনে কেন ৫০টাকার ভাড়া ১০০টাকা,১০০টাকার ভাড়া ৫০০টাকা হয় .?
বাঁশখালী পরিবহন মালিক সমিতি কর্তাবাবুরা যদি এর রহস্য উন্মোচন করেন,তাহলে তাদের সাথে সাথে আমরাও কিছুটা উপকৃত হই।

বাঁশখালীর যানবাহন মালিক সমিতির প্রতি বিনীত অনুরোধ,আশাকরি এইবার অন্তত জানিয়ে দিবেন,আপনাদের মনগড়া ভাড়া আদায়ের আসল রহস্যটা কোথায়! কেন আপনারা ভাড়া আদায়ের ক্ষেত্রে কোন ধরনের নিয়ম নীতির তোয়াক্কা করেন না।কোন নিয়ামক প্রভাবে আপনারা এরূপ মাত্রাতিরিক্ত অনিয়মে ডুবে আছেন?
             কেন বা আপনারা বাঁশখালীর সাধারণ মানুষদের অধিকার নিয়ে প্রতিনিয়ত তামাশার জম্ম দিচ্ছেন....?
যাইহোক,সময় এসেছে,হয় এইসব রহস্যময় অজানা প্রশ্নের উত্তর দিবেন,না'হয় যাতায়াত ভাড়া পরিমাণ নিদিষ্ট করবেন।অন্যথায় দাবি আদায়ের জন্য অচিরেই রাস্তায় নামবে বাঁশখালীর সাধারণ জনগণ।
[Just wait & see]

✔বাঁশখালীর পরিবহন ভাড়া নিদিষ্ট করা হউক।
✔বৃহস্পতিবার কিংবা শুক্রবার নয়,সব-বারের জন্য ভাড়া চাই।
✔ফিটনেস-বিহীন যানবাহন প্রধান সড়কে নিষিদ্ধ করা হউক।
✔ড্রাইভারদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হউক।
✔অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের নামে যাত্রী হয়রানি বন্ধ করা হউক।

সোমবার, ১৩ মে, ২০১৯

[লিটন ভাইয়ের বিকল্প কেবল লিটন ভাই]

দেশি-বিদেশী বহু ষড়যন্ত্রকে প্রতিহত করে বিশ্বদরবারে বাংলাদেশকে অনন্য মর্যাদায় অধিষ্টিত করা,বিশ্বমানবতার জননী বঙ্গকন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান আওয়ামীলীগ সরকারের সার্বিক উন্নয়নে প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষ প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টকারীরাও যখন সংগঠনের পাহাড় সমান পদ-পদবীতে আসিন হয়,তখন তাদের নৌকা কিনে মাঝি হওয়ার স্বপ্ন দেখাটা দোষের নয়।(যদি উন্নয়নের প্রতীকটি-কে পণ্য হিসেবে বিবেচিত হয়)///

সবকিছুর পর'ও বাস্তব সত্য বলতে,
কষ্ট হয়,জাতির পিতার হাতেগড়া স্বাধীনতার স্বপক্ষের একমাত্র সংগঠনটির সাংগঠনিক গতিশীলতা দেখে। আমরা সাধারন কর্মী,অসাধারণ কিছু বলা-টা বরাবরই বেমানান।
(বাঁশখালীঃ)
সংসদীয় আসন ১৬,যেটি স্বদেশের জন্মলগ্ন থেকে আজ অবধি পর্যন্ত কারনে-অকারনে সমালোচিত, আলোচিত, থেমে থেমে খবরের শিরোনাম। কমবেশি সকলের অগোচরে,তবু আলোচনার প্রসঙ্গতায়............
যেমন,
★৭০এর নির্বাচনে জাতির পিতা নৌকা প্রতীকে যে দুটি আসনে বিজয় বঞ্চিত হয়েছেন,তারমধ্যে বাঁশখালী অন্যতম,যদিও অপর উপজেলাটি সাতকানিয়া।
★জাতির পিতা হত্যার ১ম প্রতিবাদকারী বাঁশখালীর সন্তান হওয়ায় তার তিনি মৃত্যুর পরও অবহেলিত।
★জাতীয় নির্বাচন বলতে বিএনপি প্রার্থীর পরপর ৪বার জয়লাভ,যদিও আওয়ামীলীগের অভ্যন্তরীণ কোন্দলে রাজপথ সদা উত্তার্প্ত।
★সাম্প্রতিক সময় তথা বিগত উপজেলা নির্বাচনে প্যানেল সহকারে জামাতের জয়লাভ,কিংবা জামাতপ্রেমে মগ্ন হয়ে জামাতিদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলায় ৯৮জন আ'লীগ,যুবলীগ, ছাত্রলীগের নাম অন্তভূক্তিকরন।
যেখানে সাঈদী প্রেমে মাতাল হয়ে মানুষ হত্যাসহ অফিস আদালত জ্বালিয়ে দেওয়ার তালিকাভুক্ত জামাত-শিবির ও বিএনপির ক্যাডারদের সংখ্যা কিন্তু নেহাত কম নয়,আছে ২৫০০হাজারের উপরে।
গ্রেফতার বলতে......০০০!
(প্রসঙ্গ ২৮ফ্রেবুয়ারি)।

সময়ের পরিবর্তন ঘটেছে,ডিজিটালের ছোয়ায় স্বদেশের বিপরীতে পরিবর্তিত হয়েছে দলের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড।
দূসময়ের আওয়ামী কর্মীরা অবহেলার মাত্রাতিরিক্ততায় যেখানে সংগঠন বিমুখ।
সেখানে অতিথিরাই আসছেন ঘর-পরিচালনার দায়িত্বে। কেউ কেউ প্রহর গুনছেন নৌকা কেনে মাঝি হওয়ার।

কোথায় কেমন তা জানিনা,
বাঁশখালী আওয়ামীলীগের বর্তমান চিত্র ইতিহাস গড়ার মতো। ১৮/২০বছরের বিপরীতেও মেয়াদ উর্ত্তিন্ন না হওয়া বাঁশখালী আওয়ামীলীগের কর্তাবাবুরা আওয়ামীলীগকে ব্যবহার করেছেন নিজেদের পৈতৃক সম্পর্তি রূপে।
আধিপত্য বিস্তার করতে গিয়ে কেউ কেউ জামাতের সমযোতায় আওয়ামীলীগ,যুবলীগ, ছাত্রলীগ নিধনে পার করেছেন ব্যস্ত সময়।
তবু একটি আদর্শকে বুকে ধারন করে হাজার হাজার মাঠকর্মী আজো স্বপ্ন দেখেন,সংগঠনের চরম বিপর্যয়ে হাল ধরা জাতির পিতার যোগ্য উত্তোসুরিদের ঐতিহাসিক সব নজির দেখে।

আলহাজ্ব Abdullah Kabir Liton কেবল একটি ব্যক্তিই নন,বলতে পারেন একটি প্রতিষ্টান,যে প্রতিষ্টান হাজার হাজার অবহেলিত তৃনমূল নেতাকর্মীদের এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা জোগিয়েছেন।
বঙ্গকন্যার ডাকে সাড়া দিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে জামাত-বিএনপির নৈরাজ্য প্রতিহত করেছেন রাজপথে। নিজ স্বার্থ নয়,দলীয় স্বার্থে বিলিয়ে দিয়েছেন নিজেকে।
দলের জন্য ত্যাগ, কর্মীর প্রয়োজনে এগিয়ে আসা,জনগনের প্রতি অকৃত্রিম ভালবাসার স্বীকতি জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায়' গত ৫জানুয়ারি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের স্তম্ব সৈয়দ আশরাফ ভাই নিজ মুখে ঘোষনা করেছিলেন। পরবর্তীতে বৃহৎ স্বার্থে নেত্রীর আদেশকে মাথা পেতে নেওয়া,কিংবা মধু মিয়ার পাতানো ফাঁদ ভণ্ডুল হওয়ায়,
হাতছানি দেওয়া সুবর্ণ সুযোগকে এড়িয়ে গিয়ে প্রিয় নেত্রীর সিন্ধার্ন্ত ও সাংগঠনিক দিক নির্দেশনা মোতাবেক আজ পর্যন্ত বাঁশখালী-বাসীর সুখেদুঃখে পাশে থেকেছেন,সেই প্রিয় বিচক্ষণ ব্যক্তি আলহাজ্ব আব্দুল্লাহ কবির লিটন ভাইয়ের হাত ধরেই পরিবর্তিত হউক অবহেলিত বাঁশখালীর জনপথ ।
এই যেন বাঁশখালীর প্রতিটি সচেতন ব্যক্তির অব্যক্ত উক্তি।
তবু কিছু বৈরি হাওয়ায় বিভ্রান্তকর চিত্র দেখে হাসি পায়,যেখানে পৈতৃক সম্পর্তি ন্যায় আ'লীগ বিক্রি করেছে,কেউ আবার বিভিন্ন পন্থায় জামায়াত কে  রাস্তায় প্রতিষ্টটিত করেছেন।
যেখানেও আবার কারো অবদান অর্থ , কারো আবার শ্রম।
কাজেই দলের এজকন ক্ষুদ্রর কর্মী হিসেবে আমাদের প্রাণের দাবী,যে বা যারা বাঁশখালীতে কৌশলে জামাতিদের প্রতিষ্টিত করেছে,যারা সংগঠন বিক্রি করে,সংগঠনের নিয়ম নীতি বিরোধী কার্যকলাপ লিপ্ত থেকে,সংগঠনের নেতাকর্মী দের মামলা হামলায় জর্জরিত করেছে,য়ারা প্রাপ্ত ক্ষমতার অপব্যবহার করেছে,তাদের হাতে,উন্নয়নের প্রতীক,আমাদের স্বাধীনতার প্রতীক নৌকা তুলে দিবেন না।
যারা পণ্যের ন্যায় নৌকা কিনতে চায়, তারা নৌকা নয়,সময়কে ভালবাসে,নিজের স্বার্থ ভালবাসে।
এখন আওয়ামীলীগ এর সময় ভালো,তাই তারা নৌকাকে ভালবাসে।
যাদের বিচরণে আওয়ামীলীগ বেঁচেছে,যাদের পাহারায় সংগঠন জেগেছে,যার বিচক্ষণ নেতৃত্বে বাঁশখালীর মুজিব পরিবার ঐক্যবদ্ধ হয়েছে,সেই আলোকিত পথপ্রদর্শক আলহাজ্ব  abdullah kabir liton এমন একজন ব্যক্তি,যিনি অবদান  বঙ্গপিতার নৌকার মাঝি হওয়ার সার্বিক যোগ্যতা রাখে।

জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু

times24

দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে বাঁশখালীতে আওয়ামীলীগের প্রতিবাদ সমাবেশ

দেশবিরোধী চক্রান্ত – ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে  কালীপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, তাঁতিলীগ,শ্রমিক লীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠন...