মঙ্গলবার, ১৩ নভেম্বর, ২০১৮

"চট্টল বীরের এই মুজিবকোট-ই হোক আপনার অনুপ্রেরনার উৎস" 🚧🚧🚧🚧🚧🚧🚧🚧🚧🚧🚧


🇧🇩ইতিহাস,ঐতিহ্য,ত্যাগ,অবদানে,দেশ ও জনগণের স্বার্থ সংরক্ষণের গৌরবময় পথপ্রদর্শক হিসেবে সর্বজন স্বীকৃত মহান স্বাধীনতার স্বপক্ষের একমাত্র সংগঠন বাংলাদেশ আ'লীগ।জাতির পিতার বিচক্ষণ নেতৃত্ব আর সহযোদ্ধা/সহচরদের সহোদর সহিত ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় অর্জিত লাল সবুজের পতাকা,বাঙ্গালি জাতির ইতিহাস,ঐতিহ্য আর দেশপ্রেমের পরিচয় বহন করে।
১৯৭১সালে জাতির পিতার নির্দেশে,পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙ্গে স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় নিজদের জীবন উৎসর্গ/বাজী রাখা বীরদ্বয় বাংলা মায়ের শ্রেষ্ঠ সন্তান।যাদের #রাজনৈতিক_জীবনাদর্শই হলো দেশ ও দেশের জনগনের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট অধিকার প্রতিষ্টায় বীরত্বের মহাকাব্য।

বাংলাদেশের স্থপতি,হাজার বছরের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালি,জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের  রাজনৈতিক সহচর /সহযোদ্ধারা স্বদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের রাজসাক্ষী।যারা অবধি রাজনীতির সর্বজন স্বীকৃত জীবন্ত কিংবদন্তী।আদর্শিক রাজনীতির শিক্ষক।
সুঃদীর্ঘ ৯মাস রক্তক্ষয়ী সশস্ত্র সংগ্রামের মধ্য দিয়ে অর্জিত বিজয়' আজ সময়ের পরিক্রমায় ৪৬বছরে পদার্পণ করলো বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ।জায়গা করে নিয়েছে,অনুন্নত দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিশ্বের সবচেয়ে সম্ভাবনাময় দেশ সমুহের ১ম সারিতেই..............

#ডিসেম্বর!
বাঙ্গালি জাতির বিজয়ের মাস। ৩০লক্ষ শহীদের আত্মাহুতি আর ২লক্ষ মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে পাওয়া অর্জিত বিজয়,২০১৭সালেই যেন শোকাচ্ছন্নে পরিনত হলো,৭১এর বীর সেনানী প্রিয় চট্টল-বীরের চিরবিদায়ের মধ্য দিয়ে।
আওয়ামী রাজনীতির কিংবদন্তী,জনকের ঘনিষ্ঠ সহচরের চিরবিদায় চোখের জলে ভাসালো বার আউলিয়ার চারণভূমি বীর চট্টলার সর্বস্তরের জনতাকে।
শোকাচ্ছন্ন বিজয়কে শক্তিতে পরিনত করে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে চট্টগ্রামের সবকটি আসনই নৌকার বিজয় উপহার দিতে আমরা ঐক্যবদ্ধ,অঙ্গীকারবদ্ধ,প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

(বাঁশখালীঃ)
✏সংসদীয় আসনঃ-১৬,
হেলায়-অবহেলায় অবহেলিত বাঁশখালীর জনপদের উন্নয়নের সার্বিক চিত্রটি যেমনই হোক,কিন্তু সংগঠনের সাংগঠনিক অবস্থা যেন একবারেই ব্যতিক্রম।জম্ম-ইতিহাস যেন তার'ও ব্যতিক্রম।নানানবিধ প্রতিকূলতা,আর ধারাবাহিক প্রতিবন্ধকতাকে জয় করে,বাঁশখালীর তৃনমূল আ'লীগ,যুবলীগ,ছাত্রলীগকে স-ুসংগঠিত করা আলহাজ্ব Abdullah Kabir Liton ভাইয়ের বিচক্ষণ নেতৃত্ব,
"বাঁশখালীর তৃনমূল আ'লীগকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন অনন্য মর্যাদায়"

জামায়াত বিএনপি অধ্যুষিত বাঁশখালী' সার্বভৌম আর স্বাধীনতার পূর্ণ আত্মতৃপ্তি পেয়েছে মহান মুক্তিযুদ্ধের ৩৫বছর পর।বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ দুই(২) রাজনৈতিক সহচর,বাংলাদেশ আ'লীগের প্রয়াত প্রেসিড়িয়াম সদস্য,বাংলাদেশ আ'লীগ,চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আ'লীগের সাবেক সফল সভাপতি,বীর মুক্তিযুদ্ধা আলহাজ্ব #আখতারুজ্জামান_চৌধুরী_বাবু ভাইয়ের হাতেগড়া সৃষ্টি।
এবং সদ্য প্রয়াত বীর মুক্তিযুদ্ধা,সাবেক সফল সিটি মেয়র,চট্টগ্রাম মহানগর আ'লীগের বিপ্লবী সভাপতি,চট্টলবীর আলহাজ্ব এবিএম মহিউদ্দীন চৌধুরী (মহিউদ্দীন) ভাইয়ের স্নেহ-মমতা আর সঠিক রাজনৈতিক দিক-নির্দেশনায় অবহেলিত বাঁশখালী আ'লীগকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন বহুদূর।আজ আমাদের মাঝে নেই বীর চট্টলার কালজয়ী বরণ্য এই রাজনীতিবিদ গন।
কিন্তু আপনি তো আছেন।আজ আপনার দিকে থাকিয়ে আছে বাঁশখালীর সর্বস্তরের জনগন।বাঁশখালীর গর্ব,আমাদের অহংকার।বীর চট্টলার নন্দিত নেতা,
প্রিয় অভিভাবক আলহাজ্ব আব্দুল্লাহ কবির লিটন ভাই।প্রয়াত বীরদের জীবনাদর্শই হোক আপনার এগিয়ে প্রেরণা।আপনার প্রতিটা রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড জুড়ে সদা জাগ্রত থাকুক,প্রয়াত রাজনৈতিক শিক্ষকদ্বয়ের অস্থিত্ব।

আমরা বিশ্বাস করি,
আদর্শ, নীতি, নৈতিকতার সমষ্টি একজন যোগ্য নেতৃত্বের গুণাবলিতে সতন্ত্র বৈশিষ্ট্যের সূচনা ঘটায়।হয়তো সবাই রাজনীতি করে,কিন্তু সবাই নেতা হয় না।সময়ের বিবর্তন কিংবা সংগঠনের অর্পিত দায়-দায়িত্ব আর পোষ্ট-পদবীর তবিয়তে অগনিয়ত নেতার আবির্ভাব হয়েছে বটে।কিন্তু আবির্ভাব হয়নি আর কোন বীর মহিউদ্দীন বা বাবু ভাইদের মতো বীরের।যাদের রাজনীতি বলতেই আমৃত্যু জনকল্যাণে নিবেদিত প্রাণ।

হে প্রিয় অভিভাবক,
"আপনার রাজনৈতিক জীবনে চট্টল সিংহ খ্যাত বাবু ভাইয়ের সংস্পর্শ লাভ,চট্টল বীর মহিউদ্দীন ভাইয়ের
কাছ থেকে পাওয়া ৬ বোতাম বিশিষ্ট অমূল্য এই কালো-কোট-টি হউক জাতির পিতার স্বপ্ন পুরুনে আপনার অনুপ্রেরণার প্রধান উৎস।প্রিয় নেত্রীর নির্দেশিত সকল সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নে আপনার পাশে থাকবে বাঁশখালীর তৃনমূল আ'লীগ,যুবলীগ,ছাত্রলীগসহ মহান স্বাধীনতার স্বপক্ষের সর্বস্তরের শক্তিদ্বয়।ভয় নেই,এগিয়ে যান।

জয়বাংলা,বাংলার জয়.....
হবে,হবে,হবে।হবে নিশ্চয়।

জয়বাংলা, জয়বঙ্গবন্ধু।
জয়েতু দেশরত্ন শেখ হাসিনা।
জয় হোক,
বাঁশখালীর তৃনমূল আওয়ামীলীগের,জয় হোক বাঁশখালীর লাখো মেহনতি জনতার।

-------------------------জয়বাংলা।

"চট্টল বীরের এই মুজিবকোট-ই হোক আপনার অনুপ্রেরনার উৎস

www.times23.blogspot.com
🇧🇩ইতিহাস,ঐতিহ্য,ত্যাগ,অবদানে,দেশ ও জনগণের স্বার্থ সংরক্ষণের গৌরবময় পথপ্রদর্শক হিসেবে সর্বজন স্বীকৃত মহান স্বাধীনতার স্বপক্ষের একমাত্র সংগঠন বাংলাদেশ আ'লীগ।জাতির পিতার বিচক্ষণ নেতৃত্ব আর সহযোদ্ধা/সহচরদের সহোদর সহিত ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় অর্জিত লাল সবুজের পতাকা,বাঙ্গালি জাতির ইতিহাস,ঐতিহ্য আর দেশপ্রেমের পরিচয় বহন করে।
১৯৭১সালে জাতির পিতার নির্দেশে,পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙ্গে স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় নিজদের জীবন উৎসর্গ/বাজী রাখা বীরদ্বয় বাংলা মায়ের শ্রেষ্ঠ সন্তান।যাদের #রাজনৈতিক_জীবনাদর্শই হলো দেশ ও দেশের জনগনের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট অধিকার প্রতিষ্টায় বীরত্বের মহাকাব্য।

বাংলাদেশের স্থপতি,হাজার বছরের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালি,জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের  রাজনৈতিক সহচর /সহযোদ্ধারা স্বদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের রাজসাক্ষী।যারা অবধি রাজনীতির সর্বজন স্বীকৃত জীবন্ত কিংবদন্তী।আদর্শিক রাজনীতির শিক্ষক।

সোমবার, ১২ নভেম্বর, ২০১৮

Moinul wants to live, increase your humanity's hand



Banshkhali Upazila Chhatra League is a humble request to the leaders and workers of all walks of life, all of them stand beside the sick and ill-faced former student leader Moinul Huq. It is yours / my moral responsibility and duty. I believe, Allah alone is the master of saving.

But Moinul wants to save. We can not, can we come together united to save one life? We can not do it, to give Moinul a small part of their day-to-day life to his family ... ..?
Maybe,
Muneul can return to normal life with your little / little / little / little effort.

# Moinul Haq Chambal Union Chhatra League's
former vice president (2005), the brutal joke of fate, two kidneys of Moinul have already collapsed, we do not want to lose Muneul, let's do as much as we can, Moinul extended his hand of maximum cooperation.

His own bank account was given below:

Md Moinul Hoque a / c no 188-151-53025 Dutch Bangla Bank CEPZ, Chittagong.
Her own mobile number: -
01813170922 (bKash).

রবিবার, ১১ নভেম্বর, ২০১৮

আব্দুল্লাহ কবির লিটন"বাঁশখালী আ'লীগের নীরব সেবক,যার কাছেই নিরাপদ বাঁশখালী তৃনমূল আ'লীগ

[আব্দুল্লাহ কবির লিটন"বাঁশখালী আ'লীগের নীরব সেবক,যার কাছেই নিরাপদ বাঁশখালী তৃনমূল আ'লীগ]


চট্টগ্রাম সংসদীয় আসন-১৬(বাঁশখালী)!
স্বাধীন সার্বভৌম প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশের জন্মলগ্ন থেকে কখনো আলোচিত/কখনো সমালোচিত প্রিয় বাঁশখালীর ইতিহাস বলতেই দেখেছি,স্বাধীনতা পরবর্তী দীর্ঘ সময়েও পরাধীনতার গ্লানি বয়ে বেড়ানোর নিঃলজ্জকর ইতিহাস।আছে রাজাকারের ফাঁসির রায়ে অফিস,আদালত,মন্দির মসজিদে আগুন দেওয়ার ইতিহাস।
সাঈদীপুত্রদের দেশদ্রোহী তান্ডব আর জ্বালাও পুড়াও আড়ালে স্বাধীনতার পরাজিত শক্তিরা বাঁশখালীতে ৭১এর পুনরাবৃত্তি ঘটিয়েছে নিরহ মানুষের সাথে গবাদি পশুকেও জ্বালিয়ে মারার মধ্য দিয়ে..........

"মিনি পাকিস্তান"
৭১ পরবর্তী বাঁশখালী নতুন নামকরণ'
তৎকালীন বাঁশখালীতে সত্যিকারের স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তির তুলনামূলক লাজুক চিত্র বহন করে।যেখানকার রাজপথ বলতেই যেন জিয়ার সৈনিক আর নারায়ের তাকবিরের রমরমা আধিপত্য।ছাত্রলীগ অনেকটা সংখ্যালুঘু।হয়তো আজকের বাঁশখালীর রাজপথের চিত্র ভিন্ন বটে।কিন্তু ঠিকই অবহেলিত বাঁশখালীর ত্যাগী আওয়ামী পরিবার।তবু সবার মতো আমরাও স্বপ্ন দেখছি স্বাধীন হওয়ার।পরাধীনতার গ্লানি মুছে এগিয়ে যাওয়ার।আমরা উড়ে তো এসে,জুড়ে বসি নাই।শুরু থেকে বসেই আছি।কাজেই জামায়াত শিবির মুক্ত বাঁশখালীর স্বপ্ন দেখতেই পারি।

বাঁশখালীর রাজপথ আমাদের শ্রম আর রক্তের প্রতিটা ফোঁটার নীরব সাক্ষী। আমরা সেদিনও লেজ গুটিয়ে পালিয়ে যাই নাই,আজো যাবো না। আমাদের টিয়ার কাবিকার প্রয়োজন হয় না।জনকের আদর্শকে ভালোবেসেছি বলেই শত প্রতিবন্ধকতা সর্তেও বাঁশখালীর রাজপথ আমরাই পাহারা দিয়েছি।আজো দিচ্ছি।কোন স্বার্থের মোহে নয়।রাজপথে হাজারও সহযোদ্ধার যাওয়া আসার মিছিল দেখেছি।দেখেছি অগনিত মেধাবী ছাত্রনেতা ঝরে যাওয়ার নিদারুণ করুন দৃশ্যও।
বাঁশখালীতে স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তিদ্বয় যতবারই হোচট খেয়েছে,যতবারই জামায়াত-বিএনপি কর্তৃক আক্রান্ত হয়েছে...?
            ঠিক ততবারই ত্রানকর্তার ভূমিকায় কেউ না কেউ সংগঠনের হাল ধরেছেন।সংগঠনের চরম দুঃসময়ে যে ক'জন নেতা ছায়া হয়ে সংগঠনের প্রয়োজনে রাজপথে নিজেদের নিঃস্বার্থভাবে বিলিয়ে দিয়েছেন,তাদের মধ্যে আলহাজ্ব আব্দুল্লাহ কবির লিটন (Abdullah Kabir liton) ভাই একমাত্র ব্যক্তি,যিনি আজ অবধি পর্যন্ত শুধু দিয়েই গেছেন।যার ত্যাগ অবদান আর  বিচক্ষণ নেতৃত্বের ফসল আজকের সুসংগঠিত এবং ঐক্যবদ্ধ বাঁশখালী উপজেলা ছাত্রলীগ তথা আওয়ামী লীগ পরিবার।আমি আমার নেতা বলে বলছি না,ত্যাগ অবদান,জনপ্রিয়তার কাতারে বাঁশখালী আওয়ামীলীগের মহানায়ক,সাবেক সাংসদ,বীর মুক্তিযুদ্ধা এ্যাড সুলতানুল কবির চৌধুরী পরবর্তী বাঁশখালী বলতেই আলহাজ্ব আব্দুল্লাহ কবির লিটন.......................।
বাঁশখালীর সমস্ত জনপদ জুড়ে যার অস্থিত্ব।

ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়,
৭০এর নির্বাচনে জাতির পিতার ডাকে সেইদিন সারা বাংলাদেশ এক সাথে সাড়া দিলেও সাতকানিয়া আর আমরাই ছিলাম (বাঁশখালী) ব্যতিক্রম। একটি তর্জনী,একটা দেশের স্বাধীনতা।একটা স্বাধীন ভূখণ্ড।
৭১এর মুক্তিযুদ্ধে ৩০লক্ষ শহীদের আত্মদান,২লক্ষ মা বোনের ইজ্জত বিনিময়ে অর্জিত লাল সবুজের পতাকাচিত স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের মাঠিতে,স্বাধীনতা পরবর্তী দীর্ঘ সময় আমরাই ছিলাম পরাধীন।হয়তো এখনো আছি!বিগত উপজেলা নির্বাচনে রাজাকার সমিতির প্যানেল-সহকারে জয়,আজ পর্যন্ত সরকারি গাড়ির তেল পুড়ে নিষিদ্ধ জামায়াতের খরচ ও রসদ জোগাচ্ছেন,উপজেলা জামায়াত আমির জহির উদ্দীন।উপজেলা পরিষদ সরকারি দপ্তর বটে।কিন্তু বাস্তবে পুরোটাই জামাতিদের হেডকোয়ার্টার।

"আব্দুল্লাহ কবির লিটন"
বাঁশখালীবাসীকে সেই পথটাই দেখিয়েছেন,যে পথে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সমন্বিত রেখে এবং জাতির পিতার আদর্শ প্রতিষ্ঠিত করা যায়।নিজেদের আত্মনির্ভরশীল জাতিতে পরিণত করা যায়।বাঁশখালী আওয়ামী লীগ তথা স্বাধীনতার স্বপক্ষের সংগঠন গুলো আজ সুসংগঠিত।ঐক্যবদ্ধ ও নৌকার বিজয়ে প্রতিশ্রুতিদ্ধ।পরিবর্তনে অঙ্গীকার বদ্ধ।
আগামী জাতীয় নির্বাচনে বাঁশখালীতে নৌকা প্রতীকের বিকল্প নেই।
আমরা বিশ্বাস  করি,
নৌকাই মুক্তির ধারকবাহক, যা প্রতিটি স্বাধীনতাকামী সচেতন নাগরিকের শিরায় উপশিরায়......
একটা আদর্শের সুত্র ধরেই ছুটে চলেছি।পিতার অমর উক্তি আজ আমাদের এতোদূর নিয়ে এসেছে।থেমে যেতে চাই না।

আমরা বুকে লালন করি,প্রতিবন্ধকতা যত বড়ই হোক,
"বাঙ্গালীকে কেউ ধাবায় রাখতে পারবে না"
বিজয় অবশ্যই আসবে,
ইনশাআল্লাহ!

জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু।

times24

দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে বাঁশখালীতে আওয়ামীলীগের প্রতিবাদ সমাবেশ

দেশবিরোধী চক্রান্ত – ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে  কালীপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, তাঁতিলীগ,শ্রমিক লীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠন...