সোমবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

বাঁচতে চায় মঈনুল,বাড়িয়ে দিন,আপনার মানবতার হাত

বাঁশখালী উপজেলা ছাত্রলীগের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের প্রতি বিনীত অনুরোধ,আপনারা সকলেই নিজ নিজ অবস্থান থেকে গুরুতর অসুস্থ সাবেক ছাত্রনেতা মঈনুল হকের পাশে দাড়ান।এটা আপনার/আমার নৈতিক দায়িত্ব ও কর্তব্য।আমি বিশ্বাস করি,বাচানোর মালিক একমাত্র আল্লাহ।

তবে মঈনুল বাচতে চায়।আমরা কি পারি না,একটা জীবন বাচাতে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসতে?আমরা কি পারি না,নিজেদের একটা দিনের দৈনন্দিন খরচের সামান্য অংশ মঈনুলের জীবন বাচাতে তার পরিবারের হাতে তুলে দিতে.......?
হয়তো,
আপনার/আমার/আমাদের/আপনাদের সামান্য প্রচেষ্টায় স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারে মঈনুল।

#মঈনুল হক চাম্বল ইউনিয়ন ছাত্রলীগ এর
সাবেক সহ সভাপতি (২০০৫),ভাগ্যের নির্মম পরিহাস, বর্তমানে মঈনুল এর দুইটা কিডনিই বিকল হয়ে গেছে, আমরা মঈনুল কে হারাতে চাইনা,আসুন যেই যেভাবে পারি,মঈনুল কে নিজেদের সর্বোচ্চ সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেই।

নিচে তাহার নিজের ব্যাংক হিসাব দেওয়া হল:

Md Moinul Hoque a/c no 188-151-53025 Dutch Bangla Bank C E P Z, Chittagong।
তার নিজের মোবাইল নং:-
01813170922 (বিকাশ)।

কাটের্সীঃ-
হোছাইন মোহাম্মদ(Hussain Muhammad)
সাংগঠনিক সম্পাদক।
চট্টগ্রাম দক্ষিণ ছাত্রলীগ।

x

শনিবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

জন্মদিন উপলক্ষে দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি তাওহীদুল ইসলাম জেকির ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ

নিজের জম্মদিন উপলক্ষ্যে চট্টগ্রাম দক্ষিণজেলা  ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি তাওহীদুল ইসলাম জেকির  জুলধা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের নিয়ে ব্যতিক্রমী কর্মসূচী পালন করেন   ।
চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি তাওহীদুল ইসলাম জেকি'র জন্মদিন উপলক্ষ্যে জুলধা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি মোঃ নুরুল হক চৌধুরীর সভাপতিত্বে ইছালে সওয়াবের উদ্দেশ্যে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে। উক্ত দোয়া মাহফিলে নাতে মোস্তফা সঃ, দরূদে মোস্তফা, ও বিশেষ মোনাজাত এ দেশবাসী ও পরিবার পরিজনের জন্য দোয়া প্রার্থনা করা হয়।
উক্ত দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন জুলধা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ মুছা, যুবলীগ নেতা ফারুক, জুলধা ছাত্রলীগের যুগ্ন সম্পাদক ইয়াছিন আহমেদ রুমেল, ছাত্রলীগ নেতা এসকান্দর হামিদ, মহিউদ্দীন, মনির, জাহিদুল হক বাবু, নুর উদ্দীন কাজল প্রমুখ।



শুক্রবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

বাঁশখালী আলাওল কলেজে প্রিন্সিপাল পদে সাবেক শিবির ক্যাডার


চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের একসময়কার কুখ্যাত শিবির ক্যাডার,বর্তমান জামায়াতের নেতা প্রফেসার আজিজুর রহমানকে বাঁশখালী সরকারী আলাওল ডিগ্রী কলেজে প্রিন্সিপাল পদে নিয়োগ বাণিজ্য করে সিনিয়র প্রফেসারের মধ্যে তিন নাম্বারে থাকা প্রফেসারকে প্রিন্সিপাল করার জোর প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
বাঁশখালী আওয়ামীলীগ,যুবলীগ ও ছাত্রলীগের প্রতি অনুরোধ প্রিয় সরকারি আলাওল ডিগ্রী কলেজকে জামায়াত-শিবিরের ঘাঁটি হওয়া থেকে রক্ষা করুন।
এই জামাতি প্রফেসারকে যদি প্রিন্সিপাল করা হয় বাঁশখাল সরকারি আলাওল কলেজ ছাত্রলীগের কি অবস্থা হবে,তা আপনারাই চিন্তা করেন।

এইভাবে কি আমরা বার বার জামাতিদের কাছে হেরে যাবো?
আমরা কি এতোই দুর্বল?এইসবের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা প্রতিটা ছাত্রলীগ ভাইয়ের ঈমানী কর্তব্য।যেই ছাত্রলীগকে নিয়ে আমরা গর্ব করি যে প্রতিষ্ঠানকে নিয়ে আমরা অহংকার করি,যে কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ছাত্রলীগের নেতৃত্বের সৃষ্টি,সেখানকার অভ্যন্তীন চিত্র যদি এমনই হয়,তাহলে বাঁশখালী আলাওল কলেজ ছাত্রলীগের কি অবস্থা হয় আপনারা বলুন।
এখনই সময়,এগিয়ে আসুন।
বাঁশখালী সরকারি আলাওল কলেজকে জামায়াত-শিবিরের হাত থেকে রক্ষার্থে সকল প্রকার গ্রুপিং চিন্তা উর্ধ্বে রেখে প্রতিবাদ করি...

জামায়াত-শিবিরের আস্তানায় পরিনত হওয়ার পূর্বে প্রিয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান 'বাঁশখালী সরকারি আলাওল কলেজকে রক্ষা করি ।

বুধবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

চট্টগ্রামের ১৬টি আসনে নৌকার প্রার্থী হচ্ছেন যারা

বিএনপিসহ ২০ দলীয় জোট একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে ধরে নিয়েই পুরোদমে নির্বাচনী মাঠে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট। দশম সংসদের মত বিএনপিজোট নির্বাচন বর্জন করবে, নাকি অংশগ্রহণ করবে সেদিকে তীক্ষ্ম দৃষ্টি রয়েছে ক্ষমতাসীনদের। এরই মধ্যে তারা গত দুই সংসদ নির্বাচনের মত শুরু করেছে ভোটের হিসাবে জোটের রাজনীতি। এবারও ঐক্যবদ্ধ ভোটের রাজনীতির আভাস মিলেছে আওয়ামী লীগের শীর্ষপর্যায় থেকে। পাশাপাশি তিন স্তরের প্রার্থী তালিকাও তৈরি করেছে আওয়ামী লীগ।
আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির নির্ভরযোগ্য সূত্র ও দলটির কেন্দ্রীয় সংসদের ঘনিষ্ঠ সূত্রের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বিএনপিজোট অংশ নিলে গত সংসদ নির্বাচনের বেশিরভাগ প্রার্থীই বহাল থাকবেন। আর বিএনপি নির্বাচন না করলে ভোটসঙ্গী জাতীয় পার্টির সঙ্গে অলিখিত সমঝোতার মাধ্যমে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করতে বিকল্প প্রার্থী-তালিকা তৈরি করেছে আওয়ামী লীগ। পাশাপাশি গতবারের মত মহাজোটগত নির্বাচন হলেও প্রাথমিকভাবে তিনশ’ আসনেই নিজেদের প্রার্থী ঘোষণা করবে আওয়ামী লীগ।
পরে অবশ্য জোটের স্বার্থে সেখান থেকে নিজেদের প্রার্থীকে প্রত্যাহার করে নেবে দলটি অর্থাৎ এসব প্রার্থী হলেন আওয়ামী লীগের ডামি প্রার্থী। তবে মূল প্রার্থী তালিকায় চূড়ান্তভাবে তালিকাভুক্ত করা আছে মহাজোটগত নির্বাচনের প্রার্থী তালিকা আর বিএনপিবিহীন জাতীয় পার্টির সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারীদের দুটি তালিকা। তৃতীয় তালিকাটি আওয়ামী লীগের ডামি প্রার্থীর তালিকা। গত সংসদ নির্বাচনে মহাজোট গত নির্বাচনের কারণে বেশ কয়েকজন ডামি প্রার্থীকে সরে যেতে হয়েছিল। মূলত এই তিনটি প্রার্থী তালিকাকে সামনে নিয়েই নির্বাচনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে আওয়ামী লীগ।
এবার প্রার্থী নির্ধারণে বেশ কিছু বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ করেছে দলটির শীর্ষ নেতৃত্ব ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটি। প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে প্রাধান্য পাবে বর্তমান সংসদ সদস্য, ভোটের রাজনীতিতে জনপ্রিয়তা, অতীত ভালোমন্দ, তৃণমূলের সঙ্গে সর্ম্পকের ধরন, নির্বাচনী খরচ জোগানের ক্ষমতা, তিনটি সরকারি গোয়েন্দা সংস্থার জরিপ ও দলের নিজস্ব উইংয়ের মাধ্যমে জরিপের পর সর্বোপরি দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে সু-সম্পর্কের বিষয়টি।
এদিকে, চট্টগ্রামের ১৬ আসনে বর্তমানে দুটিতে জাতীয় পার্টি, একটিতে জাসদ ও একটি তরিকত ফেডারেশনের এমপিরা সংসদে প্রতিনিধিত্ব করছেন। আর বাকী ১২টিতে প্রতিনিধিত্ব করছেন আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্যরা।
তবে এবার মনোনয়নের ক্ষেত্রে চট্টগ্রামভিত্তিক একটি শিল্পগ্রুপ অন্তত চারটি আসনে ভূমিকা রাখবে। ইতোমধ্যে ওই গ্রুপের সঙ্গে সুসম্পর্ক থাকার কারণে তিনটি আসনে আওয়ামী লীগের বর্তমান প্রার্থীরা অনেকটা নির্ভার। অন্যদিকে দক্ষিণ চট্টগ্রামের বাঁশখালী আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী পরিবর্তনের আভাস মিলেছে। নাটকীয় সিদ্ধান্ত না হলে বন্দর আসনেও বর্তমান এমপির প্রার্থিতা বহাল থাকবে। সব মিলিয়ে চট্টগ্রামের ১৬ আসনে এবার ১৫ আসনেই প্রার্থী বহাল থাকলেও বাঁশখালী আসনে নতুন মুখ আসতে পারে। এরপরও অন্যান্য আসনেও মনোনয়নের জন্য মাঠে কাজ করে যাচ্ছেন প্রবীণ ও নবীন আওয়ামী লীগের নেতারা।
চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসনে বর্তমান সংসদ সদস্য গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন। এবারও তাঁর মনোনয়নের বিষয়টি অনেকটা নিশ্চিত। এরপরও বিকল্প তালিকায় নাম রয়েছে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি গিয়াস উদ্দিন। আর নতুন মুখ হিসেবে সামাজিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে আলোচনায় রয়েছেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ কমিটির সদস্য ও তরুণ শিল্পোদ্যাক্তা নিয়াজ মোর্শেদ এলিট।
চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে এবারও নিশ্চিত ১৪ দলের অন্যতম নেতা বর্তমান সংসদ সদস্য তরিকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান মাওলানা নজিবুল বশর মাইজভাণ্ডারী। আর বিকল্প তালিকায় আছেন গতবারের প্রার্থিতা প্রত্যাহারকারী সাবেক এমপি প্রয়াত রফিকুল আনোয়ারের কন্যা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগ সদস্য খাদিজাতুল আনোয়ার সানি। আলোচনায় আছেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও ২০০৮-এর আওয়ামী লীগ প্রার্থী এটিএম পেয়ারুল ইসলাম।
চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) আসনে আওয়ামী লীগের বর্তমান সংসদ সদস্য দ্বীপবন্ধু সাবেক সাংসদ মোস্তাফিজুর রহমানের সন্তান মাহফুজুর রহমান মিতা। এবারও তাঁর প্রার্থিতা অনেকটা নিশ্চিত।
চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড) আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য সাবেক মেয়র মনজুরুল আলমের ভাতিজা শিল্পপতি মো. দিদারুল আলম। নানা হিসাব-নিকাশ ও সরকারের শীর্ষপর্যায়ে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ এবং সীতাকুণ্ডের সাংসদ হিসেবে অনেকটা বিতর্কের উর্ধ্বে থাকতে পারায় এবারও দিদারুল আলমের হাতে উঠবে নৌকার টিকিট। তবে আলোচনায় আছেন প্রাক্তন সাংসদ আবুল কাশেম মাস্টারের বড় ছেলে সীতাকুণ্ড উপজেলা চেয়ারম্যান ও উত্তর জেলা যুবলীগের সভাপতি আবদুল্লাহ আল মামুন।
চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী) জোটের ভোটসঙ্গী জাতীয় পার্টির কারণে এবারও এই আসনটি ছেড়ে দিতে হবে জাতীয় পার্টির শীর্ষ নেতা বর্তমান সংসদ সদস্য ও পরিবেশমন্ত্রী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদের কাছে। বিকল্প প্রার্থীর তালিকায় আছেন উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এম এ সালাম। আলোচনায় আছেন গতবারের প্রার্থিতা প্রত্যাহারকারী উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক ইউনূস গণি চৌধুরী।
চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসনে টানা তিন বার আওয়ামী লীগের বর্তমান সংসদ সদস্য ও রেলপথ মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির সভাপতি, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী এবারো অপ্রতিদ্বন্দ্বী। তবে মনোনয়ন চেয়ে নিজেকে আলোচনায় রেখেছেন ছাত্রলীগের সাবেক সেক্রেটারি মাহফুজুল হায়দার রোটন।
চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া ও বোয়ালখালীর শ্রীপুর-খরণদ্বীপ ইউনিয়ন) আসনে টানা দুবারের সংসদ সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদের এবারো অপ্রতিদ্বন্দ্বী। তিনি মনোনয়ন পাচ্ছেন তা নিশ্চিত।
চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী-চান্দগাঁও) আসনেও গত দুই বারের সংসদ সদস্য জাসদের মইন উদ্দিন খান বাদলের এবারের প্রার্থিতা নিশ্চিত। জাতীয় রাজনীতি ও সংসদে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার কারণে তার উপরই আস্থা মহাজোট নেত্রীর। এরপরও বিকল্প প্রার্থী তালিকায় রয়েছেন সিডিএ চেয়ারম্যান আব্দুচ ছালাম ও দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোসলেম উদ্দিন আহমেদ। তবে গত দুবার আবদুচ ছালাম আওয়ামী লীগের প্রাথমিক মনোনয়ন পেলেও বাদলের কাছে প্রার্থিতা ছেড়ে দিয়েছিলেন কেন্দ্রের নির্দেশে।
নগরীর প্রেস্টিজিয়াস আসন খ্যাত চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালী-বাকলিয়া) আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম মেম্বার জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু। জোটের হিসেবে ভোটসঙ্গী জাপার হেভিওয়েট প্রার্থী বাবলুর প্রার্থিতাও অনেকটা নিশ্চিত। তবে এ আসনে বিকল্প প্রার্থী হিসেবে আছেন প্রয়াত মহিউদ্দিন চৌধুরীর সন্তান আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, ২০০৮ এর এমপি এবং বর্তমান প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী নুরুল ইসলাম বি.এসসি ও সিডিএ চেয়ারম্যান আবদুচ ছালামও।
চট্টগ্রাম-১০ (ডবলমুরিং-হালিশহর) এই আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য নগর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি ও সাবেক গণশিক্ষামন্ত্রী ডা. আফছারুল আমীন। নানান প্রার্থীর ভিড়ে ভোটের রাজনীতিতে এখনো অপ্রতিদ্বন্দ্বী আফছারুল। সেই হিসেবে তাঁর হাতেই থাকছে আগামী নির্বাচনে নৌকার টিকিট। তবে বিকল্প প্রার্থী হিসেবে আছেন আওয়ামী লীগ নেতা মরহুম এম এ আজিজের ছেলে সাইফুদ্দিন খালেদ বাহার। আলোচনায় আছেন সাবেক মেয়র মনজুরুল আলমও।
চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা) আসনে গত দুই বারের সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন আলোচিত-সমালোচিত ব্যবসায়ী নেতা আওয়ামী লীগের এম এ লতিফ। তবে নানা কারণে তাঁর মনোনয়ন-বঞ্চনার খবর প্রকাশ হলেও নানা সমীকরণে এবারও নৌকার টিকিট নিজের দখলে রাখতে পারেন এম এ লতিফ। তবে বিকল্প হিসেবে জোর আলোচনায় আছেন নগর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি তৃণমূল থেকে উঠে আসা খোরশেদুল আলম সুজন। আলোচনায় আছেন চট্টগ্রাাম চেম্বারের শীর্ষ এক নেতাও।
চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) গত দুবারের আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য শামশুল হক চৌধুরী এবারও নিজের মনোনয়ন নিশ্চিত করেছেন। পটিয়ায় সরকারের হাজার হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন ও জনপ্রিয়তার ওপর ভর করে শামসুল হক চৌধুরী টানা তৃতীয়বারের মত পটিয়ায় নৌকার প্রার্থী হচ্ছেন। তবে বিকল্প প্রার্থী হিসেবে আছেন এস আলম গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ লাভু।
চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী) আসনের বর্তমান এমপি আওয়ামী লীগের প্রয়াত প্রেসিডিয়াম সদস্য আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবুর সন্তান সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ। ভূমি প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনকারী জাবেদ গত দুবারের মত এবারও নৌকার টিকিটে নির্বাচন করবেন সেটা অনেকটা নিশ্চিত। তবে বিকল্প প্রার্থী হিসেবে আছেন বর্তমান সংরক্ষিত আসনের এমপি আওয়ামী লীগের আরেক প্রেসিডিয়াম সদস্য প্রয়াত আতাউর রহমান খান কায়সারের কন্যা ওয়াশেকা আয়েশা খান।
চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ) বর্তমান সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম চৌধুরীকে এবারও নৌকার টিকিট দিচ্ছেন দলের শীর্ষ নেতৃত্ব ভোটের রাজনীতি ও গত পাঁচ বছরে এলাকায় কোনো নেতিবাচক কর্মকা- না থাকার কারণে ব্যাপক জনপ্রিয়তা বাড়িয়েছেন নিজ কর্মগুণে প্রবীণ এ নেতা। সে কারণে তিনিই হচ্ছেন চন্দনাইশের নৌকার একক প্রার্থী।
চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) প্রথমবারের মত জামায়াতবিহীন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের টিকিটে নির্বাচন করে ফসল ঘরে তুলে নৌকায় চড়ে সংসদে যান প্রফেসর ড. আবু রেজা মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন নদভী। আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগের উপ প্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমীন, ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মাঈনুদ্দীন হাসান চৌধুরী, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আবু সুফিয়ান, বনফুল গ্রুপের কর্ণধার এম এ মোতালেবসহ অনেকে মনোনয়ন প্রত্যাশা করলেও কৌশলগত কারণে জামায়াতের ভোট-ব্যাংক হিসেবে পরিচিত এই আসনে আবারও নদভীকে নৌকার টিকিট দিতে যাচ্ছেন আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃত্ব।
চট্টগ্রাম-১৬ (বাশঁখালী) আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী। কিন্তু নির্বাচিত হবার পর থেকে নানা বির্তকের জন্ম দেওয়ায় চূড়ান্তভাবে মনোনয়ন-তালিকা থেকে বাদ পড়তে যাচ্ছেন তিনি। এ আসন থেকে নতুন মুখ হিসেবে আসতে পারেন এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান সাইফুল আলম মাসুদের ঘনিষ্ঠ আত্মীয় আব্দুল্লাহ কবির লিটন। বাঁশখালীর গ-ামারায় এস আলম গ্রুপের কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের সময় গ্রামবাসীর সঙ্গে পুলিশের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের সময় এলাকায় ছিলেন না বর্তমান সাংসদ। প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে দুপক্ষের সঙ্গে ফয়সালা করেছিলেন লিটন। এছাড়া গণভবনের ঘনিষ্ঠ এস আলম গ্রুপও চায় আব্দুল্লাহ কবির লিটনই হোক বাঁশখালীর নৌকার প্রার্থী। তবে ভোটসঙ্গী জাতীয় পার্টির মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী যদি জোটগত নির্বাচন করেন তাহলে সেখানে লিটনের কপাল পুড়তে পারে।himel001


শনিবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

দম্ভ গৌরব অহংকারহীন জীবনের সারাংশ

বল
তে গেলে সোনার চামচ মুখে নিয়ে জন্মেছেন, বিদেশ থেকে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হয়েছেন, দেশের ধর্ণাঢ্য শিল্পপতি, দেশের অন্যতম শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতাও,  দেশের বহুল পরিচিত অন্যতম রাজনৈতিক পরিবারের সন্তানও বটে,

কিন্তু তাঁর বচন ভঙ্গি সৌজন্যতায় যেন একজন সাধারণ মানুষের মতোই ৷ দেশের অনেক নেতারাই যখন নেতৃত্ব পাওয়ার পর সাধারণ মানুষকে ভুলে যান, জনগনের সাথে যোগাযোগ রাখেনও না তিনি ঠিক তাঁর বিপরীতেই, নেতৃত্ব পাওয়ার পর নেতৃত্বের  সুষম বিকাশ তথা জনগনের অর্পিত ওয়াদা রক্ষায় ঢাকার দাপ্তরিক কাজ শেষ করে সপ্তাহের প্রতি শুক্র ও শনি দুদিন পৌছে যান জনগনের দোড়গোড়ায় ৷ উনি উনার সংসদীয় আসনের বিভিন্ন ইউনিয়নের যেকোন একটি মসজিদে নিয়মিত ধারাবাহিকভাবে জুমার নামাজ আদায় করেন ৷ দল মত ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকলের সাথে কুশল বিনিময় করেন , বিভিন্ন সমস্যার কথা শুনে দ্রুত তা সমাধানের আপ্রাণ চেষ্টা করেন ৷ শুধু তাই নয় প্রতি শুক্রবার এবং শনিবার সন্ধ্যা থেকে মধ্যরাত অবধি তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে সময় কাটান ৷ এবং তিনি দল মত নির্বিশেষে সকলের জন্য তাঁর দুয়ার খোলা ঘোষনা দিয়েছিলেন সে প্রতিশ্রুতি মোতাবেক দল মত নির্বিশেষে যেকোন মানুষের সমস্যা অভিযোগ সরারসি শুনেন এবং সমস্যা সমাধানে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করেন ৷ অপরাধের ক্ষেত্রে অপরাধী যেই হোক এমনকি নিজ দলের কেউ অপরাধ করলে তাকেও ন্যূনতম ছাড় দেননা তিনি বরং কঠোর ব্যাবস্থা গ্রহন করে থাকেন ৷
মন্ত্রী হিসেবে রাষ্ট্র কর্তৃক প্রদত্ত বেতন বাড়ি গাড়ি সহ বিভিন্ন ধরনের সুযোগ সুবিধা তিনি গ্রহন করেন না বরং নিজ তহবিল থেকে নীরবে অনেক মানুষকে সাহায্য সহযোগিতা করে যাচ্ছেন যা অগণিত ৷
উনার ছবিটি আজকের, চাতরী জুমার নামাজের জন্য মসজিদে প্রবেশের পূর্বে মসজিদের বারান্দার সিড়িতে বসে এলাকার মানুষের সাথে কথা বার্তা বলছিলেন যাতে তিনি মন্ত্রী কিংবা শিল্পপতির দম্ভ নিয়ে সিড়িতে বসতেও সংকোচ বোধ করেননি ৷ এটাই নেতৃত্বের সর্বোচ্চ গুণাবলী যিনি নিজেকে সাধারণের কাতারে ভাবতে পছন্দ করেন ৷
যার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে হাজার হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন কার্যক্রমে অানোয়ারা - কর্ণফুলী উপজেলাদ্বয় দেশের অন্যতম মডার্ণ উপজেলায় রুপান্তরিত হচ্ছে ৷

তিনি আর কেউ নন, তিনি মহান মু্ক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রাক্তন প্রেসিডিয়াম সদস্য, স্বাধীন বাংলাদেশের অন্যতম শিল্পদ্যোক্তা, ইউসিবির প্রতিষ্ঠাতা, আন্তর্জাতিক ব্যবসায়ী নেতা, বিজ্ঞ সাংসদ, চট্টল সিংহ  মরহুম জননেতা আলহাজ্ব আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবু'র সুযোগ্য উত্তরসূরী বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক সদস্য, মাননীয় ভূমি প্রতিমন্ত্রী জননেতা আলহাজ্ব সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ এমপি মহোদয়।

এমন নির্লোভ নিরহংকার গণমানুষের আস্থার প্রতীক জননেতা আলহাজ্ব সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ ভাইকে পূনঃরায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার মন্ত্রী সভার পূর্ণ সদস্য হিসেবে দেখতে আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে ভোট দিন ৷

মার্কা নৌকা
সিদ্ধান্ত আপনার!

কপি: H M Humayun Kabir

times24

দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে বাঁশখালীতে আওয়ামীলীগের প্রতিবাদ সমাবেশ

দেশবিরোধী চক্রান্ত – ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে  কালীপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, তাঁতিলীগ,শ্রমিক লীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠন...